গুরুকুল নার্সিং ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ফুড ফেয়ার আয়োজন

তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বর্ণাঢ্য ‘ফুড ফেয়ার’ বা খাদ্য মেলা। ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এই মেলায় ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দেশীয় সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী খাবারের পাশাপাশি আধুনিক রন্ধনশৈলীর এক অপূর্ব মেলবন্ধন দেখা গেছে এই আয়োজনে। মেলার শুভ উদ্বোধন সকালে ফিতা কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা। উদ্বোধনী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, এ ধরণের আয়োজন শিক্ষার্থীদের কেবল রান্নার কৌশল শেখায় না, বরং দলগত কাজ (Team Work), নেতৃত্ব এবং উদ্যোক্তা হওয়ার প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করে। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও স্টলসমূহ মেলায় ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে বৈচিত্র্যময় স্টল সাজিয়ে বসে। প্রতিটি স্টলের নামকরণ এবং সাজসজ্জায় ছিল নতুনত্বের ছাপ। মেলায় প্রদর্শন ও বিক্রি করা খাবারের মধ্যে ছিল: ঐতিহ্যবাহী পিঠা-পুলি: ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা ও নকশি পিঠা। দেশীয় মিষ্টান্ন: হাতে তৈরি পায়েস, ফিরনি ও বিভিন্ন ধরণের নাড়ু। বিকেলের নাস্তা: চটপটি, ফুচকা, ঝালমুড়ি এবং ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস। আধুনিক খাবার: পাস্তা, স্যান্ডউইচ ও বিভিন্ন ধরণের ফ্রুট জুস। উদ্যোক্তা হওয়ার হাতেখড়ি শিক্ষার্থীরা নিজেরাই মেলার বাজেট তৈরি করা থেকে শুরু করে বাজার করা, রান্না এবং বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক চিন্তাধারা এবং ক্রেতা সামলানোর বাস্তব অভিজ্ঞতা তৈরি হয়েছে। অনেক স্টলেই ‘লাইভ কুকিং’ এর ব্যবস্থা ছিল, যা দর্শনার্থীদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করে। শিক্ষক ও অভিভাবকদের মিলনমেলা মেলার আকর্ষণ কেবল শিক্ষার্থীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; গুরুকুলের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিপুল সংখ্যক অভিভাবক মেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন। তারা শিক্ষার্থীদের নিজ হাতে তৈরি করা খাবারের স্বাদ নেন এবং তাদের উৎসাহিত করেন। অতিথিরা বলেন, পাঠ্যবইয়ের বাইরে এ ধরণের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এবং মানসিক প্রশান্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শ্রেষ্ঠ স্টল ও পুরস্কার বিতরণ মেলার শেষে খাবারের গুণগত মান, পরিবেশনা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং স্টল সাজসজ্জার ওপর ভিত্তি করে কয়েকটি স্টলকে পুরস্কৃত করা হয়। বিচারকদের রায়ে বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের এই ফুড ফেয়ার কেবল একটি মেলা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আনন্দময় শিক্ষার দিন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে যে, গুরুকুলের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি শিল্প ও সংস্কৃতিতেও সমান পারদর্শী।
নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান ২০২৪

গর্ব, আনন্দ ও আবেগঘন পরিবেশে গত ২৭ জানুয়ারি ২০২৪, শনিবার গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো “নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান ২০২৪”। দিনব্যাপী এই আয়োজনে ছিল আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান ও মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান ২০২৪ অতিথিবৃন্দের উপস্থিতি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— গুরুকুল সিওও আজিজা আহমেদ গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল মো: মতিয়ার রহমান কুষ্টিয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ স্মৃতি কণা হালদার টি.এস.বি. ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ-এর পরিচালক মো: সাকবার আলী এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুলের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ারিং ১ম পর্বের শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করা হয়। অপরদিকে ৮ম পর্বের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত বেস্ট বয় ও বেস্ট গার্ল-কে ট্রফি প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে নার্সিং ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্যাপ পরিধান, ফুলেল শুভেচ্ছা এবং শপথ বাক্য পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করা হয়, যা অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে। বক্তব্য বক্তব্য রাখেন— টি.এস.বি. ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ-এর পরিচালক মো: সাকবার আলী কুষ্টিয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ স্মৃতি কণা হালদার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিশেষ প্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন— গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর গুরুকুল সিওও আজিজা আহমেদ সহকারী পরিচালক তানভির মেহেদী প্রিন্সিপাল মো: মতিয়ার রহমান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে গুরুকুল কালচারাল ক্লাব এবং ব্যান্ড “হিডেন” এর আয়োজনে পরিবেশিত হয় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করেন নৃত্য, সংগীত, নাটিকা ও কবিতা আবৃত্তি, যা উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে। গুরুকুলের এই আয়োজন শুধু নবীনদের প্রাণবন্ত সূচনা ও বিদায়ীদের আবেগঘন বিদায়ই নয়; বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে একতা, প্রেরণা ও সৃজনশীলতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। আরও দেখুন: গুরুকুলের নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানের বিদায়ী শিক্ষার্থীর বক্তব্য: স্মৃতি অম্লান, যাত্রা অনন্ত গুরুকুলের নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানের নবীন শিক্ষার্থীর বক্তব্য : স্বপ্নের পথে নতুন যাত্রা ফটো গ্যালারী: ফটো গ্যালারী:
গুরুকুল আন্ত টেকনোলজি স্কিল কম্পিটিশন ২০২৩

কুষ্টিয়া: কারিগরি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী চিন্তাকে উৎসাহিত করতে গুরুকুল ইনোভেশন ক্লাব-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘আন্তঃটেকনোলজি স্কিল কম্পিটিশন ২০২৩’। প্রযুক্তির সাথে আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের তৈরি আধুনিক সব প্রজেক্টে মুখরিত ছিল পুরো আয়োজন। প্রতিযোগিতায় গুরুকুলের বিভিন্ন ট্রেডের শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও কারিগরি দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। সম্মানিত অতিথি চ্যাম্পিয়ন টিম (Project Name: Animational Advertisement) ফার্স্ট রানার-আপ (Project Name:Transmission line & fault detection) সেকেন্ড রানার-আপ (Project Name: Earthquake Resistant building) প্রতিযোগিতার চালচিত্র ও অংশগ্রহণ এবারের প্রতিযোগিতায় গুরুকুলের সকল ট্রেড থেকে মোট ১৪টি দক্ষ টিম পৃথক পৃথক প্রজেক্ট নিয়ে অংশগ্রহণ করে। তথ্যপ্রযুক্তি থেকে শুরু করে সিভিল ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিভিন্ন সমসাময়িক সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান প্রজেক্টগুলোর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়। সম্মানিত অতিথির মূল্যায়ন অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল বিভাগের চিফ ইন্সট্রাক্টর মোঃ শফিকুল ইসলাম। তিনি প্রতিটি দলের স্টল পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের তৈরি প্রজেক্টগুলোর কারিগরি দিক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন: “তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি এই ধরণের বাস্তবমুখী প্রজেক্ট শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং তাদের কর্মক্ষেত্রের জন্য যোগ্য করে তোলে।” তিনি ভবিষ্যৎ গবেষণার জন্য প্রতিটি টিমকে গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি পরামর্শ প্রদান করেন। বিজয়ীদের তালিকা ও প্রজেক্টের নাম তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতায় বিচারকদের রায়ে বিজয়ীরা হলো: চ্যাম্পিয়ন: প্রজেক্ট ‘Animational Advertisement’ টিম। (আধুনিক বিজ্ঞাপনের ডিজিটাল রূপান্তরে তাদের উদ্ভাবনটি সেরা বিবেচিত হয়)। ফার্স্ট রানার-আপ: প্রজেক্ট ‘Transmission Line & Fault Detection’ টিম। (বিদ্যুৎ লাইনের ত্রুটি নিরসনে কার্যকর কারিগরি সমাধান)। সেকেন্ড রানার-আপ: প্রজেক্ট ‘Earthquake Resistant Building’ টিম। (ভূমিকম্প সহনীয় স্থাপনা নির্মাণের মডেল)। পুরস্কার ও সনদ বিতরণী প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি, মেডেল ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। এছাড়াও অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের জন্য ছিল বিশেষ অনুপ্রেরণা। অনুষ্ঠানে গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের শিক্ষকবৃন্দ, ইনোভেশন ক্লাবের সদস্য এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের অন্যান্য কিছু মুহুর্ত্ব…… গুরুকুল ইনোভেশন ক্লাবের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা এবং নতুন কিছু সৃষ্টির প্রেরণা যুগিয়েছে। দক্ষ ও কর্মমুখী প্রজন্ম গড়ে তোলার যে লক্ষ্য নিয়ে গুরুকুল কাজ করছে, এই স্কিল কম্পিটিশন ছিল তারই এক সফল প্রতিফলন।
কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের আয়োজনে কুষ্টিয়াতে পালিত হয়েছে শেখ রাসেল দিবস ২০২৩

“শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন এবং ‘শেখ রাসেল দিবস-২০২৩’ পালিত হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি স্মরণ করা হয়। শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ ও বর্ণাঢ্য র্যালি দিবসটির কর্মসূচির শুরুতে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন কার্যালয় চত্বরে স্থাপিত শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে (বেদীতে) পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবারের আয়োজনে অন্যতম আকর্ষণ ছিল গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের একঝাঁক সুশৃঙ্খল রোভার স্কাউট সদস্য র্যালিতে অংশগ্রহণ করে অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। র্যালির শৃঙ্খলা রক্ষা এবং দিবসটির গুরুত্ব সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে রোভার সদস্যদের ভূমিকা জেলা প্রশাসনের প্রশংসা কুড়িয়েছে। আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান র্যালি পরবর্তী সময়ে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তারা শেখ রাসেলের সংক্ষিপ্ত জীবন ও তাঁর আদর্শের ওপর আলোকপাত করেন। তাঁরা বলেন, শেখ রাসেল ছিলেন এক নিষ্পাপ ও সম্ভাবনাময় নাম। আজকের শিশুদের মাঝে সেই মেধা ও মানবিকতার বিকাশ ঘটাতে শেখ রাসেলের জীবন থেকে শিক্ষা নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ততা অনুষ্ঠানে গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে। দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিল চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। শেখ রাসেলের স্মৃতিকে অম্লান রাখতে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের এই আয়োজন সফল করতে রোভার স্কাউটসহ সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণ দিবসটিকে সার্থকতা দান করেছে। আরও দেখুন: আমাদের শেখ রাসেল: বাঙালির হৃদয়ে এক অমর নক্ষত্র
গুরুকুলে শেখ রাসেল দিবস ২০২৩ পালিত

“শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে গুরুকুল কুষ্টিয়া (লালন সাঁই ক্যাম্পাস)-এ পালিত হয়েছে ‘শেখ রাসেল দিবস ২০২৩’। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে গুরুকুল পরিবারের সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। গুরুকুলে শেখ রাসেল দিবস ২০২৩ পালিত দিবসের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর বাড়িতে শেখ রাসেল জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মাত্র ১০ বছর বয়সে ঘাতকদের বুলেটে নির্মমভাবে শহীদ হন এই নিষ্পাপ শিশু। ২০২১ সাল থেকে সরকার ১৮ অক্টোবরকে ‘কপ’ (Category-A) ভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। শেখ রাসেল আজ বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুর কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম—যিনি আমাদের শিখিয়ে যান নির্ভীকতা এবং সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখা। ১ম স্থান অধিকারী ২য় স্থান অধিকারী চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সৃজনশীলতা দিবসটি উপলক্ষে গুরুকুল শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে এক বিশেষ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা ক্যানভাসে ফুটিয়ে তোলে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতি ও তাঁর শৈশবের নানা মুহূর্ত। প্রতিযোগিতার ফলাফল: প্রথম স্থান: স্বর্ণালী খাতুন (নার্সিং ইনস্টিটিউট, ১ম বর্ষ)। দ্বিতীয় স্থান: মেঘনা খাতুন (কম্পিউটার বিভাগ, ২য় পর্ব)। তৃতীয় স্থান: রায়হান উদ্দিন (নার্সিং বিভাগ, ১ম বর্ষ)। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে তাঁদের প্রতিভার প্রশংসা করেন প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ শিক্ষকবৃন্দ। ৩য় স্থান অধিকারী আলোচনা সভা: জীবন থেকে শিক্ষা অনুষ্ঠানে শেখ রাসেলের সংক্ষিপ্ত জীবনী এবং তাঁর মানবিক গুণাবলী নিয়ে এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, শেখ রাসেল ছিলেন অত্যন্ত প্রাণবন্ত এবং পশুপাখি ও মানুষের প্রতি অসম্ভব মমত্ববোধ সম্পন্ন একজন শিশু। তাঁর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে আজকের শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানানো হয়। প্লুরালিস্ট সোসাইটি ও গুরুকুলের দর্শন গুরুকুল বিশ্বাস করে যে, একটি ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজ গঠনের মূলে রয়েছে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ। শেখ রাসেল দিবস পালনের মাধ্যমে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কাছে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের বার্তা পৌঁছে দিতে চাই। রাসেলের সেই নির্মল হাসি যেন প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাঝে ফুটে ওঠে, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। অনুষ্ঠানের অন্যান্য কিছু মুহূর্ত আরও দেখুন: আমাদের শেখ রাসেল: বাঙালির হৃদয়ে এক অমর নক্ষত্র
স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে “অপারেশন জ্যাকপট” এর দ্বিভাষিক তথ্যচিত্র তৈরি করলো “ইতিহাস গুরুকুল”

