গুরুকুলে বৃত্তির কোটা ব্যবস্থা

সমতা, সুযোগের বিস্তার এবং শিক্ষা সবার জন্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুকুল চালু করেছে বিশেষ বৃত্তির কোটা। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা দূর করার উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিল্পী, খেলোয়াড়, হরিজন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, এতিম, প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, ভূমিহীন শ্রমজীবী, শিক্ষক পরিবার এবং গুরুকুল কর্মী পরিবারের সন্তানদের জন্য নির্দিষ্ট হারে বৃত্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়াও ছাত্রীদের জন্য আলাদা সুবিধা এবং সরকার অনুমোদিত STEP বৃত্তি কার্যক্রমও চালু রয়েছে। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ১. শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ: আর্থিক অসচ্ছলতা কিংবা সামাজিক অবস্থান যাতে কোনও শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না করে, সে জন্য এই কোটা চালু করা হয়েছে।২. সমাজের বিশেষ গোষ্ঠীর উন্নয়ন: শিল্পী, খেলোয়াড়, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, হরিজন, এতিম ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে আর্থিক সহায়তা প্রদান।৩. মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষক পরিবারের সম্মাননা: মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও শিক্ষক পরিবারের অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি সুবিধা রাখা।৪. নারীর ক্ষমতায়ন: মেয়েদের শিক্ষার হার বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষায় তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিশেষ কোটা নির্ধারণ।৫. দক্ষতা উন্নয়ন: বৃত্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত চর্চা, আত্মনির্ভরশীলতা এবং কর্মসংস্থানমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি।৬. নৈতিকতা ও স্বচ্ছতা রক্ষা: ভর্তির সময় প্রমাণপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে বৃত্তি প্রদান এবং অসত্য তথ্য দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ। ১/ শিল্পী কোটা বৃত্তির ধরন: ১০০% বৃত্তি যোগ্যতা: নিয়মিত শিল্পীরা এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর পুরো কোর্স ফি (১০০%) বৃত্তি থেকে আসবে। শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না। প্রতিটি ট্রেডে বৃত্তি সংখ্যা (৫ জন) ১ জন সংগীত শিল্পী (গায়ক) ১ জন সংগীত শিল্পী (বাদক) ১ জন নৃত্য শিল্পী ১ জন অভিনয় শিল্পী ১ জন চিত্রকলা শিল্পী শর্তাবলি গুরুকুলের ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। ভর্তি হওয়ার পর প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যেতে হবে। নিয়মিত চর্চায় অংশগ্রহণ না করলে বৃত্তির সুবিধা বাতিল হয়ে যাবে। শিল্পী পরিবারের জন্য বিশেষ সুবিধা সঙ্গীত, নৃত্য, অভিনয়, চিত্রকলা সহ স্বীকৃত শিল্পকলায় পরিচিত শিল্পীদের সন্তানরা ৬০% বৃত্তি পাবে। কবি ও সাহিত্যিক পরিবারের সন্তানরাও এই কোটার অন্তর্ভুক্ত। ২. খেলোয়াড় কোটা: বৃত্তির ধরন: ১০০% বৃত্তি যোগ্যতা: নিয়মিত খেলোয়াড়রা এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর পুরো কোর্স ফি (১০০%) বৃত্তি থেকে আসবে। শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না। প্রতিটি ট্রেডে বৃত্তি সংখ্যা (৩ জন) ১ জন লাঠিয়াল ১ জন ফুটবলার ১ জন ক্রিকেটার শর্তাবলি গুরুকুলের ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। ভর্তি হওয়ার পর প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যেতে হবে। নিয়মিত চর্চায় অংশগ্রহণ না করলে বৃত্তির সুবিধা বাতিল হয়ে যাবে। খেলোয়াড় পরিবারের জন্য বিশেষ সুবিধা স্বীকৃত খেলোয়াড়দের সন্তানরা ৬০% বৃত্তি পাবে। অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফি-এর ৬০% বৃত্তি থেকে আসবে, এবং শিক্ষার্থীকে মাত্র ৪০% কোর্স ফি প্রদান করতে হবে। ৩. হরিজন কোটা: বৃত্তির ধরন: ১০০% বৃত্তি যোগ্যতা: হরিজন/দলিত পরিবারের সদস্যরা এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর পুরো কোর্স ফি (১০০%) বৃত্তি থেকে আসবে। শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না। আসন সংখ্যা একই ট্রেডে সর্বোচ্চ ৫ জন শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পাবেন। শর্তাবলি এই বৃত্তি শুধুমাত্র হরিজন/দলিত পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য। ভর্তির সময় সরকারি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। অসত্য তথ্য প্রদান করলে বৃত্তির সুবিধা তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হবে। ৪. