গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪ উপলক্ষে গুরুকুল ক্যাম্পাসের ছুটির নোটিশ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ছুটির নোটিশ

এতদ্বারা গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের সকল পর্ব ও বর্ষের শিক্ষার্থীবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৪ উপলক্ষে ক্যাম্পাসে নির্ধারিত ছুটি ঘোষণা করা হলো। ছুটির সময়সূচি ১. একাডেমিক বিভাগের কার্যক্রম:০৬ জানুয়ারি ২০২৪ (শনিবার) থেকে ০৮ জানুয়ারি ২০২৪ (সোমবার) পর্যন্ত একাডেমিক বিভাগের সকল ক্লাস ও কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ২. সকল বিভাগের কার্যক্রম (একাডেমিকসহ):০৬ জানুয়ারি ২০২৪ (শনিবার) থেকে ০৭ জানুয়ারি ২০২৪ (রবিবার) পর্যন্ত গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ছুটির পর ০৯ জানুয়ারি ২০২৪ (মঙ্গলবার) হতে একাডেমিক এবং অন্যান্য সকল কার্যক্রম যথারীতি শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করা হচ্ছে, ছুটিকালীন সময়ে নিজেদের নিরাপত্তার প্রতি সতর্ক থাকতে এবং নির্বাচনকালীন সরকারি আইন-শৃঙ্খলা বিধি যথাযথভাবে মেনে চলতে। ক্যাম্পাস প্রশাসন নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও দিকনির্দেশনা প্রদান করবে।   আদেশক্রমেগুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস প্রশাসন   শুধুমাত্র একাডেমিক বিভাগের ক্লাসের জন্য সকল  বিভাগের জন্য   আরও দেখুন: শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৩ উপলক্ষে ছুটির নোটিশ

গুরুকুলে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং-এ সরাসরি ৩য় পর্বে ভর্তির সুযোগ

গুরুকুলে ডিপ্লোমা ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে সরাসরি ৩য় পর্বে ভর্তির সুযোগ

আপনার ক্যারিয়ার গড়ুন প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার মাধ্যমে!বাংলাদেশ গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক-এ চলছে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে সরাসরি ৩য় পর্বে ভর্তির বিশেষ সুযোগ।   কোর্সের বৈশিষ্ট্য সরকার অনুমোদিত বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) অধিভুক্ত কোর্স। চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামে ২য় বর্ষ (৩য় পর্ব) থেকে ভর্তি হওয়ার সুযোগ। সর্বাধুনিক ল্যাব, কম্পিউটার ও প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস সুবিধা। অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দের তত্ত্বাবধানে মানসম্মত শিক্ষা। পড়াশোনার পাশাপাশি ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং ও শিল্পভিত্তিক ইন্টার্নশিপ সুবিধা।   ️ ভর্তি যোগ্যতা এসএসসি (ভোকেশনাল/সাধারণ/সমমান) পাশ শিক্ষার্থীরা। পূর্বে প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল কোর্স সম্পন্নকারীরা।   বিভাগসমূহ সিভিল প্রযুক্তি কম্পিউটার প্রযুক্তি ইলেকট্রিক্যাল প্রযুক্তি ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তি মেকানিক্যাল প্রযুক্তি RAC (রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং) প্রযুক্তি   যোগাযোগের ঠিকানা গুরুকুল ক্যাম্পাস৫/১, জেহের আলী বিশ্বাস লেন, কালিশংকরপুর, কুষ্টিয়া। মোবাইল: 01701-229621, 01701-229622   কেন গুরুকুলে পড়বেন? স্বল্প ব্যয়ে মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে চাহিদাসম্পন্ন ডিগ্রি আধুনিক ল্যাব সুবিধা ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ শিল্প প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ ও চাকরির সুযোগ   প্রযুক্তির বিশ্বে নিজের ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিতে আজই ভর্তি হন গুরুকুলে!  

