গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

২০২৩ উপবৃত্তি সংক্রান্ত কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জরুরী নোটিশ

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেক্সটাইল শিক্ষাক্রমের ১ম (নতুন ভর্তিকৃত), ২য়, ৪র্থ, ৬ষ্ঠ ও ৮ম পর্বের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টাইপেন্ড এমআইএস সফটওয়্যার-এর মাধ্যমে উপবৃত্তির আবেদন ফরম (SAF) যথাযথভাবে পূরণ করে আগামী ৩০/১১/২০২৩ খ্রিস্টাব্দ তারিখের মধ্যে নিজ নিজ বিভাগে জমা দিতে হবে।     আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: আবেদন ফরম জমা দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের অবশ্যই নিম্নলিখিত কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে: শিক্ষার্থীর ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)/জন্মসনদের ফটোকপি পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সচল মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট নম্বর (বিকাশ/নগদ/রকেট ইত্যাদি)   নির্ধারিত সময়সীমার পরে জমা দেওয়া কোনো আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই শিক্ষার্থীদের সময়মতো যথাযথ কাগজপত্রসহ আবেদন ফরম জমা দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। আদেশক্রমেপ্রশাসন বিভাগগুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস   ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেক্সটাইল শিক্ষাক্রমের ১ম (নতুন ভর্তিকৃত), ২য়, ৪র্থ, ৬ষ্ঠ ও ৮ম পর্বের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টাইপেন্ড এমআইএস সফটওয়ারে উপবৃত্তির জন্য আবেদন ফরম (SAF) যথাযথভাবে পুরন করে আগামী ৩০/১১/২০২৩খ্রি. তারিখের মধ্যে স্ব স্ব বিভাগে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। সংযুক্ত ফরম পুরন করে জমা দেওয়ার সময় অবশ্যই শিক্ষার্থীর ২কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মসনদের কপি এবং বাবা ও মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং সচল মোবাইল ব্যংকিং একাউন্ট নম্বর সহ জমা দিতে হবে। নিচের এই লিংকে ক্লিক করলে ফরমটি পাওয়া যাবে। উপবৃত্তির ফর্ম

