গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২০ উপলক্ষে ছুটির নোটিশ

শারদীয় দুর্গা পূজা, ছুটির নোটিশ

বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে ‘গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস’-এ একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৬ অক্টোবর ২০২০ (সোমবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বহুত্ববাদী সমাজের প্রতিচ্ছবি ও গুরুকুল আদর্শ গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস একটি ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজ গঠনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। যেখানে প্রতিটি মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক পরিচয়কে সমান মর্যাদা দেওয়া হয়। গুরুকুল বিশ্বাস করে, উৎসবের কোনো কাঁটাতার নেই; বরং এটি সকল ধর্মের মানুষের মাঝে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং ভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেয়। শারদীয় দুর্গাপূজার এই ছুটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক বিরতি নয়, বরং বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্যের যে সৌন্দর্য গুরুকুল লালন করে, এটি তারই বহিঃপ্রকাশ। ছুটির বিস্তারিত সময়সূচী প্রশাসন বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী: ছুটির তারিখ: ২৬ অক্টোবর ২০২০ (সোমবার)। কার্যক্রম পুনরায় শুরু: ২৭ অক্টোবর ২০২০ (মঙ্গলবার) থেকে সকল শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা ও নিরাপত্তা উৎসবের এই বিশেষ সময়ে গুরুকুল কর্তৃপক্ষ সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উৎসবকালীন নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রেখে নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে বিজয়া দশমী উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের বার্তা প্রশাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “গুরুকুল এমন একটি আদর্শিক ক্ষেত্র তৈরি করতে চায় যেখানে সকল মত ও পথের মানুষ তাদের ধর্মীয় উৎসবগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালন করতে পারে। এই উৎসবের আনন্দ আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।” গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। আরও দেখুন: গুরুকুল ক্যাম্পাসে দ্বীন ও ধর্ম বিষয়ক নীতিমালা

জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (এনটিভিকিউএফ) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা

জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ১.০ আবেদন পত্র গ্রহণ ও বাছাই প্রক্রিয়া: কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত আবেদন পত্র ফরমে উলিখিত বিষয়াদি ও সংযুক্তিসহ পুর্ণাঙ্গ তথ্যাবলী সম্বলিত আবেদনপত্রসমূহ বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের মধ্যে বিতরণ ও বাছাই প্রক্রিয়া সম্পনড়ব করতে হবে। বাছাই কালে প্রকৃত সনদপত্র, বয়স, নির্ভূল তথ্য ইত্যাদি যথাযথ ভাবে নিরীক্ষণ করা অত্যাবশক। ১.১ বিতরণকৃত আবেদন পত্র ফরমের বিক্রয়ের হিসাব ও রশিদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। ১.২ বাছাইকালে বাতিল ও গ্রহণযোগ্য আবেদনপত্রসমূহ পৃথকীকরণসহ একটি তালিকা প্রণয়ন করতে হবে। ১.৩ ভর্তি পরীক্ষার জন্য যোগ্য প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশনাসহ নির্ধারিত সূচি মোতাবেক ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের পূর্বেই তালিকা প্রকাশ করতে হবে। ১.৪ বাছাইকৃত বাতিল ফরমসমূহে ত্রুটিসমূহ সনাক্ত পূর্বক কমিটির মন্তব্য আবেদনপত্রের উল্টা পৃষ্ঠায় লিপিবদ্ধসহ স্বাক্ষরিত হতে হবে। ১.৫ প্রার্থীকে প্রতিষ্ঠানের বিভিনড়ব ট্রেড ও একাডেমিক নীতিমালা সস্পর্কে অবহিতকরণপূর্বক অনুপ্রাণিত করা আবশ্যক (প্রস্পেকটাস, লিফলেট, সরজমিনে ট্রেড পরিদর্শন ইত্যাদি)। ১.৬ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীনে যে কোন কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী কোর্স সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত এই কোর্সে ভর্তি হতে পারবে না। ভূল তথ্য দিয়ে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি হলে তার ভর্তি বাতিল হবে। [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ] ২.০ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সংশিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বোর্ড অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থী বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ঠুভাবে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আহবায়ক করে ৩ হতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে ভর্তি সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে। প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য কমিটি সততা, সচ্ছতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবে। কমিটির কাঠামো : ১. প্রতিষ্ঠান প্রধান আহবায়ক ২. সংশিষ্ট শিল্প কারখানার প্রতিনিধি ১ জন সদস্য ৩. সিবিটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক (১/২) সদস্য ৪. বোর্ড মনোনীত প্রতিনিধি ১ জন সদস্য ২.১ প্রতিষ্ঠান প্রধান গোপনীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষার প্রশড়বপত্র ক্সতরি, মডারেশন ও মূদ্রণের ব্যবস্থা করবে। ২.২ বিজ্ঞপ্তিতে উলিখিত যোগ্যতা সম্পনড়ব প্রার্থীদের বাছাইয়ের জন্য লিখিত পরীক্ষার প্রশড়বপত্র ভাষাজ্ঞান ও গণিতে সক্ষমতা যাচাইয়ের উপযোগী করে প্রণয়ন করতে হবে। ২.৩ ভর্তি পরীক্ষার প্রশড়বপত্রের নম্বর বণ্টনঃ লিখিত-৪০(বাংলা-১০, ইংরেজি-১০, গণিত-১০, সাধারণ জ্ঞান-১০), কায়িক প্রবণতা টেস্ট-৪০, মৌখিক পরীক্ষা-২০। ২.৪ বোর্ড কর্তৃক পরীক্ষা অনুষ্ঠানের নির্ধারিত তারিখে লিখিত, মৌখিক পরীক্ষা ও কায়িক প্রবনতা টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে। [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ] ৩.০ লিখিত ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত : কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক নির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে লিখিত পরীক্ষার নিয়মানুসারে স্ব-স্ব কেন্দ্রের নিজস্ব আসন ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের জন্য স্ব-স্ব কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশানুসারে পরিদর্শক নিয়োগ, নিরাপত্তা বিধান, প্রয়োজনে বহিরাগত পরিদর্শক নিয়োগ ইত্যাদির ব্যবস্থাপনা করতে হবে। এ প্রেক্ষিতে যে সকল বিষয়াদি অত্যন্ত গুরুত্বসহ বিবেচনা করতে হবে ঃ ৩.১ আসন সংখ্যা অনুসারে পরিদর্শী, প্রধান পরিদর্শী, হল তত্ত¡াবধায়ক, সাহায্যকারী নিয়োগের ব্যবস্থা করা। ৩.২ সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণের জন্য নিরাপত্তা বিধান। ৩.৩ পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত সময় সীমার প্রতি লক্ষ্য রাখা। ৩.৪ পরীক্ষা শেষে সকল উত্তরপত্রসমূহের ক্রমানুসারে সাজিয়ে কোড নং প্রদান। ৩.৫ পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট কোড নং এর কাটিং সংরক্ষণসহ গোপনীয়তা রক্ষা করা। ৩.৬ সকল প্রশিক্ষককে একত্রিত করে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের দিবসেই উত্তরপত্র পরীক্ষণ, নিরীক্ষার কাজ সমাপ্ত করা। [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ] ৪. ফলাফল প্রকাশ : ৪.১ লিখিত, মৌখিক পরীক্ষা ও কায়িক প্রবনতা টেস্টে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে টেবুলেশন ক্সতরি করতে হবে। ৪.২ সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে প্রশিক্ষণার্থী মনোনয়ন করতে হবে এবং আসন সংখ্যার অর্ধেক অপেক্ষমান তালিকাসহ মেধাক্রম অনুসারে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। ৫.০ কায়িক প্রবণতা টেস্ট : ৫.১ প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রতিষ্ঠানের প্রচলিত ট্রেডের সংখ্যানুসারে একটি উপ-কমিটি গঠন করবেন। ৫.২ বাছাইকৃত যোগ্য প্রার্থীদেরকেই লিখিত ও কায়িক প্রবনতা টেষ্টে অংশগ্রহণ করতে হবে। ৫.৩ সর্বমোট প্রার্থীর সংখ্যা অনুসারে সংশিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ওয়ার্কশপের সুবিধা অনুযায়ী প্রার্থীদেরকে সমভাবে ট্রেড ভিত্তিক উপ-কমিটির নিকট প্রেরণ করতে হবে। ৫.৪ প্রতিষ্ঠানের বাস্তব সুবিধাদির উপর ভিত্তি করে প্রস্তাবিত কায়িক প্রবণতা টেষ্ট যথা সম্ভব সীমিত ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পনড়ব করার জন্য পর্যবেক্ষণ ভিত্তিক নম্বরবণ্টন করতে হবে। ৫.৫ অত্যন্ত ক্সধর্য্য ও কৌশলগত সাবধানতার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করে বণ্টনকৃত নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে। ৫.৬ সাধারণভাবে ০৫:১ হইতে ১০:১ অনুপাতে প্রার্থী পর্যবেক্ষক নিয়োগ করতে হবে। প্রশিক্ষক স্বল্পতার কারণে প্রয়োজনে এই সংখ্যা পরিবর্তন করা যেতে পারে। ৫.৭ প্রস্তাবিত বিষয়াদির টেষ্ট গ্রহণের সময় স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের বাস্তব সুবিধাদির বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামো ]। ৫.৮ কায়িক প্রবণতা টেষ্টের পর্যবেক্ষণ ও নম্বর বণ্টন সংক্রান্ত পদ্ধতিগত নমুনা রূপরেখা ঃ [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ]   ৬.০ প্রার্থীদের ভর্তির আবেদন ফি আবেদন ফি বাবদ ১০০/- (একশত) টাকা জমা দিতে হবে। উক্ত অর্থের মধ্যে ৮০/- (আশি) টাকা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি সংক্রান্ত কার্যক্রমের ব্যয় হিসেবে রেখে দিবে এবং ২০/- (বিশ) টাকা ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশসহ বিবিধ খরচ মিটানোর জন্য বোর্ডে প্রেরণ করতে হবে। ৭.০ প্রশিক্ষণার্থী ভর্তির জন্য প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির অন্যান্য শর্তাবলি : প্রশিক্ষণার্থী ভর্তির জন্য প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির অন্যান্য  শর্তাবলি প্রযোজ্য হবে। ৮.০ এই নীতিমালার কোন ধারা/ধাবাসমূহের ব্যাখ্যা প্রদান : এই নীতিমালার কোন ধারা/ধাবাসমূহের ব্যাখ্যা প্রদানের অধিকার বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সংরক্ষিত থাকবে এবং বোর্ডের ব্যাখ্যাই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামো ]। ৯.০ এ নীতিমিালায় অনুলিখিত কোন বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের ক্ষমতা বোর্ডের নিকট সংরক্ষিত থাকবে। [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ] জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামো বিষয়ে গুরুকুলে : যোগাযোগ