২০২৩ উপবৃত্তি সংক্রান্ত কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জরুরী নোটিশ

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেক্সটাইল শিক্ষাক্রমের ১ম (নতুন ভর্তিকৃত), ২য়, ৪র্থ, ৬ষ্ঠ ও ৮ম পর্বের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টাইপেন্ড এমআইএস সফটওয়্যার-এর মাধ্যমে উপবৃত্তির আবেদন ফরম (SAF) যথাযথভাবে পূরণ করে আগামী ৩০/১১/২০২৩ খ্রিস্টাব্দ তারিখের মধ্যে নিজ নিজ বিভাগে জমা দিতে হবে।     আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: আবেদন ফরম জমা দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের অবশ্যই নিম্নলিখিত কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে: শিক্ষার্থীর ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)/জন্মসনদের ফটোকপি পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সচল মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট নম্বর (বিকাশ/নগদ/রকেট ইত্যাদি)   নির্ধারিত সময়সীমার পরে জমা দেওয়া কোনো আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই শিক্ষার্থীদের সময়মতো যথাযথ কাগজপত্রসহ আবেদন ফরম জমা দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। আদেশক্রমেপ্রশাসন বিভাগগুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস   ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেক্সটাইল শিক্ষাক্রমের ১ম (নতুন ভর্তিকৃত), ২য়, ৪র্থ, ৬ষ্ঠ ও ৮ম পর্বের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টাইপেন্ড এমআইএস সফটওয়ারে উপবৃত্তির জন্য আবেদন ফরম (SAF) যথাযথভাবে পুরন করে আগামী ৩০/১১/২০২৩খ্রি. তারিখের মধ্যে স্ব স্ব বিভাগে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। সংযুক্ত ফরম পুরন করে জমা দেওয়ার সময় অবশ্যই শিক্ষার্থীর ২কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মসনদের কপি এবং বাবা ও মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং সচল মোবাইল ব্যংকিং একাউন্ট নম্বর সহ জমা দিতে হবে। নিচের এই লিংকে ক্লিক করলে ফরমটি পাওয়া যাবে। উপবৃত্তির ফর্ম

শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৩ উপলক্ষে ছুটির নোটিশ

বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে ‘গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস’-এ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২২ অক্টোবর ২০২৩ থেকে ২৪ অক্টোবর ২০২৩ পর্যন্ত শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। শারদীয় দুর্গাপূজা’র ছুটির নোটিশ, ২০২৩ স্মারক নং: গুরুকুল/প্রশা/২০২৩/১১২ তারিখ: ১৮/১০/২০২৩ প্লুরালিস্ট সোসাইটি ও গুরুকুলের দর্শন গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি সকল ধর্ম, বর্ণ ও মতের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের একটি অনন্য ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজ গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ। গুরুকুল বিশ্বাস করে, উৎসবের আনন্দ সর্বজনীন এবং এটি আমাদের পারস্পরিক মৈত্রী ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। শারদীয় দুর্গাপূজার এই ছুটি সেই বৈচিত্র্যের প্রতি বিনম্র সম্মান এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক চর্চারই একটি অংশ। ছুটির সময়সূচী ও কার্যক্রম প্রশাসন বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী: ছুটি শুরু: ২২ অক্টোবর ২০২৩ (রবিবার)। ছুটি শেষ: ২৪ অক্টোবর ২০২৩ (মঙ্গলবার)। কার্যক্রম পুনরায় শুরু: ২৫ অক্টোবর ২০২৩ (বুধবার) থেকে ক্যাম্পাসের সকল ক্লাস, পরীক্ষা এবং দাপ্তরিক কাজ পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী যথারীতি পরিচালিত হবে। নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার নির্দেশনা উৎসবের এই বিশেষ সময়ে গুরুকুল কর্তৃপক্ষ সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব উদযাপনের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রেখে আনন্দঘন পরিবেশে বিজয়া দশমী উদযাপনের মাধ্যমেই একটি সুস্থ সমাজ গঠন সম্ভব বলে মনে করে কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের বার্তা গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের প্রশাসন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, “আমরা এমন একটি পরিবেশ লালন করি যেখানে প্রতিটি মানুষ তাদের স্ব-স্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে গর্বের সাথে বসবাস করতে পারে। এই বহুত্ববাদী সমাজ ব্যবস্থা আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।” গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস পরিবারের পক্ষ থেকে কুষ্টিয়াবাসীসহ সকলকে শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা। আদেশক্রমে, প্রশাসন বিভাগ গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হল: ১. চেয়ারম্যান এর দপ্তর, গুরুকুল। ২. প্রমুখ এর দপ্তর, গুরুকুল। ৩. সকল পরিচালক, গুরুকুল ও গুরুকুলের ইন্সটিটিউট সমূহের। ৪. সকল প্রিন্সিপ্যাল, গুরুকুল এর সকল কলেজ ও স্কুল। ৫. সকল ইনচার্জ, গুরুকুল এর প্রশাসনিক বিভাগ সমূহ। ৬. সকল বিভাগীয় প্রধান, গুরুকুল এর একাডেমিক বিভাগ সমূহ। ৭. সব নোটিশ বোর্ড, সব ক্যাম্পাস। ৮. রেজিস্টার, গুরুকুল। ৯. অফিস নথি, গুরুকুল।     আরও দেখুন: গুরুকুল ক্যাম্পাসে দ্বীন ও ধর্ম বিষয়ক নীতিমালা