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে “অপারেশন জ্যাকপট” এর দ্বিভাষিক তথ্যচিত্র তৈরি করলো “গুরুকুল অনলাইন লার্নিং নেটওয়ার্ক”। গুরুকুল অনলাইন লার্নিং নেটওয়ার্ক এর “ইতিহাস গুরুকুল” চ্যানেল থেকে প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ভিত্তিক ঘটনার উপরে নির্মিত তথ্যচিত্র “অপারেশন জ্যাকপট”। অপারেশন জ্যাকপট বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নৌ-সেক্টর পরিচালিত সফলতম গেরিলা অপারেশন। অপারেশন জ্যাকপট ছিল সংশপ্তক [ আত্মঘাতী ] অপারেশন। বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনীর পরিকল্পনায়, সদ্য গঠিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নেতৃত্বে, অপারেশন জ্যাকপট ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট রাত ১২টার পর শুরু হয়। অপারেশন জ্যাকপট অচল করে দেয় চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্র বন্দর এবং দেশের অভ্যন্তরে চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দর। ১০নং সেক্টরের নৌ কমান্ডো যোদ্ধাদের অসীম সাহসিকতার নিদর্শন এই অপারেশন জ্যাকপট। অপারেশন জ্যাকপট নামের এই গেরিলা অপারেশনে পাকিস্তানি বাহিনীর অনেকগুলো অস্ত্র ও রসদ-বাহী জাহাজ ধ্বংস করে, বড় রকমের ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাকিস্তান। বন্দরে পাকিস্তানি বাহিনীকে সাহায্যকারী অনেকগুলো বিদেশি জাহাজও থাকায় এই অপারেশন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং যোদ্ধাদেরকে সারা বিশ্বে পরিচিতি পাইয়ে দেয় রাতারতি । সারা বিশ্ব বুঝতে পারে বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই লড়ছে বাংলাদেশ। আজকের আয়োজন সেই দুর্ধর্ষ অপারেশনের গল্প নিয়ে। আমাদের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ইতিহাস গুরুকুল এর নিবেদন। শ্রদ্ধা জানাই মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সকল শহীদ, বীরাঙ্গনা মা-বোন, সকল মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং সহায়তাকারী বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের প্রতি । অপারেশন জ্যাকপট : অপারেশন জ্যাকপট বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নৌ-সেক্টর পরিচালিত সফলতম গেরিলা অপারেশন। এটি ছিল একটি আত্মঘাতী অপারেশন। এ অপারেশন ১৯৭১-এর ১৫ আগস্ট রাত ১২টার পর অর্থাৎ ১৬ আগস্ট প্রথম প্রহরে চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্র বন্দর এবং দেশের অভ্যন্তরে চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরে একই সময়ে পরিচালিত হয়। ১০নং সেক্টরের অধীনে ট্রেনিং প্রাপ্ত নৌ কমান্ডো যোদ্ধাদের অসীম সাহসিকতার নিদর্শন এই অপারেশন জ্যাকপট। এই গেরিলা অপারেশনে পাকিস্তানি বাহিনীর অনেকগুলো অস্ত্র ও রসদবাহী জাহাজ ধ্বংসপ্রাপ্ত ও বড় রকমের ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজগুলোর মধ্যে পাকিস্তানি বাহিনীকে সাহায্যকারী অনেকগুলো বিদেশি জাহাজও থাকায় এই অপারেশন বাংলাদেশের যুদ্ধ এবং যোদ্ধাদেরকে সারা বিশ্বে পরিচিতি পাইয়ে দেয়।সারা বিশ্ব বুঝতে পারে বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই লড়ছে।এটি বাংলাদেশের ইতিহাস এর খুবই গুরুত্বপূর্ণ মিশন। নৌ-কমান্ডো সেক্টর: বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের সময় যে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল তার মধ্য দেশের অভ্যন্তরীন সকল নৌ চলাচল, বন্দর এবং উপকূলীয় এলাকা নিয়ে গঠিত হয়েছিল ১০নং সেক্টর বা নৌ সেক্টর। এ সেক্টরের কোন নির্দিষ্ট সেক্টর কমান্ডার ছিল না। যখন যে সেক্টরে অপারেশন চলত তখন সেই সেক্টরের কমান্ডারদের সহযোগীতায় নৌ-গেরিলাদের কাজ করতে হত। তারা সরাসরি মুজিবনগর হেডকোয়ার্টারের অধীনে কাজ করতেন। পেছনের কথা: মার্চের শুরুর দিকে পাকিস্তানি সাবমেরিন পি এন এস ম্যাংরো ফ্রান্সের তুলন সাবমেরিন ডকইয়ার্ডে যায় পাকিস্তানি সাবমেরিনারদের প্রশিক্ষন দেয়ার জন্য। সেই ৪১ জন সাবমেরিনারদের মধ্যে ১৩ জন ছিলেন বাঙালি অফিসার। তারা আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যমে ২৫ মার্চের গণহত্যার কথা শুনে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসার সিদ্ধান্ত নেন। এর মধ্যে ৮ জন ৩০ মার্চ বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ৯ এপ্রিল ১৯৭১ তারা দিল্লিতে এসে পৌছান। এখানে তাদের নাম উল্লেখ করা হলোঃ ১. মোঃ রহমতউল্লাহ। ২. সৈয়দ মোশাররফ হোসেন। ৩. শেখ আমানউল্লাহ। ৪. মোঃ আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী। ৫. মোঃ আহসানউল্লাহ। ৬. মোঃ আবদুর রকিব মিয়া। ৭. মো আবদুর রহমান আবেদ। ৮. মোঃ বদিউল আলম। তারপর উক্ত ৮জনের সাথে আরো কয়েকজনকে একত্র করে ২০ জনের একটি গেরিলা দল গঠন করে তাদের ভারতে বিশেষ ট্রেনিং দেয়া হয়। তারপর তারা দেশে আসলে তাদের সাথে কর্নেল ওসমানীর দেখা করানো হয়। তখন ওসমানী নৌ-কমান্ডো বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। গেরিলা ট্রেনিং পর্ব: ওসমানীর সিদ্ধান্তে নৌ-কমান্ডো সেক্টর খোলার পর বাছাইকৃত গেরিলাদের ট্রেনিং দেয়ার উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক পলাশীর স্মৃতিসৌধের পাশে ভাগীরথী নদীর তীরে ২৩ মে ১৯৭১ তারিখে একটি গোপন ট্রেনিং ক্যাম্প খোলা হয়। এই ট্রেনিং ক্যাম্পের সাংকেতিক নাম দেয়া হয় সি-২ পি (C-2 P)। এখানে ট্রেনিং দেয়ার উদ্দেশ্যে অন্যান্য সেক্টরসমূহের বিভিন্ন শিবির থেকে মে মাসের শুরুর দিকে প্রায় ৩০০ জন বাছাইকৃত যোদ্ধা সংগ্রহ করা হয়। ট্রেনিং ক্যাম্পে এদের কি ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে সে বিষয়টি এতই গোপনীয় ছিল যে, সেক্টর কমান্ডারদের মধ্যেও শুধুমাত্র যার এলাকায় অপারেশন চালানো হবে তিনি ব্যতীত আর কেউ এই সম্পর্কে জানতেন না। ট্রেনিং শুরু হবার আগেই বাছাইকৃত যোদ্ধাদের বলে দেয়া হয় যে এটি একটি সুইসাইডাল অপারেশন বা আত্মঘাতী যুদ্ধ হবে। তাই অপারেশনের সময় যেকোন মূল্যে অপারেশন সফল করার উদ্দেশ্যে প্রয়োজনে তাদের প্রাণ দিতে হতে পারে। তাই প্রশিক্ষণের শুরুতেই প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীদের ছবিসহ একটি সম্মতিসূচক ফর্মে স্বাক্ষর নেয়া হতো।