গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

গুরুকুলে শেখ রাসেল দিবস ২০২৩ পালিত

গুরুকুলে শেখ রাসেল দিবস ২০২৩ পালিত

“শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে গুরুকুল কুষ্টিয়া (লালন সাঁই ক্যাম্পাস)-এ পালিত হয়েছে ‘শেখ রাসেল দিবস ২০২৩’। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে গুরুকুল পরিবারের সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।   গুরুকুলে শেখ রাসেল দিবস ২০২৩ পালিত   দিবসের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর বাড়িতে শেখ রাসেল জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মাত্র ১০ বছর বয়সে ঘাতকদের বুলেটে নির্মমভাবে শহীদ হন এই নিষ্পাপ শিশু। ২০২১ সাল থেকে সরকার ১৮ অক্টোবরকে ‘কপ’ (Category-A) ভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। শেখ রাসেল আজ বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুর কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম—যিনি আমাদের শিখিয়ে যান নির্ভীকতা এবং সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখা।   ১ম স্থান অধিকারী ২য় স্থান অধিকারী   চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সৃজনশীলতা দিবসটি উপলক্ষে গুরুকুল শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে এক বিশেষ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা ক্যানভাসে ফুটিয়ে তোলে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতি ও তাঁর শৈশবের নানা মুহূর্ত। প্রতিযোগিতার ফলাফল: প্রথম স্থান: স্বর্ণালী খাতুন (নার্সিং ইনস্টিটিউট, ১ম বর্ষ)। দ্বিতীয় স্থান: মেঘনা খাতুন (কম্পিউটার বিভাগ, ২য় পর্ব)। তৃতীয় স্থান: রায়হান উদ্দিন (নার্সিং বিভাগ, ১ম বর্ষ)। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে তাঁদের প্রতিভার প্রশংসা করেন প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ শিক্ষকবৃন্দ।   ৩য় স্থান অধিকারী   আলোচনা সভা: জীবন থেকে শিক্ষা অনুষ্ঠানে শেখ রাসেলের সংক্ষিপ্ত জীবনী এবং তাঁর মানবিক গুণাবলী নিয়ে এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, শেখ রাসেল ছিলেন অত্যন্ত প্রাণবন্ত এবং পশুপাখি ও মানুষের প্রতি অসম্ভব মমত্ববোধ সম্পন্ন একজন শিশু। তাঁর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে আজকের শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানানো হয়।     প্লুরালিস্ট সোসাইটি ও গুরুকুলের দর্শন গুরুকুল বিশ্বাস করে যে, একটি ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজ গঠনের মূলে রয়েছে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ। শেখ রাসেল দিবস পালনের মাধ্যমে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কাছে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের বার্তা পৌঁছে দিতে চাই। রাসেলের সেই নির্মল হাসি যেন প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাঝে ফুটে ওঠে, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। অনুষ্ঠানের অন্যান্য কিছু মুহূর্ত     আরও দেখুন: আমাদের শেখ রাসেল: বাঙালির হৃদয়ে এক অমর নক্ষত্র

মতিয়ার রহমান

    Bir Muktijoddha Md. Motiar Rahman-(বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মতিয়ার রহমান) Pricipal/ Nursing Incharge ( অধ্যক্ষ/ নার্সিং ইনচার্জ ) Contact (যোগাযোগ) Email(ইমেইল): principal@gurukul.edu.bd Facebook Profile(ফেসবুক প্রোফাইল ) Cellphone(মোবাইল): 01550-699114  (০১৫৫০-৬৯৯১১৪) Postal Address (ডাক যোগাযোগ) কুষ্টিয়া গুরুকুল: লালন সাঁই ক্যাম্পাস, ৫/১ জেহের আলী বিশ্বাস লেন, কালিশংকরপুর, কুষ্টিয়া-৭০০০

