জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪ উপলক্ষে গুরুকুল ক্যাম্পাসের ছুটির নোটিশ

এতদ্বারা গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের সকল পর্ব ও বর্ষের শিক্ষার্থীবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৪ উপলক্ষে ক্যাম্পাসে নির্ধারিত ছুটি ঘোষণা করা হলো। ছুটির সময়সূচি ১. একাডেমিক বিভাগের কার্যক্রম:০৬ জানুয়ারি ২০২৪ (শনিবার) থেকে ০৮ জানুয়ারি ২০২৪ (সোমবার) পর্যন্ত একাডেমিক বিভাগের সকল ক্লাস ও কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ২. সকল বিভাগের কার্যক্রম (একাডেমিকসহ):০৬ জানুয়ারি ২০২৪ (শনিবার) থেকে ০৭ জানুয়ারি ২০২৪ (রবিবার) পর্যন্ত গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ছুটির পর ০৯ জানুয়ারি ২০২৪ (মঙ্গলবার) হতে একাডেমিক এবং অন্যান্য সকল কার্যক্রম যথারীতি শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করা হচ্ছে, ছুটিকালীন সময়ে নিজেদের নিরাপত্তার প্রতি সতর্ক থাকতে এবং নির্বাচনকালীন সরকারি আইন-শৃঙ্খলা বিধি যথাযথভাবে মেনে চলতে। ক্যাম্পাস প্রশাসন নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। আদেশক্রমেগুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস প্রশাসন শুধুমাত্র একাডেমিক বিভাগের ক্লাসের জন্য সকল বিভাগের জন্য আরও দেখুন: শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৩ উপলক্ষে ছুটির নোটিশ
গুরুকুলে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং-এ সরাসরি ৩য় পর্বে ভর্তির সুযোগ

আপনার ক্যারিয়ার গড়ুন প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার মাধ্যমে!বাংলাদেশ গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক-এ চলছে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে সরাসরি ৩য় পর্বে ভর্তির বিশেষ সুযোগ। কোর্সের বৈশিষ্ট্য সরকার অনুমোদিত বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) অধিভুক্ত কোর্স। চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামে ২য় বর্ষ (৩য় পর্ব) থেকে ভর্তি হওয়ার সুযোগ। সর্বাধুনিক ল্যাব, কম্পিউটার ও প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস সুবিধা। অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দের তত্ত্বাবধানে মানসম্মত শিক্ষা। পড়াশোনার পাশাপাশি ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং ও শিল্পভিত্তিক ইন্টার্নশিপ সুবিধা। ️ ভর্তি যোগ্যতা এসএসসি (ভোকেশনাল/সাধারণ/সমমান) পাশ শিক্ষার্থীরা। পূর্বে প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল কোর্স সম্পন্নকারীরা। বিভাগসমূহ সিভিল প্রযুক্তি কম্পিউটার প্রযুক্তি ইলেকট্রিক্যাল প্রযুক্তি ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তি মেকানিক্যাল প্রযুক্তি RAC (রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং) প্রযুক্তি যোগাযোগের ঠিকানা গুরুকুল ক্যাম্পাস৫/১, জেহের আলী বিশ্বাস লেন, কালিশংকরপুর, কুষ্টিয়া। মোবাইল: 01701-229621, 01701-229622 কেন গুরুকুলে পড়বেন? স্বল্প ব্যয়ে মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে চাহিদাসম্পন্ন ডিগ্রি আধুনিক ল্যাব সুবিধা ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ শিল্প প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ ও চাকরির সুযোগ প্রযুক্তির বিশ্বে নিজের ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিতে আজই ভর্তি হন গুরুকুলে!