বিএসএমএমইউতে ১৪ আগস্ট নার্সিংয়ে মাস্টার্সে ভর্তি শেষ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, বিএসএমএমইউ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এবং অধিভুক্ত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভ্যান্স নার্সিং এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চে(এনআইএএনইআর) জুলাই ২০২৩ মাস্টার্স অব সায়েন্স ইন নার্সিং (এমএসএন) কোর্সে ভর্তি চলছে। ভর্তিপ্রক্রিয়া চলবে আগামী সোমবার (১৪ আগস্ট) পর্যন্ত। বিএসএমএমইউতে ১৪ আগস্ট নার্সিংয়ে মাস্টার্সে ভর্তি শেষ বিএসএমএমইউর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এমএসএন কোর্সের অ্যাডাল্ট অ্যান্ড ইল্ডার হেলথ নার্সিং, উইমেন্স হেলথ অ্যান্ড মিডওয়াইফারি নার্সিং, চাইল্ড হেলথ নার্সিং (সিএইচএন), মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড সাইকিয়াট্রিক নার্সিং (এমএইচপিএন), কমিউনিটি হেলথ নার্সিং (কম.এইচএন), নার্সিং ম্যানেজমেন্ট (এনএম), কার্ডিওথোরাসিক নার্সিং (সিটিএন), ইনটেনসিভ কেয়ার নার্সিং (আইসিএন), অর্থোপেডিক অ্যান্ড ট্রমা নার্সিং (ওটিএন), ন্যাপরো-ইউরোলজি নার্সিং (এনইউএন), অফথালমোলজিক নার্সিং (ওএন) ও নিউরোসায়েন্স নার্সিংয়ে (এনএন) ভর্তির জন্য সরকারি, বিএসএমএমইউ (সরকারি কোটায় নির্বাচিত) ও বেসরকারি নার্স প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করা হলো। বেসরকারি প্রার্থীদের ১৬ জুলাই থেকে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত কোর্সে ভর্তির কার্যক্রম চলবে। সব বিষয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে কোর্স ফি, টিউশন ফি এবং রেজিস্ট্রেশন ফি–সংক্রান্ত তথ্যাদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভর্তি শাখা থেকে জানা যাবে।     মূল মাইগ্রেশন সনদসহ নিম্নবর্ণিত কাগজপত্র ও পাসপোর্ট সাইজের ছবি সেট করে ভর্তির সময় সব প্রার্থীকে জমা দিতে হবে। ১. নির্বাচিত তালিকায় প্রার্থীর নামসংবলিত অংশ থেকে প্রার্থীর নামসংবলিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের তালিকা সংগ্রহপূর্বক জমা দিতে হবে। ২. ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের অনুলিপি। ৩. দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। ৪. শিক্ষাগত যোগ্যতার সব মূল সনদের অনুলিপি। ৫. বিএসসির (ইন নার্সিং/মিডওয়াইফাই) মূল সনদের অনুলিপি। ৬. জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি। ৭. বিএনএমসি কর্তৃক প্রদত্ত রেজিস্ট্রেশনের মূল সনদের অনুলিপি। ৮. মূল মাইগ্রেশন সনদের অনুলিপি। ৯. মূল মাইগ্রেশন সনদ (প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরণের জন্য)। মূল মাইগ্রেশন সনদ, ছবি ও অন্যান্য সনদের এক সেট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয় প্রেরণ করতে হবে। সব প্রার্থীকে ভর্তির পূর্বে মূল মাইগ্রেশনের স্ক্যান কপি নিজের কাছে ই-রেজিস্ট্রেশনের জন্য সংরক্ষণ করার বিষয়টি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অবহিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে হবে। জুলাই ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত সব প্রার্থীকে আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৩০ জুন ২০২৪ তারিখের মধ্যে অনলাইনে ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। এ–সংক্রান্ত নিয়মাবলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট লিংকে পাওয়া যাবে।   সূত্র : প্রথম আলো