তানভীর আহম্মেদ

    Tanvir Ahmed-(তানভির আহমেদ) Admin Incharge ( এডমিন ইনচার্জ ) Contact (যোগাযোগ) Email(ইমেইল): shawon@gurukul.edu.bd Facebook Profile(ফেসবুক প্রোফাইল ) Cellphone(মোবাইল): 01877-731335  (০১৮৭৭-৭৩১৩৩৫) Postal Address (ডাক যোগাযোগ) কুষ্টিয়া গুরুকুল: লালন সাঁই ক্যাম্পাস, ৫/১ জেহের আলী বিশ্বাস লেন, কালিশংকরপুর, কুষ্টিয়া-৭০০০

গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর আতিকা আক্তারের বিদায়ী সংবর্ধনা

গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর আতিকা আক্তারের বিদায়ী সংবর্ধনা

গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর জনাবা আতিকা আক্তারের বিদায়ী সংবর্ধনা সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ দুই বছর নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পর গত ১৫ অক্টোবর ছিল গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটে তাঁর কর্মজীবনের শেষ দিন। এই উপলক্ষে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে এক আন্তরিক ও আবেগঘন বিদায়ী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জনাবা আতিকা আক্তার রংপুর আর্মি নার্সিং কলেজ থেকে বি.এস.সি ইন নার্সিং ডিগ্রি অর্জন করে গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটে ইন্সট্রাক্টর হিসেবে যোগদান করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের পেশাগত মানসিকতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শ্রেণিকক্ষে তাঁর পাঠদান পদ্ধতি, আন্তরিক আচরণ ও শিক্ষার্থীবান্ধব মনোভাব তাঁকে সবার কাছে জনপ্রিয় করে তোলে। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সমস্যায় তিনি সবসময় পাশে থেকেছেন, যা তাঁকে শুধু একজন শিক্ষক নয়, একজন অভিভাবকসুলভ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিদায়ী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক জেড. এম. তানভির মেহেদী, এডমিন অফিসার জনাব তানভির আহমেদ, ইনচার্জ ফাইন্যান্স মতিয়ার রহমান, পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বক্তারা আতিকা আক্তারের কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং তাঁর পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলাবোধ ও মানবিক গুণাবলির ভূয়সী প্রশংসা করেন। বক্তারা বলেন, আতিকা আক্তারের মতো নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকের অবদান একটি প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাঁর শূন্যতা পূরণ করা সহজ হবে না বলেও তাঁরা মন্তব্য করেন। পাশাপাশি তাঁরা আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে তিনি যেখানে কাজ করবেন, সেখানেও একই দক্ষতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দেবেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আতিকা আক্তার তাঁর সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও গুরুকুল কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট তাঁর কর্মজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এবং এখানকার স্মৃতি তিনি আজীবন হৃদয়ে ধারণ করবেন। গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট পরিবার তাঁর সুস্বাস্থ্য, সাফল্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছে।