বিভিন্ন আয়োজনে কুষ্টিয়া গুরুকুলে মহান বিজয় দিবস ২০১৮ উদযাপিত

কুষ্টিয়া, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮: মহান বিজয় দিবস—বাঙালি জাতির সহস্র বছরের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম দিন। আত্মমর্যাদা, বীরত্ব এবং পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার এই মাহেন্দ্রক্ষণকে যথাযোগ্য মর্যাদা, বিনম্র শ্রদ্ধা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করেছে ‘গুরুকুল কুষ্টিয়া’। দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হয়েছে বিজয়ের কারিগর বীর সন্তানদের। সূর্যোদয় ও শ্রদ্ধাঞ্জলি: শীতের স্নিগ্ধ ভোরে সূর্যের প্রথম কিরণ ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই গুরুকুল প্রাঙ্গণে শুরু হয় মূল আনুষ্ঠানিকতা। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি” পরিবেশনার মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর একাত্তরের বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনায় দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। ভোরের সেই নিস্তব্ধতায় সবার দেশপ্রেমের এক অভূতপূর্ব মেলবন্ধন তৈরি হয়। বর্ণাঢ্য র্যালি ও কুচকাওয়াজ: সকাল ৮:৩০ মিনিটে ক্যাম্পাস থেকে একটি বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালি বের করা হয়। দেশাত্মবোধক গান ও বিজয়ের স্লোগানে মুখরিত র্যালিটি কুষ্টিয়া শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালি শেষে ক্যাম্পাসে আয়োজিত কুচকাওয়াজে শিক্ষার্থীরা সুশৃঙ্খলভাবে অংশগ্রহণ করে দিনটির তাৎপর্যকে সবার সামনে প্রাণবন্ত করে তোলে। সৃজনশীল প্রতিযোগিতা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ: সকাল ১০:৩০ মিনিট থেকে শুরু হয় অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব। এ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশে আয়োজিত হয় চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা। ছোটদের রং-তুলিতে ফুটে ওঠে মুক্তিকামী মানুষের বীরত্ব আর বড়দের লেখনীতে উঠে আসে বিজয়ের ইতিহাস। একই সময়ে ক্যাম্পাস মাঠে এক টানটান উত্তেজনার ‘বিজয় দিবস প্রীতি ফুটবল ম্যাচ’ অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের ক্রীড়াশৈলী আর দর্শকদের করতালি পুরো ক্যাম্পাসকে উৎসবের আমেজে মাতিয়ে রাখে। আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ: দুপুর ১২টায় আয়োজিত হয় বিজয় দিবসের বিশেষ আলোচনা সভা। এতে বক্তারা বাঙালি জাতির মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। বক্তারা শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান—যে ত্যাগের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে, তার মর্যাদা রক্ষায় সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সোনার বাংলা গড়তে হবে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন গুরুকুল কুষ্টিয়ার সহকারী পরিচালক তানভীর মেহেদী। চিত্রাঙ্কন, রচনা ও ফুটবল ম্যাচে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে মেডেল ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দিয়ে তিনি দিনব্যাপী এই আয়োজনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করেন। বিজয় দিবসের এই অনুষ্ঠান কেবল উদযাপনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা শিক্ষার্থীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং দেশপ্রেমের বীজ বপন করার একটি অনন্য প্রয়াসে পরিণত হয়। আরও দেখুন: ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস রচনা: বাঙালির শৌর্য ও আত্মপরিচয়ের মহাকাব্য
২০২৩ উপবৃত্তি সংক্রান্ত কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জরুরী নোটিশ
ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেক্সটাইল শিক্ষাক্রমের ১ম (নতুন ভর্তিকৃত), ২য়, ৪র্থ, ৬ষ্ঠ ও ৮ম পর্বের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টাইপেন্ড এমআইএস সফটওয়্যার-এর মাধ্যমে উপবৃত্তির আবেদন ফরম (SAF) যথাযথভাবে পূরণ করে আগামী ৩০/১১/২০২৩ খ্রিস্টাব্দ তারিখের মধ্যে নিজ নিজ বিভাগে জমা দিতে হবে। আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: আবেদন ফরম জমা দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের অবশ্যই নিম্নলিখিত কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে: শিক্ষার্থীর ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)/জন্মসনদের ফটোকপি পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সচল মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট নম্বর (বিকাশ/নগদ/রকেট ইত্যাদি) নির্ধারিত সময়সীমার পরে জমা দেওয়া কোনো আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই শিক্ষার্থীদের সময়মতো যথাযথ কাগজপত্রসহ আবেদন ফরম জমা দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। আদেশক্রমেপ্রশাসন বিভাগগুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেক্সটাইল শিক্ষাক্রমের ১ম (নতুন ভর্তিকৃত), ২য়, ৪র্থ, ৬ষ্ঠ ও ৮ম পর্বের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টাইপেন্ড এমআইএস সফটওয়ারে উপবৃত্তির জন্য আবেদন ফরম (SAF) যথাযথভাবে পুরন করে আগামী ৩০/১১/২০২৩খ্রি. তারিখের মধ্যে স্ব স্ব বিভাগে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। সংযুক্ত ফরম পুরন করে জমা দেওয়ার সময় অবশ্যই শিক্ষার্থীর ২কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মসনদের কপি এবং বাবা ও মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং সচল মোবাইল ব্যংকিং একাউন্ট নম্বর সহ জমা দিতে হবে। নিচের এই লিংকে ক্লিক করলে ফরমটি পাওয়া যাবে। উপবৃত্তির ফর্ম
গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসে শীতকালীন নতুন সময়সূচী ও উপবৃত্তি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের শিক্ষা কার্যক্রমে পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আগামী ১৫ নভেম্বর ২০২৩ থেকে নতুন শীতকালীন সময়সূচী কার্যকর করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। একইসাথে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেক্সটাইল বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির আবেদনের বিশেষ নোটিশ প্রকাশ করেছে ক্যাম্পাস প্রশাসন। শীতকালীন নতুন সময়সূচী আসন্ন শীতের কথা মাথায় রেখে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ক্লাসের সময়সূচীতে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হয়েছে। আগামী ১৫/১১/২৩ খ্রি. থেকে সকল বিভাগের শিক্ষার্থীদের এই নতুন সময়সূচী অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে বলা হয়েছে। বিস্তারিত রুটিন নিজ নিজ বিভাগের নোটিশ বোর্ড থেকে সংগ্রহ করা যাবে। বিশেষ নোটিশ: উপবৃত্তি আবেদন (SAF) ডিপ্লোমা (ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেক্সটাইল) বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদানের লক্ষে অনলাইনে তথ্য পূরণের কাজ শুরু হয়েছে। যোগ্য শিক্ষার্থীদের দ্রুততার সাথে আবেদন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। প্রযোজ্য শ্রেণী/পর্ব: বর্তমানে অধ্যয়নরত নিম্নলিখিত নিয়মিত শিক্ষার্থীগণ আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন: ১ম পর্ব (নতুন ভর্তিকৃত ২০২৩-২৪ সেশন) ২য়, ৪র্থ, ৬ষ্ঠ ও ৮ম পর্ব আবেদনের সময়সীমা: আবেদন ফরম (SAF) যথাযথভাবে পূরণ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কার্যালয়ে জমা দেওয়ার শেষ তারিখ: ৩০ নভেম্বর ২০২৩। আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় নিচে উল্লেখিত সংযুক্তিসমূহ নিশ্চিত করতে হবে: ছবি: দুই কপি ল্যাব প্রিন্ট পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি। পরিচয়পত্র: শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি। পিতামাতার তথ্য: পিতা ও মাতা উভয়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) ফটোকপি। পেমেন্ট তথ্য: সরকারি উপবৃত্তি গ্রহণের জন্য একটি সক্রিয় ও বৈধ মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট নম্বর (যেমন: বিকাশ, নগদ বা রকেট)। গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ নির্দেশনা সময়ানুবর্তিতা: নির্ধারিত সময়সীমা (৩০ নভেম্বর) পার হওয়ার পর কোনো আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না। সঠিকতা: আবেদনপত্রে কোনো ভুল তথ্য দিলে উপবৃত্তি বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই ফরম পূরণের সময় সতর্ক থাকতে হবে। যোগাযোগ: উপবৃত্তি সংক্রান্ত কোনো জটিলতা বা তথ্যের প্রয়োজন হলে অবিলম্বে নিজ নিজ বিভাগীয় প্রধান বা প্রশাসনিক কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় প্রধানের মন্তব্য: ক্যাম্পাস প্রশাসন জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে উপবৃত্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। তাই সকল শিক্ষার্থীকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করে আবেদন সম্পন্ন করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। প্রেরণায়: প্রশাসন, গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস।
