গুরুকুল ক্রীড়া কমিটি বিষয়ক নীতিমালা ২০১৮
গুরুকুল বিশ্বাস করে—শিক্ষার চূড়ান্ত উদ্দেশ্য কেবল বইকেন্দ্রিক জ্ঞান নয়, বরং পূর্ণাঙ্গ মানুষ গঠন। একজন শিক্ষার্থীর চরিত্র, মানসিকতা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশের পাশাপাশি তার দেহ ও মনের সুস্থতা নিশ্চিত করাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে গুরুকুলের শিক্ষা-দর্শনে খেলাধুলা ও শারীরিক অনুশীলনকে শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, সহনশীলতা, দলগত চেতনা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও …
গুরুকুলে বিশেষ বৃত্তির কোটা

সমতা, সুযোগের বিস্তার এবং শিক্ষা সবার জন্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুকুল চালু করেছে বিশেষ বৃত্তির কোটা। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা দূর করার উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিল্পী, খেলোয়াড়, হরিজন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, এতিম, প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, ভূমিহীন শ্রমজীবী, শিক্ষক পরিবার এবং গুরুকুল কর্মী পরিবারের সন্তানদের জন্য নির্দিষ্ট হারে বৃত্তির …
গুরুকুল ক্যাম্পাসে দ্বীন ও ধর্ম বিষয়ক নীতিমালা

গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্কের অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক জীবন দর্শনের আলোকে আমাদের প্রতিটি ক্যাম্পাস হবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি এবং আধ্যাত্মিক উন্নতির এক নিরাপদ স্থান। এই লক্ষ্য অর্জনে নিচের নীতিমালাসমূহ কঠোরভাবে অনুসরণ করা আবশ্যক: ১. গোপনীয়তা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সুরক্ষা কোনো শিক্ষার্থীর ধর্মীয় পরিচয় বা ধর্মীয় প্র্যাকটিস নিয়ে অতিরিক্ত কৌতূহল প্রদর্শন করা যাবে না। কেউ যদি তাঁর …
কুষ্টিয়া জেলার নামকরণের ইতহাস

কুষ্টিয়া জেলার নামকরণ নিয়ে বিভিন্ন মত প্রচলিত রয়েছে। ১৮২০ সালে প্রকাশিত হেমিলটনের Indigo Gazetteer-এ এ অঞ্চলকে KUSTEE বা কুষ্টি নামে উল্লেখ করা হয়। স্থানীয় জনগণ আজও সংক্ষেপে একে “কুষ্টে” বলে থাকে। ঐতিহাসিক সৈয়দ মুর্তাজা আলী মনে করেন, “কুষ্টিয়া” শব্দটি ফারসি কুশতাহ বা কুস্তা শব্দ থেকে এসেছে। আবার অনেকে মনে করেন এটি কোষ্টা বা পাট থেকে …