গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

মতিয়ার রহমান

    Bir Muktijoddha Md. Motiar Rahman-(বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মতিয়ার রহমান) Pricipal/ Nursing Incharge ( অধ্যক্ষ/ নার্সিং ইনচার্জ ) Contact (যোগাযোগ) Email(ইমেইল): principal@gurukul.edu.bd Facebook Profile(ফেসবুক প্রোফাইল ) Cellphone(মোবাইল): 01550-699114  (০১৫৫০-৬৯৯১১৪) Postal Address (ডাক যোগাযোগ) কুষ্টিয়া গুরুকুল: লালন সাঁই ক্যাম্পাস, ৫/১ জেহের আলী বিশ্বাস লেন, কালিশংকরপুর, কুষ্টিয়া-৭০০০

তানভীর আহম্মেদ

    Tanvir Ahmed-(তানভির আহমেদ) Admin Incharge ( এডমিন ইনচার্জ ) Contact (যোগাযোগ) Email(ইমেইল): shawon@gurukul.edu.bd Facebook Profile(ফেসবুক প্রোফাইল ) Cellphone(মোবাইল): 01877-731335  (০১৮৭৭-৭৩১৩৩৫) Postal Address (ডাক যোগাযোগ) কুষ্টিয়া গুরুকুল: লালন সাঁই ক্যাম্পাস, ৫/১ জেহের আলী বিশ্বাস লেন, কালিশংকরপুর, কুষ্টিয়া-৭০০০

গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর আতিকা আক্তারের বিদায়ী সংবর্ধনা

গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর আতিকা আক্তারের বিদায়ী সংবর্ধনা

গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর জনাবা আতিকা আক্তারের বিদায়ী সংবর্ধনা সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ দুই বছর নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পর গত ১৫ অক্টোবর ছিল গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটে তাঁর কর্মজীবনের শেষ দিন। এই উপলক্ষে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে এক আন্তরিক ও আবেগঘন বিদায়ী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জনাবা আতিকা আক্তার রংপুর আর্মি নার্সিং কলেজ থেকে বি.এস.সি ইন নার্সিং ডিগ্রি অর্জন করে গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটে ইন্সট্রাক্টর হিসেবে যোগদান করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের পেশাগত মানসিকতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শ্রেণিকক্ষে তাঁর পাঠদান পদ্ধতি, আন্তরিক আচরণ ও শিক্ষার্থীবান্ধব মনোভাব তাঁকে সবার কাছে জনপ্রিয় করে তোলে। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সমস্যায় তিনি সবসময় পাশে থেকেছেন, যা তাঁকে শুধু একজন শিক্ষক নয়, একজন অভিভাবকসুলভ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিদায়ী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক জেড. এম. তানভির মেহেদী, এডমিন অফিসার জনাব তানভির আহমেদ, ইনচার্জ ফাইন্যান্স মতিয়ার রহমান, পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বক্তারা আতিকা আক্তারের কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং তাঁর পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলাবোধ ও মানবিক গুণাবলির ভূয়সী প্রশংসা করেন। বক্তারা বলেন, আতিকা আক্তারের মতো নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকের অবদান একটি প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাঁর শূন্যতা পূরণ করা সহজ হবে না বলেও তাঁরা মন্তব্য করেন। পাশাপাশি তাঁরা আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে তিনি যেখানে কাজ করবেন, সেখানেও একই দক্ষতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দেবেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আতিকা আক্তার তাঁর সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও গুরুকুল কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট তাঁর কর্মজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এবং এখানকার স্মৃতি তিনি আজীবন হৃদয়ে ধারণ করবেন। গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট পরিবার তাঁর সুস্বাস্থ্য, সাফল্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছে।