ডিপ্লোমা-ইন-প্যাথলজির ২০১৭-২০১৮ সেশনের সনদপত্র প্রদান

কুষ্টিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস’-এর ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের ডিপ্লোমা-ইন-প্যাথলজি টেকনোলজি কোর্সের সনদপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে পরিচালিত এই কোর্সের সফল সমাপ্তি শেষে শিক্ষার্থীদের হাতে এই মূল্যবান সনদ তুলে দেওয়া হয়। সনদপত্র গ্রহণকারীদের মধ্যে অন্যতম কৃতি শিক্ষার্থী মোছা: আফসানা মিম। শিক্ষাজীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জনে তিনি অত্যন্ত আনন্দ প্রকাশ করেন। ২০১৭-২০১৮ সেশনের এই শিক্ষার্থী তার কঠোর পরিশ্রম এবং গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের অভিজ্ঞ শিক্ষকদের দিকনির্দেশনায় সাফল্যের সাথে কোর্সটি সম্পন্ন করেছেন। মোছা: আফসানা মিম সনদ প্রদানকালে গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, “আমাদের লক্ষ্য কেবল সার্টিফিকেট প্রদান নয়, বরং একজন শিক্ষার্থীকে হাতে-কলমে প্যাথলজি টেকনোলজিতে দক্ষ করে গড়ে তোলা। মোছা: আফসানা মিমসহ এই সেশনের সকল শিক্ষার্থী বর্তমানে স্বাস্থ্যখাতে অবদান রাখার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। আমরা তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।” বর্তমান চিকিৎসা ব্যবস্থায় সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য প্যাথলজি টেকনোলজিস্টদের ভূমিকা অপরিসীম। ২০১৭-২০১৮ সেশনের এই শিক্ষার্থীরা আধুনিক ল্যাবরেটরি সরঞ্জাম পরিচালনা এবং নির্ভুল রিপোর্ট তৈরির প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন, যা তাদের ক্যারিয়ারের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নেও সহায়ক হবে। সনদপত্র হাতে পাওয়ার পর মোছা: আফসানা মিম বলেন, “গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসে কাটানো সময়গুলো আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। এখানকার ল্যাব সুবিধা এবং শিক্ষকদের আন্তরিকতা আমাকে একজন দক্ষ টেকনোলজিস্ট হতে সাহায্য করেছে। আমি আমার এই অর্জনের জন্য সৃষ্টিকর্তা ও আমার শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞ।” উল্লেখ্য, গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস দীর্ঘদিন ধরে মানসম্মত কারিগরি ও স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে কুষ্টিয়া অঞ্চলে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে।
ডিপ্লোমা-ইন-প্যাথলজির ২০১৭-২০১৮ সেশনের সনদপত্র প্রদান

প্রতিষ্ঠানের ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী মোছা: পিংকি খাতুন তাঁর চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা-ইন-প্যাথলজি টেকনোলজি কোর্সের মূল সনদপত্র গ্রহণ করেছেন। সম্প্রতি ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাঁর হাতে এই সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। মোছা: পিংকি খাতুন সনদপত্র গ্রহণের এই মুহূর্তটি পিংকি খাতুনের শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। প্যাথলজি টেকনোলজির মতো একটি সংবেদনশীল এবং জীবনরক্ষাকারী কারিগরি বিষয়ে পড়াশোনা শেষে এই সনদ অর্জন কেবল তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এটি স্বাস্থ্যখাতে তাঁর পেশাদার ক্যারিয়ারের নতুন দুয়ার উন্মোচন করবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। পিংকির এই অর্জনে গর্ব প্রকাশ করে গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “পিংকি খাতুন আমাদের প্রতিষ্ঠানের একজন অত্যন্ত নিষ্ঠাবান শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর এই সাফল্য বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করবে। আমরা বিশ্বাস করি, কর্মজীবনে তিনি তাঁর অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার মাধ্যমে আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবেন।” সনদপত্র হাতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত পিংকি খাতুন তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আজকের এই অর্জনের পেছনে গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং উন্নত ল্যাবরেটরি সুবিধার অবদান অনস্বীকার্য। আমি আমার এই সাফল্যকে ভবিষ্যতে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে চাই।” গুরুকুল পরিবার পিংকি খাতুনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছে। আধুনিক ল্যাব প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যার প্রতিফলন পিংকির মতো দক্ষ টেকনোলজিস্টদের সাফল্য।