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়: বৃত্তির ধরন: ১০০% বৃত্তি যোগ্যতা: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত পরিবারের সদস্যরা এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর পুরো কোর্স ফি (১০০%) বৃত্তি থেকে আসবে। শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না। শর্তাবলি এই বৃত্তি শুধুমাত্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য। ভর্তির সময় প্রমাণপত্র (জাতীয় পরিচয়পত্র/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন/সম্পর্কিত সরকারি নথি) জমা দিতে হবে। যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী ভর্তি নিশ্চিত করা হবে। অসত্য তথ্য প্রদান করলে বৃত্তির সুবিধা তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হবে। ৫. এতিম শিক্ষার্থী : বৃত্তির ধরন: ৮০% থেকে ১০০% বৃত্তি যোগ্যতা: এতিমখানার শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকহীন শিক্ষার্থী সুবিধাসমূহ এতিমখানার শিক্ষার্থী: কোর্স ফি-এর ৮০% বৃত্তি প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীকে মাত্র ২০% কোর্স ফি প্রদান করতে হবে। অভিভাবক ও বাড়িঘরহীন শিক্ষার্থী: কোর্স ফি-এর ১০০% বৃত্তি প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীকে কোনও কোর্স ফি প্রদান করতে হবে না। অতিরিক্তভাবে গুরুকুল প্রমুখ বিশেষ বৃত্তির আওতায় জীবনধারণের খরচ (খাদ্য, বস্ত্র ও আবাসন) বহন করা হবে। শর্তাবলি ভর্তি আবেদনকালে সরকারি/অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। অসত্য তথ্য প্রদান করলে বৃত্তি তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হবে। বৃত্তি প্রাপ্তির বিষয়টি যাচাই-বাছাই শেষে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী নিশ্চিত করা হবে। ৬. প্রতিবন্ধী: ৭০% থেকে ১০০% বৃত্তি সচ্ছল পরিবারের প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য (বধির ও অন্ধ ব্যতীত) জন্য ৭০% বৃত্তি। অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ৭০% বৃত্তি থেকে আসবে, শিক্ষার্থী মাত্র ৩০% কোর্স ফি দিয়ে পড়তে পারবে। সহায় সম্বলহীন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য ১০০% বৃত্তি। অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ১০০% বৃত্তি থেকে আসবে, তাকে কোন কোর্স ফিস দিতে হবে না। ভর্তির সময় প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। ৭. মুক্তিযোদ্ধা: ৬০% থেকে ১০০% বৃত্তির কোটা সনদধারী মুক্তিযোদ্ধা সন্তান/নাতি (মেয়ের ছেলে-মেয়ে/ছেলের ছেলে-মেয়ে)-এর জন্য ৬০% বৃত্তি। অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ৬০% বৃত্তি থেকে আসবে, শিক্ষার্থী মাত্র ৪০% কোর্স ফি দিয়ে পড়তে পারবে। সহায় সম্বলহীন (শুধুমাত্র সরকারি ভাতার উপরে নির্ভরশীল) সনদধারী মুক্তিযোদ্ধা সন্তান/নাতি (মেয়ের ছেলে-মেয়ে/ছেলের ছেলে-মেয়ে)-এর জন্য ১০০% বৃত্তি। অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ১০০% বৃত্তি থেকে আসবে, তাকে কোন কোর্স ফিস দিতে হবে না। সহায় সম্বলহীন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান/নাতি (মেয়ের ছেলে-মেয়ে/ছেলের ছেলে-মেয়ে)-এর জন্য ১০০% বৃত্তি। অর্থাৎ এই কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কোর্স ফিসের ১০০% বৃত্তি থেকে আসবে, তাকে কোন কোর্স ফিস দিতে হবে না। ভর্তির সময় প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। ভর্তির সময় মুক্তিযোদ্ধার মূল সনদ সাথে আনতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা সনদের ফটোকপি এবং শিক্ষার্থীর নাম ও মুক্তিযোদ্ধার সাথে সম্পর্ক উল্লেখ করে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের প্রত্যয়ন-পত্র জমা দিতে হবে। ৮. ভূমিহীন- কৃষি শ্রমিক, ভ্যান-রিকশাচালক ও মৎস্যজীবী: ৫০% বৃত্তির কোটা ভূমিহীন- কৃষি শ্রমিক, ভ্যান-রিকশাচালক ও মৎস্যজীবীর সন্তানের জন্য ৫০% বৃত্তি। অর্থাৎ এমন শিক্ষার্থীরা মাত্র ৫০% কোর্স ফি দিয়ে পড়তে পারবে। ভর্তির সময় চেয়ারম্যান প্রত্যয়ন-পত্র জমা দিতে হবে। ৯. শিক্ষক পরিবার: ৫০% বৃত্তি যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মী পরিবারের সদস্য (পৌষ্য) ক্ষেত্রে কোর্স ফিতে ৩০% বৃত্তি। অর্থাৎ এমন শিক্ষার্থীরা মাত্র ৭০% কোর্স ফি দিয়ে পড়তে পারবে। ভর্তির সময় অভিভাবকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়ন-পত্র জমা দিতে হবে। ১০. শিক্ষার্থীর পরিবার: ২৫% থেকে ৩০% বৃত্তির কোটা একই পিতা/মাতার ২ সন্তান ভর্তি হলে প্রতিজন তার কোর্স ফি তে ২৫% বৃত্তির কোটা। একই পিতা/মাতার ৩ সন্তান ভর্তি হলে প্রতিজন তার কোর্স ফি তে ৩০% বৃত্তি পাবে। ভর্তির সময় প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। ১১. গুরুকুল কর্মীর পরিবার: ৬০% বৃত্তির কোটা গুরুকুল পরিবারের যে কোন কর্মীর (স্বামী-স্ত্রী, সন্তান, ভাই-বোন, ভায়ের ছেলে-মেয়ে, বোনের ছেলে-মেয়ে) এর