ফর্মে লেখা থাকতো যে, আমি দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন বিসর্জন দিতে সম্মত হয়েই এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছি, আর যুদ্ধে আমার মৃত্যু ঘটলে কেউ দায়ী থাকবে না। নৌ-কমান্ডোদের ঐ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন ভারতীয় নেভাল অফিসার কমানডার এম.এন.সামানত, ও ট্রেনিং দেয়ার দায়িত্বে ছিলেন লেঃ কমান্ডার জি এম মার্টিস, এবং আরও ভারতীয় ২০ জন প্রশিক্ষক তারা হলেনন লেঃ দাস, লেঃ ভি.পি. কফিল। প্রশিক্ষকদের মধ্যে ফ্রান্স থেকে পালিয়ে আসা ৮ জন সাব-মেরিনার ছাড়াও আরো ছিলেন ভারতীয় নৌ-বাহিনীর লিডিং সি,মান কে.সিং, লিডিং সি,মান গুপ্ত, এল সিং, মারাঠি নানা বুজ এবং সমীর কুমার দাশসহ আরো কয়েকজন। ট্রেনিং এর দুটো অংশ ছিল। সবাইকে প্রয়োজনীয় স্থলযুদ্ধ যেমনঃ- গ্রেনেড নিক্ষেপ, এক্সপ্লোসিভের ব্যবহার, স্টেনগান রিভলবার চালানো, আন-আর্মড কমব্যাট(খালি হাতে যুদ্ধ) ইত্যাদি শিখতে হতো। আর জলযুদ্ধের ট্রেনিঙের মধ্যে ছিল বিভিন্ন ধরনের সাতার যেমনঃ- বুকে ৫-৬কেজি ওজনের পাথর বেধে সাতার, চিৎ সাতার, কোন মতে পানির উপরে নাক ভাসিয়ে একটানা অনেক্ষন সাতার, পানিতে সাতরিয়ে এবং ডুব সাতার দিয়ে লিমপেট মাইন ব্যবহার, স্রোতের প্রতিকূলে সাতার, জাহাজের কেবল ভাঙা ইত্যাদি কঠিন সব প্রশিক্ষণ দেয়া হত তীব্র খরস্রোতা ভাগীরথী নদীতে। শীত-বর্ষায় একটানা ৪৮ ঘণ্টা পানিতে থাকার অভ্যাস করতে হয় সব যোদ্ধাকে। প্রায় টানা তিন’মাস ট্রেনিং এর পর আগস্টের প্রথম সাপ্তাহে তাদের ট্রেনিং শেষ হয়। অপারেশনের বর্ণনা : যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের শেষদিকে এসে আক্রমণের পরিকল্পনা সাজানো হতে থাকে। একই সাথে একই সময়ে দুই সমুদ্র বন্দর ও দুই নদী বন্দরে আক্রমণ চালানোর জন্য চার সেক্টরের পরিকল্পনার সমন্বয় ঘটানো হয়। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রথম ব্যাচকে চার স্থানে আক্রমণের উদ্দেশ্যে মোট চারটি দলে ভাগ করা হয়েছিল। ৬০ জনের ২টি দল এবং ২০ জনের আরো ২টি দল। চারটি দলের চারজন লিডার ঠিক করে দেয়া হয়েছিল। টিম লিডারদের অপারেশন পরিচালনার জন্য শিখিয়ে দেয়া হয়েছিল বিশেষ গোপনীয় পদ্ধতি যা টিমের অন্যান্য সদস্যদের কাছে গোপন রাখা হয়েছিল। টিম কমান্ডারদের বলা হয়েছিল যে, দুটি বাংলা গানকে সতর্ক সঙ্কেত হিসেবে ব্যবহার করা হবে। গান দুটি প্রচার করা হবে কলকাতা আকাশবানীর পক্ষ থেকে পূর্বাঞ্চলীয় শ্রোতাদের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠানে সকাল ৬টা থেকে ৬:৩০ মিনিট অথবা রাত ১০:৩০ মিনিট থেকে রাত ১১টায়। এই ফ্রিকোয়েন্সির নাম ও গান দুইটি শুধু টিমের কমান্ডারই জানতো। গান দুটি অথবা তাদের সঙ্কেত হলোঃ- প্রথম সংকেত ছিল পঙ্কজ মল্লিকের গাওয়া “আমি তোমায় যত শুনিয়েছিলাম গান”এর অর্থ হল ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আক্রমণ করতে হবে বা
গুরুকুল কো কারিকুলার [Co curricular ] ও এক্সট্রা কারিকুলার [ Extra Curricular ] পরিচয় কালেন গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর
গুরুকুল কো-কারিকুলার ও এক্সট্রা-কারিকুলার গুরুকুলের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এই কোর্সগুলোর মাধ্যমে, আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের অতি প্রয়োজনীয় বিষয়সমুহ (অথচ একাডেমীতে যা পড়ানো হয় না), শেখাতে চাই। সেই শেখানো বিষয়টি শুধুমাত্র পড়ানো বা দেখানো নয়। সেটা শেখানো হয় শিক্ষার্থীদের একটি এক্সারসাইজ ও অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে নিয়ে গিয়ে। সেই সিলেবাসে এমন সব প্রশিক্ষণ এবং অনুশীলন থাকে, যেটা শিক্ষার্থীকে নানা রকম বাস্তব অভিজ্ঞার মধ্য দিয়ে নিয়ে যাবে। কোর্সগেুলোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের, একজন পূর্ণ মানুষ হবার যে দীর্ঘ যাত্রা, সেই যাত্রার প্রস্তুতির জন্য তৈরি করে দেয়া হয়। এক কথায় বললে শিখতে শেখানো হয়, জানতে শেখানো হয়, দেখতে শেখানো হয়। কাটানো হয় শেখার ভয়। যেমন ধরুন শিক্ষার্থীকে শোনার-বোঝার-বলার সব জড়তা কাটানোর চেষ্টা করা হয়। শেখানো হয় বিভিন্ন স্থান, কাল ও পাত্রের সাথে হাটা-চলা-কথা বলা। শিক্ষার্থীকে সাবলীল করা হয় অপরিচিত জনের সাথে দেখা করতে, কথা শুরু করতে, একটি বিষয় নিয়ে কথা বলতে, কোন বিশেষ তথ্য সংগ্রহ করতে, মত বিনিময় করতে। নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয় যেন