বিএসএমএমইউতে ১৪ আগস্ট নার্সিংয়ে মাস্টার্সে ভর্তি শেষ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, বিএসএমএমইউ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এবং অধিভুক্ত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভ্যান্স নার্সিং এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চে(এনআইএএনইআর) জুলাই ২০২৩ মাস্টার্স অব সায়েন্স ইন নার্সিং (এমএসএন) কোর্সে ভর্তি চলছে। ভর্তিপ্রক্রিয়া চলবে আগামী সোমবার (১৪ আগস্ট) পর্যন্ত। বিএসএমএমইউতে ১৪ আগস্ট নার্সিংয়ে মাস্টার্সে ভর্তি শেষ বিএসএমএমইউর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এমএসএন কোর্সের অ্যাডাল্ট অ্যান্ড ইল্ডার হেলথ নার্সিং, উইমেন্স হেলথ অ্যান্ড মিডওয়াইফারি নার্সিং, চাইল্ড হেলথ নার্সিং (সিএইচএন), মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড সাইকিয়াট্রিক নার্সিং (এমএইচপিএন), কমিউনিটি হেলথ নার্সিং (কম.এইচএন), নার্সিং ম্যানেজমেন্ট (এনএম), কার্ডিওথোরাসিক নার্সিং (সিটিএন), ইনটেনসিভ কেয়ার নার্সিং (আইসিএন), অর্থোপেডিক অ্যান্ড ট্রমা নার্সিং (ওটিএন), ন্যাপরো-ইউরোলজি নার্সিং (এনইউএন), অফথালমোলজিক নার্সিং (ওএন) ও নিউরোসায়েন্স নার্সিংয়ে (এনএন) ভর্তির জন্য সরকারি, বিএসএমএমইউ (সরকারি কোটায় নির্বাচিত) ও বেসরকারি নার্স প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করা হলো। বেসরকারি প্রার্থীদের ১৬ জুলাই থেকে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত কোর্সে ভর্তির কার্যক্রম চলবে। সব বিষয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে কোর্স ফি, টিউশন ফি এবং রেজিস্ট্রেশন ফি–সংক্রান্ত তথ্যাদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভর্তি শাখা থেকে জানা যাবে।     মূল মাইগ্রেশন সনদসহ নিম্নবর্ণিত কাগজপত্র ও পাসপোর্ট সাইজের ছবি সেট করে ভর্তির সময় সব প্রার্থীকে জমা দিতে হবে। ১. নির্বাচিত তালিকায় প্রার্থীর নামসংবলিত অংশ থেকে প্রার্থীর নামসংবলিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের তালিকা সংগ্রহপূর্বক জমা দিতে হবে। ২. ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের অনুলিপি। ৩. দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। ৪. শিক্ষাগত যোগ্যতার সব মূল সনদের অনুলিপি। ৫. বিএসসির (ইন নার্সিং/মিডওয়াইফাই) মূল সনদের অনুলিপি। ৬. জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি। ৭. বিএনএমসি কর্তৃক প্রদত্ত রেজিস্ট্রেশনের মূল সনদের অনুলিপি। ৮. মূল মাইগ্রেশন সনদের অনুলিপি। ৯. মূল মাইগ্রেশন সনদ (প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরণের জন্য)। মূল মাইগ্রেশন সনদ, ছবি ও অন্যান্য সনদের এক সেট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয় প্রেরণ করতে হবে। সব প্রার্থীকে ভর্তির পূর্বে মূল মাইগ্রেশনের স্ক্যান কপি নিজের কাছে ই-রেজিস্ট্রেশনের জন্য সংরক্ষণ করার বিষয়টি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অবহিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে হবে। জুলাই ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত সব প্রার্থীকে আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৩০ জুন ২০২৪ তারিখের মধ্যে অনলাইনে ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। এ–সংক্রান্ত নিয়মাবলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট লিংকে পাওয়া যাবে।   সূত্র : প্রথম আলো