বিএসএমএমইউতে ১৪ আগস্ট নার্সিংয়ে মাস্টার্সে ভর্তি শেষ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, বিএসএমএমইউ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এবং অধিভুক্ত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভ্যান্স নার্সিং এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চে(এনআইএএনইআর) জুলাই ২০২৩ মাস্টার্স অব সায়েন্স ইন নার্সিং (এমএসএন) কোর্সে ভর্তি চলছে। ভর্তিপ্রক্রিয়া চলবে আগামী সোমবার (১৪ আগস্ট) পর্যন্ত। বিএসএমএমইউতে ১৪ আগস্ট নার্সিংয়ে মাস্টার্সে ভর্তি শেষ বিএসএমএমইউর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এমএসএন কোর্সের অ্যাডাল্ট অ্যান্ড ইল্ডার হেলথ নার্সিং, উইমেন্স হেলথ অ্যান্ড মিডওয়াইফারি নার্সিং, চাইল্ড হেলথ নার্সিং (সিএইচএন), মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড সাইকিয়াট্রিক নার্সিং (এমএইচপিএন), কমিউনিটি হেলথ নার্সিং (কম.এইচএন), নার্সিং ম্যানেজমেন্ট (এনএম), কার্ডিওথোরাসিক নার্সিং (সিটিএন), ইনটেনসিভ কেয়ার নার্সিং (আইসিএন), অর্থোপেডিক অ্যান্ড ট্রমা নার্সিং (ওটিএন), ন্যাপরো-ইউরোলজি নার্সিং (এনইউএন), অফথালমোলজিক নার্সিং (ওএন) ও নিউরোসায়েন্স নার্সিংয়ে (এনএন) ভর্তির জন্য সরকারি, বিএসএমএমইউ (সরকারি কোটায় নির্বাচিত) ও বেসরকারি নার্স প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করা হলো। বেসরকারি প্রার্থীদের ১৬ জুলাই থেকে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত কোর্সে ভর্তির কার্যক্রম চলবে। সব বিষয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে কোর্স ফি, টিউশন ফি এবং রেজিস্ট্রেশন ফি–সংক্রান্ত তথ্যাদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভর্তি শাখা থেকে জানা যাবে।     মূল মাইগ্রেশন সনদসহ নিম্নবর্ণিত কাগজপত্র ও পাসপোর্ট সাইজের ছবি সেট করে ভর্তির সময় সব প্রার্থীকে জমা দিতে হবে। ১. নির্বাচিত তালিকায় প্রার্থীর নামসংবলিত অংশ থেকে প্রার্থীর নামসংবলিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের তালিকা সংগ্রহপূর্বক জমা দিতে হবে। ২. ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের অনুলিপি। ৩. দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। ৪. শিক্ষাগত যোগ্যতার সব মূল সনদের অনুলিপি। ৫. বিএসসির (ইন নার্সিং/মিডওয়াইফাই) মূল সনদের অনুলিপি। ৬. জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি। ৭. বিএনএমসি কর্তৃক প্রদত্ত রেজিস্ট্রেশনের মূল সনদের অনুলিপি। ৮. মূল মাইগ্রেশন সনদের অনুলিপি। ৯. মূল মাইগ্রেশন সনদ (প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরণের জন্য)। মূল মাইগ্রেশন সনদ, ছবি ও অন্যান্য সনদের এক সেট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয় প্রেরণ করতে হবে। সব প্রার্থীকে ভর্তির পূর্বে মূল মাইগ্রেশনের স্ক্যান কপি নিজের কাছে ই-রেজিস্ট্রেশনের জন্য সংরক্ষণ করার বিষয়টি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অবহিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে হবে। জুলাই ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত সব প্রার্থীকে আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৩০ জুন ২০২৪ তারিখের মধ্যে অনলাইনে ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। এ–সংক্রান্ত নিয়মাবলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট লিংকে পাওয়া যাবে।   সূত্র : প্রথম আলো

গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট ২০২২-২০২৩ সেশনে ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু ৯ জুলাই

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার শিপ্রা রানী-Shipra Rani, Nursing Supervisor of Kushtia Sadar Hospital

