গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সকল ৬ষ্ঠ পর্বের অভিভাবক সমাবেশ ২০১৮ অনুষ্ঠিত

গুরুকুল এর অভিভাবক সমাবেশ-Gurukul guardian assembly

কুষ্টিয়া গুরুকুলের লালন সাঁই ক্যাম্পাসের হল রুমে অনুষ্ঠিত হলো ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৬ষ্ঠ পর্বের শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সমাবেশ–২০১৮। ইলেকট্রিক্যাল, টেক্সটাইল, জিডিপিএম, সিভিল, কম্পিউটার ও মেক্যানিক্যাল টেকনোলজির মোট ১৮৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬২ জনের অভিভাবক সরাসরি উপস্থিত ছিলেন এ আয়োজনে।     ফলাফল ও তথ্য প্রদান সমাবেশে প্রতিটি অভিভাবকের হাতে শিক্ষার্থীদের— ফলাফল শীট, ক্লাসে উপস্থিতির হার, এবং অন্যান্য একাডেমিক তথ্যসমূহ তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি ও পড়াশোনায় অভিভাবকদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করা হয়।   গুরুকুলের ভিশন ও কার্যক্রম ট্রেড প্রধানরা তাদের বক্তব্যে তুলে ধরেন— গুরুকুল প্রমুখ তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর প্রতিষ্ঠিত গুরুকুল বর্তমানে দেশে ৭টি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৩টি মেডিকেল বিভাগ এবং সারাদেশে ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে। এখানে হাতে-কলমে শিক্ষা দিয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষ, কর্মঠ, রুচিশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর তরুণ প্রজন্মে রূপান্তরিত করা হচ্ছে। বিদেশেও বহু শিক্ষার্থী সফলভাবে কাজ করে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। প্রতিটি ২৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন গাইড শিক্ষক নিয়োজিত আছেন।   কো-কারিকুলার কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে যোগ্য করে গড়ে তুলতে গুরুকুলে রয়েছে সমৃদ্ধ কো-কারিকুলার কাঠামো। নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থীরা যুক্ত থাকে— গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ গুরুকুল সঙ্গীত বিভাগ গুরুকুল নাট্য বিভাগ গুরুকুল নৃত্য বিভাগ গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব গুরুকুল স্পোর্টস ক্লাব গুরুকুল যুব রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট গুরুকুল ম্যাথ ক্লাব গুরুকুল কম্পিউটার ক্লাব গুরুকুল ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, দলগত দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে। অভিভাবকদের বক্তব্য অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, শৃঙ্খলা ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে তাদের মতামত ও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। উপস্থিত ছিলেন— টেক্সটাইল ট্রেডের অভিভাবকরা: মৃদুল শাহা, বিজয় প্রামানিক, নাজিম উদ্দিন, রেজাউল হক, মাসুদ হোসেন, শান্তা পারভিন প্রমুখ। ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের অভিভাবকরা: আনজিরা বেগম, রহিতুন খাতুন, সুজাউদ্দিন, আব্দুর রাজ্জাক, সজল আহমেদ, ফজলুর রহমান, রাশেদুল ইসলাম, নওয়াব আলী প্রমুখ। সিভিল ট্রেডের অভিভাবকরা: মানিক হোসেন, উৎপল বিশ্বাস, তাসলিমা খাতুন, সিরাজুল ইসলাম, আকাশ আহমেদ প্রমুখ। মেক্যানিক্যাল ট্রেডের অভিভাবকরা: ফয়সাল আহমেদ, শফী উদ্দিন, নূরজাহান খাতুন, সম্রাট আলী, শাহানাজ ফেরদৌসি প্রমুখ। কম্পিউটার ট্রেডের অভিভাবকরা: আনিসুর রহমান, নূরুন্নাহার, ইউসুফ আহমেদ, লিটন হোসেন প্রমুখ। প্রশ্নোত্তর পর্ব অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন— রাসনা শারমিন (ট্রেড প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল) হাবিবুর রহমান (ট্রেড প্রধান, টেক্সটাইল ও জিডিপিএম) সিরাজুম মনিরা (ট্রেড প্রধান, সিভিল) রাকিবুল ইসলাম (ট্রেড প্রধান, কম্পিউটার) তামান্না আফরোজ (ট্রেড প্রধান, মেক্যানিক্যাল) শামীম রানা (একাডেমিক ইনচার্জ, গুরুকুল)   এই অভিভাবক সমাবেশ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে দায়িত্ব, অঙ্গীকার ও পারস্পরিক সহযোগিতার এক সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। গুরুকুলের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিকভাবে নয়, বরং সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলা।

