২০১৫ এর সেপ্টেম্বরে কুষ্টিয়া গুরুকুলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার তার ক্রমবর্ধমান শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কুষ্টিয়া শহরের প্রধান ক্যাম্পাসে নিবেদিতপ্রাণ ও দক্ষ জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে নিম্নোক্ত পদে যোগ্য প্রার্থীদের নিকট হতে দরখাস্ত আহ্বান করছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস (সেপ্টেম্বর ২০১৫) স্মারক নং: গুরুকুল/নিয়োগ/২০১৫/৪২৭ তারিখ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ পদের নাম: জুনিয়র ইন্সট্রাকটর (Junior Instructor) বিভাগ: গণিত / পদার্থবিজ্ঞান / মেকানিক্যাল পদ সংখ্যা: ০১ (এক) জন শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হতে ন্যূনতম MATS ডিগ্রি। অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, তবে নতুনদের (Fresher) আবেদন করার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩০ বছর। কারিগরি দক্ষতা: এমএস এক্সেল (MS Excel) এবং সাধারণ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারে প্রাথমিক দক্ষতা আবশ্যক। কাজের বিবরণ ও দায়িত্বসমূহ: ফলাফল ভিত্তিক পাঠদান: শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য অর্জনে আধুনিক পদ্ধতিতে পাঠদান, কোচিং ও মেন্টরিং নিশ্চিত করা। উদ্ভাবনী শিক্ষণ কৌশল: শিক্ষাদান কার্যক্রমে গুণগত মান বজায় রাখতে সৃজনশীল ও কার্যকর কৌশল প্রয়োগ। শ্রেণিবিন্যাস ও ব্যবস্থাপনা: প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক সিলেবাস ও আউটলাইন অনুসরণ করে শ্রেণিকক্ষ পরিচালনা। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা: ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীর শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দাপ্তরিক নিরাপত্তা নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা। সময়সীমা: অর্পিত সকল দায়িত্ব নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন করা। গুরুকুল দর্শন ও কর্মপরিবেশ: গুরুকুল একটি ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজ গঠনে বিশ্বাসী। আমরা এমন একজন সহকর্মীকে খুঁজছি যিনি কেবল একজন শিক্ষক নন, বরং শিক্ষার্থীদের মানবিক ও কারিগরি বিকাশে একজন পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবেন। এখানে আপনি পাবেন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল কর্মপরিবেশ, যেখানে মেধা ও সৃজনশীলতাকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করা হয়। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: সরকারি বেতন কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন প্রদান করা হবে। আবেদন প্রক্রিয়া ও নির্দেশনা: আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখের মধ্যে নিম্নোক্ত ই-মেইল ঠিকানায় আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে: ই-মেইল: people@gurukul.edu.bd আবেদনের বিশেষ নির্দেশনা: ১. ই-মেইলের Subject-এ অবশ্যই পদের নাম (যেমন: Junior Instructor-Mathematics) উল্লেখ করতে হবে। ২. ই-মেইলের মূল অংশে (Body) আপনার যোগ্যতার সংক্ষিপ্ত বিবরণ লিখুন। ৩. ই-মেইল সিগনেচারে আপনার সোশ্যাল নেটওয়ার্ক প্রোফাইল লিঙ্ক এবং সক্রিয় ফোন নম্বর যুক্ত করুন। ৪. আপনার জীবনবৃত্তান্ত (CV) অবশ্যই MS Word অথবা PDF ফরম্যাটে সংযুক্ত করতে হবে। ৫. সাম্প্রতিক তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি .JPG ফরম্যাটে আলাদাভাবে সংযুক্ত করুন। আদেশক্রমে, প্রশাসন বিভাগ গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস
২০১৫ এর আগস্টের কুষ্টিয়া গুরুকুলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