কুষ্টিয়ার অন্যতম স্বনামধন্য বেসরকারি নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট’-এর ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও নিয়মিত ক্লাস শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল (BNMC)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ০৯ জুলাই ২০২৩, রবিবার থেকে প্রথম বর্ষের আনুষ্ঠানিক পাঠদান শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ডিপ্লোমা-ইন-নার্সিং সায়েন্স ও মিডওয়াইফারি কোর্সের প্রথম বর্ষে ভর্তিকৃত সকল শিক্ষার্থীকে আগামী রবিবার যথা সময়ে ক্যাম্পাসে উপস্থিত থাকতে হবে। নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে এবং একাডেমিক কার্যক্রমের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে এই দিনটি বিশেষভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। তারিখ: ০৯ জুলাই ২০২৩, রবিবার। স্থান: গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট, কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস। কক্ষ নম্বর: একাডেমিক ভবনের ৪০২ নম্বর কক্ষ। কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন সেশনের শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে ক্যাম্পাস ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। দক্ষ নার্স ও মানবিক সেবাদানকারী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রথম দিন থেকেই শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। নির্ধারিত দিনে সকল শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যোগাযোগ ও সহায়তা ক্লাস রুটিন বা ইউনিফর্ম সংক্রান্ত কোনো তথ্যের প্রয়োজন হলে শিক্ষার্থীদের সরাসরি ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক কার্যালয়ে অথবা অফিশিয়াল হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারিগরি ও মানবিক শিক্ষার সমন্বয়ে গঠিত গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট দীর্ঘ দিন ধরে কুষ্টিয়া অঞ্চলে দক্ষ নার্সিং জনবল তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। নতুন এই ব্যাচের যাত্রার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে আরও একঝাঁক নতুন সেবাকর্মী যুক্ত হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  

ভারতে নার্সিং পড়ার সুযোগ, আগামীকাল ০৫ জুন ২০২৩ আবেদনের শেষ সময়

সেন্ট স্টিফেনস কলেজ, দিল্লি

দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবেশী দেশ ভারতে বিশ্বমানের পরিবেশে নার্সিং পড়ার এক বিশেষ সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন স্বনামধন্য নার্সিং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে বিএসসি নার্সিং, জিএনএম এবং এমএসসি নার্সিং কোর্সে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। উন্নত মানের ল্যাব সুবিধা, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের ডিগ্রির কারণে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মাঝে এই সুযোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। কোর্সের বিবরণ ও সুযোগ-সুবিধা ভারতে নার্সিং পড়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা সাধারণত বিএসসি নার্সিং (৪ বছর) এবং জিএনএম (৩ বছর) কোর্সগুলো বেছে নিচ্ছেন। ভারতের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে রয়েছে: আধুনিক ল্যাব ও হাসপাতাল: শিক্ষার্থীদের সরাসরি হাসপাতালের ওযার্ডে প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হয়। স্কলারশিপের সুবিধা: মেধারী শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ স্কলারশিপ বা ফি মওকুফের ব্যবস্থা। সহজ ভর্তি প্রক্রিয়া: কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য সরাসরি ভর্তির বিশেষ কোটা ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। কেন ভারতে নার্সিং পড়বেন? শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ভারতের নার্সিং ডিগ্রি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং আমেরিকার শ্রমবাজারে ভারতের অভিজ্ঞ নার্সদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশের তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে পড়ার খরচ সাশ্রয়ী এবং ভাষা ও সংস্কৃতির মিল থাকায় শিক্ষার্থীরা সহজেই মানিয়ে নিতে পারেন। আবেদনের যোগ্যতা বিএসসি নার্সিং কোর্সের জন্য আবেদনকারীকে অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞানসহ (Biology) উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। তবে জিএনএম কোর্সের জন্য যেকোনো বিভাগের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। ভর্তি সহায়তায় গুরুকুল নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সঠিক গাইডলাইন দিতে এবং স্বচ্ছতার সাথে ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সহায়তা করছে গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক। লিঙ্কে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি ভারতের কলেজগুলোর তথ্য, খরচ এবং স্কলারশিপের ব্যাপারে বিস্তারিত পরামর্শ নিতে পারছেন। আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী শিক্ষার্থীদের পাসপোর্ট, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র এবং মার্কশিটসহ দ্রুত যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যেহেতু সিট সংখ্যা সীমিত এবং স্কলারশিপের সুবিধা আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে দেওয়া হয়, তাই বিলম্ব না করে আবেদনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভারত থেকে নার্সিং ডিগ্রি অর্জন করে দেশে বা বিদেশে উন্নত ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি সেরা সময় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  

মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বঙ্গভাষা’ কবিতার বিশ্লেষণ ও মূলভাব

মাইকেল মধুসূদন দত্তে

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩) এক ধূমকেতুর মতো আবির্ভূত হয়েছিলেন। মধ্যযুগীয় পয়ারের শৃঙ্খল ভেঙে তিনি বাংলা কবিতায় এনেছিলেন আধুনিকতার ছোঁয়া, প্রবর্তন করেছিলেন অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা। তাঁর এই কালজয়ী সৃষ্টির অন্যতম একটি নিদর্শন হলো ‘বঙ্গভাষা’ সনেটটি। এই কবিতাটি কেবল একটি সাহিত্যকর্ম নয়, বরং এটি একজন পথভ্রষ্ট প্রতিভার ঘরে ফেরার আকুতি, মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুশোচনা এবং স্বদেশপ্রেমের এক অনন্য দলিল। পটভূমি ও প্রেক্ষাপট মধুসূদনের জীবনের প্রথমার্ধ ছিল উচ্চাভিলাষ এবং পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রতি অন্ধ মোহে আচ্ছন্ন। তিনি মনে করতেন, বাংলা ভাষায় মহৎ সাহিত্য সৃষ্টি অসম্ভব। তাই তিনি ইংরেজি ভাষায় সাহিত্যচর্চা করে বিশ্ববিখ্যাত হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন এবং বিলেতে পাড়ি জমান। কিন্তু বিদেশের মাটিতে বসে তিনি উপলব্ধি করেন যে, পরভাষায় সাহিত্যচর্চা করে প্রকৃত সম্মান পাওয়া সম্ভব নয়। জীবনের এই চরম সত্য এবং বিদেশের মাটিতে নিঃসঙ্গতা তাঁকে তাঁর শেকড়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। এই মানসিক পরিবর্তনেরই এক শৈল্পিক বহিঃপ্রকাশ হলো ‘বঙ্গভাষা’ কবিতাটি। কবিতার মূলভাব ‘বঙ্গভাষা’ কবিতার মূল সুর হলো— অনুশোচনা এবং মাতৃভাষার মাহাত্ম্য উপলব্ধি। কবি এখানে স্বীকার করেছেন যে, তিনি নিজ ভাষার অমূল্য রত্নভাণ্ডারকে অবজ্ঞা করে বিদেশের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করেছেন। কবিতার প্রতিটি চরণে কবির আত্মগ্লানি ফুটে উঠেছে। তিনি বাংলাকে ‘মণি-মাণিক্য’ খচিত খনির সাথে তুলনা করেছেন, যা তিনি আগে চিনতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত দৈববাণী বা অন্তরাত্মার আহ্বানে তিনি বুঝতে পারেন যে, তাঁর নিজের ঘরেই (মাতৃভাষায়) পরম শান্তি ও ঐশ্বর্য বিদ্যমান। এই বোধদয়ই কবিতার প্রধান উপজীব্য। পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ ১. আত্মধিক্কার ও মোহাচ্ছন্ন অতীত কবিতার শুরুতে কবি অত্যন্ত আক্ষেপের সাথে বলেছেন— “হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;— / তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি,” এখানে ‘অবোধ’ শব্দটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কবি নিজেকে নির্বোধ বলছেন কারণ তিনি নিজ ভাষার সম্পদ না বুঝে পরদেশের সম্পদের পেছনে ছুটেছেন। তিনি বিদেশের ‘পরধন’ লোভে মত্ত হয়ে নিজ ভাষার অমূল্য সম্পদকে তুচ্ছ জ্ঞান করেছিলেন। এটি কেবল মধুসূদনের ব্যক্তিগত আক্ষেপ নয়, বরং তৎকালীন ইংরেজি শিক্ষিত বাঙালি সমাজের এক গভীর সংকটের প্রতিফলন। ২. প্রবাস জীবনের কষ্ট ও ব্যর্থতা কবি তাঁর প্রবাস জীবনের দিনগুলোকে বর্ণনা করেছেন এক দীর্ঘ দুঃস্বপ্ন হিসেবে। তিনি বলেন— “পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি। / কাটাইনু বহুকাল সুখ পরিহরি।” নিজ দেশ ও ভাষা ছেড়ে তিনি পরদেশে এক প্রকার ‘মানসিক ভিক্ষাবৃত্তি’ করেছেন। ইংরেজি ভাষায় সাহিত্যচর্চা করে তিনি যে যশ চেয়েছিলেন, তা পাননি। এর ফলে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। “ম্লান তনু মনঃ সদা কুচিন্তায় মরি”– এই চরণের মাধ্যমে কবি তাঁর তৎকালীন যন্ত্রণাদায়ক মানসিক অবস্থার চিত্র তুলে ধরেছেন। ৩. স্বপ্নের বার্তা বা