বিএসএমএমইউতে ১৬ জুলাই মাস্টার্সে নার্সিংয়ে ভর্তি শুরু

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, বিএসএমএমইউ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এবং অধিভুক্ত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভ্যান্স নার্সিং এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চে(এনআইএএনইআর) জুলাই ২০২৩ মাস্টার্স অব সায়েন্স ইন নার্সিং (এমএসএন) কোর্সে ভর্তি শুরু হবে ১৬ জুলাই থেকে। ভর্তিপ্রক্রিয়া চলবে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত। বিএসএমএমইউতে ১৬ জুলাই মাস্টার্সে নার্সিংয়ে ভর্তি শুরু   বিএসএমএমইউর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এমএসএন কোর্সের অ্যাডাল্ট অ্যান্ড ইল্ডার হেলথ নার্সিং, উইমেন্স হেলথ অ্যান্ড মিডওয়াইফারি নার্সিং, চাইল্ড হেলথ নার্সিং (সিএইচএন), মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড সাইকিয়াট্রিক নার্সিং (এমএইচপিএন), কমিউনিটি হেলথ নার্সিং (কম.এইচএন), নার্সিং ম্যানেজমেন্ট (এনএম), কার্ডিওথোরাসিক নার্সিং (সিটিএন), ইনটেনসিভ কেয়ার নার্সিং (আইসিএন), অর্থোপেডিক অ্যান্ড ট্রমা নার্সিং (ওটিএন), ন্যাপরো-ইউরোলজি নার্সিং (এনইউএন), অফথালমোলজিক নার্সিং (ওএন) ও নিউরোসায়েন্স নার্সিংয়ে (এনএন) ভর্তির জন্য সরকারি, বিএসএমএমইউ (সরকারি কোটায় নির্বাচিত) ও বেসরকারি নার্স প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করা হলো। বেসরকারি প্রার্থীদের ১৬ জুলাই থেকে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত কোর্সে ভর্তির কার্যক্রম চলবে। সব বিষয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে কোর্স ফি, টিউশন ফি এবং রেজিস্ট্রেশন ফি–সংক্রান্ত তথ্যাদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভর্তি শাখা থেকে জানা যাবে।     মূল মাইগ্রেশন সনদসহ নিম্নবর্ণিত কাগজপত্র ও পাসপোর্ট সাইজের ছবি সেট করে ভর্তির সময় সব প্রার্থীকে জমা দিতে হবে। ১. নির্বাচিত তালিকায় প্রার্থীর নামসংবলিত অংশ থেকে প্রার্থীর নামসংবলিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের তালিকা সংগ্রহপূর্বক জমা দিতে হবে। ২. ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের অনুলিপি। ৩. দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। ৪. শিক্ষাগত যোগ্যতার সব মূল সনদের অনুলিপি। ৫. বিএসসির (ইন নার্সিং/মিডওয়াইফাই) মূল সনদের অনুলিপি। ৬. জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি। ৭. বিএনএমসি কর্তৃক প্রদত্ত রেজিস্ট্রেশনের মূল সনদের অনুলিপি। ৮. মূল মাইগ্রেশন সনদের অনুলিপি। ৯. মূল মাইগ্রেশন সনদ (প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরণের জন্য)। মূল মাইগ্রেশন সনদ, ছবি ও অন্যান্য সনদের এক সেট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয় প্রেরণ করতে হবে। সব প্রার্থীকে ভর্তির পূর্বে মূল মাইগ্রেশনের স্ক্যান কপি নিজের কাছে ই-রেজিস্ট্রেশনের জন্য সংরক্ষণ করার বিষয়টি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অবহিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে হবে। জুলাই ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত সব প্রার্থীকে আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৩০ জুন ২০২৪ তারিখের মধ্যে অনলাইনে ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। এ–সংক্রান্ত নিয়মাবলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট লিংকে পাওয়া যাবে। মাস্টার্স অব সায়েন্স ইন নার্সিং (এমএসএন) কোর্সের উল্লিখিত বিষয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম আগামী ১ জুলাই শুরু হবে বিধায় ভর্তির জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলো। সূত্র : প্রথম আলো

গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট ২০২২-২০২৩ সেশনে ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু ৯ জুলাই

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার শিপ্রা রানী-Shipra Rani, Nursing Supervisor of Kushtia Sadar Hospital