কুষ্টিয়া গুরুকুলের সিভিল টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ

গুরুকুল সিভিল টেকনোলজির অভিভাববক সমাবেশের ছবি

সিভিল টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার বেলা ১১ টায় কুষ্টিয়া গুরুকুল,  লালন সাঁই ক্যাম্পাসের হল রুমে সিভিল টেকনোলজির বিভাগীয় প্রধান, সিরাজুম মনিরার সভাপতিত্বে অভিভাবক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল  একাডেমিক ইনচার্জ  শামীম রানা,  কম্পিউটার টেকনোলজি  গাইড শিক্ষক জনি ইসলাম। সিভিল টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ সিভিল টেকনোলজির ৩য় ও ৫ম  পর্বের  ৫৪ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মধ্যে ৪৯ জন শিক্ষার্থীর  অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। অভিভাবকদের মধ্যে ৬  জন অভিভাবক বক্তব্য রাখেন, তারা হচ্ছেন  মোস্তফা কামাল, হাসিবুল, আব্দুল হামিদ, মমিনুর রহমান, মোস্তফা কামাল, রহিমা খাতুন।  সমাবেশে শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের পরীক্ষার রেজাল্ট ও খাতা দেখান হয়। গুরুকুল সিভিল টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ অভিভাবকগক শিক্ষার্থীদের রেজাল্ট, নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, শিক্ষার মান,প্রতিষ্ঠানিক পরিবেশ, নিয়ম শৃঙ্খলা সার্বিক বিষয়ে নিয়ে প্রশ্ন করেন। অভিভাবকদের  প্রশ্নের জবাব দেন উপস্থিত  ট্রেড প্রধান,গাইড শিক্ষক ও গুরুকুল একাডেমিক ইনচার্জ।সমাবেশে গুরুকুল এর পক্ষে বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন আপনারা প্রতি  সপ্তাহে  অন্তত একদিন কলেজে এসে, আপনার সন্তানের সংশ্লিষ্ট গাইড শিক্ষকের সাথে  কথা বলবেন খোজ নিবেন, আমাদের পরামর্শদিবেন। কি করে আমরা আরো ভাল করতে পারি। বক্তারা আরো বলেন, গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে শিক্ষার্থীদের সুন্দর পরিবেশে লেখাপড়ার পাশাপাশি, স্পোর্টস ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব,ডিবেটিং ক্লাব,  রোভার স্কাউট এর মাধ্যমে এক্সট্রা কারিকুলাম শিক্ষা দেওয়া হয় যেন তারা নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। শিক্ষার্থীদের যে কোন সমস্যার অভিভাবকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ সর্বপ্রকার রেজাল্ট বাসায় পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। অনুষ্ঠানের বক্তারা জানান দেশ বরেণ্য তথ্য প্রযুক্তিবিদ গুরুকুল  পরিবারের প্রমুখ, সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর প্রতিষ্ঠিত পরিবারে  ৭ টি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৩ টি মেডিকেল বিভাগ , সহ সারাদেশে ১৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে দেশের জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হয় ।এখানকার অনেক শিক্ষার্থী বিদেশেও দক্ষতার সাথে কাজ করার উপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে । কারিগরি শিক্ষায় হাতে কলমে শিক্ষা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা যেন নিজেরা দক্ষ হতে পারে,দেশের উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারে, সে জন্য গুরুকুল পরিবার    শিক্ষক , কর্মকর্তাসহ প্রত্যেকজন কর্মী  সে লক্ষেই  কাজ করছে। আগামী  ৭ দিন গুরুকুল পরিবারের বিভিন্ন বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ চলবে বলে, গুরুকুল কতৃপক্ষ জানিয়েছে। আগামীকাল গুরুকুল সিভিল টেকনোলজির ১ম ও ৭ম পর্বের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

কম্পিউটার টেকনোলজির অভিভাববক সমাবেশের ছবি

ক্যাম্পাস প্রেস রিলিজ: গুরুকুল পরিবার আয়োজিত গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ গতকাল শনিবার কুষ্টিয়ার গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাসের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভাগীয় প্রধান শামীম রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল একাডেমিক ইনচার্জ শামীম রানা, কম্পিউটার টেকনোলজির গাইড শিক্ষক মশিউল ইসলাম ও আরজ আলী। অভিভাবকদের অংশগ্রহণ ও মতামত কম্পিউটার টেকনোলজির মোট ১২৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯৫ জনের অভিভাবক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৮ জন অভিভাবক বক্তব্য রাখেন। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন—নাঈম হোসেন, সুমন আশিক, আলাউদ্দিন আহমেদ, আজমল হক, নিলুফা ইয়াসমিন, রুবিয়া খাতুন, সোহেল রানা, রিয়াজ উদ্দিন, হাবিবুর রহমান, রোকনুজ্জামান, আক্তার জামান, জিল্লুর রহমান, আলামিন হোসেন, আব্দুল মালেক, সাদিয়া খানম লাকি, আফরোজা খাতুন, এরশাদ আলী ও বাবু। সমাবেশে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল ও খাতা অভিভাবকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। অভিভাবকেরা রেজাল্ট, নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, শিক্ষার মান, প্রতিষ্ঠানিক পরিবেশ এবং শৃঙ্খলাসহ সার্বিক বিষয়ে প্রশ্ন করেন। এসব প্রশ্নের উত্তর দেন ট্রেড প্রধান, গাইড শিক্ষক ও একাডেমিক ইনচার্জ। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পরামর্শ গুরুকুলের পক্ষ থেকে বক্তারা বলেন, “আপনারা প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন কলেজে এসে সন্তানের গাইড শিক্ষকের সাথে কথা বলবেন, খোঁজ নেবেন এবং আমাদের পরামর্শ দেবেন কীভাবে আমরা আরও ভালো করতে পারি।” বক্তারা আরও জানান, গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি স্পোর্টস ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং রোভার স্কাউটের মাধ্যমে এক্সট্রা কারিকুলার কার্যক্রমে অংশ নেয়, যাতে তারা ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ও সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। যোগাযোগ ও সেবা নিশ্চিতকরণ শিক্ষার্থীদের যেকোনো সমস্যায় সরাসরি অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ রাখা এবং পরীক্ষার ফলাফল বাসায় পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন কর্তৃপক্ষ। গুরুকুলের লক্ষ্য ও অর্জন বক্তারা উল্লেখ করেন, দেশবরেণ্য তথ্য প্রযুক্তিবিদ ও গুরুকুল পরিবারের প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষা পরিবারে বর্তমানে ৭টি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৩টি মেডিকেল বিভাগসহ সারাদেশে ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দেশের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা হচ্ছে, যাদের অনেকেই বিদেশে দক্ষতার সাথে কাজ করার যোগ্যতা অর্জন করছে। কারিগরি শিক্ষায় হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তোলা এবং দেশের উন্নয়নে যুক্ত করার লক্ষ্যেই গুরুকুলের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মীরা একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী আয়োজন গুরুকুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ৮ দিন গুরুকুল পরিবারের বিভিন্ন বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ চলবে। আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে সিভিল টেকনোলজি বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ।

কুষ্টিয়া গুরুকুলে টেক্সটাইল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ ২০১৭ অনুষ্ঠিত

গুরুকুল টেক্সটাইল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ

তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কারিগরি দক্ষতা ও নৈতিক চরিত্র গঠনে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে টেক্সটাইল বিভাগের ‘অভিভাবক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাস হল রুমে আয়োজিত এই সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।     টেক্সটাইল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সালাউদ্দিন আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) শামীম রানা। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও ভবিষ্যৎ গাইডলাইন নিয়ে আলোচনা করতে উপস্থিত ছিলেন টেক্সটাইল বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ: হাবিবুর রহমান হাসিবুল ইসলাম খাইরুল ইসলাম মিজানুর রহমান শর্মীলা আক্তার সমাবেশে বক্তারা গুরুকুলের মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশের সুযোগগুলো তুলে ধরেন। অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বক্তারা বলেন: “শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং কালচারাল ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব, রোভার স্কাউট এবং ক্রীড়া ক্লাবের মতো এক্সট্রা কারিকুলাম কার্যক্রমের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলা হয়। আমাদের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের এমনভাবে তৈরি করা যাতে তারা কেবল চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেকে সমাজে একজন সুপ্রতিষ্ঠিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।” দেশের প্রথিতযশা তথ্য প্রযুক্তিবিদ এবং গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর ভিশন নিয়ে আলোচনায় বক্তারা জানান, বর্তমানে সারাদেশে গুরুকুলের ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ) আধুনিক কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশীয় শ্রমবাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে বিদেশেও দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে, সে লক্ষ্যে তাদের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে সপ্তাহব্যাপী অভিভাবক সমাবেশ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির প্রথম দিন হিসেবে বৃহস্পতিবার অত্যন্ত সফলভাবে টেক্সটাইল বিভাগ এবং গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ সম্পন্ন হলো। মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে এই সমাবেশটি শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে এক চমৎকার সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। অভিভাবকরা গুরুকুলের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, নিয়মিত এ ধরণের আয়োজন সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে অত্যন্ত সহায়ক হবে।   আরও দেখুন: গুরুকুলে বৃত্তির কোটা ব্যবস্থা