গুরুকুলে নার্সিং ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০১৯

গুরুকুলে নার্সিং ভর্তি বিজ্ঞপ্তি [ Nursing Admission @ Gurukul ]

দেশের ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যখাতে দক্ষ ও মানবিক নার্সিং জনবল তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কুষ্টিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট’-এ ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই ইনস্টিটিউটটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত এবং বাংলাদেশ নার্সিং এন্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিল (BNMC) কর্তৃক নিবন্ধিত। কোর্সের বিবরণ বর্তমানে ইনস্টিটিউটটিতে নিচের কোর্সটিতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে: কোর্সের নাম: ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি। মেয়াদ: ৩ বছর (বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল নির্ধারিত)।   গুরুকুলে নার্সিং ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০১৯     হরিজন কোটায় বিশেষ বৃত্তি ও অন্তর্ভুক্তি একটি বহুত্ববাদী সমাজ (Pluralist Society) বিনির্মাণের অঙ্গীকার নিয়ে গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট এবারও ‘হরিজন কোটায়’ মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা রেখেছে। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মেধা বিকাশে এবং তাদের মূলধারার পেশায় সম্পৃক্ত করতে গুরুকুলের এই উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। কেন গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটকে বেছে নেবেন? প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের জন্য নিশ্চিত করে: অভিজ্ঞ শিক্ষক: নার্সিং খাতের বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ মন্ডলী দ্বারা পাঠদান। আধুনিক ল্যাব: হাতে-কলমে প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষার জন্য সমৃদ্ধ ল্যাবরেটরি। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস: সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ ও হাতে-কলমে কাজের সুযোগ। সুশৃঙ্খল পরিবেশ: রাজনীতিমুক্ত এবং নারীবান্ধব নিরাপদ ক্যাম্পাস।   ভর্তি ও যোগাযোগের বিস্তারিত ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য, ভর্তির যোগ্যতা এবং প্রক্রিয়া জানার জন্য আগ্রহী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সরাসরি কুষ্টিয়া ক্যাম্পেসে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। সরাসরি যোগাযোগের নম্বর:  01701229621,  01701229622, 01877731344, 01877731345 ঠিকানা: গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট, কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস।       পেশাদার নার্সিং শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও বিদেশের স্বাস্থ্যখাতে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে আগ্রহীদের দ্রুত আসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসন বিভাগ।