গুরুকুলে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ২০১৭

পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষা ও ত্যাগের মহিমাকে ধারণ করে গুরুকুল শিক্ষা পরিবার-এর উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ২৫ রমজান কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাস মিলনায়তনে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়। সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ইফতারের পূর্বে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইফতার মাহফিল আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক কায়েস উদ্দিন। সভায় রমজানের গুরুত্ব এবং গুরুকুলের ভ্রাতৃত্ববোধ নিয়ে বক্তব্য রাখেন: তানভির মেহেদী, প্রধান সমন্বয়কারী, গুরুকুল। শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন), গুরুকুল। আব্দুস সালাম, সমন্বয়কারী, কুমারখালী গুরুকুল। সালাউদ্দিন আহমেদ, বিভাগীয় প্রধান (টেক্সটাইল)। রাশনা শারমিন, বিভাগীয় প্রধান (ইলেকট্রিক্যাল)। এম. এ. মাসুম, ট্রেড প্রধান (নন-টেক)। উপস্থিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে গুরুকুল কুষ্টিয়া ও কুমারখালী ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অনুষদের প্রধানগণ ও শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: কম্পিউটার বিভাগীয় প্রধান বিথী খাতুন, মেকানিক্যাল বিভাগীয় প্রধান তামান্না আফরোজ, সিভিল বিভাগীয় প্রধান উমাইয়া মল্লিক, ম্যাটস বিভাগীয় প্রধান শিউলি বেগম। এছাড়াও ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক শর্মিলা আক্তার, গণিত বিভাগের শিক্ষক সাদিয়া ইসলাম, প্যাথলজি বিভাগের শিক্ষক শারমিন সুলতানা, সিভিল বিভাগের শিক্ষক সিরাজুম মনিরা সহ উভয় ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন। গুরুকুলের দর্শন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি গুরুকুল বিশ্বাস করে যে, ইফতার মাহফিল কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, বরং এটি আমাদের ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজের সকল সদস্যের মধ্যে পারস্পরিক মৈত্রী, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির একটি অনন্য মাধ্যম। এই আয়োজন সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে, যা গুরুকুলের মূল চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। দোয়া ও মোনাজাত ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে দেশ, জাতি এবং গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন গুরুকুল স্টাফ হাফেজ কুদরত উল্লাহ। মোনাজাত শেষে উপস্থিত সকলে মিলে একত্রে ইফতারে অংশগ্রহণ করেন।
কুষ্টিয়া গুরুকুলে টেক্সটাইল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ ২০১৭ অনুষ্ঠিত

তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কারিগরি দক্ষতা ও নৈতিক চরিত্র গঠনে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে টেক্সটাইল বিভাগের ‘অভিভাবক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাস হল রুমে আয়োজিত এই সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। টেক্সটাইল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সালাউদ্দিন আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) শামীম রানা। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও ভবিষ্যৎ গাইডলাইন নিয়ে আলোচনা করতে উপস্থিত ছিলেন টেক্সটাইল বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ: হাবিবুর রহমান হাসিবুল ইসলাম খাইরুল ইসলাম মিজানুর রহমান শর্মীলা আক্তার সমাবেশে বক্তারা গুরুকুলের মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশের সুযোগগুলো তুলে ধরেন। অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বক্তারা বলেন: “শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং কালচারাল ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব, রোভার স্কাউট এবং ক্রীড়া ক্লাবের মতো এক্সট্রা কারিকুলাম কার্যক্রমের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলা হয়। আমাদের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের এমনভাবে তৈরি করা যাতে তারা কেবল চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেকে সমাজে একজন সুপ্রতিষ্ঠিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।” দেশের প্রথিতযশা তথ্য প্রযুক্তিবিদ এবং গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর ভিশন নিয়ে আলোচনায় বক্তারা জানান, বর্তমানে সারাদেশে গুরুকুলের ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ) আধুনিক কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশীয় শ্রমবাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে বিদেশেও দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে, সে লক্ষ্যে তাদের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে সপ্তাহব্যাপী অভিভাবক সমাবেশ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির প্রথম দিন হিসেবে বৃহস্পতিবার অত্যন্ত সফলভাবে টেক্সটাইল বিভাগ এবং গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ সম্পন্ন হলো। মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে এই সমাবেশটি শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে এক চমৎকার সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। অভিভাবকরা গুরুকুলের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, নিয়মিত এ ধরণের আয়োজন সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে অত্যন্ত সহায়ক হবে। আরও দেখুন: গুরুকুলে বৃত্তির কোটা ব্যবস্থা
গুরুকুলে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ ১৪২৪

ঐতিহ্যবাহী কুষ্টিয়া গুরুকুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪২৪। দিনব্যাপী এই উৎসবমুখর আয়োজনে অংশ নেন গুরুকুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ কুষ্টিয়া শহরের অসংখ্য সাধারণ মানুষ। দিনের সূচনা ভোরবেলা জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এরপর বর্ষবরণ সঙ্গীতের সুরে মুখরিত হয়ে ওঠে গুরুকুল প্রাঙ্গণ। মঙ্গল শোভাযাত্রা সকাল ৮টায় প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা বৈশাখী পোশাকে, রঙিন ব্যানার, মুখোশ ও ঐতিহ্যবাহী আলপনায় সজ্জিত হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। উৎসব শেষে শোভাযাত্রা গুরুকুল প্রশাসনিক ভবনে এসে মিলিত হয়। দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শোভাযাত্রা শেষে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে শুরু হয় নানাবিধ আয়োজন: গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ফ্যাশন শো নাটিকা বৈশাখী সঙ্গীত আসর প্রতিটি পর্বে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অতিথি ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর ও চেয়ারম্যান আজিজা আহমেদ-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত সবার সঙ্গে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন: গুরুকুলের লিগ্যাল এন্ড এডমিন ইনচার্জ শামীম রানা সেলস অপারেশন ও পাবলিসিটি এন্ড চ্যানেল ডিপার্টমেন্ট প্রধান তানভির মেহেদী এবং উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক উমাইয়া মল্লিক অংশগ্রহণ নববর্ষ বরণের এই উৎসবমুখর আয়োজনে গুরুকুলের মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। কুষ্টিয়া গুরুকুলের বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ ১৪২৪ শুধু একটি উৎসব নয়, বরং এটি হয়ে উঠেছিল ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আনন্দের এক মিলনমেলা। দিনব্যাপী এ আয়োজনে নববর্ষের আবহে সবাই মেতে ওঠে নতুন দিনের প্রত্যাশা ও আশায়।
গুরুকুলে জাতীয় গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভা

গুরুকুলে জাতীয় গণহত্যা দিবস পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বেলা ২ টায় কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাস হল রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত থেকে, গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন ও মেডিকেল সেকশনের শিক্ষার্থী, শিক্ষক,কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন গুরুকুল প্রমুখ, তথ্য প্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বাঙালির ইতিহাস ঐতিহ্য নিয়ে এখনও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, আমাদের স্বাধীনতার দুশমনরা শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে । আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমাদের বাঙালী জাতির ইতিহাস নিয়ে কোন ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না। ৩০ লক্ষ শহীদের প্রাণ, অসংখ্য মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে বাংলার মানুষ, ছাত্র শিক্ষক জনতা প্রাণ দিয়ে হলেও সে স্বাধীনতা রক্ষা করবে আলোচনা সভায় গণিত শিক্ষক সাদিয়া ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, গুরুকুল লিগ্যাল এন্ড এডমিন শামীম রানা, টেক্সটাইল ট্রেড প্রধান সালাউদ্দিন আহমেদ, ইলেকট্রিক্যাল ট্রেড প্রধান রাশনা শারমিন, সিভিল ট্রেড প্রধান সৈকত হোসেন, কম্পিউটার ট্রেড প্রধান বিথি খাতুন, মেকানিক্যাল ট্রেড প্রধান তামান্না আফরোজ, জিডিপিএম ট্রেড প্রধান হাসিবুল ইসলাম, ফার্মেসী ট্রেড প্রধান আব্দুল আলীম ও আর এস ট্রেড প্রধান এম এ মাসুম ও বাংলা বিভাগের শিক্ষক তানিয়া আফরোজ ও শিক্ষার্থী অর্ণব মাহমুদ। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক শর্মিলা আক্তার জাতীয় গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভা শেষে গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ-এর আয়োজনে আর্থ আওয়ার -২০১৭ উদযাপন উপলক্ষে, জনসচেতনতা সৃষ্টিতে, গুরুকুল কুষ্টিয়া লালন সাঁই ক্যাম্পাসের সামনে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর ও গ্রুপ সভাপতি শামীম রানা, সম্পাদক বিথী খাতুন,ইনচার্জ ফাইনান্স খোন্দকার রুহুল আমিন সহ, গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ, গুরুকুল গার্ল ইন রোভার, গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন ও মেডিকেল সেকশনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
যুক্তি আর শ্রদ্ধায় জাতির পিতাকে স্মরণ: গুরুকুলে বঙ্গবন্ধুর ৯৮তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্যাপন

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাসে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত ১৭ মার্চ (শুক্রবার) বেলা ১১টায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল “বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা শেখ মুজিব” শীর্ষক এক বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং আনন্দঘন পরিবেশে কেক কাটার মাধ্যমে জন্মোৎসব উদযাপন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা রোভারের সাধারণ সম্পাদক এবং কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের স্বনামধন্য অধ্যাপক এ কে এম সামসুল হক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে শিশুদের আগামীর যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন: শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড এডমিন), গুরুকুল। খন্দকার রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স), গুরুকুল। সাদিয়া ইসলাম, আহ্বায়ক, বঙ্গবন্ধু জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস কমিটি। যুক্তি-তর্কের লড়াই: “বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা শেখ মুজিব” দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সভাপতিত্ব করেন গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের মডারেটর ও ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রাশনা শারমিন। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বিভাগীয় প্রধান (প্যাথলজি) জনাব মিশকাতুর রহমান, কম্পিউটার বিভাগের প্রধান জনাব বিথী খাতুন এবং আর.এস বিভাগের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর জনাব আফরোজা আক্তার। পুরো বিতর্ক অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উদ্যাপন কমিটির সদস্য শর্মীলা আক্তার এবং ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত তুষার। অংশগ্রহণকারী ও ফলাফল: পক্ষ দল (মেডিকেল সেকশন): মুক্তা বিশ্বাস, পলি খাতুন ও এজাজ মাহমুদ আসিফ (দলনেতা)। বিপক্ষ দল (ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন): সিদ্ধার্থ শোভন রায়, যুবায়ের হাসনাত অর্পণ ও বিপ্লব হোসেন (দলনেতা)। শাণিত যুক্তি আর তথ্যের লড়াই শেষে বিপক্ষ দল (ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন) বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে। প্রতিযোগিতায় অসামান্য বাগ্মিতার জন্য দলনেতা বিপ্লব হোসেন ‘শ্রেষ্ঠ বক্তা’ নির্বাচিত হন। সাংস্কৃতিক ও আনন্দঘন