কুষ্টিয়া গুরুকুলে ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ ২০১৬ অনুষ্ঠিত

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ

কারিগরি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতিতে অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ‘অভিভাবক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩১ আগস্ট (বুধবার) গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে আয়োজিত এই সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। দক্ষ জনশক্তি গড়ার অঙ্গীকার: কুষ্টিয়া গুরুকুলে ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত সভার নেতৃত্ব ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রাশনা শারমিন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দ। তাদের মধ্যে ছিলেন: শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড এডমিন) খোন্দকার রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) রফিকুল ইসলাম, ইনচার্জ (কমার্শিয়াল) ইমদাদুল হক, সাঈদ হোসেন ও আসানুর সুজন, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ। শিক্ষার মান ও সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা সমাবেশে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, একাডেমিক রেজাল্ট এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বক্তারা গুরুকুলের বৈচিত্র্যময় শিক্ষা পদ্ধতির কথা উল্লেখ করে বলেন: “শিক্ষার্থীদের কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞানে সীমাবদ্ধ না রেখে স্পোর্টস ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং রোভার স্কাউটিংয়ের মতো এক্সট্রা কারিকুলাম কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছি; যেন তারা কর্মজীবনে আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।” অভিভাবক-শিক্ষক সমন্বয়ে নতুন সিদ্ধান্তসমূহ শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সমাবেশে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়: সরাসরি যোগাযোগ: শিক্ষার্থীদের যেকোনো একাডেমিক বা ব্যক্তিগত বিষয়ে প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকের মধ্যে সরাসরি ও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা হবে। ফলাফল প্রেরণ: প্রতিটি পরীক্ষার ফলাফল সরাসরি অভিভাবকদের নিকট পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা হবে। সজাগ নজরদারি: শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক ও অভিভাবক উভয় পক্ষই শিক্ষার্থীদের কার্যক্রমের ওপর গভীর পর্যবেক্ষণ রাখার অঙ্গীকার করেন। সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর ভিশন ও দক্ষ জনশক্তি অনুষ্ঠানে বক্তারা তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর দর্শন তুলে ধরে বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠিত ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ সারাদেশের ১২টি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আধুনিক কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা হচ্ছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে ওঠার পাশাপাশি বিদেশের মাটিতেও দক্ষতার সাথে কাজ করার যোগ্যতা অর্জন করছে। বক্তারা আরও জানান, কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে শিক্ষার্থীরা যেন দেশ গড়ার কারিগর হতে পারে, সেই লক্ষ্যে গুরুকুল পরিবার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশ ও ফলপ্রসূ আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাবেশের সমাপ্তি ঘটে। আরও দেখুন: গুরুকুলে বিশেষ বৃত্তির কোটা

কুষ্টিয়া গুরুকুলে টেক্সটাইল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ ২০১৬