শারদীয় দুর্গাপূজা ২০১৯ উপলক্ষে ছুটির নোটিশ

শারদীয় দুর্গা পূজা, ছুটির নোটিশ

বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে ‘গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস’-এ একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ০৮ অক্টোবর ২০১৯ (মঙ্গলবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। প্লুরালিস্ট সোসাইটি ও গুরুকুলের দর্শন গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি সকল ধর্ম, বর্ণ ও মতের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের একটি অনন্য ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজ গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ। গুরুকুল বিশ্বাস করে, উৎসবের আনন্দ সর্বজনীন এবং এটি আমাদের পারস্পরিক মৈত্রী ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। শারদীয় দুর্গাপূজার এই ছুটি সেই বৈচিত্র্যের প্রতি বিনম্র সম্মান এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক চর্চারই একটি অংশ। ছুটির সময়সূচী ও কার্যক্রম প্রশাসন বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী: ছুটির তারিখ: ০৮ অক্টোবর ২০১৯ (মঙ্গলবার)। কার্যক্রম পুনরায় শুরু: ০৯ অক্টোবর ২০১৯ (বুধবার) থেকে ক্যাম্পাসের সকল ক্লাস, পরীক্ষা এবং দাপ্তরিক কাজ পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী যথারীতি পরিচালিত হবে। নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার নির্দেশনা উৎসবের এই বিশেষ সময়ে গুরুকুল কর্তৃপক্ষ সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব উদযাপনের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রেখে আনন্দঘন পরিবেশে বিজয়া দশমী উদযাপনের মাধ্যমেই একটি সুস্থ সমাজ গঠন সম্ভব বলে মনে করে কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের বার্তা গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের প্রশাসন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, “আমরা এমন একটি পরিবেশ লালন করি যেখানে প্রতিটি মানুষ তাদের স্ব-স্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে গর্বের সাথে বসবাস করতে পারে। এই বহুত্ববাদী সমাজ ব্যবস্থা আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।” গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস পরিবারের পক্ষ থেকে কুষ্টিয়াবাসীসহ সকলকে শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। আরও দেখুন: গুরুকুল ক্যাম্পাসে দ্বীন ও ধর্ম বিষয়ক নীতিমালা

শারদীয় দুর্গাপূজা ২০১৮ উপলক্ষে ছুটির নোটিশ

শারদীয় দুর্গা পূজা, ছুটির নোটিশ

বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার সমাপনী লগ্ন ‘বিজয়া দশমী’ উপলক্ষে ‘গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস’-এ আগামী ১৯ অক্টোবর ২০১৮ (শুক্রবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই দিন প্রতিষ্ঠানের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। প্লুরালিস্ট সোসাইটি ও গুরুকুলের অঙ্গীকার গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস একটি ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজ বিনির্মাণে বিশ্বাসী। গুরুকুল পরিবার মনে করে, প্রতিটি ধর্মের উৎসবই আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সকল ধর্ম, বর্ণ ও মতের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধই গুরুকুলের শিক্ষার মূল ভিত্তি। দুর্গাপূজার এই ছুটি সেই বৈচিত্র্যের প্রতি বিনম্র সম্মান এবং সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করার একটি প্রয়াস। ছুটির সময়সূচী ও কার্যক্রম প্রশাসন বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী: ছুটির তারিখ: ১৯ অক্টোবর ২০১৮ (শুক্রবার)। কার্যক্রম পুনরায় শুরু: ২০ অক্টোবর ২০১৮ (শনিবার) থেকে ক্যাম্পাসের সকল ক্লাস, পরীক্ষা এবং দাপ্তরিক কাজ পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী যথারীতি পরিচালিত হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা ও নিরাপত্তা উৎসবের এই বিশেষ সময়ে গুরুকুল কর্তৃপক্ষ সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উৎসবকালীন নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধনে একটি নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে বিজয়া দশমী উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের বার্তা গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের প্রশাসন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, “আমরা এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ লালন করি যেখানে প্রতিটি মানুষ তাদের স্ব-স্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে গর্বের সাথে বসবাস করতে পারে। এই বহুত্ববাদী চেতনা আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। বিজয়া দশমীর এই ক্ষণে আমরা সকল ধর্মাবলম্বীদের মাঝে মৈত্রীর বন্ধন আরও দৃঢ় হওয়ার কামনা করি।” গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস পরিবারের পক্ষ থেকে কুষ্টিয়াবাসীসহ সকলকে শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। আরও দেখুন: গুরুকুল ক্যাম্পাসে দ্বীন ও ধর্ম বিষয়ক নীতিমালা

