গুরুকুল আন্ত টেকনোলজি স্কিল কম্পিটিশন ২০২৩

কুষ্টিয়া: কারিগরি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী চিন্তাকে উৎসাহিত করতে গুরুকুল ইনোভেশন ক্লাব-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘আন্তঃটেকনোলজি স্কিল কম্পিটিশন ২০২৩’। প্রযুক্তির সাথে আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের তৈরি আধুনিক সব প্রজেক্টে মুখরিত ছিল পুরো আয়োজন। প্রতিযোগিতায় গুরুকুলের বিভিন্ন ট্রেডের শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও কারিগরি দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। সম্মানিত অতিথি চ্যাম্পিয়ন টিম (Project Name: Animational Advertisement) ফার্স্ট রানার-আপ (Project Name:Transmission line & fault detection) সেকেন্ড রানার-আপ (Project Name: Earthquake Resistant building) প্রতিযোগিতার চালচিত্র ও অংশগ্রহণ এবারের প্রতিযোগিতায় গুরুকুলের সকল ট্রেড থেকে মোট ১৪টি দক্ষ টিম পৃথক পৃথক প্রজেক্ট নিয়ে অংশগ্রহণ করে। তথ্যপ্রযুক্তি থেকে শুরু করে সিভিল ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিভিন্ন সমসাময়িক সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান প্রজেক্টগুলোর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়। সম্মানিত অতিথির মূল্যায়ন অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল বিভাগের চিফ ইন্সট্রাক্টর মোঃ শফিকুল ইসলাম। তিনি প্রতিটি দলের স্টল পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের তৈরি প্রজেক্টগুলোর কারিগরি দিক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন: “তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি এই ধরণের বাস্তবমুখী প্রজেক্ট শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং তাদের কর্মক্ষেত্রের জন্য যোগ্য করে তোলে।” তিনি ভবিষ্যৎ গবেষণার জন্য প্রতিটি টিমকে গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি পরামর্শ প্রদান করেন। বিজয়ীদের তালিকা ও প্রজেক্টের নাম তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতায় বিচারকদের রায়ে বিজয়ীরা হলো: চ্যাম্পিয়ন: প্রজেক্ট ‘Animational Advertisement’ টিম। (আধুনিক বিজ্ঞাপনের ডিজিটাল রূপান্তরে তাদের উদ্ভাবনটি সেরা বিবেচিত হয়)। ফার্স্ট রানার-আপ: প্রজেক্ট ‘Transmission Line & Fault Detection’ টিম। (বিদ্যুৎ লাইনের ত্রুটি নিরসনে কার্যকর কারিগরি সমাধান)। সেকেন্ড রানার-আপ: প্রজেক্ট ‘Earthquake Resistant Building’ টিম। (ভূমিকম্প সহনীয় স্থাপনা নির্মাণের মডেল)। পুরস্কার ও সনদ বিতরণী প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি, মেডেল ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। এছাড়াও অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের জন্য ছিল বিশেষ অনুপ্রেরণা। অনুষ্ঠানে গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের শিক্ষকবৃন্দ, ইনোভেশন ক্লাবের সদস্য এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের অন্যান্য কিছু মুহুর্ত্ব…… গুরুকুল ইনোভেশন ক্লাবের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা এবং নতুন কিছু সৃষ্টির প্রেরণা যুগিয়েছে। দক্ষ ও কর্মমুখী প্রজন্ম গড়ে তোলার যে লক্ষ্য নিয়ে গুরুকুল কাজ করছে, এই স্কিল কম্পিটিশন ছিল তারই এক সফল প্রতিফলন।
কারিগরি শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশে গুরুকুলে স্কিলস কম্পিটিশন–২০১৭

অক্টোবর ২৭, ২০১৭ : কারিগরি শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশে সহায়ক স্কিলস কম্পিটিশন–২০১৭-এর প্রাতিষ্ঠানিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট “কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট” আয়োজনে এবং স্কিলস অ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (স্টেপ)-এর সহযোগিতায়। দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাস হল রুমে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়। দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় গুরুকুলের ৬টি টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। মূল্যায়ন ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ প্রতিযোগিতায় মূল্যায়ন কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— কুষ্টিয়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত আনজুম অনন্যা কুষ্টিয়া সরকারি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের অধ্যক্ষ আক্তারুজ্জামান কুষ্টিয়া সরকারি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইন্সটিটিউটের সুপারিনটেনডেন্ট নিখিল চন্দ্র ঘোষ গুরুকুল প্রশাসনিক কর্মকর্তা শামীম রানা গুরুকুল কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রাশনা শারমিন পরিদর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর-এর সহকারী পরিচালক (PIU) জাহিদুল কবির খান। আয়োজক কমিটির বক্তব্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আয়োজক কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও আরএস ট্রেড প্রধান এম. এম. মাসুম, সদস্য কম্পিউটার ট্রেড প্রধান বিথী খাতুন, টেক্সটাইল ট্রেড প্রধান হাবিবুর রহমান, সিভিল ট্রেড প্রধান সিরাজুম মনিরা, মেকানিক্যাল ট্রেড প্রধান তামান্না আফরোজ, এবং জিডিপিএম ট্রেড প্রধান খাইরুল বাশার। প্রতিযোগিতার ফলাফল প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বিজয়ী প্রজেক্টসমূহ— প্রথম স্থান: কম্পিউটার টেকনোলজির উদ্ভাবিত “স্মার্ট সিটি অ্যান্ড হাউজ” প্রজেক্ট দ্বিতীয় স্থান: ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজির উদ্ভাবিত “ডিজিটাল পাওয়ার হাউজ” প্রজেক্ট তৃতীয় স্থান: জিডিপিএম টেকনোলজির কাপড় ও ফাইবার দ্বারা নির্মিত বিভিন্ন হস্তশিল্প প্রজেক্ট উল্লেখ্য, এই প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী প্রজেক্টগুলো আগামী ১৮ নভেম্বর যশোর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। উপস্থিতি অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, গুণীজন, শিল্প ও কলকারখানার মালিক, প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
গুরুকুলে ‘স্কিল কম্পিটিশন-২০১৬’ সম্পন্ন

শিক্ষার্থীদের কারিগরি দক্ষতা যাচাই ও সৃজনশীল উদ্ভাবন প্রদর্শনের লক্ষ্যে গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্কের আওতায় পরিচালিত কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউটে দিনব্যাপী ‘স্কিল কম্পিটিশন-২০১৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, বিশ্ব ব্যাংক এবং কানাডা সরকারের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত ‘স্কিলস এন্ড ট্রেনিং এনহেন্সমেন্ট প্রজেক্ট (STEP)’-এর ব্যবস্থাপনায় এই প্রতিযোগিতার প্রতিষ্ঠান পর্যায়টি সম্পন্ন হয়। গুরুকুলে ‘স্কিল কম্পিটিশন-২০১৬’ সম্পন্ন রবিবার সকালে কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। সারাদেশের ১৬২টি স্টেপ (STEP) অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ন্যায় কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা তাদের তাত্ত্বিক শিক্ষাকে বাস্তবে রূপান্তরের লক্ষ্যে ৭টি বিশেষ উদ্ভাবনী প্রজেক্ট প্রদর্শন করেন। শিক্ষার্থীদের প্রদর্শিত প্রজেক্টসমূহ শিক্ষার্থীদের মেধা ও কারিগরি কুশলতার সমন্বয়ে তৈরি প্রজেক্টগুলোর মধ্যে ছিল: রোবটিক্স প্রযুক্তি: কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের ৭ জন শিক্ষার্থীর সম্মিলিত উদ্ভাবন ‘রোবটিক্স কার’। নগর পরিকল্পনা: সিভিল বিভাগের ৪ জন শিক্ষার্থীর তৈরি ‘যানজট মুক্ত আধুনিক ফ্লাইওভার’ মডেল। ইলেক্ট্রিক্যাল উদ্ভাবন: এই বিভাগের ১০ জন শিক্ষার্থীর ৫টি ভিন্ন ভিন্ন প্রজেক্ট— ডিজিটাল গার্ড, মিনি ম্যাগনেটিক পাওয়ার সাপ্লাই, ওয়েস্ট পাওয়ার প্লান্ট, ওয়াটার লেভেল ইন্ডিকেটর এবং ডোর অ্যালার্ম। বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন ও অতিথি সমাগম শিক্ষার্থীদের এই সৃজনশীল কাজগুলো মূল্যায়নের জন্য বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল ও শিল্প খাতের বিশেষজ্ঞগণ: ইঞ্জিনিয়ার ইসরাইল হোসেন, চেয়ারম্যান, জিওটেক বিল্ডার্স লিমিটেড। মনিরুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এম এন্ড বি প্লাইউড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এছাড়াও বিশেষ পরিদর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টেপ (STEP)-এর সহকারী প্রোগ্রামার মোফাজ্জেল হোসেন। গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউটের প্রধান সমন্বয়কারী তানভির মেহেদি, লিগ্যাল এন্ড এডমিন ইনচার্জ শামীম রানা এবং ইনচার্জ ফাইন্যান্স রুহুল আমিন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ও পুরষ্কার বিচারকদের সূক্ষ্ম মূল্যায়নে উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও বাস্তবধর্মী উপযোগিতার ভিত্তিতে সেরা তিনটি প্রজেক্ট নির্বাচিত করা হয়: ১. প্রথম স্থান: কম্পিউটার টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত ‘রোবটিক কার’। ২. দ্বিতীয় স্থান: ইলেক্ট্রিক্যাল টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের ‘মিনি ম্যাগনেটিক পাওয়ার সাপ্লাই’। ৩. তৃতীয় স্থান: একই বিভাগের শিক্ষার্থীদের তৈরি ‘ডিজিটাল গার্ড’। প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকার গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্কের কর্মকর্তারা জানান, এ ধরণের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং বিশ্বমানের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট সর্বদা আধুনিক ও কর্মমুখী কারিগরি শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। আরও দেখুন: গুরুকুলে বিশেষ বৃত্তির কোটা