গুরুকুলে বৃত্তির কোটা ব্যবস্থা

Mir Mosharraf Hossain Campus Kushtia Gurukul, Gurukul Bangladesh

সমতা, সুযোগের বিস্তার এবং শিক্ষা সবার জন্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুকুল চালু করেছে বিশেষ বৃত্তির কোটা। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা দূর করার উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিল্পী, খেলোয়াড়, হরিজন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, এতিম, প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, ভূমিহীন শ্রমজীবী, শিক্ষক পরিবার এবং গুরুকুল কর্মী পরিবারের সন্তানদের জন্য নির্দিষ্ট হারে বৃত্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়াও ছাত্রীদের জন্য আলাদা সুবিধা এবং সরকার অনুমোদিত STEP বৃত্তি কার্যক্রমও চালু রয়েছে। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ১. শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ: আর্থিক অসচ্ছলতা কিংবা সামাজিক অবস্থান যাতে কোনও শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না করে, সে জন্য এই কোটা চালু করা হয়েছে।২. সমাজের বিশেষ গোষ্ঠীর উন্নয়ন: শিল্পী, খেলোয়াড়, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, হরিজন, এতিম ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে আর্থিক সহায়তা প্রদান।৩. মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষক পরিবারের সম্মাননা: মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও শিক্ষক পরিবারের অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি সুবিধা রাখা।৪. নারীর ক্ষমতায়ন: মেয়েদের শিক্ষার হার বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষায় তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিশেষ কোটা নির্ধারণ।৫. দক্ষতা উন্নয়ন: বৃত্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত চর্চা, আত্মনির্ভরশীলতা এবং কর্মসংস্থানমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি।৬. নৈতিকতা ও স্বচ্ছতা রক্ষা: ভর্তির সময় প্রমাণপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে বৃত্তি প্রদান এবং অসত্য তথ্য দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ। ১/ শিল্পী কোটা বৃত্তির ধরন: ১০০% বৃত্তি যোগ্যতা: নিয়মিত শিল্পীরা এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর পুরো কোর্স ফি (১০০%) বৃত্তি থেকে আসবে। শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না। প্রতিটি ট্রেডে বৃত্তি সংখ্যা (৫ জন) ১ জন সংগীত শিল্পী (গায়ক) ১ জন সংগীত শিল্পী (বাদক) ১ জন নৃত্য শিল্পী ১ জন অভিনয় শিল্পী ১ জন চিত্রকলা শিল্পী   শর্তাবলি গুরুকুলের ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। ভর্তি হওয়ার পর প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যেতে হবে। নিয়মিত চর্চায় অংশগ্রহণ না করলে বৃত্তির সুবিধা বাতিল হয়ে যাবে।   ‍‍‍ শিল্পী পরিবারের জন্য বিশেষ সুবিধা সঙ্গীত, নৃত্য, অভিনয়, চিত্রকলা সহ স্বীকৃত শিল্পকলায় পরিচিত শিল্পীদের সন্তানরা ৬০% বৃত্তি পাবে। কবি ও সাহিত্যিক পরিবারের সন্তানরাও এই কোটার অন্তর্ভুক্ত।   ২. খেলোয়াড় কোটা: বৃত্তির ধরন: ১০০% বৃত্তি যোগ্যতা: নিয়মিত খেলোয়াড়রা এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর পুরো কোর্স ফি (১০০%) বৃত্তি থেকে আসবে। শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না। প্রতিটি ট্রেডে বৃত্তি সংখ্যা (৩ জন) ১ জন লাঠিয়াল ১ জন ফুটবলার ১ জন ক্রিকেটার শর্তাবলি গুরুকুলের ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। ভর্তি হওয়ার পর প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যেতে হবে। নিয়মিত চর্চায় অংশগ্রহণ না করলে বৃত্তির সুবিধা বাতিল হয়ে যাবে। ‍‍ খেলোয়াড় পরিবারের জন্য বিশেষ সুবিধা স্বীকৃত খেলোয়াড়দের সন্তানরা ৬০% বৃত্তি পাবে। অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফি-এর ৬০% বৃত্তি থেকে আসবে, এবং শিক্ষার্থীকে মাত্র ৪০% কোর্স ফি প্রদান করতে হবে।   ৩. হরিজন কোটা: বৃত্তির ধরন: ১০০% বৃত্তি যোগ্যতা: হরিজন/দলিত পরিবারের সদস্যরা এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর পুরো কোর্স ফি (১০০%) বৃত্তি থেকে আসবে। শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না। আসন সংখ্যা একই ট্রেডে সর্বোচ্চ ৫ জন শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পাবেন। শর্তাবলি এই বৃত্তি শুধুমাত্র হরিজন/দলিত পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য। ভর্তির সময় সরকারি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। অসত্য তথ্য প্রদান করলে বৃত্তির সুবিধা তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হবে।   ৪. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়: বৃত্তির ধরন: ১০০% বৃত্তি যোগ্যতা: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত পরিবারের সদস্যরা এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর পুরো কোর্স ফি (১০০%) বৃত্তি থেকে আসবে। শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না। শর্তাবলি এই বৃত্তি শুধুমাত্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য। ভর্তির সময় প্রমাণপত্র (জাতীয় পরিচয়পত্র/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন/সম্পর্কিত সরকারি নথি) জমা দিতে হবে। যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী ভর্তি নিশ্চিত করা হবে। অসত্য তথ্য প্রদান করলে বৃত্তির সুবিধা তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হবে।   ৫. এতিম শিক্ষার্থী : বৃত্তির ধরন: ৮০% থেকে ১০০% বৃত্তি যোগ্যতা: এতিমখানার শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকহীন শিক্ষার্থী সুবিধাসমূহ এতিমখানার শিক্ষার্থী: কোর্স ফি-এর ৮০% বৃত্তি প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীকে মাত্র ২০% কোর্স ফি প্রদান করতে হবে। অভিভাবক ও বাড়িঘরহীন শিক্ষার্থী: কোর্স ফি-এর ১০০% বৃত্তি প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না। অতিরিক্তভাবে গুরুকুল প্রমুখ বিশেষ বৃত্তির আওতায় জীবনধারণের খরচ (খাদ্য, বস্ত্র ও আবাসন) বহন করা হবে। শর্তাবলি ভর্তি আবেদনকালে সরকারি/অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। অসত্য তথ্য প্রদান করলে বৃত্তি তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হবে। বৃত্তি প্রাপ্তির বিষয়টি যাচাই-বাছাই শেষে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী নিশ্চিত করা হবে।   ৬. প্রতিবন্ধী: ৭০% থেকে ১০০% বৃত্তি সচ্ছল পরিবারের প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য (বধির ও অন্ধ ব্যতীত) জন্য ৭০% বৃত্তি। অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ৭০% বৃত্তি থেকে আসবে, শিক্ষার্থী মাত্র ৩০% কোর্স ফি দিয়ে পড়তে পারবে।   সহায় সম্বলহীন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য ১০০% বৃত্তি। অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ১০০% বৃত্তি থেকে আসবে, তাকে কোন কোর্স ফিস দিতে হবে না। ভর্তির সময় প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে।   ৭. মুক্তিযোদ্ধা: ৬০% থেকে ১০০% বৃত্তির কোটা সনদধারী মুক্তিযোদ্ধা সন্তান/নাতি (মেয়ের ছেলে-মেয়ে/ছেলের ছেলে-মেয়ে)-এর জন্য ৬০% বৃত্তি। অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ৬০% বৃত্তি থেকে আসবে, শিক্ষার্থী মাত্র ৪০% কোর্স ফি দিয়ে পড়তে পারবে।   সহায় সম্বলহীন (শুধুমাত্র সরকারি ভাতার উপরে নির্ভরশীল) সনদধারী মুক্তিযোদ্ধা সন্তান/নাতি (মেয়ের ছেলে-মেয়ে/ছেলের ছেলে-মেয়ে)-এর জন্য ১০০% বৃত্তি।   অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ১০০% বৃত্তি থেকে আসবে, তাকে কোন কোর্স ফিস দিতে হবে না।   সহায় সম্বলহীন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান/নাতি (মেয়ের ছেলে-মেয়ে/ছেলের ছেলে-মেয়ে)-এর জন্য ১০০% বৃত্তি। অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ১০০% বৃত্তি থেকে আসবে, তাকে কোন কোর্স ফিস দিতে হবে না।   ভর্তির সময় প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। ভর্তির সময় মুক্তিযোদ্ধার মূল সনদ সাথে আনতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা সনদের ফটোকপি এবং শিক্ষার্থীর নাম ও মুক্তিযোদ্ধার সাথে সম্পর্ক উল্লেখ করে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের প্রত্যয়ন-পত্র জমা দিতে হবে।   ৮. ভূমিহীন- কৃষি শ্রমিক, ভ্যান-রিকশাচালক ও মৎস্যজীবী: ৫০% বৃত্তির কোটা ভূমিহীন- কৃষি শ্রমিক, ভ্যান-রিকশাচালক ও মৎস্যজীবীর সন্তানের জন্য ৫০% বৃত্তি। অর্থাৎ এমন শিক্ষার্থীরা মাত্র ৫০% কোর্স ফি দিয়ে পড়তে পারবে। ভর্তির সময় চেয়ারম্যান প্রত্যয়ন-পত্র জমা দিতে হবে।   ৯. শিক্ষক পরিবার: ৫০% বৃত্তি যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মী পরিবারের সদস্য (পৌষ্য) ক্ষেত্রে কোর্স ফিতে ৩০% বৃত্তি। অর্থাৎ এমন শিক্ষার্থীরা মাত্র ৭০% কোর্স ফি দিয়ে পড়তে পারবে। ভর্তির সময় অভিভাবকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়ন-পত্র জমা দিতে হবে।   ১০. শিক্ষার্থীর পরিবার: ২৫% থেকে ৩০% বৃত্তির কোটা একই পিতা/মাতার ২ সন্তান ভর্তি হলে প্রতিজন তার কোর্স ফি তে ২৫% বৃত্তির কোটা। একই পিতা/মাতার ৩ সন্তান ভর্তি হলে প্রতিজন তার কোর্স ফি তে ৩০% বৃত্তি পাবে। ভর্তির সময় প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে।   ১১. গুরুকুল কর্মীর পরিবার: ৬০% বৃত্তির কোটা গুরুকুল পরিবারের যে কোন কর্মীর (স্বামী-স্ত্রী, সন্তান, ভাই-বোন, ভায়ের ছেলে-মেয়ে, বোনের ছেলে-মেয়ে) এর