গুরুকুলের ওয়েলকাম টিউন

গুরুকুলের কর্মীবৃন্দ নিচের নির্দেশনা অনুযায়ী গুরুকুলের ওয়েলকাম টিউন সেট করে নিতে পারবেন। গুরুকুলের ওয়েলকাম টিউন     ওয়েলকাম টিউনের কোড: 7806110 – গুরুকুলে স্বাগতম (বংলা) 7806111 – Welcome to Gurukul (English) কিভাবে সেট করবেন ?: গ্রামীনফোনের গ্রাহকদের জন্য গুরুকুলের ওয়েলকাম টিউন: WT এর পরে “টিউনের কোড” লিখে 4000 নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে। যেমন: WT 7806110 লিখে 4000 নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে। বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য গুরুকুলের ওয়েলকাম টিউন: DOWN এর পরে “টিউনের কোড” লিখে 2222 নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে। যেমন: DOWN 7806110 লিখে 2222 নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে। রবির গ্রাহকদের জন্য গুরুকুলের ওয়েলকাম টিউন: GET এর পরে “টিউনের কোড” লিখে 8466 নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে। যেমন: GET 7806110 লিখে 8466 নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে। এয়ারটেল গ্রাহকদের জন্য গুরুকুলের ওয়েলকাম টিউন: CT এর পরে “টিউনের কোড” লিখে 3123 নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে। যেমন: CT 7806110 লিখে 3123 নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে। টেলিটক গ্রাহকদের জন্য গুরুকুলের ওয়েলকাম টিউন: TT এর পরে “টিউনের কোড” লিখে 5000 নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে। যেমন: TT 7806110 লিখে নম্বরে 5000 মেসেজ পাঠাতে হবে।

গুরুকুল ব্যবস্থাপনা পরিষদ সদস্য আনিসুর রহমান মাহমুদের মৃত্যুতে গভীর শোক

Anisur Rahman Mahmud | আনিসুর রহমান মাহমুদ

গুরুকুল ব্যবস্থাপনা পরিষদের অন্যতম সম্মানিত সদস্য আনিসুর রহমান মাহমুদ (আনিস মাহমুদ)-এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে গুরুকুল শিক্ষা পরিবার। তাঁর প্রয়াণে দেশের উন্নয়ন ও নীতিনির্ধারণী মহলে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। গুরুকুল প্রমুখের শোকবার্তা আনিস মাহমুদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন গুরুকুল প্রমুখ এবং প্রখ্যাত তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন: “আনিস মাহমুদ কেবল আমাদের ব্যবস্থাপনা পরিষদের সদস্য ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন অকৃত্রিম পথপ্রদর্শক। তাঁর প্রয়াণে গুরুকুল একটি নির্ভরতার মজবুত স্তম্ভ হারালো। আমরা মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।” কর্মময় জীবন ও বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার আনিসুর রহমান মাহমুদ ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন পেশাদার ব্যক্তিত্ব। তাঁর কর্মজীবনের পরিধি ছিল অত্যন্ত বিস্তৃত। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে উৎপাদন, বিপণন এবং বিজ্ঞাপন খাতে দেশি ও বিদেশি বহু স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে নীতিনির্ধারক পর্যায়ে কাজ করেছেন। সামাজিক উন্নয়ন ও নীতি প্রণয়ন খাতে তাঁর অভিজ্ঞতা ছিল ঈর্ষণীয়। তিনি জাতীয় পর্যায়ের বেশ কিছু বাণিজ্য ও উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানের পরামর্শক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দেশের সামাজিক যোগাযোগ খাতের আধুনিকায়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। গুরুকুলে অবদান ও উত্তরাধিকার গুরুকুলের আজকের অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে আনিস মাহমুদের দূরদর্শী চিন্তা ও দিকনির্দেশনা বিশেষভাবে কাজ করেছে। তাঁর কর্মদক্ষতা ও নেতৃত্ব গুরুকুলের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করেছে। গুরুকুল পরিবারের সদস্যরা মনে করেন, তাঁর দেখানো পথ ও আদর্শ প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় চিরকাল প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। শেষ বিদায় ও প্রার্থনা গুরুকুল পরিবারের সকল সদস্য, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করছে। শোকবার্তায় জানানো হয়, তাঁর মতো একজন নিষ্ঠাবান ও মেধাবী ব্যক্তিত্বের অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। প্রশাসন ও জনসংযোগ বিভাগ, গুরুকুল শিক্ষা পরিবার।