দেশপ্রেম, নিষ্ঠা এবং আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে একটি শিক্ষিত, দক্ষ, কর্মঠ, রুচিশীল ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলার নিরন্তর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক। আমরা বিশ্বাস করি, কেবলমাত্র পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং মূল্যবোধসম্পন্ন কারিগরি শিক্ষাই পারে একটি সমৃদ্ধ জাতি উপহার দিতে। আপনি কি একজন স্বপ্নদ্রষ্টা এবং নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক? আপনি কি আপনার অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা দিয়ে আগামীর দক্ষ কারিগর তৈরিতে ভূমিকা রাখতে চান? গুরুকুলের এই অনন্য মিশনে সহযাত্রী হওয়ার জন্য আমরা আপনাকে সাদর আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। ২০১৫ এর আগস্টের কুষ্টিয়া গুরুকুলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পদের নাম: ইন্সট্রাক্টর ও জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর বিভাগ: গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও মেকানিক্যাল আবেদনের শেষ তারিখ: ৩০ আগস্ট, ২০১৫ ১. পদের নাম: ইন্সট্রাক্টর পদের সংখ্যা: ০৩ জন কর্মস্থল: কুষ্টিয়া (শহর) চাকরির ধরণ: পূর্ণকালীন শিক্ষাগত যোগ্যতা: * স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিত বা পদার্থবিজ্ঞানে এমএসসি/বিএসসি ডিগ্রি। অথবা, বিএসসি ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা মেকানিক্যালে ডিপ্লোমা। অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৪ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা। বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বেতন: সরকারি বেতন কাঠামো ও নিয়ম অনুযায়ী। কাজের বিবরণ ও দায়িত্ব: শিক্ষার্থীর মেধা বিকাশে ফলাফলভিত্তিক পাঠদান, কোচিং ও মেন্টরিং নিশ্চিত করা। মানসম্মত, কার্যকর এবং আনন্দদায়ক শিক্ষাদান পদ্ধতি বজায় রাখা। শ্রেণিকক্ষে আধুনিক ও উদ্ভাবনী শিক্ষণ কৌশল (Pedagogy) প্রয়োগ করা। প্রতিষ্ঠানের কোর্স সিলেবাস ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার কঠোরভাবে অনুসরণ করা। শ্রেণিকক্ষ ও ল্যাবরেটরি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে একাডেমিক সকল দায়িত্ব সম্পন্ন করা। ২. পদের নাম: জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর পদের সংখ্যা: ০৩ জন কর্মস্থল: কুষ্টিয়া (শহর) চাকরির ধরণ: পূর্ণকালীন শিক্ষাগত যোগ্যতা: * স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিত বা পদার্থবিজ্ঞানে এমএসসি/বিএসসি ডিগ্রি। অথবা, মেকানিক্যাল টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা। অভিজ্ঞতা: পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই (নতুনদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে)। বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বেতন: সরকারি নিয়ম অনুযায়ী। কাজের বিবরণ ও দায়িত্ব: সহকারী হিসেবে মানসম্মত পাঠদান প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া। শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শিক্ষা প্রদানে সিনিয়র ইন্সট্রাক্টরকে সহযোগিতা করা। শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা বিধি মেনে চলা নিশ্চিত করা। শিক্ষার্থীদের চারিত্রিক ও মানবিক গুণাবলী বিকাশে ভূমিকা রাখা। প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা (উভয় পদের জন্য): এমএস এক্সেল (MS Excel) এবং সাধারণ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারে মৌলিক দক্ষতা। ইন্টারনেট রিসার্চ ও ইমেইল কমিউনিকেশনে পারদর্শিতা। আবেদন প্রক্রিয়া ও নির্দেশনা: আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ৩০ আগস্ট, ২০১৫ তারিখের মধ্যে নিম্নলিখিত ঠিকানায় ইমেইলের মাধ্যমে আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। ইমেইল ঠিকানা: people@gurukul.edu.bd আবেদনের বিশেষ নিয়মাবলী: ১. ইমেইলের Subject-এ অবশ্যই পদের নাম (যেমন: Application for Instructor-Math) উল্লেখ করতে হবে। ২. ইমেইলের মূল অংশে (Body) আপনার যোগ্যতার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও কেন আপনি গুরুকুলের জন্য উপযুক্ত তা সংক্ষেপে লিখুন। ৩. ইমেইল সিগনেচারে আপনার সচল ফোন নম্বর এবং সোশ্যাল নেটওয়ার্ক (যেমন: LinkedIn/Facebook) প্রোফাইলের লিঙ্ক যুক্ত করুন। ৪. আপনার পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত (CV) অবশ্যই MS Word অথবা PDF ফরম্যাটে সংযুক্ত করুন। ৫. সাম্প্রতিক তোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি .JPG ফরম্যাটে আলাদাভাবে সংযুক্ত করতে হবে। প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগ, গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, কুষ্টিয়া। আরও দেখুন: কেন গুরুকুলে কাজ করবেন?
একটি সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল প্রজন্মের কারিগর হোন: আপনার একটি ক্ষুদ্র উদ্যোগ বদলে দিতে পারে একটি জীবন
বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো বিপুল সংখ্যক প্রাণোচ্ছ্বল তরুণ। কিন্তু এই বিশাল জনসম্পদ যখন উপযুক্ত শিক্ষার অভাবে কর্মসংস্থানহীন থাকে, তখন তা জাতির জন্য বোঝায় পরিণত হয়। গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক বিশ্বাস করে, কর্মমুখী কারিগরি শিক্ষাই পারে এই তরুণদের দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর করে একটি অভাবমুক্ত ও মর্যাদাবান সমাজ গড়ে তুলতে। একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ, একটি পরিবারের আলোকবর্তিকা আমরা বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছি—বাংলাদেশের একজন তরুণের জীবন পরিবর্তনে আপনিও আমাদের অংশীদার হতে পারেন। একজন শিক্ষার্থীকে তার কারিগরি শিক্ষা গ্রহণে পৃষ্ঠপোষকতা করার অর্থ কেবল তার ব্যক্তিগত উন্নয়ন নয়; এটি একটি সম্পূর্ণ পরিবারের দারিদ্র্য মুক্তি এবং অন্ধকার ভবিষ্যৎকে আলোকিত করার একটি স্থায়ী সমাধান। আপনি যখন একজন শিক্ষার্থীর চার বছরের শিক্ষার ব্যয়ভার গ্রহণের দায়িত্ব নেবেন, তখন কার্যত আপনি একটি পুরো পরিবারকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার শক্তি জোগাচ্ছেন। দেশি ও প্রবাসী দাতাদের প্রতি বিশেষ আহ্বান আমরা বাংলাদেশি নাগরিক, দেশপ্রেমিক প্রবাসী বাংলাদেশি এবং মহানুভব বিদেশি নাগরিকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাই—কোনো একক শিক্ষার্থী বা শিক্ষার্থীদের একটি ছোট দলের জন্য আমাদের ট্রাস্ট ফান্ড-এর মাধ্যমে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। আপনার এই বিনিয়োগ কোনো ত্রাণ নয়, বরং এটি একটি টেকসই বিনিয়োগ যা একটি দক্ষ প্রজন্ম তৈরি করবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: আমাদের অঙ্গীকার আপনার মূল্যবান অনুদানের প্রতিটি পয়সার সঠিক ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে গুরুকুল শিল্প ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে একটি শক্তিশালী ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেছে। মনোনয়ন প্রক্রিয়া: এই বোর্ড অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে প্রকৃত মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করে। নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ: তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতিবছর প্রথিতযশা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট দ্বারা নিরীক্ষা (Audit) করা হয়। দাতা বা পৃষ্ঠপোষক চাইলে নিজস্ব নিরীক্ষক নিয়োগ করে বা সরাসরি নিরীক্ষা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ: আমরা সম্মানিত দাতাদের আমাদের ক্যাম্পাস পরিদর্শনে আসার জন্য উৎসাহিত করি, যেন তারা সরাসরি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে অগ্রগতির প্রকৃত চিত্র মূল্যায়ন করতে পারেন। আপনার সাথে আমাদের সংযোগ গুরুকুল নিয়মিতভাবে দাতা বা পৃষ্ঠপোষকদের কাছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর একাডেমিক ফলাফল এবং কারিগরি দক্ষতার অগ্রগতির বিস্তারিত রিপোর্ট সরবরাহ করে। আপনার এই সহযোগিতা কেবল একটি দান নয়, বরং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে আপনার পক্ষ থেকে একটি ঐতিহাসিক অবদান। আজই এগিয়ে আসুন, আপনার হাত ধরেই গড়ে উঠুক একজন তরুণের রঙিন ভবিষ্যৎ। অতিরিক্ত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন: অস্ট্রেলিয়া যোগাযোগ: শাহেদ আবুবকর – ই-মেইল: shahed.abubakar@gurukul.edu.bd বাংলাদেশ যোগাযোগ: গুরুকুল প্রমুখ – ই-মেইল: pramukh@gurukul.edu.bd ট্রাস্টি বোর্ড ও প্রশাসন, গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক।
গুরুকুল এর সহযোগিতায় বরিশালে তথ্য প্রযুক্তি কর্মশালা