দৈববাণী কবিতার মাঝপথে একটি নাটকীয় মোড় আসে। কবি যখন চরম হতাশায় নিমজ্জিত, তখন তিনি স্বপ্নে তাঁর ‘কুললক্ষ্মী’ বা মাতৃভাষার অধিষ্ঠাত্রী দেবীর দর্শন পান। সেই দৈববাণী কবিকে সান্ত্বনা দিয়ে বলে— “ওরে বাছা, মাতৃকোষে রতনের রাজি, / এ ভিখারী-দশা তবে কেন তোর আজি?” এই অংশটি কবির জীবনের টার্নিং পয়েন্ট। তিনি বুঝতে পারেন যে, তাঁর নিজের ঘরেই রত্নভাণ্ডার পূর্ণ, অথচ তিনি বাইরে ভিখারির মতো ঘুরছেন। এটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে— অর্থাৎ বাংলা ভাষার যে সম্ভাবনা ও সৌন্দর্য, তা তিনি আগে অনুধাবন করতে পারেননি। ৪. মাতৃভাষায় প্রত্যাবর্তন দেবীর আদেশে কবি যখন তাঁর ‘স্বদেশী ভাষা’ বা বাংলা সাহিত্যের চর্চায় মনোনিবেশ করেন, তখন তাঁর সামনে এক নতুন জগৎ উন্মোচিত হয়। তিনি দেখেন— “পালিলাম আজ্ঞা সুখে; পাইলাম কালে / মাতৃভাষা-রূপ খনি, পূর্ণ মণি-জালে।” এখানে কবি বাংলাকে ‘খনি’র সাথে তুলনা করেছেন। যে খনি মণি-মুক্তায় পূর্ণ। অর্থাৎ বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনা করেই তিনি প্রকৃত তৃপ্তি এবং সফলতা খুঁজে পেলেন। চতুর্দশপদী কবিতার বৈশিষ্ট্য ও শিল্পরূপ ‘বঙ্গভাষা’ একটি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা। সনেটের নিয়ম অনুযায়ী এতে ১৪টি চরণ এবং প্রতিটি চরণে ১৪টি অক্ষর রয়েছে। এটি মূলত দুটি অংশে বিভক্ত: অষ্টক (Octave): প্রথম আট চরণে কবির দুঃখ, প্রবাস জীবন এবং ভুলের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এখানে ভাবের প্রবর্তনা ঘটেছে। ষষ্ঠক (Sestet): শেষের ছয় চরণে দৈববাণী এবং কবির ভুল ভেঙে মাতৃভাষায় ফেরার আনন্দ বর্ণিত হয়েছে। এখানে ভাবের পরিণতি ঘটেছে। মধুসূদন এখানে ক-খ-খ-ক / ক-খ-খ-ক এবং গ-ঘ-ঙ / গ-ঘ-ঙ এই মিলবিন্যাস (Rhyme Scheme) অনুসরণ করেছেন। তাঁর নিপুণ কারুকাজে কবিতাটি গাম্ভীর্যপূর্ণ এবং ধ্রুপদী রূপ লাভ করেছে। ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গুরুত্ব বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘বঙ্গভাষা’ কবিতাটি একটি মাইলফলক। এটি কেবল একটি আবেগপ্রবণ কবিতা নয়, বরং এটি বাংলা ভাষার শক্তি ও সামর্থ্যের জয়গান। ১. ভাষাপ্রীতি: কবিতাটি পাঠকদের মনে স্বভাষার প্রতি মমত্ববোধ জাগিয়ে তোলে। ২. আধুনিকতার সূত্রপাত: মধ্যযুগের দেব-দেবী নির্ভর সাহিত্য থেকে বেরিয়ে এসে মধুসূদন এই কবিতায় মানুষের ব্যক্তিগত আবেগ ও অনুশোচনাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। ৩. প্রেরণা: এই কবিতাটি পরবর্তী প্রজন্মের সাহিত্যিকদের জন্য একটি বড় শিক্ষা যে, শেকড়কে অস্বীকার করে মহৎ কিছু সৃষ্টি করা সম্ভব নয়। পরিশেষে বলা যায়, মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বঙ্গভাষা’ কবিতাটি এক পথভ্রষ্ট শিল্পীর ঘরে ফেরার গান। নিজ ভাষার প্রতি যে অবহেলা তিনি একসময় করেছিলেন, এই কবিতার মাধ্যমে তিনি সেই পাপস্খালন করেছেন। ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ লেখার আগে তিনি যেভাবে নিজেকে বাংলা সাহিত্যের যোগ্য করে গড়ে তুলেছিলেন, তার এক কাব্যিক ইশতেহার হলো এই সনেটটি। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, মাতৃভাষা আমাদের অস্তিত্বের মূল ভিত্তি। পরভাষার চাকচিক্য সাময়িক মোহ সৃষ্টি করলেও, প্রাণের আরাম এবং মনের তৃপ্তি কেবল জননী ও জন্মভূমির ভাষাতেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২২ উপলক্ষে ছুটির নোটিশ

