গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড ২০১৮ পেল গুরুকুল

জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড ২০১৮ পেল সুফি ফারুকের প্রতিষ্ঠান গুরুকুল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সজীব ওয়াজেদ জয় হাত থেকে পুরস্কার গ্রহন করছেন গুরুকুলের শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মাসুম।

তারুণ্যের আলোয় ঝলসে উঠল জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চ। সারাদেশের প্রায় আড়াই হাজার সংগঠনের মধ্য থেকে বাছাইকৃত ৩০টি শ্রেষ্ঠ সংগঠনকে সম্মান জানানো হয় এ আয়োজনে। সাভারের শেখ হাসিনা যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিজয়ী সংগঠনগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগঠনগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল প্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান গুরুকুল। দক্ষতা উন্নয়নে (স্কিল ডেভেলপমেন্ট) বিশেষ অবদানের জন্য গুরুকুলকে এ বছর নির্বাচিত করা হয়। গুরুকুলের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের উপাধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল মাসুম। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন গুরুকুলের শিক্ষক জান্নাত তাসনিম শোভা।     গুরুকুলের প্রতিষ্ঠাতা সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর দীর্ঘদিন ধরে তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিকাশে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা, প্রযুক্তি ও গবেষণাভিত্তিক নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।     ২০১৪ সালের নভেম্বরে ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন’ (সিআরআই)-এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ইয়াং বাংলা প্ল্যাটফর্ম থেকেই জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড প্রদান শুরু হয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তরুণদের অসাধারণ অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার ধারাবাহিকতায় এ পুরস্কার তৃতীয়বারের মতো দেওয়া হলো। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামসসহ বিশিষ্টজনেরা। দিনব্যাপী আয়োজনে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত তরুণ সংগঠনের প্রতিনিধিরা। এদিকে, গুরুকুল জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির আনন্দে তাদের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে বিজয় উদযাপন করে। এ অর্জনকে তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছে গুরুকুল পরিবার, যারা দক্ষ ও সচেতন নাগরিক গড়ে তুলে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণে অঙ্গীকারবদ্ধ।

স্বাধীনতা দিবসের মার্চ পাস্টে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে কুষ্টিয়া গুরুকুল

২৬ মার্চ, ২০১৯ – মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কুষ্টিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য মার্চ পাস্ট ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয় জেলা শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান।     গুরুকুলের অংশগ্রহণ এ আয়োজনে অংশ নেয় গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ এবং গুরুকুল গার্ল-ইন রোভার ইউনিট। সুসজ্জিত পোশাক, নিখুঁত শৃঙ্খলা এবং সুনিপুণ কায়দায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তারা দর্শক ও বিচারকদের মন জয় করে নেয়। ফলাফলে কলেজ গ্রুপে গুরুকুল রোভার স্কাউট মার্চ পাস্টে তৃতীয় স্থান অর্জন করে, যা প্রতিষ্ঠানটির জন্য গর্ব ও সম্মানের বিষয়। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন। তিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং গুরুকুল দলের প্রশংসা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন— গুরুকুলের সহকারী পরিচালক রাকিবুজ্জামান তানিম অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাসুম গুরুকুল রোভার সম্পাদক সোহাগ আহমেদ রোভার স্কাউটের সকল সদস্য   মার্চ পাস্টের তাৎপর্য ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য, শৃঙ্খলা ও দলগত সমন্বয় রক্ষায় মার্চ পাস্টের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা বাহিনীতে মার্চ পাস্টকে মৌলিক প্রশিক্ষণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একইভাবে স্কাউট কার্যক্রমেও অতিথিদের সম্মান প্রদর্শন ও দলগত শৃঙ্খলা প্রদর্শনের জন্য মার্চ পাস্টের প্রচলন রয়েছে। গুরুকুল সবসময় শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক জ্ঞানেই নয়, বরং শারীরিক সক্ষমতা, শৃঙ্খলা ও দলগত নেতৃত্বের গুণাবলিতেও গড়ে তুলতে কাজ করে আসছে। স্বাধীনতা দিবসের মার্চ পাস্টে তৃতীয় স্থান অর্জন প্রমাণ করে যে গুরুকুল শিক্ষার্থীরা শুধু শিক্ষায় নয়, বরং শৃঙ্খলা, দক্ষতা ও জাতীয় চেতনায় সমানভাবে সমৃদ্ধ।

গুরুকুলে ‘স্কিল কম্পিটিশন-২০১৬’ সম্পন্ন

কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট শিক্ষার্থীদের স্কিল কম্পিটিশন-২০১৬