একটি সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল প্রজন্মের কারিগর হোন: আপনার একটি ক্ষুদ্র উদ্যোগ বদলে দিতে পারে একটি জীবন

বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো বিপুল সংখ্যক প্রাণোচ্ছ্বল তরুণ। কিন্তু এই বিশাল জনসম্পদ যখন উপযুক্ত শিক্ষার অভাবে কর্মসংস্থানহীন থাকে, তখন তা জাতির জন্য বোঝায় পরিণত হয়। গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক বিশ্বাস করে, কর্মমুখী কারিগরি শিক্ষাই পারে এই তরুণদের দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর করে একটি অভাবমুক্ত ও মর্যাদাবান সমাজ গড়ে তুলতে। একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ, একটি পরিবারের আলোকবর্তিকা আমরা বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছি—বাংলাদেশের একজন তরুণের জীবন পরিবর্তনে আপনিও আমাদের অংশীদার হতে পারেন। একজন শিক্ষার্থীকে তার কারিগরি শিক্ষা গ্রহণে পৃষ্ঠপোষকতা করার অর্থ কেবল তার ব্যক্তিগত উন্নয়ন নয়; এটি একটি সম্পূর্ণ পরিবারের দারিদ্র্য মুক্তি এবং অন্ধকার ভবিষ্যৎকে আলোকিত করার একটি স্থায়ী সমাধান। আপনি যখন একজন শিক্ষার্থীর চার বছরের শিক্ষার ব্যয়ভার গ্রহণের দায়িত্ব নেবেন, তখন কার্যত আপনি একটি পুরো পরিবারকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার শক্তি জোগাচ্ছেন। দেশি ও প্রবাসী দাতাদের প্রতি বিশেষ আহ্বান আমরা বাংলাদেশি নাগরিক, দেশপ্রেমিক প্রবাসী বাংলাদেশি এবং মহানুভব বিদেশি নাগরিকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাই—কোনো একক শিক্ষার্থী বা শিক্ষার্থীদের একটি ছোট দলের জন্য আমাদের ট্রাস্ট ফান্ড-এর মাধ্যমে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। আপনার এই বিনিয়োগ কোনো ত্রাণ নয়, বরং এটি একটি টেকসই বিনিয়োগ যা একটি দক্ষ প্রজন্ম তৈরি করবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: আমাদের অঙ্গীকার আপনার মূল্যবান অনুদানের প্রতিটি পয়সার সঠিক ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে গুরুকুল শিল্প ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে একটি শক্তিশালী ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেছে। মনোনয়ন প্রক্রিয়া: এই বোর্ড অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে প্রকৃত মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করে। নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ: তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতিবছর প্রথিতযশা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট দ্বারা নিরীক্ষা (Audit) করা হয়। দাতা বা পৃষ্ঠপোষক চাইলে নিজস্ব নিরীক্ষক নিয়োগ করে বা সরাসরি নিরীক্ষা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ: আমরা সম্মানিত দাতাদের আমাদের ক্যাম্পাস পরিদর্শনে আসার জন্য উৎসাহিত করি, যেন তারা সরাসরি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে অগ্রগতির প্রকৃত চিত্র মূল্যায়ন করতে পারেন। আপনার সাথে আমাদের সংযোগ গুরুকুল নিয়মিতভাবে দাতা বা পৃষ্ঠপোষকদের কাছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর একাডেমিক ফলাফল এবং কারিগরি দক্ষতার অগ্রগতির বিস্তারিত রিপোর্ট সরবরাহ করে। আপনার এই সহযোগিতা কেবল একটি দান নয়, বরং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে আপনার পক্ষ থেকে একটি ঐতিহাসিক অবদান। আজই এগিয়ে আসুন, আপনার হাত ধরেই গড়ে উঠুক একজন তরুণের রঙিন ভবিষ্যৎ। অতিরিক্ত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন: অস্ট্রেলিয়া যোগাযোগ: শাহেদ আবুবকর – ই-মেইল: shahed.abubakar@gurukul.edu.bd বাংলাদেশ যোগাযোগ: গুরুকুল প্রমুখ – ই-মেইল: pramukh@gurukul.edu.bd ট্রাস্টি বোর্ড ও প্রশাসন, গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক।