গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

কম্পিউটার টেকনোলজির অভিভাববক সমাবেশের ছবি

ক্যাম্পাস প্রেস রিলিজ: গুরুকুল পরিবার আয়োজিত গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ গতকাল শনিবার কুষ্টিয়ার গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাসের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভাগীয় প্রধান শামীম রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল একাডেমিক ইনচার্জ শামীম রানা, কম্পিউটার টেকনোলজির গাইড শিক্ষক মশিউল ইসলাম ও আরজ আলী। অভিভাবকদের অংশগ্রহণ ও মতামত কম্পিউটার টেকনোলজির মোট ১২৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯৫ জনের অভিভাবক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৮ জন অভিভাবক বক্তব্য রাখেন। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন—নাঈম হোসেন, সুমন আশিক, আলাউদ্দিন আহমেদ, আজমল হক, নিলুফা ইয়াসমিন, রুবিয়া খাতুন, সোহেল রানা, রিয়াজ উদ্দিন, হাবিবুর রহমান, রোকনুজ্জামান, আক্তার জামান, জিল্লুর রহমান, আলামিন হোসেন, আব্দুল মালেক, সাদিয়া খানম লাকি, আফরোজা খাতুন, এরশাদ আলী ও বাবু। সমাবেশে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল ও খাতা অভিভাবকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। অভিভাবকেরা রেজাল্ট, নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, শিক্ষার মান, প্রতিষ্ঠানিক পরিবেশ এবং শৃঙ্খলাসহ সার্বিক বিষয়ে প্রশ্ন করেন। এসব প্রশ্নের উত্তর দেন ট্রেড প্রধান, গাইড শিক্ষক ও একাডেমিক ইনচার্জ। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পরামর্শ গুরুকুলের পক্ষ থেকে বক্তারা বলেন, “আপনারা প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন কলেজে এসে সন্তানের গাইড শিক্ষকের সাথে কথা বলবেন, খোঁজ নেবেন এবং আমাদের পরামর্শ দেবেন কীভাবে আমরা আরও ভালো করতে পারি।” বক্তারা আরও জানান, গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি স্পোর্টস ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং রোভার স্কাউটের মাধ্যমে এক্সট্রা কারিকুলার কার্যক্রমে অংশ নেয়, যাতে তারা ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ও সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। যোগাযোগ ও সেবা নিশ্চিতকরণ শিক্ষার্থীদের যেকোনো সমস্যায় সরাসরি অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ রাখা এবং পরীক্ষার ফলাফল বাসায় পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন কর্তৃপক্ষ। গুরুকুলের লক্ষ্য ও অর্জন বক্তারা উল্লেখ করেন, দেশবরেণ্য তথ্য প্রযুক্তিবিদ ও গুরুকুল পরিবারের প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষা পরিবারে বর্তমানে ৭টি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৩টি মেডিকেল বিভাগসহ সারাদেশে ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দেশের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা হচ্ছে, যাদের অনেকেই বিদেশে দক্ষতার সাথে কাজ করার যোগ্যতা অর্জন করছে। কারিগরি শিক্ষায় হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তোলা এবং দেশের উন্নয়নে যুক্ত করার লক্ষ্যেই গুরুকুলের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মীরা একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী আয়োজন গুরুকুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ৮ দিন গুরুকুল পরিবারের বিভিন্ন বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ চলবে। আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে সিভিল টেকনোলজি বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ।

কারিগরি শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশে গুরুকুলে স্কিলস কম্পিটিশন–২০১৭

22729072 2035723650031509 4093870542644990200 n কারিগরি শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশে গুরুকুলে স্কিলস কম্পিটিশন–২০১৭

অক্টোবর ২৭, ২০১৭ : কারিগরি শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশে সহায়ক স্কিলস কম্পিটিশন–২০১৭-এর প্রাতিষ্ঠানিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট “কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট” আয়োজনে এবং স্কিলস অ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (স্টেপ)-এর সহযোগিতায়। দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাস হল রুমে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়। দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় গুরুকুলের ৬টি টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। মূল্যায়ন ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ প্রতিযোগিতায় মূল্যায়ন কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— কুষ্টিয়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত আনজুম অনন্যা কুষ্টিয়া সরকারি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের অধ্যক্ষ আক্তারুজ্জামান কুষ্টিয়া সরকারি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইন্সটিটিউটের সুপারিনটেনডেন্ট নিখিল চন্দ্র ঘোষ গুরুকুল প্রশাসনিক কর্মকর্তা শামীম রানা গুরুকুল কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রাশনা শারমিন পরিদর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর-এর সহকারী পরিচালক (PIU) জাহিদুল কবির খান। আয়োজক কমিটির বক্তব্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আয়োজক কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও আরএস ট্রেড প্রধান এম. এম. মাসুম, সদস্য কম্পিউটার ট্রেড প্রধান বিথী খাতুন, টেক্সটাইল ট্রেড প্রধান হাবিবুর রহমান, সিভিল ট্রেড প্রধান সিরাজুম মনিরা, মেকানিক্যাল ট্রেড প্রধান তামান্না আফরোজ, এবং জিডিপিএম ট্রেড প্রধান খাইরুল বাশার। প্রতিযোগিতার ফলাফল প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বিজয়ী প্রজেক্টসমূহ— প্রথম স্থান: কম্পিউটার টেকনোলজির উদ্ভাবিত “স্মার্ট সিটি অ্যান্ড হাউজ” প্রজেক্ট দ্বিতীয় স্থান: ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজির উদ্ভাবিত “ডিজিটাল পাওয়ার হাউজ” প্রজেক্ট তৃতীয় স্থান: জিডিপিএম টেকনোলজির কাপড় ও ফাইবার দ্বারা নির্মিত বিভিন্ন হস্তশিল্প প্রজেক্ট উল্লেখ্য, এই প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী প্রজেক্টগুলো আগামী ১৮ নভেম্বর যশোর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। উপস্থিতি অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, গুণীজন, শিল্প ও কলকারখানার মালিক, প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গুরুকুলে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৩ দিনব্যাপী জাতীয় শোক দিবস পালন

Gurukul observes National Mourning Day | গুরুকুলে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৩ দিন ব্যাপী জাতীয় শোক দিবস পালন

কুষ্টিয়া গুরুকুলে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।   কর্মসূচির সূচি জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ১২ আগস্ট হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা, ১৩ আগস্ট উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা এবং ১৫ আগস্ট কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাসের হল রুমে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহিদ সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।   আলোচনা সভা আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের প্রধান ও ইন্সট্রাকটর রাশনা শারমিন। এসময় বক্তব্য রাখেন ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) খোন্দকার রুহুল আমীন, ইনচার্জ (লিগ্যাল এন্ড এডমিন) শামীম রানা, জাতীয় শোক দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান, ইনচার্জ (কমার্শিয়াল) রফিকুল ইসলাম, সিভিল ট্রেড প্রধান উমাইয়া মল্লিক, কম্পিউটার ট্রেড প্রধান বিথী খাতুন, মেকানিক্যাল ট্রেড প্রধান তামান্না আফরোজ, আরএস ট্রেড প্রধান এম এ মাসুম, টেক্সটাইল ট্রেড প্রধান সালাউদ্দিন আহমেদ এবং গুরুকুল ম্যাটস প্রধান শিউলি খাতুন। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন টেক্সটাইল তৃতীয় পর্বের বিপ্লব হোসেন ও ইলেকট্রিক্যাল ৫ম পর্বের ইয়াসিন আরাফাত তুষার। পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন শিক্ষার্থী নাজমুল এবং পবিত্র গীতা পাঠ করেন শিক্ষার্থী সিদ্ধার্থ শোভন রায়। অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গণিত শিক্ষক সাদিয়া ইসলাম ও ইংরেজি শিক্ষক শর্মিলা আক্তার। সঙ্গীত পরিবেশন করেন অ্যাকাউন্টিং শিক্ষক সালাউদ্দিন কাদের। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন লিগ্যাল এন্ড এডমিন বিভাগের সহকারী হাফেজ কুদরত উল্লাহ। পুরস্কার বিতরণী আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। হামদ প্রতিযোগিতা: ১ম স্থান: আল হোসাইন (টেক্সটাইল ৫ম পর্ব) ২য় স্থান: মৌসুমী খাতুন (IHT ১ম বর্ষ) নাত প্রতিযোগিতা: ১ম স্থান: বিপ্লব হোসেন (টেক্সটাইল ৩য় পর্ব) ২য় স্থান: সিদ্ধার্থ শোভন রায় (টেক্সটাইল ৫ম পর্ব) ৩য় স্থান: আব্দুস সামাদ ৪র্থ স্থান: ইয়াসিন আরাফাত তুষার (ইলেকট্রিক্যাল ট্রেড) উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা: ১ম স্থান: নেছার আহমেদ (ইলেকট্রিক্যাল ৩য় পর্ব) ২য় স্থান: সোহাগ হোসেন (সিভিল ১ম পর্ব) ৩য় স্থান: ময়না আক্তার (কম্পিউটার ৩য় পর্ব) রচনা প্রতিযোগিতা (বিষয়: বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আজকের বাংলাদেশ): ১ম স্থান: নেছার আহমেদ (ইলেকট্রিক্যাল ৩য় পর্ব) ২য় স্থান: সোহাগ হোসেন (সিভিল ১ম পর্ব) ৩য় স্থান: ময়না আক্তার (কম্পিউটার ৩য় পর্ব)

বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুষ্টিয়া গুরুকুলের নবীণ বরন ও বিদায় ২০১৭ অনুষ্ঠান

Gurukul students reception farewell 2017 Banner বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুষ্টিয়া গুরুকুলের নবীণ বরন ও বিদায় ২০১৭ অনুষ্ঠান

শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় কুষ্টিয়া শহরের এনএস রোড,আলো ভবনের সামনে থেকে, গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহনে, গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক এর নেতৃত্বে নবীণ বরন ও বিদায় অনুষ্ঠানের বর্নিল শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি কুষ্টিয়া শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে, জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে পৌছে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।     দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও গুরুকুল সঙ্গীত বিভাগ,নাট্য বিভাগ, নৃত্য বিভাগ ও গুরুকুল রোভার স্কাউট সদস্যদের পরিবেশনায় মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। গুরুকুল নবীন বরন ও বিদায় অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক, ইলেকট্রিক্যাল ট্রেড প্রধান ইন্সট্রাকটর রাশনা শারমিন এর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হুয়াউয়ে কনজুমার বিজনেস গ্রুপ ইউএই এর হেড অব সার্ভিস পাভেল শাহরিয়ার,বিভাগীয় প্রধান সংস্কৃতিক ও প্রকাশনা বিভাগ ইন্টার ন্যাশনাল টার্কিশ হোপ স্কুল ও সভাপতি বাংলা অলিম্পিয়াড এবং পরামর্শক রেডিও ঢোল ৯৪.০ এফএম এর শাহরিয়ার বিন মখলেস লিন, উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারি পরিচালক, এনডিএফবিডির উপদেষ্টা চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা ও কুষ্টিয়া বটতৈল বৈদ্যতিক গ্রীড এর চিফ ইঞ্জিনিয়ার আবু তালেব। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক রিজভী মাহামুদ হিরন, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত তুষার।     অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গুরুকুল ইনচার্জ লিগ্যাল এন্ড হেড অব এডমিন শামীম রানা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, গুরুকুল নবীন বরন ও বিদায় অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক,আরএস ট্রেড প্রধান এমএ মাসুম, অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গুরুকুল টেক্সটাইল ট্রেড প্রধান সালাউদ্দিন আহমেদ,সিভিল ট্রেড প্রধান উমাইয়া মল্লিক,কম্পিউটার ট্রেড প্রধান বিথী খাতুন,মেকানিক্যাল ট্রেড প্রধান তামান্না আফরোজ, জিডিপিএম ট্রেড প্রধান হাসিবুল ইসলাম।গুরুকুল নার্সিং ও প্যাথলজি বিভাগের প্রধান মিশকাতুর রহমান, ফার্মেসী ট্রেড প্রধান আব্দুল আলীম। কমার্শিয়াল বিভাগের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, পাবলিসিটি এন্ড চ্যালেন ডিপার্টমেন্ট প্রধান তানভির মেহেদী, ইনচার্জ কমার্শিয়াল রফিকুল ইসলাম, ইনচার্জ ফাইনান্স খোন্দকার রুহুল আমীন, সহকারি রেজিষ্ট্রার দিপক কুমার মন্ডল, আইসিটি অফিসার রেজাউল ইসলাম। আলোচনা সভা শেষে গুরুকুল প্রমুখ তথ্য প্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর উপস্থাপনায় জনপ্রিয় তারকা দম্পতি নওশিন-হিল্লেল এর সাথে আড্ডায় মেতে উঠে গুরুকুল শিক্ষার্থী ও উপস্থিত অতিথি বৃন্দ। নওশিন-হিল্লোল তাদের জীবনের তারকা হওয়ার কথা সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা শেয়ার করেন শিক্ষার্থীদের সাথে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি, সময় উপযোগী করে নিজেকে গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।     দিনব্যাপী সঙ্গীত, নৃত্য,নাটক,রম্য বিতর্ক সহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গুরুকুল সঙ্গীত বিভাগ,নাট্য বিভাগ, নৃত্য বিভাগ ও গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ এর যে সকল সদস্য অংশগ্রহন করে তারা হচ্ছেন,”লাল সবুজের বিজয় নিশান” গানের সাথে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে,মৌতুসী, পূর্নিমা,জীম,আসিফ,মিনহাজ,মেহেদী,তাজমুল ও স্মৃতি।   নাট্যকার খায়রুল বাশার স্ক্রিপ্ট সংযোজনে,সায়েদ সরোয়ার এর নির্দেশনায় জৈনক ইমান আলী নটকে অভিনয় করেন, বিপ্লব, আজীম, মেহেদী, বৃষ্টি,পূর্নীমা, সুমি,মীম, সালঅউদ্দিন কাদের, স্মৃতি,আসিফ,আব্দুস সামাদ, মিনহাজ,মৌতুসী,অর্নব, জুয়েল, আসিফ ও তাজমুল।     “বিবাহ পরবর্তী প্রেম বেশি মধুর” শীর্ষক রম্য বিতর্কে, পক্ষ দলে অংশগ্রহন করে মৌতুসী, অর্পন, ও বিপ্লব, বিপক্ষ দলে অংশগ্রহন করে পূর্নিমা,মুক্তা ও তুষার। বিতর্কে মডারেটর এর দায়িত্ব পালন করেন,গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব এর মডারেটর রাশনা শারমিন। একক নৃত্য পরিবেশন করে কম্পিউটার ক্লাব এর শিক্ষার্থী সোনিয়া মাহমুদ, গুরুকুল ম্যাটস এর শিক্ষার্থী মৌতুসী, সিভিল ট্রেড এর শিক্ষার্থী জীবন নাহার ও উপমা। যৌথ নৃত্য পরিবেশন করেন শিক্ষক সাদিয়া সন্ধি ও কায়েস উদ্দিন, সোনিয়া ও মেহেদী, মৌতুসী ও পূর্ণিমা। দর্শক পর্ব পরিচালনা করেন মিনহাজুর রহমান। নবীণ বরন ও বিদায় অনুষ্ঠানে  একক গান পরিবেশন করেন,মুনতাসিরা প্রীতি, বৃষ্টি, তাজমুল, প্রাপ্তি, মৌসুমী, অনিক। সালাউদ্দিন আহমেদ, হাবিব হোসেন,জাহিদ হাসান ও সালাউদ্দিন কাদের।     গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ এর পরিবেশনায়” জঙ্গিবাদের ঠাঁই নাই” শির্ষক নাটিকায় অভিনয় করে, রোভার লিডার আশরাফুল সাজিদ,অর্নব,জীম,ফারহানা,সুমাইয়া,সাঈদ,কিরন,তুষার,অর্নব,সিদ্ধার্থ,রিতু। অনুষ্ঠানটি শৈল্পিক উপস্থাপনা করেন গুরুকুল শিক্ষার্থী সোনিয়া মাহমুদ, আব্দুস সামাদ, মুক্তা বৃষ্টি, সিদ্ধার্থ ও ইয়াসির আরাফাত তুষার।