গুরুকুল চেয়ারম্যান আজিজা আহমেদকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা

23231512 10210021130711991 6842348864992673348 n গুরুকুল চেয়ারম্যান আজিজা আহমেদকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা

গুরুকুল চেয়ারম্যান আজিজা আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষে গুরুকুলের সকল শিক্ষক ও কর্মীদের পক্ষ থেকে একটি অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়। সেখানে কেক কাটা ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়।  উক্ত অনুষ্টানে সকল কর্মীর পক্ষ থেকে চেয়ারম্যানের উদ্দেশ্যে একটি শুভেচ্ছা বার্তা প্রেরণ করা হয় । বার্তায় লেখা হয়েছে: প্রিয় চেয়ারম্যান ম্যাডাম আজিজা আহমেদ, আপনার জন্মদিনে গুরুকুল পরিবারের পক্ষ থেকে—সমস্ত শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি আপনার নেতৃত্ব, নিবেদন, প্রজ্ঞা ও অবিচল অনুপ্রেরণার কথা, যা আমাদের প্রতিদিনের কাজ ও শিক্ষায় আলোকবর্তিকা হয়ে আছে। আপনার সুদূরপ্রসারী দৃষ্টি, দৃঢ় মনোবল ও মানবিক নেতৃত্ব শুধু গুরুকুলকেই নয়, আমাদের প্রত্যেককে আলাদা আলাদাভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। আপনার দিকনির্দেশনায় গুরুকুল একটি শক্তিশালী ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলেছে, যা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করছে। আপনি শুধু একজন সফল প্রশাসক নন, বরং একজন অভিভাবকের মতো যিনি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীদের জন্য সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আপনার কর্মমুখী চিন্তা, নৈতিকতার প্রতি অনুরাগ ও শিক্ষার মানোন্নয়নে অবিরাম প্রচেষ্টা আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। আজকের এই দিনে আমরা আপনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, মানসিক প্রশান্তি ও আরও সফলতার জন্য প্রার্থনা করছি। আপনার জীবন হোক আনন্দ, ভালোবাসা ও আলোর উজ্জ্বলতায় ভরপুর। আমরা প্রত্যাশা করি, আপনার অম্লান হাসি ও উদ্দীপনা আমাদের সকলকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগাবে বহু বছর ধরে। শুভ জন্মদিন ম্যাডাম  —গুরুকুল পরিবারের সকল শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পক্ষ থেকে আন্তরিক ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা। আরও দেখুন: গুরুকুলের গুরুত্বপূর্ণ দিবস ও গুণীজন স্মরণ পঞ্জিকা

শারদীয় দুর্গাপূজা ২০১৭ উপলক্ষে ছুটির নোটিশ

শারদীয় দুর্গা পূজা, ছুটির নোটিশ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার সমাপনী দিবস ‘বিজয়া দশমী’ উপলক্ষে ‘গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস’-এ আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ (মঙ্গলবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই দিন প্রতিষ্ঠানের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। প্লুরালিস্টিক সোসাইটি ও গুরুকুলের অঙ্গীকার গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস কেবল একটি বিদ্যাপীঠ নয়, বরং এটি একটি ‘প্লুরালিস্টিক সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজের আদর্শ বহনকারী প্রতিষ্ঠান। গুরুকুল পরিবার বিশ্বাস করে যে, প্রতিটি ধর্ম ও বর্ণের মানুষের উৎসবই আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। সকল মত ও পথের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং একে অপরের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধই গুরুকুলের মূল শক্তি। দুর্গাপূজার এই ছুটি সেই বৈচিত্র্যের প্রতি বিনম্র সম্মান এবং সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করার একটি প্রয়াস। ছুটির সময়সূচী ও কার্যক্রম প্রশাসন বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী: ছুটির তারিখ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ (মঙ্গলবার)। কার্যক্রম পুনরায় শুরু: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭ (বুধবার) থেকে ক্যাম্পাসের সকল ক্লাস, পরীক্ষা এবং দাপ্তরিক কাজ পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী যথারীতি পরিচালিত হবে। নির্দেশনা ও নিরাপত্তা উৎসবের এই বিশেষ দিনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উৎসবকালীন নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে প্রশাসন বিভাগ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধনে একটি নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে বিজয়া দশমী উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের বার্তা গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের প্রশাসন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, “আমরা এমন একটি শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলেছি যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজ নিজ ধর্মীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য স্বাধীনভাবে পালনের সুযোগ পায়। এই বহুত্ববাদী সমাজ ব্যবস্থা আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। বিজয়া দশমীর এই ক্ষণে আমরা সকল ধর্মাবলম্বীদের মাঝে মৈত্রীর বন্ধন আরও দৃঢ় হওয়ার কামনা করি।” গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস পরিবারের পক্ষ থেকে কুষ্টিয়াবাসীসহ সকলকে শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। আরও দেখুন: গুরুকুল ক্যাম্পাসে দ্বীন ও ধর্ম বিষয়ক নীতিমালা