বিএসএমএমইউতে ১৬ জুলাই মাস্টার্সে নার্সিংয়ে ভর্তি শুরু

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, বিএসএমএমইউ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এবং অধিভুক্ত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভ্যান্স নার্সিং এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চে(এনআইএএনইআর) জুলাই ২০২৩ মাস্টার্স অব সায়েন্স ইন নার্সিং (এমএসএন) কোর্সে ভর্তি শুরু হবে ১৬ জুলাই থেকে। ভর্তিপ্রক্রিয়া চলবে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত। বিএসএমএমইউতে ১৬ জুলাই মাস্টার্সে নার্সিংয়ে ভর্তি শুরু   বিএসএমএমইউর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এমএসএন কোর্সের অ্যাডাল্ট অ্যান্ড ইল্ডার হেলথ নার্সিং, উইমেন্স হেলথ অ্যান্ড মিডওয়াইফারি নার্সিং, চাইল্ড হেলথ নার্সিং (সিএইচএন), মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড সাইকিয়াট্রিক নার্সিং (এমএইচপিএন), কমিউনিটি হেলথ নার্সিং (কম.এইচএন), নার্সিং ম্যানেজমেন্ট (এনএম), কার্ডিওথোরাসিক নার্সিং (সিটিএন), ইনটেনসিভ কেয়ার নার্সিং (আইসিএন), অর্থোপেডিক অ্যান্ড ট্রমা নার্সিং (ওটিএন), ন্যাপরো-ইউরোলজি নার্সিং (এনইউএন), অফথালমোলজিক নার্সিং (ওএন) ও নিউরোসায়েন্স নার্সিংয়ে (এনএন) ভর্তির জন্য সরকারি, বিএসএমএমইউ (সরকারি কোটায় নির্বাচিত) ও বেসরকারি নার্স প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করা হলো। বেসরকারি প্রার্থীদের ১৬ জুলাই থেকে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত কোর্সে ভর্তির কার্যক্রম চলবে। সব বিষয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে কোর্স ফি, টিউশন ফি এবং রেজিস্ট্রেশন ফি–সংক্রান্ত তথ্যাদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভর্তি শাখা থেকে জানা যাবে।     মূল মাইগ্রেশন সনদসহ নিম্নবর্ণিত কাগজপত্র ও পাসপোর্ট সাইজের ছবি সেট করে ভর্তির সময় সব প্রার্থীকে জমা দিতে হবে। ১. নির্বাচিত তালিকায় প্রার্থীর নামসংবলিত অংশ থেকে প্রার্থীর নামসংবলিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের তালিকা সংগ্রহপূর্বক জমা দিতে হবে। ২. ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের অনুলিপি। ৩. দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। ৪. শিক্ষাগত যোগ্যতার সব মূল সনদের অনুলিপি। ৫. বিএসসির (ইন নার্সিং/মিডওয়াইফাই) মূল সনদের অনুলিপি। ৬. জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি। ৭. বিএনএমসি কর্তৃক প্রদত্ত রেজিস্ট্রেশনের মূল সনদের অনুলিপি। ৮. মূল মাইগ্রেশন সনদের অনুলিপি। ৯. মূল মাইগ্রেশন সনদ (প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরণের জন্য)। মূল মাইগ্রেশন সনদ, ছবি ও অন্যান্য সনদের এক সেট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয় প্রেরণ করতে হবে। সব প্রার্থীকে ভর্তির পূর্বে মূল মাইগ্রেশনের স্ক্যান কপি নিজের কাছে ই-রেজিস্ট্রেশনের জন্য সংরক্ষণ করার বিষয়টি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অবহিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে হবে। জুলাই ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত সব প্রার্থীকে আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৩০ জুন ২০২৪ তারিখের মধ্যে অনলাইনে ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। এ–সংক্রান্ত নিয়মাবলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট লিংকে পাওয়া যাবে। মাস্টার্স অব সায়েন্স ইন নার্সিং (এমএসএন) কোর্সের উল্লিখিত বিষয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম আগামী ১ জুলাই শুরু হবে বিধায় ভর্তির জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলো। সূত্র : প্রথম আলো

গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট ২০২২-২০২৩ সেশনে ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু ৯ জুলাই

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার শিপ্রা রানী-Shipra Rani, Nursing Supervisor of Kushtia Sadar Hospital

কুষ্টিয়ার অন্যতম স্বনামধন্য বেসরকারি নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট’-এর ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও নিয়মিত ক্লাস শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল (BNMC)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ০৯ জুলাই ২০২৩, রবিবার থেকে প্রথম বর্ষের আনুষ্ঠানিক পাঠদান শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ডিপ্লোমা-ইন-নার্সিং সায়েন্স ও মিডওয়াইফারি কোর্সের প্রথম বর্ষে ভর্তিকৃত সকল শিক্ষার্থীকে আগামী রবিবার যথা সময়ে ক্যাম্পাসে উপস্থিত থাকতে হবে। নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে এবং একাডেমিক কার্যক্রমের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে এই দিনটি বিশেষভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। তারিখ: ০৯ জুলাই ২০২৩, রবিবার। স্থান: গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট, কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস। কক্ষ নম্বর: একাডেমিক ভবনের ৪০২ নম্বর কক্ষ। কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন সেশনের শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে ক্যাম্পাস ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। দক্ষ নার্স ও মানবিক সেবাদানকারী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রথম দিন থেকেই শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। নির্ধারিত দিনে সকল শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যোগাযোগ ও সহায়তা ক্লাস রুটিন বা ইউনিফর্ম সংক্রান্ত কোনো তথ্যের প্রয়োজন হলে শিক্ষার্থীদের সরাসরি ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক কার্যালয়ে অথবা অফিশিয়াল হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারিগরি ও মানবিক শিক্ষার সমন্বয়ে গঠিত গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট দীর্ঘ দিন ধরে কুষ্টিয়া অঞ্চলে দক্ষ নার্সিং জনবল তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। নতুন এই ব্যাচের যাত্রার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে আরও একঝাঁক নতুন সেবাকর্মী যুক্ত হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  

ভারতে নার্সিং পড়ার সুযোগ, আগামীকাল ০৫ জুন ২০২৩ আবেদনের শেষ সময়

সেন্ট স্টিফেনস কলেজ, দিল্লি

দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবেশী দেশ ভারতে বিশ্বমানের পরিবেশে নার্সিং পড়ার এক বিশেষ সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন স্বনামধন্য নার্সিং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে বিএসসি নার্সিং, জিএনএম এবং এমএসসি নার্সিং কোর্সে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। উন্নত মানের ল্যাব সুবিধা, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের ডিগ্রির কারণে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মাঝে এই সুযোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। কোর্সের বিবরণ ও সুযোগ-সুবিধা ভারতে নার্সিং পড়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা সাধারণত বিএসসি নার্সিং (৪ বছর) এবং জিএনএম (৩ বছর) কোর্সগুলো বেছে নিচ্ছেন। ভারতের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে রয়েছে: আধুনিক ল্যাব ও হাসপাতাল: শিক্ষার্থীদের সরাসরি হাসপাতালের ওযার্ডে প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হয়। স্কলারশিপের সুবিধা: মেধারী শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ স্কলারশিপ বা ফি মওকুফের ব্যবস্থা। সহজ ভর্তি প্রক্রিয়া: কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য সরাসরি ভর্তির বিশেষ কোটা ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। কেন ভারতে নার্সিং পড়বেন? শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ভারতের নার্সিং ডিগ্রি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং আমেরিকার শ্রমবাজারে ভারতের অভিজ্ঞ নার্সদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশের তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে পড়ার খরচ সাশ্রয়ী এবং ভাষা ও সংস্কৃতির মিল থাকায় শিক্ষার্থীরা সহজেই মানিয়ে নিতে পারেন। আবেদনের যোগ্যতা বিএসসি নার্সিং কোর্সের জন্য আবেদনকারীকে অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞানসহ (Biology) উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। তবে জিএনএম কোর্সের জন্য যেকোনো বিভাগের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। ভর্তি সহায়তায় গুরুকুল নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সঠিক গাইডলাইন দিতে এবং স্বচ্ছতার সাথে ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সহায়তা করছে গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক। লিঙ্কে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি ভারতের কলেজগুলোর তথ্য, খরচ এবং স্কলারশিপের ব্যাপারে বিস্তারিত পরামর্শ নিতে পারছেন। আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী শিক্ষার্থীদের পাসপোর্ট, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র এবং মার্কশিটসহ দ্রুত যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যেহেতু সিট সংখ্যা সীমিত এবং স্কলারশিপের সুবিধা আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে দেওয়া হয়, তাই বিলম্ব না করে আবেদনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভারত থেকে নার্সিং ডিগ্রি অর্জন করে দেশে বা বিদেশে উন্নত ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি সেরা সময় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  