১১ দিনব্যাপী যাত্রা উৎসবে সহযোগিতায় গুরুকুল

কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে “ফিরে চল মাটির টানে” স্লোগানকে সামনে রেখে ৭ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ১১ দিনব্যাপী যাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এই উৎসবের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ।     উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, একসময় গ্রামীণ বাংলার মানুষের বিনোদনের মূল উৎস ছিল যাত্রাপালা। গ্রামের মাটি ও মানুষের বাস্তব জীবনের গল্প এবং ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি যাত্রার মাধ্যমে নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন করা হতো। যাত্রা শুধু বিনোদন নয়, এটি ছিল লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী শিল্পমাধ্যম এবং লোকশিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বাহন। কিন্তু কালের আবর্তে যাত্রাপালা বিলুপ্তির পথে, যার জায়গা নিয়েছে অপসংস্কৃতি। জেলা শিল্পকলার এই উদ্যোগকে তিনি প্রশংসা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন যাত্রাশিল্পকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেবে এবং অশ্লীলতার হাত থেকে রক্ষা করবে।       উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী, পুলিশ সুপার এস এম মেহেদী হাসান, পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা ও সংগঠক তাপস ব্যানার্জী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহীন সরকার, জেলা কালচারাল অফিসার সুজন রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ মিন্টু, চৌধুরী মুর্শেদ আলম মধু, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জেবুন নেসা সবুজ, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার শামস তানিম মুক্তি ও জেলা পরিষদ সদস্য জান্নাতুল মাওয়া রনি। উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ১৭ জুলাই রাতে। এতে সহযোগিতা করে গুরুকুল। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক জহির রায়হান, গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর, আওয়ামী লীগ নেতা আতাউর রহমান আতা এবং শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম। সমাপনীতে গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর বাংলাদেশের যাত্রাপালার ঐতিহ্য, বিলুপ্তির কারণ ও পুনর্জাগরণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি শিল্পকলা একাডেমিকে আগত শীতে কুমারখালীতে অনুরূপ আয়োজন করার আমন্ত্রণ জানান। জেলা প্রশাসক জহির রায়হান বলেন, “আমাদের ক্ষয়িষ্ণু সমাজকে কলুষমুক্ত করতে যাত্রাপালার বিকল্প নেই।” পুরো উৎসবজুড়ে ১০ রাতে ১০টি যাত্রাপালা মঞ্চস্থ হয়। প্রথম দিন মঞ্চস্থ হয় “নাচ ঘরের কান্না”। আয়োজক জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম জানান, অশ্লীল নৃত্য ও অসাধু ব্যবসায়িক চিন্তার কারণে যাত্রা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল রুচিশীল সমাজ। বিলুপ্তপ্রায় এই যাত্রাশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে এ আয়োজন গ্রহণ করা হয়েছে, যা জেলা পর্যায়ে সারা বাংলাদেশে এই প্রথম। গুরুকুলের সহযোগিতায় আয়োজিত এই উৎসব শুধু কুষ্টিয়ার সংস্কৃতিপ্রেমীদের নয়, সমগ্র দেশের লোকশিল্প রক্ষায় একটি মাইলফলক উদ্যোগ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

গুরুকুলে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ২০১৭

গুরুকুলে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষা ও ত্যাগের মহিমাকে ধারণ করে গুরুকুল শিক্ষা পরিবার-এর উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ২৫ রমজান কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাস মিলনায়তনে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।   সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ইফতারের পূর্বে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইফতার মাহফিল আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক কায়েস উদ্দিন। সভায় রমজানের গুরুত্ব এবং গুরুকুলের ভ্রাতৃত্ববোধ নিয়ে বক্তব্য রাখেন: তানভির মেহেদী, প্রধান সমন্বয়কারী, গুরুকুল। শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন), গুরুকুল। আব্দুস সালাম, সমন্বয়কারী, কুমারখালী গুরুকুল। সালাউদ্দিন আহমেদ, বিভাগীয় প্রধান (টেক্সটাইল)। রাশনা শারমিন, বিভাগীয় প্রধান (ইলেকট্রিক্যাল)। এম. এ. মাসুম, ট্রেড প্রধান (নন-টেক)।     উপস্থিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে গুরুকুল কুষ্টিয়া ও কুমারখালী ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অনুষদের প্রধানগণ ও শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: কম্পিউটার বিভাগীয় প্রধান বিথী খাতুন, মেকানিক্যাল বিভাগীয় প্রধান তামান্না আফরোজ, সিভিল বিভাগীয় প্রধান উমাইয়া মল্লিক, ম্যাটস বিভাগীয় প্রধান শিউলি বেগম। এছাড়াও ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক শর্মিলা আক্তার, গণিত বিভাগের শিক্ষক সাদিয়া ইসলাম, প্যাথলজি বিভাগের শিক্ষক শারমিন সুলতানা, সিভিল বিভাগের শিক্ষক সিরাজুম মনিরা সহ উভয় ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন। গুরুকুলের দর্শন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি গুরুকুল বিশ্বাস করে যে, ইফতার মাহফিল কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, বরং এটি আমাদের ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজের সকল সদস্যের মধ্যে পারস্পরিক মৈত্রী, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির একটি অনন্য মাধ্যম। এই আয়োজন সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে, যা গুরুকুলের মূল চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। দোয়া ও মোনাজাত ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে দেশ, জাতি এবং গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন গুরুকুল স্টাফ হাফেজ কুদরত উল্লাহ। মোনাজাত শেষে উপস্থিত সকলে মিলে একত্রে ইফতারে অংশগ্রহণ করেন।

কুষ্টিয়া গুরুকুলে টেক্সটাইল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ ২০১৭ অনুষ্ঠিত

গুরুকুল টেক্সটাইল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ

তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কারিগরি দক্ষতা ও নৈতিক চরিত্র গঠনে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে টেক্সটাইল বিভাগের ‘অভিভাবক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাস হল রুমে আয়োজিত এই সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।     টেক্সটাইল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সালাউদ্দিন আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) শামীম রানা। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও ভবিষ্যৎ গাইডলাইন নিয়ে আলোচনা করতে উপস্থিত ছিলেন টেক্সটাইল বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ: হাবিবুর রহমান হাসিবুল ইসলাম খাইরুল ইসলাম মিজানুর রহমান শর্মীলা আক্তার সমাবেশে বক্তারা গুরুকুলের মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশের সুযোগগুলো তুলে ধরেন। অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বক্তারা বলেন: “শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং কালচারাল ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব, রোভার স্কাউট এবং ক্রীড়া ক্লাবের মতো এক্সট্রা কারিকুলাম কার্যক্রমের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলা হয়। আমাদের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের এমনভাবে তৈরি করা যাতে তারা কেবল চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেকে সমাজে একজন সুপ্রতিষ্ঠিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।” দেশের প্রথিতযশা তথ্য প্রযুক্তিবিদ এবং গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর ভিশন নিয়ে আলোচনায় বক্তারা জানান, বর্তমানে সারাদেশে গুরুকুলের ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ) আধুনিক কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশীয় শ্রমবাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে বিদেশেও দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে, সে লক্ষ্যে তাদের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে সপ্তাহব্যাপী অভিভাবক সমাবেশ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির প্রথম দিন হিসেবে বৃহস্পতিবার অত্যন্ত সফলভাবে টেক্সটাইল বিভাগ এবং গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ সম্পন্ন হলো। মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে এই সমাবেশটি শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে এক চমৎকার সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। অভিভাবকরা গুরুকুলের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, নিয়মিত এ ধরণের আয়োজন সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে অত্যন্ত সহায়ক হবে।   আরও দেখুন: গুরুকুলে বৃত্তির কোটা ব্যবস্থা