দেশের শীর্ষস্থানীয় কারিগরি শিক্ষা গ্রুপ গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়র্কের কুষ্টিয়া গুরুকুলের টেক্সটাইল টেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ‘অভিভাবক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৯ আগস্ট (সোমবার) কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে আয়োজিত এই সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।   সভার নেতৃত্ব ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ টেক্সটাইল টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জান্নাতুল নাঈম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) শামীম রানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) খোন্দকার রুহুল আমিন। এছাড়াও বিভাগীয় শিক্ষক রতন আলী ও রাজিবুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।         শিক্ষার মান ও নৈতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা সমাবেশে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়ন, ক্যাম্পাসের পরিবেশ, নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি এবং পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বক্তারা বলেন: “শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং স্পোর্টস ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং রোভার স্কাউটিংয়ের মতো সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছি। আমাদের লক্ষ্য হলো তাদের কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত করা।”   গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তসমূহ শিক্ষার মান আরও উন্নত করতে সমাবেশে বেশ কিছু যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়: সরাসরি যোগাযোগ: শিক্ষার্থীদের যেকোনো একাডেমিক বা ব্যক্তিগত সমস্যায় অভিভাবকদের সাথে প্রতিষ্ঠান সরাসরি যোগাযোগ করবে। ফলাফল প্রেরণ: শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল নিয়মিতভাবে সরাসরি অভিভাবকদের নিকট পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা হবে। সজাগ নজরদারি: ক্লাসে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় অভিভাবক ও শিক্ষক উভয় পক্ষই আরও বেশি সজাগ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।   দক্ষ জনশক্তি ও বৈশ্বিক ভিশন দেশবরেণ্য তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর দর্শন নিয়ে আলোচনায় বক্তারা জানান, বর্তমানে সারাদেশে গুরুকুলের ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ) আধুনিক কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশীয় শ্রমবাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে বিদেশেও দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে, সে লক্ষ্যে তাদের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।     মুক্ত আলোচনা ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে এই সমাবেশটি শেষ হয়। অভিভাবকরা গুরুকুলের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, নিয়মিত এ ধরণের আয়োজন সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে এবং বিপথগামিতা রোধে অত্যন্ত সহায়ক হবে। আরও দেখুন: গুরুকুলে বিশেষ বৃত্তির কোটা

কুষ্টিয়া গুরুকুলের কম্পিউটার টেকনোলজির বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ, ২০১৬

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার কুষ্টিয়ার কম্পিউটার টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ | Parents/Guardians Meeting of Computer Technology of Gurukul, Kushtia

কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতি নিশ্চিত করার লক্ষে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৮ আগস্ট (২০১৬) গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক অংশ নেন, যা প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের মধ্যে এক নিবিড় মেলবন্ধন তৈরি করে।     সভার সভাপতিত্ব ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান চঞ্চল আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাগণ। তাদের মধ্যে ছিলেন: খোন্দকার রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) রফিকুল ইসলাম, ইনচার্জ (কমার্শিয়াল) মাধবী আইরিন ও আরিফুল ইসলাম, কম্পিউটার ট্রেড শিক্ষকবৃন্দ।   শিক্ষার মান ও সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব সমাবেশে বক্তারা গুরুকুলের মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর আলোকপাত করেন। তারা জানান, কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বিকাশে গুরুকুল বদ্ধপরিকর। বক্তারা উল্লেখ করেন: “শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং রোভার স্কাউটিংয়ের মতো এক্সট্রা কারিকুলাম কার্যক্রমের মাধ্যমে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলা হয়। আমাদের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তোলা যাতে তারা কর্মক্ষেত্রে এবং সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।” দক্ষ জনশক্তি ও বৈশ্বিক সুযোগ দেশের প্রথিতযশা তথ্যপ্রযুক্তিবিদ এবং গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর দর্শন অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে। সভায় জানানো হয়, বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ সারাদেশে গুরুকুলের অধীনে ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আধুনিক কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে দেশের জন্য ‘দক্ষ জনশক্তি’ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। বক্তারা গর্বের সাথে জানান যে, গুরুকুলের অনেক শিক্ষার্থী বর্তমানে দেশের বাইরেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে দক্ষতার সাথে কাজ করছে। মতবিনিময় ও প্রশ্নোত্তর পর্ব সমাবেশের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ছিল উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের পড়াশোনার পরিবেশ, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার এবং টেকনিক্যাল ল্যাবের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। উপস্থিত কর্মকর্তাবৃন্দ প্রতিটি প্রশ্নের যৌক্তিক ও সন্তোষজনক জবাব দেন। অভিভাবকদের সুচিন্তিত মতামত ও পরামর্শ ডায়েরিবদ্ধ করা হয় যাতে ভবিষ্যতে শিক্ষার মান আরও উন্নত করা যায়। সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির অংশ উল্লেখ্য যে, এই সমাবেশটি ছিল গুরুকুলের সপ্তাহব্যাপী অভিভাবক সমাবেশ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন। এর আগে শনিবার প্রথম দিনে গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। অভিভাবক সমাবেশের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করেছে। দিনশেষে এক চমৎকার হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে সমাবেশের সমাপ্তি ঘটে।