কারিগরি শিক্ষার উপবৃত্তি বিষয়ে জরুরী নোটিশ। গুরুকুল

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় গুরুকুল-এর শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে। ২০২১ শিক্ষাবর্ষের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেক্সটাইল শিক্ষাক্রমের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল পদ্ধতিতে উপবৃত্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আবেদনের আওতাভুক্ত শিক্ষার্থীগণ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টাইপেন্ড এমআইএস (Stipend MIS) সফটওয়্যারে তথ্য অন্তর্ভুক্তির জন্য নিম্নোক্ত পর্বের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে বলা হয়েছে: ১ম পর্ব (নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী) ২য়, ৪র্থ ও ৬ষ্ঠ পর্ব (নিয়মিত শিক্ষার্থী) প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও জমা দেওয়ার নিয়মাবলী আবেদন ফরম (SAF) যথাযথভাবে পূরণ করে আগামী ১৫ এপ্রিল ২০২১ (বৃহস্পতিবার) তারিখের মধ্যে নিজ নিজ বিভাগীয় প্রধানের দপ্তরে জমা দিতে হবে। ফরমের সাথে অবশ্যই নিচের নথিপত্রগুলো সংযুক্ত করতে হবে: ১. শিক্ষার্থীর ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি। ২. শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্ম নিবন্ধনের স্পষ্ট ফটোকপি। ৩. পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) ফটোকপি। অনলাইন ফরম সংগ্রহ শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আবেদনের ফরমটি (SAF_2) অনলাইন লিংকে আপলোড করা হয়েছে। নিচের লিংকে ক্লিক করে ফরমটি ডাউনলোড করা যাবে: SAF_2   কর্তৃপক্ষের বিশেষ নির্দেশনা গুরুকুল প্রশাসন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের পরে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। উপবৃত্তিপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে তথ্য পূরণের সময় অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, বিশেষ করে ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ব্যাংকিং সংক্রান্ত তথ্যে যেন কোনো ভুল না থাকে। কারিগরি শিক্ষার প্রসারে গুরুকুলের অঙ্গীকার গুরুকুল বিশ্বাস করে, কারিগরি শিক্ষার বিস্তার ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান একটি দক্ষ জাতি গঠনের মূল চাবিকাঠি। শিক্ষার্থীদের এই সরকারি সুযোগ পৌঁছে দিতে গুরুকুল সদা তৎপর। কোনো শিক্ষার্থীর ফরম পূরণে সমস্যা হলে নিজ বিভাগের ইনচার্জ বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (এনটিভিকিউএফ) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা

জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ১.০ আবেদন পত্র গ্রহণ ও বাছাই প্রক্রিয়া: কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত আবেদন পত্র ফরমে উলিখিত বিষয়াদি ও সংযুক্তিসহ পুর্ণাঙ্গ তথ্যাবলী সম্বলিত আবেদনপত্রসমূহ বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের মধ্যে বিতরণ ও বাছাই প্রক্রিয়া সম্পনড়ব করতে হবে। বাছাই কালে প্রকৃত সনদপত্র, বয়স, নির্ভূল তথ্য ইত্যাদি যথাযথ ভাবে নিরীক্ষণ করা অত্যাবশক। ১.১ বিতরণকৃত আবেদন পত্র ফরমের বিক্রয়ের হিসাব ও রশিদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। ১.২ বাছাইকালে বাতিল ও গ্রহণযোগ্য আবেদনপত্রসমূহ পৃথকীকরণসহ একটি তালিকা প্রণয়ন করতে হবে। ১.৩ ভর্তি পরীক্ষার জন্য যোগ্য প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশনাসহ নির্ধারিত সূচি মোতাবেক ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের পূর্বেই তালিকা প্রকাশ করতে হবে। ১.৪ বাছাইকৃত বাতিল ফরমসমূহে ত্রুটিসমূহ সনাক্ত পূর্বক কমিটির মন্তব্য আবেদনপত্রের উল্টা পৃষ্ঠায় লিপিবদ্ধসহ স্বাক্ষরিত হতে হবে। ১.৫ প্রার্থীকে প্রতিষ্ঠানের বিভিনড়ব ট্রেড ও একাডেমিক নীতিমালা সস্পর্কে অবহিতকরণপূর্বক অনুপ্রাণিত করা আবশ্যক (প্রস্পেকটাস, লিফলেট, সরজমিনে ট্রেড পরিদর্শন ইত্যাদি)। ১.৬ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীনে যে কোন কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী কোর্স সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত এই কোর্সে ভর্তি হতে পারবে না। ভূল তথ্য দিয়ে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি হলে তার ভর্তি বাতিল হবে। [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ] ২.০ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সংশিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বোর্ড অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থী বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ঠুভাবে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আহবায়ক করে ৩ হতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে ভর্তি সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে। প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য কমিটি সততা, সচ্ছতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবে। কমিটির কাঠামো : ১. প্রতিষ্ঠান প্রধান আহবায়ক ২. সংশিষ্ট শিল্প কারখানার প্রতিনিধি ১ জন সদস্য ৩. সিবিটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক (১/২) সদস্য ৪. বোর্ড মনোনীত প্রতিনিধি ১ জন সদস্য ২.১ প্রতিষ্ঠান প্রধান গোপনীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষার প্রশড়বপত্র ক্সতরি, মডারেশন ও মূদ্রণের ব্যবস্থা করবে। ২.২ বিজ্ঞপ্তিতে উলিখিত যোগ্যতা সম্পনড়ব প্রার্থীদের বাছাইয়ের জন্য লিখিত পরীক্ষার প্রশড়বপত্র ভাষাজ্ঞান ও গণিতে সক্ষমতা যাচাইয়ের উপযোগী করে প্রণয়ন করতে হবে। ২.৩ ভর্তি পরীক্ষার প্রশড়বপত্রের নম্বর বণ্টনঃ লিখিত-৪০(বাংলা-১০, ইংরেজি-১০, গণিত-১০, সাধারণ জ্ঞান-১০), কায়িক প্রবণতা টেস্ট-৪০, মৌখিক পরীক্ষা-২০। ২.৪ বোর্ড কর্তৃক পরীক্ষা অনুষ্ঠানের নির্ধারিত তারিখে লিখিত, মৌখিক পরীক্ষা ও কায়িক প্রবনতা টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে। [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ] ৩.০ লিখিত ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত : কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক নির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে লিখিত পরীক্ষার নিয়মানুসারে স্ব-স্ব কেন্দ্রের নিজস্ব আসন ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের জন্য স্ব-স্ব কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশানুসারে পরিদর্শক নিয়োগ, নিরাপত্তা বিধান, প্রয়োজনে বহিরাগত পরিদর্শক নিয়োগ ইত্যাদির ব্যবস্থাপনা করতে হবে। এ প্রেক্ষিতে যে সকল বিষয়াদি অত্যন্ত গুরুত্বসহ বিবেচনা করতে হবে ঃ ৩.১ আসন সংখ্যা অনুসারে পরিদর্শী, প্রধান পরিদর্শী, হল তত্ত¡াবধায়ক, সাহায্যকারী নিয়োগের ব্যবস্থা করা। ৩.২ সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণের জন্য নিরাপত্তা বিধান। ৩.৩ পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত সময় সীমার প্রতি লক্ষ্য রাখা। ৩.৪ পরীক্ষা শেষে সকল উত্তরপত্রসমূহের ক্রমানুসারে সাজিয়ে কোড নং প্রদান। ৩.৫ পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট কোড নং এর কাটিং সংরক্ষণসহ গোপনীয়তা রক্ষা করা। ৩.৬ সকল প্রশিক্ষককে একত্রিত করে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের দিবসেই উত্তরপত্র পরীক্ষণ, নিরীক্ষার কাজ সমাপ্ত করা। [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ] ৪. ফলাফল প্রকাশ : ৪.১ লিখিত, মৌখিক পরীক্ষা ও কায়িক প্রবনতা টেস্টে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে টেবুলেশন ক্সতরি করতে হবে। ৪.২ সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে প্রশিক্ষণার্থী মনোনয়ন করতে হবে এবং আসন সংখ্যার অর্ধেক অপেক্ষমান তালিকাসহ মেধাক্রম অনুসারে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। ৫.০ কায়িক প্রবণতা টেস্ট : ৫.১ প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রতিষ্ঠানের প্রচলিত ট্রেডের সংখ্যানুসারে একটি উপ-কমিটি গঠন করবেন। ৫.২ বাছাইকৃত যোগ্য প্রার্থীদেরকেই লিখিত ও কায়িক প্রবনতা টেষ্টে অংশগ্রহণ করতে হবে। ৫.৩ সর্বমোট প্রার্থীর সংখ্যা অনুসারে সংশিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ওয়ার্কশপের সুবিধা অনুযায়ী প্রার্থীদেরকে সমভাবে ট্রেড ভিত্তিক উপ-কমিটির নিকট প্রেরণ করতে হবে। ৫.৪ প্রতিষ্ঠানের বাস্তব সুবিধাদির উপর ভিত্তি করে প্রস্তাবিত কায়িক প্রবণতা টেষ্ট যথা সম্ভব সীমিত ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পনড়ব করার জন্য পর্যবেক্ষণ ভিত্তিক নম্বরবণ্টন করতে হবে। ৫.৫ অত্যন্ত ক্সধর্য্য ও কৌশলগত সাবধানতার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করে বণ্টনকৃত নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে। ৫.৬ সাধারণভাবে ০৫:১ হইতে ১০:১ অনুপাতে প্রার্থী পর্যবেক্ষক নিয়োগ করতে হবে। প্রশিক্ষক স্বল্পতার কারণে প্রয়োজনে এই সংখ্যা পরিবর্তন করা যেতে পারে। ৫.৭ প্রস্তাবিত বিষয়াদির টেষ্ট গ্রহণের সময় স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের বাস্তব সুবিধাদির বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামো ]। ৫.৮ কায়িক প্রবণতা টেষ্টের পর্যবেক্ষণ ও নম্বর বণ্টন সংক্রান্ত পদ্ধতিগত নমুনা রূপরেখা ঃ [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ]   ৬.০ প্রার্থীদের ভর্তির আবেদন ফি আবেদন ফি বাবদ ১০০/- (একশত) টাকা জমা দিতে হবে। উক্ত অর্থের মধ্যে ৮০/- (আশি) টাকা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি সংক্রান্ত কার্যক্রমের ব্যয় হিসেবে রেখে দিবে এবং ২০/- (বিশ) টাকা ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশসহ বিবিধ খরচ মিটানোর জন্য বোর্ডে প্রেরণ করতে হবে। ৭.০ প্রশিক্ষণার্থী ভর্তির জন্য প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির অন্যান্য শর্তাবলি : প্রশিক্ষণার্থী ভর্তির জন্য প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির অন্যান্য  শর্তাবলি প্রযোজ্য হবে। ৮.০ এই নীতিমালার কোন ধারা/ধাবাসমূহের ব্যাখ্যা প্রদান : এই নীতিমালার কোন ধারা/ধাবাসমূহের ব্যাখ্যা প্রদানের অধিকার বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সংরক্ষিত থাকবে এবং বোর্ডের ব্যাখ্যাই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামো ]। ৯.০ এ নীতিমিালায় অনুলিখিত কোন বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের ক্ষমতা বোর্ডের নিকট সংরক্ষিত থাকবে। [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ] জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামো বিষয়ে গুরুকুলে : যোগাযোগ