গুরুকুলে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ ১৪২৪

গুরুকুলে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ

ঐতিহ্যবাহী কুষ্টিয়া গুরুকুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪২৪। দিনব্যাপী এই উৎসবমুখর আয়োজনে অংশ নেন গুরুকুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ কুষ্টিয়া শহরের অসংখ্য সাধারণ মানুষ। দিনের সূচনা ভোরবেলা জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এরপর বর্ষবরণ সঙ্গীতের সুরে মুখরিত হয়ে ওঠে গুরুকুল প্রাঙ্গণ।   মঙ্গল শোভাযাত্রা সকাল ৮টায় প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা বৈশাখী পোশাকে, রঙিন ব্যানার, মুখোশ ও ঐতিহ্যবাহী আলপনায় সজ্জিত হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। উৎসব শেষে শোভাযাত্রা গুরুকুল প্রশাসনিক ভবনে এসে মিলিত হয়।     দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শোভাযাত্রা শেষে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে শুরু হয় নানাবিধ আয়োজন: গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ফ্যাশন শো নাটিকা বৈশাখী সঙ্গীত আসর প্রতিটি পর্বে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অতিথি ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর ও চেয়ারম্যান আজিজা আহমেদ-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত সবার সঙ্গে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন: গুরুকুলের লিগ্যাল এন্ড এডমিন ইনচার্জ শামীম রানা সেলস অপারেশন ও পাবলিসিটি এন্ড চ্যানেল ডিপার্টমেন্ট প্রধান তানভির মেহেদী এবং উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক উমাইয়া মল্লিক   অংশগ্রহণ নববর্ষ বরণের এই উৎসবমুখর আয়োজনে গুরুকুলের মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। কুষ্টিয়া গুরুকুলের বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ ১৪২৪ শুধু একটি উৎসব নয়, বরং এটি হয়ে উঠেছিল ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আনন্দের এক মিলনমেলা। দিনব্যাপী এ আয়োজনে নববর্ষের আবহে সবাই মেতে ওঠে নতুন দিনের প্রত্যাশা ও আশায়।

যুক্তি আর শ্রদ্ধায় জাতির পিতাকে স্মরণ: গুরুকুলে বঙ্গবন্ধুর ৯৮তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্‌যাপন

গুরুকুলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাসে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত ১৭ মার্চ (শুক্রবার) বেলা ১১টায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল “বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা শেখ মুজিব” শীর্ষক এক বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং আনন্দঘন পরিবেশে কেক কাটার মাধ্যমে জন্মোৎসব উদযাপন।     উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা রোভারের সাধারণ সম্পাদক এবং কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের স্বনামধন্য অধ্যাপক এ কে এম সামসুল হক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে শিশুদের আগামীর যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন: শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড এডমিন), গুরুকুল। খন্দকার রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স), গুরুকুল। সাদিয়া ইসলাম, আহ্বায়ক, বঙ্গবন্ধু জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস কমিটি। যুক্তি-তর্কের লড়াই: “বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা শেখ মুজিব” দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সভাপতিত্ব করেন গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের মডারেটর ও ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রাশনা শারমিন। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বিভাগীয় প্রধান (প্যাথলজি) জনাব মিশকাতুর রহমান, কম্পিউটার বিভাগের প্রধান জনাব বিথী খাতুন এবং আর.এস বিভাগের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর জনাব আফরোজা আক্তার। পুরো বিতর্ক অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উদ্‌যাপন কমিটির সদস্য শর্মীলা আক্তার এবং ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত তুষার। অংশগ্রহণকারী ও ফলাফল: পক্ষ দল (মেডিকেল সেকশন): মুক্তা বিশ্বাস, পলি খাতুন ও এজাজ মাহমুদ আসিফ (দলনেতা)। বিপক্ষ দল (ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন): সিদ্ধার্থ শোভন রায়, যুবায়ের হাসনাত অর্পণ ও বিপ্লব হোসেন (দলনেতা)। শাণিত যুক্তি আর তথ্যের লড়াই শেষে বিপক্ষ দল (ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন) বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে। প্রতিযোগিতায় অসামান্য বাগ্মিতার জন্য দলনেতা বিপ্লব হোসেন ‘শ্রেষ্ঠ বক্তা’ নির্বাচিত হন। সাংস্কৃতিক ও আনন্দঘন আয়োজন বিতর্ক প্রতিযোগিতা শেষে জাতির পিতার ৯৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অতিথিবৃন্দ ও শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে কেক কাটা হয়। এ সময় বঙ্গবন্ধু ও শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। অনুষ্ঠানের বক্তারা বঙ্গবন্ধুর শৈশব ও কৈশোরের ওপর আলোকপাত করে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়ার পরামর্শ দেন।   গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্কের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে সমাপ্ত হয়। নতুন প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও দর্শন ছড়িয়ে দেওয়ার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস গুরুকুলের মানবিক ও শিক্ষিত সমাজ গড়ার মিশনেরই একটি অংশ।