সেই শিক্ষার্থী তার জীবনে নতুন কোন ক্ষেত্রে গিয়ে অসহায় বোধ না করে। শিক্ষার্থীকে শেখানো হয় উপস্থাপনা। উপস্থাপনা হতে অফিসের প্রেজেন্টেশন বিষয়ে বা হতে পারে, বা যেকোনো সভায় কোন রিপোর্ট উপস্থাপন বিষয়েও হতে পারে। শিক্ষার্থীকে দক্ষ করার চেষ্টা করা হয় অনুসন্ধান বিষয়ে। [ গুরুকুল কো কারিকুলার [ Co curricular ] ও এক্সট্রা কারিকুলার [ Extra Curricular ] পরিচয় ] শেখানো নিজের আশেপাশে, বাজারে অনুসন্ধানের পাশাপাশি হয় সাইবার জগতে অনুসন্ধান। ইংরেজি প্রধান ভাষা না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষায় কিছুটা দুর্বলতা থাকে। তাই বাংলার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষার জড়তা কাটানোর বিভিন্ন ধরনের প্রাকটিক্যাল উদ্যোগ নেয়া হয়। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করতে শেখানো হয়। সবসময় উৎসাহ দেয়া হয় এবং শেখানো হয় ‘কিভাবে শিখতে হবে”। এটা গুরুকুলের প্রধানতম উদ্যোগ। কারণ সারা জীবন বিভিন্ন প্রয়োজনে শিক্ষার্থীকে শিখতে হবে। শিক্ষার্থী সেটা নিজে এবং দ্রুত সময়ে যেন শিখে নিতে পারে সেভাবে প্রস্তুত করা চেষ্টা করা হয়। প্রযুক্তি বা যেকোনো কারণে পেশাদারী জীবনে সংকট এলে নিজ যোগ্যতায় নতুন করে শিখে নিয়ে উৎরে যেতে পারে। অভ্যস্ত করা হয় – শুনতে, বলতে, লিখতে মনোযোগী হতে। সভা পরিচালনা সহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান পরিচালনা শেখানো হয়। মিশতে শেখানো হয় অপরিচিত ও অপছন্দের মানুষদের সাথে। পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় সংস্কৃতি, ইতিহাস ও দর্শনের দরজা। রীতিমতো পরিকল্পনা করে কাটানো হয় সব রকমের ভয়, প্রেজুডিস এবং ইগো। আর সারা জীবনের জন্য তৈরি করিয়ে দেয়া হয় মেন্টর বা জীবনের পরামর্শক। আপাতত শুনতে খুব বিশেষ হয়ত মনে না হচ্ছে না, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে আমাদের দীর্ঘ গবেষণা বলে- এগুলোর বেশিরভাগ আমরা ঠিকমতো পারি না। জীবন ও পেশায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হেরে যাবার কারণ এগুলোই। আর আমরা কোন ভাবেই চাইনা যে আমাদের কোন জীবনে কোন পর্যায়ে হেরে যাক বা হেরে যাওয়াকে মেনে নিক। একটি ভিডিও সিরিজে গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর গুরুকুল কো-কারিকুলার ও এক্সট্রা-কারিকুলার এর এই বিষয়গুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। ভিডিওগুলো রয়েছে গুরুকুল অনলাইন লার্নিং নেটওয়ার্কের ইনডেক্স চ্যানেলে। নিচে সংযুক্ত প্লেলিস্ট বা ভিডিওগুলো দেখুন।
পলিটেকনিক বাংলা ৬৫৭১১ [BTEB Polytechnic ] বিষয়ের সকল ভিডিও ক্লাস “বাংলা গুরুকুল” এ প্রকাশ শুরু হয়েছে
![পলিটেকনিক বাংলা ৬৫৭১১ [BTEB Polytechnic ] বিষয়ের সকল ভিডিও ক্লাস "বাংলা গুরুকুল" এ প্রকাশ শুরু হয়েছে 65 বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পলিটেকনিক বিভাগের বাংলা (৬৫৭১১) বিষয়ের সকল ভিডিও ক্লাস "বাংলা গুরুকুল" চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে](https://gurukul.edu.bd/wp-content/uploads/2020/09/Bangla-Class-Available-on-GOLN-Bangla-Gurukul-Channel-1-1024x576.jpg)
পলিটেকনিক বাংলা ৬৫৭১১ [BTEB Polytechnic ] বিষয়ের সকল ভিডিও ক্লাস “বাংলা গুরুকুল” এ প্রকাশ শুরু: এতদ্বারা সকলের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের, পলিটেকনিক এর, ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়গুলো “বাংলা (৬৫৭১১)” সাবজেক্টটির সকল ভিডিও ক্লাস “বাংলা গুরুকুল” চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে। এখন থেকে দেশের সকল শিক্ষার্থীদের জন্য উক্ত ক্লাস সমূহ উন্মুক্ত করা হলো। চ্যানেলের লিংক : “বাংলা গুরুকুল ইউটিউব চ্যানেল” বাংলা ওয়েবসাইট এর লিংক : গুরুকুল বাংলা বাংলা ৬৫৭১১ কোর্সের উদ্দেশ্য : মাতৃভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা লাভ। ভাষার ব্যবহারে প্রায়োগিক যোগ্যতা অর্জন। বাংলা সাহিত্য পঠন-পাঠনের মাধ্যমে জাতীয় চেতনা, দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, শুদ্ধাচার, নীতি ও মূল্যবোধের উন্মেষ ঘটানো। বাংলা ৬৫৭১১ কোর্সের সংক্ষিপ্ত বিবরণী : মাতৃভাষা ও সৃজনশীলতা : বাংলা ভাষা রীতির বিচিত্রতা, বানান রীতি, পত্র রচনা এবং কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, উপন্যাস ও ছোট গল্প। বাংলা ৬৫৭১১ – তাত্ত্বিক অংশ – বাংলা ভাষার প্রয়োগ অধ্যায়-ক। বাংলা ভাষা ১.১ ভাষা বিষয়ক প্রাথমিক জ্ঞান (ভাষার সংজ্ঞা, মাতৃভাষা, মাতৃভাষা হিসেবে বাংলা এবং বাংলা ভাষার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য) ১.২ বাংলা ভাষার উপপত্তি, ক্রমবিকাশ ও যুগ বিন্যাস ১.৩ বাংলা ভাষা রীতি – সাধু, চলিত, (সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য, পার্থক্য ও উদাহরণ) ১.৪ আঞ্চলিক বা উপভাষা অধ্যায়-খ। বাংলা বানান রীতি ও শব্দ প্রয়োগ ১। বাংলা একডেমির প্রমিত বানান রীতি ও ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধি ১.১ বাংলা একডেমির প্রমিত বানান রীতি ১.২ ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান ২। শব্দ ও শব্দের শ্রেণি বিভাগ (সংজ্ঞা, শব্দের গঠন, উৎস বা উৎপত্তি ও অর্থগত) ২.১ শব্দের সংজ্ঞা ২.২ শব্দের শ্রেণীবিভাগ ও গঠন ৩। বাক্য প্রকরণ ও গঠন রীতি (সংজ্ঞা, বাক্য গঠন এবং প্রকার) ৩.১ বাক্যের সংজ্ঞা ৩.২ বাক্যের গঠন ৩.৩ বাক্যের প্রকার ৩.৪ বাক্য পদ-সংস্থাপনার ক্রম ৪। পত্র রচনা ৪.১ পত্র ও এর শ্রেণিবিভাগ ৪.২ পত্রের অংশ ৪.৩ দরখাস্তের নিয়ম তাত্ত্বিক অংশ – বাংলা কবিতা ১। কবিতা (নিচের প্রতিটি কবিতার লিংক এ কবিতা পাঠ, বিশ্লেষণ ও প্রশ্নোত্তর অনুশীলন যুক্ত করা হয়েছে) ১.১ বঙ্গভাষা – মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১.২ সোনার তরী – রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর ২.৩ উমর ফারুক- কাজী নজরুল ইসলাম ৩.৪ বাংলার মুখ আমি – জীবনানন্দ দাশ ৪.৫ আসাদের শার্ট – শামসুর রাহমান ৫.৬ স্বাধীনতা শব্দটি কি করে আমাদের হলো? – নির্মলেন্দু গুণ ২। প্রবন্ধ (নিচের প্রতিটি প্রবন্ধের লিংক এ প্রবন্ধ পাঠ, বিশ্লেষণ ও প্রশ্নোত্তর অনুশীলন যুক্ত করা হয়েছে) ২.১। অর্ধাঙ্গী – রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ২.২। বইকেনা – সৈয়দ মুজতবা আলী ৩। একাঙ্কিকা (নিচের প্রতিটি একাঙ্কিকা -র লিংক এ একাঙ্কিকা পাঠ, বিশ্লেষণ ও প্রশ্নোত্তর অনুশীলন যুক্ত করা হয়েছে) ৩..১ মানুষ – মুনীর চে․ধুরী ৪। উপন্যাস (নিচের প্রতিটি উপন্যাসের লিংক এ উপন্যাস পাঠ, বিশ্লেষণ ও প্রশ্নোত্তর অনুশীলন যুক্ত করা হয়েছে) ৪.১। লালসালু – সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ ৫। ছোট গল্প: (নিচের প্রতিটি ছোটগল্পের লিংক এ ছোটগল্প পাঠ, বিশ্লেষণ ও প্রশ্নোত্তর অনুশীলন যুক্ত করা হয়েছে) ৮.১। ক্সহমন্তী – রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর ৮.২। একুশের গল্প – জহির রায়হান ৮.৩। পাতালেহাসপাতালে – হাসান আজিজুল হক বাংলা ৬৫৭১১ – ব্যবহারিক [ ব্যবহারিক অংশে যোগ করা হয়েছে ব্যবহারিক উদাহরণ] ১। বক্তৃতা : (নিচের প্রতিটি বিষয়ের লিংক এ বক্তৃতার ভিডিও সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করা হয়েছে) ১. নির্ধারিত বক্তৃতা ১.১ নির্ধারিত বক্তৃতার প্রস্তুতি নির্ধারিত বক্তৃতার স্ক্রিপ্ট লিখবো কীভাবে? ১.২ নির্ধারিত বক্তৃতার কিছু নমুনা : একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নির্ধারিত বক্তৃতা / ভাষণ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নির্ধারিত বক্তৃতা / ভাষণ বিজয় দিবস উপলক্ষে নির্ধারিত বক্তৃতা / ভাষণ মুজিব নগর দিবস উপলক্ষে নির্ধারিত বক্তৃতা / ভাষণ জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নির্ধারিত বক্তৃতা / ভাষণ মে দিবস উপলক্ষে নির্ধারিতবক্তৃতা / ভাষণ বাংলাদেশ ও বাঙালি সাস্কৃতি বিষয়ক নির্ধারিত বক্তৃতা / ভাষণ রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে নির্ধারিত বক্তৃতা / ভাষণ নজরুলজয়ন্তী উপলক্ষে নির্ধারিত বক্তৃতা / ভাষণ সাম্প্রদায়িক সহিংসতা অমার্জনীয় বিষয়ক নির্ধারিত বক্তৃতা / ভাষণ ২. উপস্থিত বক্তৃতা (নিচের প্রতিটি বিষয়ের লিংক এ বক্তৃতার ভিডিও সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করা হয়েছে) ২.১ উপস্থিত বক্তৃতার প্রস্তুতি কিভাবে উপস্থিত বক্তৃতার প্রস্তুতি নিতে হবে? ২.২ উপস্থিত বক্তৃতার কিছু নমুনা আত্মপরিচয়ের সংকটে বাঙ্গালির তারুণ্য প্রযুক্তি ও তারুণ্য বাংলা নববর্ষ ৩. প্রাতিষ্ঠানিক বক্তৃতা ৩.১ প্রাতিষ্ঠানিক বক্তৃতার প্রস্তুতি প্রাতিষ্ঠানিক বক্তৃতার প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হবে? ৩.২ প্রাতিষ্ঠানিক বক্তৃতার কিছু নমুনা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির আগমন (শিক্ষামন্ত্রী) নবাগত ছাত্রছাত্রীদের বরণ ২। আবৃত্তি : ২.১ আবৃত্তির প্রস্তুতি কিভাবে আবৃত্তির প্রস্ততি নেবেন? ২.২ নমুনা আবৃত্তি: মানুষ – কাজী নজরুল ইসলাম আকাশ নীলা – জীবনানন্দ দাশ পল্লী জননী – জসীম উদ্দীন ছাড়পত্র – সুকান্ত ভট্টাচার্য তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা – শামসুর রাহমান নিষিদ্ধ সম্পাদকীয় – হেলাল হাফিজ ৩. বিতর্ক ৩.১ বিতর্কের প্রস্তুতি কিভাবে বিতর্কের প্রস্ততি নেবেন? ৩.২ নমুনা বিতর্ক: তথ্য প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারই যুব সমাজেরঅবক্ষয়ের মূল কারণ সংস্কৃতিই আধুনিক মানুষের ধর্ম গতানুগতিক শিক্ষা নয় কর্মমুখি শিক্ষাই অর্থ‣নতিক মুক্তির চাবিকাঠি চালকের অসাবধনতাই সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মূলমন্ত্র প্রযুক্তির বিকাশই প্রকৃতি বিনাশের একমাত্র কারণ ৪. প্রতিবেদন প্রণয়ন ও উপস্থাপন: ৪.১ প্রতিবেদন প্রণয়ন, তৈরি বা রচনা: কিভাবে প্রতিবেদন প্রণয়ন, তৈরি বা রচনা করবেন? কিভাবে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন? ৪.২ নমুনা প্রতিবেদন: বন্যাদুর্গত এলাকায় কয়েকটি রিলিফ ক্যাম্পের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে প্রতিবেদন রচনা। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রচনা। ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রচনা। সকল ব্যবহারিক বিষয়ের প্রশ্নোত্তর অনুশীলন প্রতি অধ্যায়ের সাথে আমাদের বাংলা ওয়েবসাইটে থাকছে – প্রশ্নোত্তর অনুশীলন (অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ও রচনা মূলক প্রশ্নোত্তর)। বাংলা ওয়েবসাইটে থাকছে – অধ্যায়ের সকল প্রশ্ন একত্রে, অধ্যায়ের প্রশ্ন বিশ্লেষণ। প্রেস রিলিজ: গুরুকুল অনলাইন লার্নিং নেটওয়ার্ক এর “বাংলা” গুরুকুল