শোকাবহ আশুরার ছুটির নোটিশ ২০১৬ : ত্যাগ ও ন্যায়ের আদর্শ স্মরণের আহ্বান

শোকাবহ আশুরা, ছুটির নোটিশ : Ashura Holiday Notice

ইসলামী ইতিহাসের এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ দিন ‘পবিত্র আশুরা’ উপলক্ষে ‘গুরুকুল শিক্ষা পরিবার’-এর সকল প্রতিষ্ঠানে আগামী ১২ অক্টোবর ২০১৬ (বুধবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে (স্মারক নং: গুরুকুল/প্রশা/২০১৬/০৯৬) এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। ত্যাগের মহিমায় বহুত্ববাদী চেতনা গুরুকুল শিক্ষা পরিবার বিশ্বাস করে, পবিত্র আশুরা কেবল একটি ধর্মীয় দিন নয়, বরং এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রাম এবং ত্যাগের এক চিরন্তন প্রতীক। গুরুকুলের বহুত্ববাদী (Pluralist) সমাজ দর্শনে প্রতিটি ধর্মের ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বকে পরম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়। আশুরার এই শোক ও ত্যাগের শিক্ষা শিক্ষার্থীদের মাঝে ধৈর্য, সহনশীলতা এবং ন্যায়ের পথে চলার প্রেরণা যোগাবে বলে কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে। ভর্তি প্রক্রিয়ায় বিশেষ ব্যবস্থা ছুটির কারণে নিয়মিত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও, আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ভর্তি প্রক্রিয়ায় বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ছুটিকালীন সময়েও বিশেষ ব্যবস্থায় গুরুকুলের ভর্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ নির্ধারিত বুথে এসে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ভর্তি সংক্রান্ত সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। দাপ্তরিক নির্দেশনা ও বিতরণ নোটিশটি যথাযথ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরে প্রেরণ করা হয়েছে। আদেশের অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে: ১. চেয়ারম্যান ও প্রমুখ-এর দপ্তর। ২. গুরুকুল ও এর আওতাধীন সকল ইনস্টিটিউটের পরিচালকবৃন্দ। ৩. সকল কলেজ ও স্কুলের অধ্যক্ষ (প্রিন্সিপ্যাল)। ৪. প্রশাসনিক ও একাডেমিক বিভাগের সকল ইনচার্জ ও বিভাগীয় প্রধান। ৫. সকল ক্যাম্পাসের নোটিশ বোর্ড এবং রেজিস্ট্রার দপ্তর। কর্তৃপক্ষের বার্তা প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেছেন, “আশুরার এই দিনটি আমাদের অন্যায়ের প্রতিবাদ ও ত্যাগের শিক্ষা দেয়। আমরা আশা করি, গুরুকুল পরিবারের সকল সদস্য এই দিনের পবিত্রতা ও গুরুত্ব অনুধাবন করবেন। একই সাথে, ভর্তি কার্যক্রম চালু রাখার মাধ্যমে আমরা শিক্ষার সুযোগ প্রসারে আমাদের নিরবচ্ছিন্ন অঙ্গীকার বজায় রাখছি।” আগামী ১৩ অক্টোবর ২০১৬ (বৃহস্পতিবার) থেকে সকল প্রতিষ্ঠানে যথারীতি সময়সূচী অনুযায়ী ক্লাস ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।