শারদীয় দুর্গা পূজা, ছুটির নোটিশ

বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে ‘গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস’-এ একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ০৫ অক্টোবর ২০২২ (বুধবার) বিজয়া দশমীর দিনে ক্যাম্পাসের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। প্লুরালিস্ট সোসাইটি বা বহুত্ববাদী সমাজের প্রতি অঙ্গীকার গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি সকল ধর্ম, বর্ণ ও মতের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের একটি অনন্য ক্ষেত্র। গুরুকুল পরিবার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে একটি ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজ গঠনে, যেখানে প্রতিটি ধর্মের উৎসবকে সমান মর্যাদা ও আনন্দের সাথে দেখা হয়। শারদীয় দুর্গাপূজার এই ছুটি সেই বৈচিত্র্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক (Inclusive) সংস্কৃতি চর্চারই একটি অংশ। ছুটির সময়সূচী ও নির্দেশনা প্রশাসন বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে: ছুটির তারিখ: ০৫ অক্টোবর ২০২২ (বুধবার)। কার্যক্রম পুনরায় শুরু: ০৬ অক্টোবর ২০২২ (বৃহস্পতিবার) থেকে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী সকল ক্লাস ও দাপ্তরিক কাজ যথারীতি চলবে। নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বারোপ উৎসবকালীন সময়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আনন্দঘন পরিবেশে উৎসব উদযাপনের পাশাপাশি সকলকে স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের বার্তা গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের প্রশাসন বিভাগ জানিয়েছে, “গুরুকুল এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় যেখানে প্রতিটি মানুষ তাদের স্ব-স্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে গর্বের সাথে বসবাস করতে পারে। শারদীয় এই উৎসব আমাদের মাঝে মৈত্রী ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস পরিবারের পক্ষ থেকে কুষ্টিয়াবাসীসহ সকলকে শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। আরও দেখুন: গুরুকুল ক্যাম্পাসে দ্বীন ও ধর্ম বিষয়ক নীতিমালা

ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রম প্রবিধান-২০২২

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রণীত ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রম প্রবিধান-২০২২ প্রকাশ করা হয়েছে। আগের তুলনায় প্রধান পরিবর্তনগুলো নিচে তুলে ধরা হলো: এই প্রবিধানটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আইন-২০১৮ এর অনুচ্ছেদ ২৮ এর ক্ষমতাবলে প্রণয়ন করা হয়েছে । এটি ০৪ (চার) বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের জন্য প্রযোজ্য, যা মোট ০৮ (আট) টি পর্বে (Semester) সম্পন্ন হয় । প্রবিধানটি ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর করা হয়েছে । এই শিক্ষাক্রমের প্রধান লক্ষ্য হলো শিল্প প্রতিষ্ঠানের চাহিদার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের কারিগরি ও কোর ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে দক্ষ করে তোলা ।   প্রধান পরিবর্তন ও বৈশিষ্ট্যসমূহ পূর্ববর্তী প্রবিধানগুলোর তুলনায় ২০২২ প্রবিধানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও নতুন নিয়ম যুক্ত করা হয়েছে: ক্রেডিট বিন্যাস: মোট ক্রেডিট ১৫০-১৬০ এর মধ্যে নির্ধারিত করা হয়েছে । এর মধ্যে কোর ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের জন্য ৫৮-৬০% এবং সোশ্যাল স্কিলের জন্য ১০-১৫% ক্রেডিট বরাদ্দ রাখা হয়েছে । শিখন ঘণ্টার অনুপাত: তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক অংশের শ্রেণীকক্ষের মোট শিখন ঘণ্টার অনুপাত ৪০:৬০ নির্ধারণ করা হয়েছে । GPA ওয়েটেজ (Weightage): চূড়ান্ত ফলাফল বা CGPA নির্ধারণে প্রতিটি পর্বের GPA-এর গুরুত্ব (Weightage) সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে: ১ম ও ২য় পর্ব: ৫% করে । ৩য় ও ৪র্থ পর্ব: ১০% করে । ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম পর্ব: ২০% করে । ৮ম পর্ব (ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং): ১০% । ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং: ৮ম পর্বের মোট ১৬ সপ্তাহের মধ্যে ১২ সপ্তাহ সংশ্লিষ্ট শিল্প কারখানায় এবং ৪ সপ্তাহ স্ব স্ব ইনস্টিটিউটে সম্পন্ন করতে হবে । এটি ১২ ক্রেডিটের একটি ব্যবহারিক বিষয় হিসেবে গণ্য হবে । পাস নম্বর ও গ্রেডিং: তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক উভয় অংশে পৃথকভাবে ন্যূনতম ৪০% নম্বর (D গ্রেড) পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে । তবে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিংয়ের ক্ষেত্রে ন্যূনতম C+ গ্রেড বা ৫০% নম্বর পাওয়া বাধ্যতামূলক । উপস্থিতির হার: পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ন্যূনতম ৮০% ক্লাসে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে । বিশেষ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধান সর্বোচ্চ ১০% অনুপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন । রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ: ১ম পর্বে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের নিবন্ধনের মেয়াদ হবে ৮ শিক্ষাবর্ষ । বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে এক বছর মেয়াদ বৃদ্ধি করা যাবে, তবে এই সুযোগ মাত্র একবারই পাওয়া যাবে । ভর্তির সুযোগ: এইচএসসি (বিজ্ঞান) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ৩য় পর্বে এবং এইচএসসি (ভোকেশনাল) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ক্লাস্টার পদ্ধতিতে ৪র্থ পর্বে সরাসরি ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন । মানোন্নয়ন পরীক্ষা: CGPA প্রাপ্তির পর কোনো শিক্ষার্থী চাইলে ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম পর্বের পঠিত বিষয়ের মধ্যে সর্বোচ্চ ০৬টি তাত্ত্বিক বিষয়ে একবার মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন । প্রবিধানটি ডাউনলোড করুন : ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবিধান-২০২২