গুরুকুল আন্ত টেকনোলজি স্কিল কম্পিটিশন ২০২৩

কুষ্টিয়া: কারিগরি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী চিন্তাকে উৎসাহিত করতে গুরুকুল ইনোভেশন ক্লাব-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘আন্তঃটেকনোলজি স্কিল কম্পিটিশন ২০২৩’। প্রযুক্তির সাথে আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের তৈরি আধুনিক সব প্রজেক্টে মুখরিত ছিল পুরো আয়োজন। প্রতিযোগিতায় গুরুকুলের বিভিন্ন ট্রেডের শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও কারিগরি দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। সম্মানিত অতিথি চ্যাম্পিয়ন টিম (Project Name: Animational Advertisement) ফার্স্ট রানার-আপ (Project Name:Transmission line & fault detection) সেকেন্ড রানার-আপ (Project Name: Earthquake Resistant building) প্রতিযোগিতার চালচিত্র ও অংশগ্রহণ এবারের প্রতিযোগিতায় গুরুকুলের সকল ট্রেড থেকে মোট ১৪টি দক্ষ টিম পৃথক পৃথক প্রজেক্ট নিয়ে অংশগ্রহণ করে। তথ্যপ্রযুক্তি থেকে শুরু করে সিভিল ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিভিন্ন সমসাময়িক সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান প্রজেক্টগুলোর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়। সম্মানিত অতিথির মূল্যায়ন অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল বিভাগের চিফ ইন্সট্রাক্টর মোঃ শফিকুল ইসলাম। তিনি প্রতিটি দলের স্টল পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের তৈরি প্রজেক্টগুলোর কারিগরি দিক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন: “তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি এই ধরণের বাস্তবমুখী প্রজেক্ট শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং তাদের কর্মক্ষেত্রের জন্য যোগ্য করে তোলে।” তিনি ভবিষ্যৎ গবেষণার জন্য প্রতিটি টিমকে গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি পরামর্শ প্রদান করেন। বিজয়ীদের তালিকা ও প্রজেক্টের নাম তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতায় বিচারকদের রায়ে বিজয়ীরা হলো: চ্যাম্পিয়ন: প্রজেক্ট ‘Animational Advertisement’ টিম। (আধুনিক বিজ্ঞাপনের ডিজিটাল রূপান্তরে তাদের উদ্ভাবনটি সেরা বিবেচিত হয়)। ফার্স্ট রানার-আপ: প্রজেক্ট ‘Transmission Line & Fault Detection’ টিম। (বিদ্যুৎ লাইনের ত্রুটি নিরসনে কার্যকর কারিগরি সমাধান)। সেকেন্ড রানার-আপ: প্রজেক্ট ‘Earthquake Resistant Building’ টিম। (ভূমিকম্প সহনীয় স্থাপনা নির্মাণের মডেল)। পুরস্কার ও সনদ বিতরণী প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি, মেডেল ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। এছাড়াও অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের জন্য ছিল বিশেষ অনুপ্রেরণা। অনুষ্ঠানে গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের শিক্ষকবৃন্দ, ইনোভেশন ক্লাবের সদস্য এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের অন্যান্য কিছু মুহুর্ত্ব…… গুরুকুল ইনোভেশন ক্লাবের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা এবং নতুন কিছু সৃষ্টির প্রেরণা যুগিয়েছে। দক্ষ ও কর্মমুখী প্রজন্ম গড়ে তোলার যে লক্ষ্য নিয়ে গুরুকুল কাজ করছে, এই স্কিল কম্পিটিশন ছিল তারই এক সফল প্রতিফলন।
শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৩ উপলক্ষে ছুটির নোটিশ
বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে ‘গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস’-এ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২২ অক্টোবর ২০২৩ থেকে ২৪ অক্টোবর ২০২৩ পর্যন্ত শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। শারদীয় দুর্গাপূজা’র ছুটির নোটিশ, ২০২৩ স্মারক নং: গুরুকুল/প্রশা/২০২৩/১১২ তারিখ: ১৮/১০/২০২৩ প্লুরালিস্ট সোসাইটি ও গুরুকুলের দর্শন গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি সকল ধর্ম, বর্ণ ও মতের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের একটি অনন্য ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজ গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ। গুরুকুল