কুষ্টিয়ার অন্যতম স্বনামধন্য বেসরকারি নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট’-এর ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও নিয়মিত ক্লাস শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল (BNMC)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ০৯ জুলাই ২০২৩, রবিবার থেকে প্রথম বর্ষের আনুষ্ঠানিক পাঠদান শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ডিপ্লোমা-ইন-নার্সিং সায়েন্স ও মিডওয়াইফারি কোর্সের প্রথম বর্ষে ভর্তিকৃত সকল শিক্ষার্থীকে আগামী রবিবার যথা সময়ে ক্যাম্পাসে উপস্থিত থাকতে হবে। নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে এবং একাডেমিক কার্যক্রমের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে এই দিনটি বিশেষভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। তারিখ: ০৯ জুলাই ২০২৩, রবিবার। স্থান: গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট, কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস। কক্ষ নম্বর: একাডেমিক ভবনের ৪০২ নম্বর কক্ষ। কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন সেশনের শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে ক্যাম্পাস ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। দক্ষ নার্স ও মানবিক সেবাদানকারী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রথম দিন থেকেই শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। নির্ধারিত দিনে সকল শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যোগাযোগ ও সহায়তা ক্লাস রুটিন বা ইউনিফর্ম সংক্রান্ত কোনো তথ্যের প্রয়োজন হলে শিক্ষার্থীদের সরাসরি ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক কার্যালয়ে অথবা অফিশিয়াল হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারিগরি ও মানবিক শিক্ষার সমন্বয়ে গঠিত গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট দীর্ঘ দিন ধরে কুষ্টিয়া অঞ্চলে দক্ষ নার্সিং জনবল তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। নতুন এই ব্যাচের যাত্রার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে আরও একঝাঁক নতুন সেবাকর্মী যুক্ত হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  

ভারতে নার্সিং পড়ার সুযোগ, আগামীকাল ০৫ জুন ২০২৩ আবেদনের শেষ সময়

সেন্ট স্টিফেনস কলেজ, দিল্লি

দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবেশী দেশ ভারতে বিশ্বমানের পরিবেশে নার্সিং পড়ার এক বিশেষ সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন স্বনামধন্য নার্সিং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে বিএসসি নার্সিং, জিএনএম এবং এমএসসি নার্সিং কোর্সে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। উন্নত মানের ল্যাব সুবিধা, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের ডিগ্রির কারণে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মাঝে এই সুযোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। কোর্সের বিবরণ ও সুযোগ-সুবিধা ভারতে নার্সিং পড়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা সাধারণত বিএসসি নার্সিং (৪ বছর) এবং জিএনএম (৩ বছর) কোর্সগুলো বেছে নিচ্ছেন। ভারতের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে রয়েছে: আধুনিক ল্যাব ও হাসপাতাল: শিক্ষার্থীদের সরাসরি হাসপাতালের ওযার্ডে প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হয়। স্কলারশিপের সুবিধা: মেধারী শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ স্কলারশিপ বা ফি মওকুফের ব্যবস্থা। সহজ ভর্তি প্রক্রিয়া: কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য সরাসরি ভর্তির বিশেষ কোটা ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। কেন ভারতে নার্সিং পড়বেন? শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ভারতের নার্সিং ডিগ্রি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং আমেরিকার শ্রমবাজারে ভারতের অভিজ্ঞ নার্সদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশের তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে পড়ার খরচ সাশ্রয়ী এবং ভাষা ও সংস্কৃতির মিল থাকায় শিক্ষার্থীরা সহজেই মানিয়ে নিতে পারেন। আবেদনের যোগ্যতা বিএসসি নার্সিং কোর্সের জন্য আবেদনকারীকে অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞানসহ (Biology) উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। তবে জিএনএম কোর্সের জন্য যেকোনো বিভাগের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। ভর্তি সহায়তায় গুরুকুল নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সঠিক গাইডলাইন দিতে এবং স্বচ্ছতার সাথে ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সহায়তা করছে গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক। লিঙ্কে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি ভারতের কলেজগুলোর তথ্য, খরচ এবং স্কলারশিপের ব্যাপারে বিস্তারিত পরামর্শ নিতে পারছেন। আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী শিক্ষার্থীদের পাসপোর্ট, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র এবং মার্কশিটসহ দ্রুত যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যেহেতু সিট সংখ্যা সীমিত এবং স্কলারশিপের সুবিধা আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে দেওয়া হয়, তাই বিলম্ব না করে আবেদনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভারত থেকে নার্সিং ডিগ্রি অর্জন করে দেশে বা বিদেশে উন্নত ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি সেরা সময় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  

শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২২ উপলক্ষে ছুটির নোটিশ

শারদীয় দুর্গা পূজা, ছুটির নোটিশ

বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে ‘গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস’-এ একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ০৫ অক্টোবর ২০২২ (বুধবার) বিজয়া দশমীর দিনে ক্যাম্পাসের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। প্লুরালিস্ট সোসাইটি বা বহুত্ববাদী সমাজের প্রতি অঙ্গীকার গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি সকল ধর্ম, বর্ণ ও মতের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের একটি অনন্য ক্ষেত্র। গুরুকুল পরিবার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে একটি ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজ গঠনে, যেখানে প্রতিটি ধর্মের উৎসবকে সমান মর্যাদা ও আনন্দের সাথে দেখা হয়। শারদীয় দুর্গাপূজার এই ছুটি সেই বৈচিত্র্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক (Inclusive) সংস্কৃতি চর্চারই একটি অংশ। ছুটির সময়সূচী ও নির্দেশনা প্রশাসন বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে: ছুটির তারিখ: ০৫ অক্টোবর ২০২২ (বুধবার)। কার্যক্রম পুনরায় শুরু: ০৬ অক্টোবর ২০২২ (বৃহস্পতিবার) থেকে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী সকল ক্লাস ও দাপ্তরিক কাজ যথারীতি চলবে। নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বারোপ উৎসবকালীন সময়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আনন্দঘন পরিবেশে উৎসব উদযাপনের পাশাপাশি সকলকে স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের বার্তা গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের প্রশাসন বিভাগ জানিয়েছে, “গুরুকুল এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় যেখানে প্রতিটি মানুষ তাদের স্ব-স্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে গর্বের সাথে বসবাস করতে পারে। শারদীয় এই উৎসব আমাদের মাঝে মৈত্রী ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস পরিবারের পক্ষ থেকে কুষ্টিয়াবাসীসহ সকলকে শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। আরও দেখুন: গুরুকুল ক্যাম্পাসে দ্বীন ও ধর্ম বিষয়ক নীতিমালা

শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২১ উপলক্ষে ছুটির নোটিশ

শারদীয় দুর্গা পূজা, ছুটির নোটিশ

বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার সমাপনী লগ্ন ‘বিজয়া দশমী’ উপলক্ষে ‘গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস’-এ আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২১ (শুক্রবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। প্লুরালিস্ট সোসাইটি ও গুরুকুলের জীবনদর্শন গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস একটি ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজ বিনির্মাণে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। গুরুকুল মনে করে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনা হবে এমন এক মিলনমেলা যেখানে সকল ধর্ম, বর্ণ ও মতের মানুষ তাদের স্ব-স্ব বিশ্বাস ও সংস্কৃতি নিয়ে অত্যন্ত মর্যাদার সাথে সহাবস্থান করবে। শারদীয় দুর্গাপূজার এই ছুটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং প্রতিটি সম্প্রদায়ের উৎসবকে সম্মান জানানোর মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করার একটি সনিষ্ঠ প্রয়াস। ছুটির বিস্তারিত সময়সূচী প্রশাসন বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী: ছুটির তারিখ: ১৫ অক্টোবর ২০২১ (শুক্রবার)। কার্যক্রম পুনরায় শুরু: ১৬ অক্টোবর শনিবারের ছুটির ধারাবাহিকতায় আগামী ১৭ অক্টোবর ২০২১ (রবিবার) থেকে ক্যাম্পাসের সকল ক্লাস, পরীক্ষা এবং দাপ্তরিক কাজ পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী যথারীতি পরিচালিত হবে। নিরাপত্তা ও ভ্রাতৃত্বের নির্দেশনা উৎসবকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও উৎসবের পবিত্রতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপনের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। গুরুকুল বিশ্বাস করে, উৎসবের আনন্দ যখন বৈষম্যহীনভাবে সকলের মাঝে ভাগ করে নেওয়া হয়, তখনই একটি সুন্দর ও সহনশীল সমাজ গড়ে ওঠে। কর্তৃপক্ষের বার্তা গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের প্রশাসন বিভাগ জানিয়েছে, “গুরুকুল পরিবার বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্যে বিশ্বাস করে। আমাদের ক্যাম্পাসে সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানই আমাদের প্রকৃত শিক্ষার পরিচয়। বিজয়া দশমীর এই পুণ্য তিথিতে আমরা সকল ধর্মাবলম্বীদের মাঝে মৈত্রী ও সংহতির জয়গান গাই।” গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস পরিবারের পক্ষ থেকে কুষ্টিয়াবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। আরও দেখুন: গুরুকুল ক্যাম্পাসে দ্বীন ও ধর্ম বিষয়ক নীতিমালা