মুজিব শতবর্ষ গুরুকুল আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০ অনুষ্ঠিত

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে গুরুকুল ট্রাস্ট আয়োজন করেছে নানা কর্মসূচি। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হলো মুজিব শতবর্ষ গুরুকুল আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০। গুরুকুল ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর বর্ষব্যাপী কর্মসূচির ঘোষণা দেন। এর আওতায় গুরুকুল ট্রাস্টের সব প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন ক্যাম্পাস, অনলাইন লার্নিং নেটওয়ার্ক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক ও ক্রীড়া আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়। কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাসের সব বিভাগ থেকে গঠিত আটটি দল এই টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল ক্রীড়া কমিটির চেয়ারম্যান ও কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ইকবাল মাহমুদ। এ সময় গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শকে জানার জন্য কেবল সরকারি আয়োজন যথেষ্ট নয়। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উচিত তাঁর আদর্শকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া। যখন প্রতিটি ঘরে ঘরে বঙ্গবন্ধুর চিন্তা ও দর্শন ছড়িয়ে পড়বে, তখনই প্রকৃত অর্থে সোনার বাংলা গড়ে উঠবে। টুর্নামেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন করার সার্বিক নির্দেশনা দেন কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য ও ক্রীড়া অনুরাগী মোহাম্মদ আলী নিশান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন গুরুকুলের সহকারী পরিচালক রাকিবুজ্জামান তানিম, উপাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাসুম এবং টুর্নামেন্ট আহ্বায়ক আশরাফুল আলম। গুরুকুল আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা খেলাধুলার পাশাপাশি দলগত চেতনা, নেতৃত্ব এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মূল্যবোধের শিক্ষা লাভ করে। এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের বাইরে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি স্মরণে একটি তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে স্থান করে নেয়।
কুষ্টিয়া গুরুকুলের বার্ষিক শিক্ষা সফর ২০১৯ সফলভাবে সম্পন্ন

গুরুকুলের প্রতিটি ক্যাম্পাসে প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত হয় বার্ষিক শিক্ষা সফর। ভ্রমণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কেবল বিনোদনই পায় না, বরং জ্ঞানচর্চার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়। শিক্ষা সফর শিক্ষার্থীদের মনকে উদার করে, জীবনে সঞ্চার করে নতুন গতিশীলতা। বিশেষত যখন ভ্রমণ আয়োজন করা হয় শিক্ষা অর্জনের উদ্দেশ্যে, তখন সেটি হয়ে ওঠে শিক্ষাজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সফরের মূল উদ্দেশ্য গুরুকুল বিশ্বাস করে, শিক্ষার্থীরা যেন আবদ্ধ জ্ঞানচর্চা থেকে বের হয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষাজীবনের চাপ থেকে কিছু সময় দূরে থেকে আনন্দঘন পরিবেশে সহপাঠীদের সঙ্গে সময় কাটানো শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে আসে জীবনের পূর্ণতার অনুভূতি। আয়োজন ও ভ্রমণ কুষ্টিয়া গুরুকুল কলেজের বার্ষিক শিক্ষা সফর ২০১৯ উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। সফরটি অনুষ্ঠিত হয় ০১ মার্চ ২০২০ থেকে ০৩ মার্চ ২০২০ পর্যন্ত। শিক্ষার্থীরা কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্ট, ইনানী বীচ, হিমছড়ি এবং আশেপাশের দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ করে। এ ভ্রমণ শিক্ষার্থীদের জন্য হয়ে ওঠে স্মরণীয় ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একটি অধ্যায়। নেতৃত্ব ও উপস্থিতি শিক্ষা সফর কমিটির আহ্বায়ক সোহাগ আহমেদ-এর নেতৃত্বে এবং কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীদের আন্তরিক সহযোগিতায় সফরটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। সফরে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুলের উপাধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল মাসুম, ইনচার্জ ফাইন্যান্স মতিয়ার রহমান, এবং আরও অনেক শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ। কুষ্টিয়া গুরুকুল কলেজের শিক্ষা সফর কেবল শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দময় অভিজ্ঞতাই নয়, বরং তাদের জ্ঞান, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে।