সমতা, সুযোগের বিস্তার এবং শিক্ষা সবার জন্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুকুল চালু করেছে বিশেষ বৃত্তির কোটা। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা দূর করার উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিল্পী, খেলোয়াড়, হরিজন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, এতিম, প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, ভূমিহীন শ্রমজীবী, শিক্ষক পরিবার এবং গুরুকুল কর্মী পরিবারের সন্তানদের জন্য নির্দিষ্ট হারে বৃত্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়াও ছাত্রীদের জন্য আলাদা সুবিধা এবং সরকার অনুমোদিত STEP বৃত্তি কার্যক্রমও চালু রয়েছে।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
১. শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ: আর্থিক অসচ্ছলতা কিংবা সামাজিক অবস্থান যাতে কোনও শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না করে, সে জন্য এই কোটা চালু করা হয়েছে।
২. সমাজের বিশেষ গোষ্ঠীর উন্নয়ন: শিল্পী, খেলোয়াড়, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, হরিজন, এতিম ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে আর্থিক সহায়তা প্রদান।
৩. মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষক পরিবারের সম্মাননা: মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও শিক্ষক পরিবারের অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি সুবিধা রাখা।
৪. নারীর ক্ষমতায়ন: মেয়েদের শিক্ষার হার বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষায় তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিশেষ কোটা নির্ধারণ।
৫. দক্ষতা উন্নয়ন: বৃত্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত চর্চা, আত্মনির্ভরশীলতা এবং কর্মসংস্থানমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি।
৬. নৈতিকতা ও স্বচ্ছতা রক্ষা: ভর্তির সময় প্রমাণপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে বৃত্তি প্রদান এবং অসত্য তথ্য দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ।
১/ শিল্পী কোটা
বৃত্তির ধরন: ১০০% বৃত্তি
যোগ্যতা: নিয়মিত শিল্পীরা
এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর পুরো কোর্স ফি (১০০%) বৃত্তি থেকে আসবে। শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না।
প্রতিটি ট্রেডে বৃত্তি সংখ্যা (৫ জন)
১ জন সংগীত শিল্পী (গায়ক)
১ জন সংগীত শিল্পী (বাদক)
১ জন নৃত্য শিল্পী
১ জন অভিনয় শিল্পী
১ জন চিত্রকলা শিল্পী
শর্তাবলি
গুরুকুলের ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
ভর্তি হওয়ার পর প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যেতে হবে।
নিয়মিত চর্চায় অংশগ্রহণ না করলে বৃত্তির সুবিধা বাতিল হয়ে যাবে।
শিল্পী পরিবারের জন্য বিশেষ সুবিধা
সঙ্গীত, নৃত্য, অভিনয়, চিত্রকলা সহ স্বীকৃত শিল্পকলায় পরিচিত শিল্পীদের সন্তানরা ৬০% বৃত্তি পাবে।
কবি ও সাহিত্যিক পরিবারের সন্তানরাও এই কোটার অন্তর্ভুক্ত।
২. খেলোয়াড় কোটা:
বৃত্তির ধরন: ১০০% বৃত্তি
যোগ্যতা: নিয়মিত খেলোয়াড়রা
এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর পুরো কোর্স ফি (১০০%) বৃত্তি থেকে আসবে। শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না।
⚽ প্রতিটি ট্রেডে বৃত্তি সংখ্যা (৩ জন)
১ জন লাঠিয়াল
১ জন ফুটবলার
১ জন ক্রিকেটার
শর্তাবলি
গুরুকুলের ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
ভর্তি হওয়ার পর প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যেতে হবে।
নিয়মিত চর্চায় অংশগ্রহণ না করলে বৃত্তির সুবিধা বাতিল হয়ে যাবে।
খেলোয়াড় পরিবারের জন্য বিশেষ সুবিধা
স্বীকৃত খেলোয়াড়দের সন্তানরা ৬০% বৃত্তি পাবে।
অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফি-এর ৬০% বৃত্তি থেকে আসবে, এবং শিক্ষার্থীকে মাত্র ৪০% কোর্স ফি প্রদান করতে হবে।
৩. হরিজন কোটা:
বৃত্তির ধরন: ১০০% বৃত্তি
যোগ্যতা: হরিজন/দলিত পরিবারের সদস্যরা
এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর পুরো কোর্স ফি (১০০%) বৃত্তি থেকে আসবে। শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না।
আসন সংখ্যা
একই ট্রেডে সর্বোচ্চ ৫ জন শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পাবেন।
শর্তাবলি
- এই বৃত্তি শুধুমাত্র হরিজন/দলিত পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য।
- ভর্তির সময় সরকারি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
- অসত্য তথ্য প্রদান করলে বৃত্তির সুবিধা তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হবে।
৪. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়:
বৃত্তির ধরন: ১০০% বৃত্তি
যোগ্যতা: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত পরিবারের সদস্যরা
এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর পুরো কোর্স ফি (১০০%) বৃত্তি থেকে আসবে। শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না।
শর্তাবলি
এই বৃত্তি শুধুমাত্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য।
ভর্তির সময় প্রমাণপত্র (জাতীয় পরিচয়পত্র/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন/সম্পর্কিত সরকারি নথি) জমা দিতে হবে।
যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী ভর্তি নিশ্চিত করা হবে।
অসত্য তথ্য প্রদান করলে বৃত্তির সুবিধা তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হবে।
৫. এতিম শিক্ষার্থী :
বৃত্তির ধরন: ৮০% থেকে ১০০% বৃত্তি
যোগ্যতা: এতিমখানার শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকহীন শিক্ষার্থী
সুবিধাসমূহ
এতিমখানার শিক্ষার্থী:
কোর্স ফি-এর ৮০% বৃত্তি প্রদান করা হবে।
শিক্ষার্থীকে মাত্র ২০% কোর্স ফি প্রদান করতে হবে।
অভিভাবক ও বাড়িঘরহীন শিক্ষার্থী:
কোর্স ফি-এর ১০০% বৃত্তি প্রদান করা হবে।
শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না।
অতিরিক্তভাবে গুরুকুল প্রমুখ বিশেষ বৃত্তির আওতায় জীবনধারণের খরচ (খাদ্য, বস্ত্র ও আবাসন) বহন করা হবে।
শর্তাবলি
ভর্তি আবেদনকালে সরকারি/অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে।
অসত্য তথ্য প্রদান করলে বৃত্তি তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হবে।
বৃত্তি প্রাপ্তির বিষয়টি যাচাই-বাছাই শেষে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী নিশ্চিত করা হবে।
৬. প্রতিবন্ধী:
৭০% থেকে ১০০% বৃত্তি
সচ্ছল পরিবারের প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য (বধির ও অন্ধ ব্যতীত) জন্য ৭০% বৃত্তি।
অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ৭০% বৃত্তি থেকে আসবে, শিক্ষার্থী মাত্র ৩০% কোর্স ফি দিয়ে পড়তে পারবে।
সহায় সম্বলহীন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য ১০০% বৃত্তি।
অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ১০০% বৃত্তি থেকে আসবে, তাকে কোন কোর্স ফিস দিতে হবে না।
ভর্তির সময় প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে।
৭. মুক্তিযোদ্ধা:
৬০% থেকে ১০০% বৃত্তির কোটা
সনদধারী মুক্তিযোদ্ধা সন্তান/নাতি (মেয়ের ছেলে-মেয়ে/ছেলের ছেলে-মেয়ে)-এর জন্য ৬০% বৃত্তি।
অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ৬০% বৃত্তি থেকে আসবে, শিক্ষার্থী মাত্র ৪০% কোর্স ফি দিয়ে পড়তে পারবে।
সহায় সম্বলহীন (শুধুমাত্র সরকারি ভাতার উপরে নির্ভরশীল) সনদধারী মুক্তিযোদ্ধা সন্তান/নাতি (মেয়ের ছেলে-মেয়ে/ছেলের ছেলে-মেয়ে)-এর জন্য ১০০% বৃত্তি।
অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ১০০% বৃত্তি থেকে আসবে, তাকে কোন কোর্স ফিস দিতে হবে না।
সহায় সম্বলহীন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান/নাতি (মেয়ের ছেলে-মেয়ে/ছেলের ছেলে-মেয়ে)-এর জন্য ১০০% বৃত্তি।
অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ১০০% বৃত্তি থেকে আসবে, তাকে কোন কোর্স ফিস দিতে হবে না।
ভর্তির সময় প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে।