যুব উন্নয়নে ক্রীড়ার ভূমিকা

যুব উন্নয়নে ক্রীড়ার ভূমিকা : সারাবিশ্বের কাছে দ্রুত উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পরিচিতি এখন লক্ষ্যনীয়। এই অর্জনের অন্যতম অংশীদার বাংলাদেশের। ক্রীড়াঙ্গন। বাংলাদেশ অধিকাংশ MDG সহ অন্যান্য সূচক অর্জনের মাধ্যমে মধ্যবিত্ত আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়া। বর্তমানে আমাদের দেশ SDG অর্জনের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যা অর্জনের জন্য প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম এবং নিয়মনীতি। সুতরাং এটি অর্জনের জন্য যুব ও ক্রীড়ার উন্নয়ন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ক্রীড়ার মধ্যদিয়ে প্রশিক্ষিত যুব সমাজকে সুসংঘটিত ও সুশৃঙ্খলভাবে গড়ে তুলে জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব। ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণের মধ্যদিয়ে যুবকদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশলাভ করার পাশাপাশি তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, মূল্যবোধ ও নৈতিকতা সৃষ্টি, আত্নবিশ্বাস প্রতিষ্ঠাসহ আত্ননির্ভরশীল করে গড়ে তোলা যায়। ফলে পরিবার, সমাজ তথা দেশের আপামর জনসাধারণের শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নে সুস্থ যুব সমাজ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারে।   ক্রীড়া কি? শুধুমাত্র শারীরিক কসরতই ক্রীড়া নয়। সুনিদিষ্ট, সুনির্ধারিত, নিয়মনীতি সম্বলিত, কৌশলপূর্ণ শারীরিক কার্যক্রমকেই ক্রীড়া বলা হয়। অন্যভাবে বলতে গেলে নিছক আনন্দ লাভ নয় বরঞ্চ পরিকল্পনামাফিক সুনির্ধারিত কার্যক্রম‍ই ক্রীড়া। মূলত ক্রীড়া হচ্ছে সংগঠিত, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, বিনোদনধর্মী এবং দক্ষতাসূচক শারীরিক কার্যকলাপ প্রদর্শনের উত্তম ক্ষেত্র।   যুব কি? যুব শব্দটি অতি পরিচিত হলেও এর কোন বৈশ্বিক সংজ্ঞা পাওয়া যায় না। তদুপরি প্রথাগতভাবে আমরা বলতে পারি, শৈশব থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত সময়ের মধ্যবর্তী সময়কালই হল যুব সময়। African Youth Forum, UNESCO, UN এর ভাষ্যমতে ১৫-২৪ বত্সর বয়স্ক কুসংস্কারবিহীন ব্যক্তি যুব বা যুবক। Sub-Sahara African-দের মতে ১৫-৩০/৩৫ বৎসর বয়স্ক ব্যাক্তি হল যুবক। Youth Dictionary এর সংজ্ঞা অনুযায়ী সেইসব ব্যক্তিবর্গ যুবক বা খুব যারা এখনও পর্যন্ত প্রাপ্তবয়স্ক সময়ে পদার্পণ করেনি। Cambridge English সংজ্ঞা অনুযায়ী যুব হচ্ছে তারা যারা মনে করে তারা তরুণ এবং তরুণ থাকতে চান। সর্বোপরি বাংলাদেশের যুবনীতি মতে, বর্তমানে বাংলাদেশের ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়স্ক নাগরিক যুবক হিসেবে সংজ্ঞায়িত।   যুবকদের স্বাস্থ্য উন্নয়নে ক্রীড়া : প্রতিনিয়ত ক্যামিকেলযুক্ত খাবার গ্রহনের ফলে আমাদের স্বাস্থ্য ক্রমান্বয়ে হুমকির মুখে সম্মুখীন হচ্ছে। এছাড়া নম কমিউনিকেবল ডিজিজ(NCD) যথা: ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ক্যান্সার ইত্যাদি মরনব্যাধি আক্রান্ত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। তাই যুবকদের স্বাস্থ্যের উন্নয়ন না হলে প্রতিযোগিতামূলক পৃথিবীতে টিকে থাকা অসম্ভব। মানুষের সু-স্বাস্থ্য গঠনে ক্রীড়া অর্থনী ভূমিকা পালন করতে পারে। ক্রীড়ার মাধ্যমে যেসব শারীরিক উন্নয়ন হয় তার অন্যতম হলঃ শারীরিক কাঠামো শক্তিশালী হওয়া, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, অধিক পরিশ্রম করার ক্ষমতা তৈরি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, বিষণ্ণতা, হতাশা ইত্যাদি রোগ হতে মুক্তি ইত্যাদি।   