আয়োজন বিতর্ক প্রতিযোগিতা শেষে জাতির পিতার ৯৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অতিথিবৃন্দ ও শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে কেক কাটা হয়। এ সময় বঙ্গবন্ধু ও শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। অনুষ্ঠানের বক্তারা বঙ্গবন্ধুর শৈশব ও কৈশোরের ওপর আলোকপাত করে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়ার পরামর্শ দেন। গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্কের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে সমাপ্ত হয়। নতুন প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও দর্শন ছড়িয়ে দেওয়ার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস গুরুকুলের মানবিক ও শিক্ষিত সমাজ গড়ার মিশনেরই একটি অংশ।
যুক্তি-তর্কে ভাষার মর্যাদা: গুরুকুলে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি স্মরণে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা

অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৭ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব (GDC)-এর আয়োজনে কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাসে এক প্রাণবন্ত ও যুক্তি-নির্ভর বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “সর্বত্র বাংলা ভাষার প্রচলনই মাতৃভাষার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারে”—এমনই এক সময়োপযোগী বিষয় নিয়ে বিতার্কিকদের বাগযুদ্ধে মুখরিত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ। বিচারকমণ্ডলী ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট গবেষক ও বিতার্কিক, দৈনিক কুষ্টিয়া ও কুষ্টিয়া টাইমস্-এর সম্পাদক এবং দি ডেইলি স্টার-এর কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ড. আমানুর আমান। প্রধান আলোচক ও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রযুক্তিবিদ এবং গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। বিচারক প্যানেলে আরও উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া ডিবেটিং সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী ইসতিয়াক হোসেন ইমন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন: প্রভাষক আলী হোসেন, বাঁশগ্রাম আলাউদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজ। শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড এডমিন), গুরুকুল। খোন্দকার রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স), গুরুকুল। রাশনা শারমিন, মডারেটর, গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব। সালাউদ্দিন কাদের, আহ্বায়ক, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপন কমিটি। যুক্তি-তর্কের লড়াই ও ফল ঘোষণা ছায়া সংসদীয় পদ্ধতিতে আয়োজিত এই বিতর্কে ‘পক্ষ’ দল হিসেবে অংশগ্রহণ করে গুরুকুল মেডিকেল সেকশন এবং ‘বিপক্ষ’ দল হিসেবে লড়াই করে গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা এবং দাপ্তরিক ও ব্যবহারিক সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে উভয় দল তথ্যসমৃদ্ধ ও শাণিত যুক্তি উপস্থাপন করে। যুক্তি-তর্কের লড়াই শেষে বিচারকদের সূক্ষ্ম মূল্যায়নে গুরুকুল মেডিকেল সেকশন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ল্যাঙ্গুয়েজ ও ম্যাথ ক্লাবের নবদিগন্ত বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপ্তি লগ্নে গুরুকুলের একাডেমিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত ক্লাব— ‘গুরুকুল ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব’ ও ‘গুরুকুল ম্যাথ ক্লাব’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এবং ড. আমানুর আমান ফিতা কেটে ক্লাব দুটির যাত্রা শুরু করেন। এ সময় ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাবের সমন্বয়কারী শর্মিলা আক্তার ও শামীমা পারভিন এবং ম্যাথ ক্লাবের সমন্বয়কারী এম এম মাসুম উপস্থিত ছিলেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভাষা ও গণিতে আরও পারদর্শী হয়ে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। প্রধান অতিথির ভিশন ও মূল্যায়ন গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর তাঁর বক্তব্যে বলেন: “ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রেষ্ঠ শ্রদ্ধা নিবেদন হলো মাতৃভাষাকে হৃদয়ে ধারণ করে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্বমানের দক্ষতা অর্জন করা। আমাদের এই ডিবেটিং ক্লাব শিক্ষার্থীদের যুক্তিবাদী হতে শেখাবে, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব তাদের ভাষাগত দক্ষতা বাড়াবে এবং ম্যাথ ক্লাব তাদের যৌক্তিক চিন্তার ভিত্তি মজবুত করবে।” একুশের চেতনায় উজ্জীবিত এই অনুষ্ঠানে গুরুকুলের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। যুক্তি আর বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপনের এই প্রয়াস শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশপ্রেম ও নিজস্ব সংস্কৃতির প্রতি মমত্ববোধকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