বিশ্বাস করে, উৎসবের আনন্দ সর্বজনীন এবং এটি আমাদের পারস্পরিক মৈত্রী ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। শারদীয় দুর্গাপূজার এই ছুটি সেই বৈচিত্র্যের প্রতি বিনম্র সম্মান এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক চর্চারই একটি অংশ। ছুটির সময়সূচী ও কার্যক্রম প্রশাসন বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী: ছুটি শুরু: ২২ অক্টোবর ২০২৩ (রবিবার)। ছুটি শেষ: ২৪ অক্টোবর ২০২৩ (মঙ্গলবার)। কার্যক্রম পুনরায় শুরু: ২৫ অক্টোবর ২০২৩ (বুধবার) থেকে ক্যাম্পাসের সকল ক্লাস, পরীক্ষা এবং দাপ্তরিক কাজ পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী যথারীতি পরিচালিত হবে। নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার নির্দেশনা উৎসবের এই বিশেষ সময়ে গুরুকুল কর্তৃপক্ষ সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব উদযাপনের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রেখে আনন্দঘন পরিবেশে বিজয়া দশমী উদযাপনের মাধ্যমেই একটি সুস্থ সমাজ গঠন সম্ভব বলে মনে করে কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের বার্তা গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের প্রশাসন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, “আমরা এমন একটি পরিবেশ লালন করি যেখানে প্রতিটি মানুষ তাদের স্ব-স্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে গর্বের সাথে বসবাস করতে পারে। এই বহুত্ববাদী সমাজ ব্যবস্থা আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।” গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস পরিবারের পক্ষ থেকে কুষ্টিয়াবাসীসহ সকলকে শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা। আদেশক্রমে, প্রশাসন বিভাগ গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হল: ১. চেয়ারম্যান এর দপ্তর, গুরুকুল। ২. প্রমুখ এর দপ্তর, গুরুকুল। ৩. সকল পরিচালক, গুরুকুল ও গুরুকুলের ইন্সটিটিউট সমূহের। ৪. সকল প্রিন্সিপ্যাল, গুরুকুল এর সকল কলেজ ও স্কুল। ৫. সকল ইনচার্জ, গুরুকুল এর প্রশাসনিক বিভাগ সমূহ। ৬. সকল বিভাগীয় প্রধান, গুরুকুল এর একাডেমিক বিভাগ সমূহ। ৭. সব নোটিশ বোর্ড, সব ক্যাম্পাস। ৮. রেজিস্টার, গুরুকুল। ৯. অফিস নথি, গুরুকুল। আরও দেখুন: গুরুকুল ক্যাম্পাসে দ্বীন ও ধর্ম বিষয়ক নীতিমালা
কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের আয়োজনে কুষ্টিয়াতে পালিত হয়েছে শেখ রাসেল দিবস ২০২৩

“শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন এবং ‘শেখ রাসেল দিবস-২০২৩’ পালিত হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি স্মরণ করা হয়। শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ ও বর্ণাঢ্য র্যালি দিবসটির কর্মসূচির শুরুতে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন কার্যালয় চত্বরে স্থাপিত শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে (বেদীতে) পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবারের আয়োজনে অন্যতম আকর্ষণ ছিল গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের একঝাঁক সুশৃঙ্খল রোভার স্কাউট সদস্য র্যালিতে অংশগ্রহণ করে অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। র্যালির শৃঙ্খলা রক্ষা এবং দিবসটির গুরুত্ব সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে রোভার সদস্যদের ভূমিকা জেলা প্রশাসনের প্রশংসা কুড়িয়েছে। আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান র্যালি পরবর্তী সময়ে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তারা শেখ রাসেলের সংক্ষিপ্ত জীবন ও তাঁর আদর্শের ওপর আলোকপাত করেন। তাঁরা বলেন, শেখ রাসেল ছিলেন এক নিষ্পাপ ও সম্ভাবনাময় নাম। আজকের শিশুদের মাঝে সেই মেধা ও মানবিকতার বিকাশ ঘটাতে শেখ রাসেলের জীবন থেকে শিক্ষা নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ততা অনুষ্ঠানে গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে। দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিল চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। শেখ রাসেলের স্মৃতিকে অম্লান রাখতে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের এই আয়োজন সফল করতে রোভার স্কাউটসহ সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণ দিবসটিকে সার্থকতা দান করেছে। আরও দেখুন: আমাদের শেখ রাসেল: বাঙালির হৃদয়ে এক অমর নক্ষত্র