শিক্ষা উন্নয়নে ক্রীড়া : একটা দেশের মান নির্ভর করে সেদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উপর। প্রবাদ আছে যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত উন্নত। জাতিকে উন্নত করতে যেমন শিক্ষার বিকল্প নেই তেমনি শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষার পাশাপাশি সুস্থ বিনোদনের প্রয়োজন। সুস্থ বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম হল ক্রীড়া। এ বিবেচনা থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন আঙ্গিকে ক্রীড়াকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ২০১২ সালে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত শারীরিক শিক্ষা স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা’ নামক একটি বিষয় বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল যা শিক্ষার্থীকে ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উৎসাহিত করেছিল। কিন্তু ২০১৬ সালে এ বিষয়টি শিক্ষা কারিকলাম থেকে বাদ দেয়ায় ক্রীড়া ক্ষেত্রে অংশ গ্রহণ অনেকাংশে কমে গিয়েছে। স্কুল পর্যায় হতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক কর্মসূচী, প্রশিক্ষণ প্রভৃতির ব্যবস্থা করা হলে শিক্ষার্থীদের মধ্য হতে হতাশা, মাদক গ্রহণ, জঙ্গিবাদ, কর্মবিমুখতা ইত্যাদি দূরীভূত করা সম্ভব হবে। ক্রীড়া সুস্থ দেহ সুস্থ মন, জ্ঞানার্জনে মনোনিবেশসহ উন্নত ও আলোকিত মানুষ সৃষ্টিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।   সামাজিক উন্নয়নে ক্রীড়া : জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বিজয় নয় সংগ্রাম, সমাজকে সর্বদা সংগ্রামের মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়। সমাজের কারিগররা যদি দুর্বল বা সংগ্রামে ভীত হয় তবে সমাজ সমানে অগ্রসর হতে পারেনা। সমাজকে উন্নয়নের দিকে অগ্রসর করার পূর্ব শর্ত হল সমাজকর্মীদের সুস্থ, সুশিক্ষিত ও শক্তিশালী করা। তাই ব্যরন পিয়ারে দ্যা কুবার্তে বলেছিলেন।”খেলাধুলা না করিলে নিছক বিদ্যানুশীলন জীবনের উদ্যম, শক্তি ও কর্মক্ষমতার অপচয় করিবে”। ক্রীড়া যুবকদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব বোধ তৈরি, নেতৃত্বদানের গুণাবলী, মানুষের মধ্যে আন্তঃ সম্পর্ক তৈরি, অধিক পরিশ্রমী করা, পরাজয়ে ধৈর্য্য ধারণ ও জয়ে আতৃবিশ্বাসী হওয়া, জাতি, ধর্ম,ও বর্ণগত বৈষম্যবিহীন সমাজ বিনির্মাণ, সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন, নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপনে উৎসাহিত ও সময় সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করে।   অর্থনৈতিক উন্নয়নে ক্রীড়া : বর্তমান বিশ্বে বহুল প্রচলিত একটি কথা হল “প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব।”। প্রত্যেকটা দেশ এ প্রতিযোগিতায় নিজেদেরকে সক্রিয় অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করছে। এ প্রতিযোগিতার মূল বিষয় হল অর্থনৈতিকভাবে দেশকে সমৃদ্ধ করা। দেশকে অর্থনৈতিকভাবে গতিশীল করার জন্য সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে যুব সমাজ। আর যুব সমাজকে এ জাতীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করতে পারে একমাত্র ক্রীড়া। এছাড়া বর্তমান বিশ্বে বহু উন্নত দেশের যুবকরা ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করছে। স্বল্প সময়ে অধিক বৈধ অর্থ উপার্জনের অন্যতম মাধ্যম হল ক্রীড়া। এ বিষয়টি এখন সকলের কাছে স্পষ্ট ইউরোপ-আমেরিকার ফুটবলার, টেনিস খেলোয়াড়সহ সারা বিশ্বের অনেক অপরিচিত ইভেন্টের খেলোয়াড়ও এখন আর্থিকভাবে সাবলম্বী। দেশের অনেক খেলোয়াড় এখন রীতিমত ধনী। সুতরাং অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম মাধ্যম হতে পারে ক্রীড়া। ক্রীড়ার মাধ্যমে শারীরিক সক্ষমতা বাড়লে উপার্জনশীলতা বৃদ্ধি পায়, চিকিৎসা ব্যয় কমে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় ও অধিক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়।   মনস্তাত্বিক উন্নয়নে ক্রীড়া : যুবকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি কাজ করে তা হল সিদ্ধান্তহীনতা। যে কোন কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে যুবকরা এ জটিলতার সম্মুখীন হয়। গবেষণায় দেখা যায় যে, ২০-৪০ বছর বয়সী একটি সুস্থ মস্তিস্কে প্রতি সেকেন্ডে ৫০টি সিদ্ধান্ত প্রবেশ ও বাহির হতে পারে। কিন্তু যুবক যদি ক্রীড়ার সাথে সম্পৃক্ত হয় তবে ক্রীড়া তাকে সব দুঃশ্চিন্তা থেকে দূর করে একটি লক্ষ্যের দিকে মনকে স্থির করে। এতে যুবকদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে অনেকাংশে সহযোগিতা করে এবং নিন্দিষ্ট কাজের প্রতি বিশেষ একাগ্রতা তৈরী করে। ক্রীড়ায় অংশ নেওয়ার ফলে যুবকদের মধ্যে যেসব ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি লক্ষ্য করা যায় তমধ্যে মানসিক চাপ নেয়ার মত ক্ষমতা তৈরী, কোন বিশেষ বিষয়ের প্রতি একাগ্রতা সৃষ্টি, দুশ্চিন্তা মুক্ত হওয়া, হতাশা দূর হওয়া ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধি অন্যতম।   বাংলাদেশে ক্রীড়ার বর্তমান অবস্থা: বাংলাদেশে ক্রীড়া উন্নয়নে যে সব প্রতিষ্ঠান কাজ করে থাকে তাদের মধ্যে রয়েছে ক্রীড়া পরিদপ্তর, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) ও বঙ্গবন্ধু ক্রীড়া সেবী ফাউন্ডেশন। ক্রীড়া পরিদপ্তরের মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলায় অবস্থিত জেলা ক্রীড়া অফিস ও ৬টি বিভাগীয় পর্যায়ে স্থাপিত শারীরিক শিক্ষার মাধ্যমে ক্রীড়া কার্যক্রম পরিচালিত হয়। জেলা পর্যায়ে ক্রীড়া ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণের আয়োজন জেলা ক্রীড়া অফিসারের অন্যতম দায়িত্ব। ৬টি শারীরিক শিক্ষা কলেজের মাধ্যমে ১০০০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বিপিএড এবং ১০০জন ছাত্র-ছাত্রীকে এমপিএড কোর্সের মাধ্যমে ডিগ্রী প্রদান করা হয়। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নিয়ন্ত্রণে ৩৫টি ফেডারেশন ও ১৪টি এসোসিয়েশন রয়েছে যারা বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে। বিভিন্ন ক্রীড়ার আয়োজন করে থাকেন। দেশে বর্তমানে ৮টি ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ৫টি বিভাগীয় স্টেডিয়াম, ৬২টি জেলা স্টেডিয়াম, ৭টি ইনডোর স্টেডিয়াম, ২টি ফুটবল স্টেডিয়াম, ২০টি সুইমিং পুল ও ৬টি মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স রয়েছে। এছাড়াও সম্প্রতি সরকার ৪৯০টি উপজেলায়