শিক্ষার্থীদের কারিগরি দক্ষতা যাচাই ও সৃজনশীল উদ্ভাবন প্রদর্শনের লক্ষ্যে গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্কের আওতায় পরিচালিত কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউটে দিনব্যাপী ‘স্কিল কম্পিটিশন-২০১৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, বিশ্ব ব্যাংক এবং কানাডা সরকারের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত ‘স্কিলস এন্ড ট্রেনিং এনহেন্সমেন্ট প্রজেক্ট (STEP)’-এর ব্যবস্থাপনায় এই প্রতিযোগিতার প্রতিষ্ঠান পর্যায়টি সম্পন্ন হয়।   গুরুকুলে ‘স্কিল কম্পিটিশন-২০১৬’ সম্পন্ন   রবিবার সকালে কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। সারাদেশের ১৬২টি স্টেপ (STEP) অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ন্যায় কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা তাদের তাত্ত্বিক শিক্ষাকে বাস্তবে রূপান্তরের লক্ষ্যে ৭টি বিশেষ উদ্ভাবনী প্রজেক্ট প্রদর্শন করেন। শিক্ষার্থীদের প্রদর্শিত প্রজেক্টসমূহ শিক্ষার্থীদের মেধা ও কারিগরি কুশলতার সমন্বয়ে তৈরি প্রজেক্টগুলোর মধ্যে ছিল: রোবটিক্স প্রযুক্তি: কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের ৭ জন শিক্ষার্থীর সম্মিলিত উদ্ভাবন ‘রোবটিক্স কার’। নগর পরিকল্পনা: সিভিল বিভাগের ৪ জন শিক্ষার্থীর তৈরি ‘যানজট মুক্ত আধুনিক ফ্লাইওভার’ মডেল। ইলেক্ট্রিক্যাল উদ্ভাবন: এই বিভাগের ১০ জন শিক্ষার্থীর ৫টি ভিন্ন ভিন্ন প্রজেক্ট— ডিজিটাল গার্ড, মিনি ম্যাগনেটিক পাওয়ার সাপ্লাই, ওয়েস্ট পাওয়ার প্লান্ট, ওয়াটার লেভেল ইন্ডিকেটর এবং ডোর অ্যালার্ম। বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন ও অতিথি সমাগম শিক্ষার্থীদের এই সৃজনশীল কাজগুলো মূল্যায়নের জন্য বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল ও শিল্প খাতের বিশেষজ্ঞগণ: ইঞ্জিনিয়ার ইসরাইল হোসেন, চেয়ারম্যান, জিওটেক বিল্ডার্স লিমিটেড। মনিরুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এম এন্ড বি প্লাইউড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এছাড়াও বিশেষ পরিদর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টেপ (STEP)-এর সহকারী প্রোগ্রামার মোফাজ্জেল হোসেন। গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউটের প্রধান সমন্বয়কারী তানভির মেহেদি, লিগ্যাল এন্ড এডমিন ইনচার্জ শামীম রানা এবং ইনচার্জ ফাইন্যান্স রুহুল আমিন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ও পুরষ্কার বিচারকদের সূক্ষ্ম মূল্যায়নে উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও বাস্তবধর্মী উপযোগিতার ভিত্তিতে সেরা তিনটি প্রজেক্ট নির্বাচিত করা হয়: ১. প্রথম স্থান: কম্পিউটার টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত ‘রোবটিক কার’। ২. দ্বিতীয় স্থান: ইলেক্ট্রিক্যাল টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের ‘মিনি ম্যাগনেটিক পাওয়ার সাপ্লাই’। ৩. তৃতীয় স্থান: একই বিভাগের শিক্ষার্থীদের তৈরি ‘ডিজিটাল গার্ড’। প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকার গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্কের কর্মকর্তারা জানান, এ ধরণের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং বিশ্বমানের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট সর্বদা আধুনিক ও কর্মমুখী কারিগরি শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। আরও দেখুন: গুরুকুলে বিশেষ বৃত্তির কোটা

কুষ্টিয়া গুরুকুল এর আয়োজনে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী সভা

Meeting on unity against militancy and terrorism organized by Gurukul, Kushtia ৰ গুরুকুল শিক্ষা পরিবার কুষ্টিয়ার আয়োজনে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী সভা

নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে টানা ৪৫ দিন ধরে চলমান ‘জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও নাশকতা বিরোধী’ বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ এক বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের চলমান প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং উগ্রবাদের করাল গ্রাস থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতেই এই দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।     সারা দেশজুড়ে বহুমুখী কর্মসূচি উল্লেখ্য যে, গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে একযোগে এই সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— বর্ণাঢ্য র‍্যালি, অভিভাবক সমাবেশ, শ্রেণীকক্ষে সরাসরি প্রচার এবং সেমিনার। গত ৪৫ দিন ধরে চলা এই নিরবচ্ছিন্ন প্রচারণার মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে উগ্রবাদ বিরোধী এক শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছে। কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের বিশেষ সভা আজ শনিবার গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভার আয়োজন ও অংশগ্রহণে ছিল গুরুকুলের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানসমূহ: কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট স্পেশালাইজড ম্যাটস (MATS) গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউট স্পেশালাইজড মেডিকেল ইন্সটিটিউট স্পেশালাইজড আইএইচটি (IHT)   উপস্থিত দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দ সমাবেশে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। তাদের মধ্যে ছিলেন: শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) জান্নাতুল নাঈম, বিভাগীয় প্রধান (টেক্সটাইল) রাশনা শারমিন, বিভাগীয় প্রধান (ইলেকট্রিক্যাল) চঞ্চল আলী, বিভাগীয় প্রধান (কম্পিউটার)   বক্তাদের আহ্বান ও শপথ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী এই সমাবেশে বক্তারা একটি শান্তিকামী ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন: “গুরুকুলের প্রতিটি শিক্ষার্থী আজ এই মর্মে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে, তারা সকল প্রকার সন্ত্রাস, নাশকতা ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে। নিজেদের কেবল একজন সফল পেশাজীবী হিসেবেই নয়, বরং একজন আইনমান্যকারী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। আমাদের লক্ষ্য হলো একটি সুখী, সমৃদ্ধিশালী এবং গণতান্ত্রিক ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সক্রিয় অংশীদার হওয়া।” ব্যাপক অংশগ্রহণ ও সংহতি উক্ত সমাবেশে গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অভিভাবকরা গুরুকুলের এই দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরণের কর্মসূচি সন্তানদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে এবং তাদের নৈতিক চরিত্র গঠনে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।     অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীরা সমস্বরে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শপথ বাক্য পাঠ করে। গুরুকুলের এই সময়োপযোগী প্রচারণার মাধ্যমে কুষ্টিয়ার শিক্ষাঙ্গনে এক ইতিবাচক ও নিরাপদ পরিবেশের বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে।   আরও দেখুন: গুরুকুল ক্যাম্পাসে দ্বীন ও ধর্ম বিষয়ক নীতিমালা