ভর্তির সময় মুক্তিযোদ্ধার মূল সনদ সাথে আনতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা সনদের ফটোকপি এবং শিক্ষার্থীর নাম ও মুক্তিযোদ্ধার সাথে সম্পর্ক উল্লেখ করে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের প্রত্যয়ন-পত্র জমা দিতে হবে।
৮. ভূমিহীন- কৃষি শ্রমিক, ভ্যান-রিকশাচালক ও মৎস্যজীবী:
৫০% বৃত্তির কোটা
ভূমিহীন- কৃষি শ্রমিক, ভ্যান-রিকশাচালক ও মৎস্যজীবীর সন্তানের জন্য ৫০% বৃত্তি। অর্থাৎ এমন শিক্ষার্থীরা মাত্র ৫০% কোর্স ফি দিয়ে পড়তে পারবে।
ভর্তির সময় চেয়ারম্যান প্রত্যয়ন-পত্র জমা দিতে হবে।
৯. শিক্ষক পরিবার:
৫০% বৃত্তি
যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মী পরিবারের সদস্য (পৌষ্য) ক্ষেত্রে কোর্স ফিতে ৩০% বৃত্তি। অর্থাৎ এমন শিক্ষার্থীরা মাত্র ৭০% কোর্স ফি দিয়ে পড়তে পারবে।
ভর্তির সময় অভিভাবকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়ন-পত্র জমা দিতে হবে।
১০. শিক্ষার্থীর পরিবার:
২৫% থেকে ৩০% বৃত্তির কোটা
একই পিতা/মাতার ২ সন্তান ভর্তি হলে প্রতিজন তার কোর্স ফি তে ২৫% বৃত্তির কোটা। একই পিতা/মাতার ৩ সন্তান ভর্তি হলে প্রতিজন তার কোর্স ফি তে ৩০% বৃত্তি পাবে।
ভর্তির সময় প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে।
১১. গুরুকুল কর্মীর পরিবার:
৬০% বৃত্তির কোটা
গুরুকুল পরিবারের যে কোন কর্মীর (স্বামী-স্ত্রী, সন্তান, ভাই-বোন, ভায়ের ছেলে-মেয়ে, বোনের ছেলে-মেয়ে) এর ক্ষেত্রে ৬০% বৃত্তির কোটা। অর্থাৎ এমন শিক্ষার্থীরা মাত্র ৪০% কোর্স ফি দিয়ে পড়তে পারবে।
ভর্তির সময় প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে।
১২. ছাত্রী:
সেই সাথে ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স সমূহে (সিভিল, ইলেক্ট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, ইলেক্ট্রনিক্স, কম্পিউটার, টেক্সটাইল ও জিডিপিএম) ছাত্রীদের কোর্স ফি প্রতি মাসে ১০০০/=। অর্থাৎ একজন ছাত্রের মাসিক বেতন ২৫০০/= হলেও একই ট্রেডের একজন ছাত্রীর মাসিক বেতন ১০০০/=টাকা।
১৩ স্টেপ বৃত্তি:
বাংলাদেশ সরকার ও স্কিলস এ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (STEP) এর আওতায় মেয়ে শিক্ষার্থীরা শতভাগ ও ছেলে শিক্ষার্থী যারা প্রকৃত আর্থিকভাবে অসচ্ছল তাদের জন্য রয়েছে প্রতি মাসে ৮০০টাকা করে বৃত্তির ব্যাবস্থা।
গুরুকুল বিশেষ বৃত্তি সংক্রান্ত নিয়ম ও শর্তাবলি:
১. একজন শিক্ষার্থী শুধুমাত্র একটি কোটার সুবিধা পাবেন।
যদি কোনো শিক্ষার্থী একাধিক কোটার জন্য যোগ্য হন, তবে তিনি কেবল সর্বোচ্চ সুবিধাটি পাবেন।
২. আবেদন যাচাই ও অনুমোদন:
কোটার আবেদন প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে ভর্তি নিশ্চিত করা হবে।
প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র জমা না দিলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
৩. অসত্য তথ্য প্রদান:
কোটার আবেদনে কোনো অসত্য বা ভুয়া তথ্য প্রদান করলে বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই কোটা বাতিল করা হবে।
এ ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৪. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:
বৃত্তি প্রদানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে গুরুকুল ট্রাস্ট ফান্ড।
৫. চর্চা ও নিয়ম মেনে চলা:
যারা শিল্পী, খেলোয়াড় বা অনুশীলন-ভিত্তিক কোটায় ভর্তি হবেন, তাদের নিয়মিত চর্চা ও অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক।
নিয়মিততা বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে বৃত্তি বাতিল করা হবে।
৬. সময়সীমা:
এই নীতিমালা গুরুকুল পরিচালনা পরিষদের অনুমোদনক্রমে ২০১৭-১৮ সেশন থেকে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী সেশনগুলোতেও প্রযোজ্য থাকবে।
৭. পর্যালোচনা ও হালনাগাদ:
প্রয়োজন অনুযায়ী সময়ের সাথে বৃত্তি সংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধন বা হালনাগাদ করার ক্ষমতা সংরক্ষিত থাকবে গুরুকুল পরিচালনা পরিষদের হাতে।
৮. বর্তমানে নার্সিং ও মিডওয়াইফ শিক্ষার জন্য এই কোটা কার্যকর নয়।