কুষ্টিয়ার নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে গুরুকুল রোভার স্কাউটের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ

কুষ্টিয়ার নবাগত জেলা প্রশাসক এবং জেলা রোভারের সভাপতি জনাব জহির রায়হানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ। গতকাল বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। নেতৃত্বের উপস্থিতিতে হার্দিক শুভেচ্ছা গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি শামীম রানা এবং গুরুকুল গার্ল-ইন-রোভারের সম্পাদক মাধবী আইরিনের নেতৃত্বে রোভার ও গার্ল-ইন-রোভারের একটি প্রতিনিধি দল এই সাক্ষাতে অংশ নেন। এসময় নবাগত জেলা প্রশাসককে কুষ্টিয়ায় তাঁর নতুন কর্মস্থলে গুরুকুল পরিবারের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। গুরুকুল প্রমুখের বার্তা ও আমন্ত্রণ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রতিনিধি দলটি গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রমুখ, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব সুফি ফারুক ইবনে আবুবকরের পক্ষ থেকে বিশেষ শুভেচ্ছা জেলা প্রশাসকের নিকট পৌঁছে দেন। একই সাথে জেলা প্রশাসককে গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের বিভিন্ন ক্যাম্পাস ও কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম সরেজমিনে দেখার জন্য সাদর আমন্ত্রণ জানানো হয়। ক্যাম্পাসে আমন্ত্রণের ইতিবাচক সাড়া জনাব জহির রায়হান অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে এই দাওয়াত গ্রহণ করেন। তিনি জানান যে, সুবিধাজনক সময়ে তিনি গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের আওতাধীন বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিদর্শন করবেন, যার মধ্যে রয়েছে: ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন: কারিগরি শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র। কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট: প্রকৌশল ও কারিগরি গবেষণার বিশেষ ক্ষেত্র। মেডিকেল সেকশন: স্পেশালাইজড ম্যাটস (MATS) ও গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউট। স্কাউটিং ও সামাজিক উন্নয়নে অঙ্গীকার গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ একটি বহুত্ববাদী ও শৃঙ্খলিত সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। নবাগত জেলা প্রশাসকের এই ইতিবাচক সাড়া কুষ্টিয়ার শিক্ষা ও স্কাউটিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। জেলা প্রশাসক মহোদয় রোভার স্কাউট সদস্যদের সামাজিক সচেতনতামূলক কাজে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান এবং গুরুকুলের শিক্ষা কার্যক্রমের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। পরিশেষে, রোভার নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসককে একটি সমৃদ্ধ ও সমৃদ্ধশালী কুষ্টিয়া গড়ে তোলার লক্ষে গুরুকুল পরিবারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
গুরুকুলের উদ্যোগে কুমারখালী-খোকসায় শুরু হলো দক্ষ প্রযুক্তি পেশাজীবী তৈরির কার্যক্রম

কুমারখালী-খোকসা অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দিগন্তের সূচনা। গুরুকুলের সৌজন্যে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো “দক্ষ প্রযুক্তি পেশাজীবী তৈরির প্রকল্প”, যা বিশেষভাবে কুমারখালী ও খোকসার তরুণ-তরুণীদের প্রযুক্তি শিক্ষার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। এই কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর বিশেষ প্রকল্প “প্রযুক্তি নির্ভর কর্মসংস্থান প্রকল্প, কুমারখালী-খোকসা”-এর আওতায়। সাংগঠনিক সহযোগিতা প্রদান করছে কুমারখালী-খোকসা শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিষদ। প্রকল্পের লক্ষ্য প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো— আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল স্কিলে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তোলা। প্রযুক্তি-ভিত্তিক কর্মসংস্থানে সরাসরি যুক্ত হওয়ার উপযোগী করে তোলা। প্রশিক্ষণ শেষে চাকরির সুযোগ বা ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— গুরুকুল প্রমুখ জনাব সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর গুরুকুল আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ল্যাবের প্রযুক্তি শাখার প্রধান আল এমরান তথ্য প্রযুক্তি প্রশিক্ষক সহকারী অধ্যাপক আল-মামুন সহকারী অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন এছাড়া উপস্থিত ছিলেন গুরুকুলের লিগ্যাল বিভাগের প্রধান শামিম রানা এবং গুরুকুল কুমারখালী সমন্বয়কারী আব্দুস সালাম। সম্ভাবনার দিগন্ত এই প্রকল্পের মাধ্যমে কুমারখালী-খোকসার শত শত শিক্ষার্থী ধীরে ধীরে প্রযুক্তি-দক্ষ হয়ে উঠবে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তারা সরাসরি সুযোগ পাবে। এতে শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। আয়োজকদের মতে, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ, যার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে কর্মক্ষম ও প্রযুক্তিনির্ভর করে “ডিজিটাল বাংলাদেশ”-এর স্বপ্নপূরণে ভূমিকা রাখবে।
গুরুকুল বিজয় দিবস আন্তঃটেকনোলজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০১৬ এর উদ্বোধন

কুষ্টিয়ায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী গুরুকুল বিজয় দিবস আন্তঃটেকনোলজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট–২০১৬। শনিবার সকাল ৯টায় কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ খেলার মাঠে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বদরুদ্দোজা। অতিথিদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কুষ্টিয়া শহর শাখার সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার নওয়াব আলী সহকারী রেজিস্ট্রার গোলাম আজম বিশ্বাস ক্রীড়া ও শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন কনসালট্যান্ট ডা. এ. এস. এম. মুসা কবীর কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ইয়াসির আরাফাত তুষার সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নিশান আলী প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন— “ক্রীড়া আমাদের দেয় সুস্থ দেহ ও সুন্দর মন। নিয়মিত ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমেই আমরা একটি সুস্থ জাতি গড়ে তুলতে পারি। ক্রিকেট আজ বাংলাদেশের গৌরব, যা বিশ্বের বুকে বাঙালি জাতির মুখ উজ্জ্বল করেছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার খেলাধুলার উন্নয়নে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছেন। মহান বিজয়ের মাসে গুরুকুলের এই আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয় এবং এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকা উচিত।” উদ্বোধনী দিনের খেলাগুলো উদ্বোধনী দিনে মোট তিনটি রোমাঞ্চকর খেলা অনুষ্ঠিত হয়— টেক্সটাইল টেকনোলজি জিডিপিএম টেকনোলজিকে ৫৩ রানে পরাজিত করে। সিভিল টেকনোলজি দুই উইকেটে জয়ী হয় কম্পিউটার টেকনোলজির বিপক্ষে। দিনের শেষ খেলায় ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি মেকানিক্যাল টেকনোলজিকে ২৭ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে। বিশেষ আকর্ষণ টুর্নামেন্টের শেষ দিনে গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন এবং গুরুকুল মেডিকেল সেকশনের মেয়েদের দুটি দল অংশ নেবে। এই অংশগ্রহণকে আয়োজকরা টুর্নামেন্টের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। আয়োজক ও সহযোগিতা এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন— টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক, সিভিল টেকনোলজি প্রধান সৈকত হোসেন যুগ্ম আহ্বায়ক, আর এস ট্রেড প্রধান আব্দুল্লাহ আল মাসুম সিভিল টেকনোলজি শিক্ষক ইমরান মাহমুদ আরএস ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক শর্মিলা আক্তার ও শামীমা পারভিন আরএস কেমিস্ট্রি শিক্ষক কায়েস উদ্দিন প্যাথলজি বিভাগের শিক্ষক মিশকাতুর রহমান টেক্সটাইল বিভাগের শিক্ষক সালাউদ্দিন আহমেদ আহ্বান গুরুকুলের প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর বলেন— “তিন দিনব্যাপী গুরুকুল বিজয় দিবস আন্তঃটেকনোলজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সকলের জন্য উন্মুক্ত। আমরা সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি মাঠে এসে তরুণদের এই প্রাণবন্ত খেলায় অংশ নিতে।”