যুক্তি-তর্কে ভাষার মর্যাদা: গুরুকুলে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি স্মরণে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা

গুরুকুল এর আয়োজনে, মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের অংশ হিসাবে গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের উদ্যোগে কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাসে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করছেন অতিথিবৃন্দ।

অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৭ উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব (GDC)-এর আয়োজনে কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাসে এক প্রাণবন্ত ও যুক্তি-নির্ভর বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “সর্বত্র বাংলা ভাষার প্রচলনই মাতৃভাষার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারে”—এমনই এক সময়োপযোগী বিষয় নিয়ে বিতার্কিকদের বাগযুদ্ধে মুখরিত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ।   বিচারকমণ্ডলী ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট গবেষক ও বিতার্কিক, দৈনিক কুষ্টিয়া ও কুষ্টিয়া টাইমস্-এর সম্পাদক এবং দি ডেইলি স্টার-এর কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ড. আমানুর আমান। প্রধান আলোচক ও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রযুক্তিবিদ এবং গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। বিচারক প্যানেলে আরও উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া ডিবেটিং সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী ইসতিয়াক হোসেন ইমন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন: প্রভাষক আলী হোসেন, বাঁশগ্রাম আলাউদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজ। শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড এডমিন), গুরুকুল। খোন্দকার রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স), গুরুকুল। রাশনা শারমিন, মডারেটর, গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব। সালাউদ্দিন কাদের, আহ্বায়ক, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপন কমিটি।     যুক্তি-তর্কের লড়াই ও ফল ঘোষণা ছায়া সংসদীয় পদ্ধতিতে আয়োজিত এই বিতর্কে ‘পক্ষ’ দল হিসেবে অংশগ্রহণ করে গুরুকুল মেডিকেল সেকশন এবং ‘বিপক্ষ’ দল হিসেবে লড়াই করে গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা এবং দাপ্তরিক ও ব্যবহারিক সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে উভয় দল তথ্যসমৃদ্ধ ও শাণিত যুক্তি উপস্থাপন করে। যুক্তি-তর্কের লড়াই শেষে বিচারকদের সূক্ষ্ম মূল্যায়নে গুরুকুল মেডিকেল সেকশন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ল্যাঙ্গুয়েজ ও ম্যাথ ক্লাবের নবদিগন্ত বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপ্তি লগ্নে গুরুকুলের একাডেমিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত ক্লাব— ‘গুরুকুল ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব’ ও ‘গুরুকুল ম্যাথ ক্লাব’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এবং ড. আমানুর আমান ফিতা কেটে ক্লাব দুটির যাত্রা শুরু করেন। এ সময় ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাবের সমন্বয়কারী শর্মিলা আক্তার ও শামীমা পারভিন এবং ম্যাথ ক্লাবের সমন্বয়কারী এম এম মাসুম উপস্থিত ছিলেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভাষা ও গণিতে আরও পারদর্শী হয়ে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। প্রধান অতিথির ভিশন ও মূল্যায়ন গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর তাঁর বক্তব্যে বলেন: “ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রেষ্ঠ শ্রদ্ধা নিবেদন হলো মাতৃভাষাকে হৃদয়ে ধারণ করে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্বমানের দক্ষতা অর্জন করা। আমাদের এই ডিবেটিং ক্লাব শিক্ষার্থীদের যুক্তিবাদী হতে শেখাবে, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব তাদের ভাষাগত দক্ষতা বাড়াবে এবং ম্যাথ ক্লাব তাদের যৌক্তিক চিন্তার ভিত্তি মজবুত করবে।”     একুশের চেতনায় উজ্জীবিত এই অনুষ্ঠানে গুরুকুলের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। যুক্তি আর বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপনের এই প্রয়াস শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশপ্রেম ও নিজস্ব সংস্কৃতির প্রতি মমত্ববোধকে আরও সুদৃঢ় করেছে।