আজ বরিশালের রয়্যাল সেন্ট্রাল কলেজ প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং ও ক্যারিয়ার বিষয়ক বিশেষ তথ্য প্রযুক্তি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (BDOSN) এবং গুরুকুল-এর যৌথ উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বরিশাল অঞ্চলের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের মোট ৪৫ জন নির্বাচিত শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ সেশনগুলো অত্যন্ত কার্যকর ও ইন্টারঅ্যাক্টিভ পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। কর্মশালাটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন: জনাব সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর: বিশিষ্ট তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও প্রমুখ, গুরুকুল। জনাব নাহিদুল ইসলাম রুমেল: সাধারণ সম্পাদক, খুলনা বিডিওএসএন (BDOSN)। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে কারিগরি সহায়তায় সক্রিয় ছিলেন ‘প্রযুক্তিতে কুষ্টিয়া’ সংগঠনের নেতা নাদিমুজ্জামান টনু এবং মুহাইমিনুর রহমান পলল। সনদপত্র বিতরণ ও অতিথি মহোদয়গণ কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী সফল শিক্ষার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাননীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে দক্ষ জনশক্তি গড়তে ফ্রিল্যান্সিং ও তথ্য প্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেন: জনাব মাহফুজুর রহমান: নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। জনাব মুনীর হাসান: কনসালট্যান্ট, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং সাধারণ সম্পাদক, বিডিওএসএন। জনাব আরিফুর রহমান: অধ্যক্ষ, রয়্যাল সেন্ট্রাল কলেজ। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন দেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এম. হানিফ। গুরুকুল ও প্লুরালিস্টিক লক্ষ্য এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল তরুণ প্রজন্মকে গ্লোবাল মার্কেটপ্লেসের উপযোগী করে গড়ে তোলা। গুরুকুল-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের প্রতিটি প্রান্তে তথ্য প্রযুক্তির আলো পৌঁছে দিতে এবং একটি বৈষম্যহীন ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’র স্বপ্ন বাস্তবায়নে তারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে বিডিওএসএন ও এসএএসইজি-র সাথে এই যৌথ প্রয়াস ভবিষতেও অব্যাহত থাকবে।
গুরুকুল ট্রাস্ট ফান্ডের উপবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান ২০১১

গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় কুষ্টিয়া শহরের কালিশংকরপুরে অবস্থিত কুষ্টিয়া গুরুকুল-এর পদ্মা ক্যাম্পাসে ২০১১ সালের গুরুকুল ট্রাস্ট ফান্ড ও সাসেগ ট্রাস্ট ফান্ড এর উপবৃত্তি প্রদান ও কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে উপবৃত্তির চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কুষ্টিয়া গুরুকুল মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মু. ফজলুর রহমান। অনুষ্ঠানে ট্রাস্ট ফান্ড দুটির আওতায় ২০১১ সালের জন্য ৯টি নতুন ট্রাস্ট ফান্ড ঘোষণা করেন গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক এর প্রতিষ্টাতা প্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। নতুন ঘোষিত ট্রাস্ট ফান্ডগুলোর নাম:১. ফকির লালন শাহ২. মীর মোশাররফ হোসেন৩. কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদার৪. ড. প্রফেসর হুমায়ুন আজাদ৫. মুহাম্মদ আবুবকর৬. সুফি মুহাম্মদ আইনুদ্দিন৭. হাজী মোকাদ্দেস হোসেন৮. গাজী হাবিবুর রহমান৯. দানবীর আলাউদ্দিন আহমেদ কুষ্টিয়া গুরুকুল মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মু. ফজলুর রহমান। তিনি বলেন “বর্তমান বিশ্বে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই। গুরুকুলের উদ্যোগ তরুণদের কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচন করবে।”। বিশেষ অতিথীর বক্তব্যে এফবিএবি কুষ্টিয়া শাখার সভাপতি জনাব আক্কাস আলী মঞ্জু বলেন “ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে প্রশিক্ষিত কারিগরি জনশক্তি অপরিহার্য। গুরুকুলের শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে শিল্পখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।” এছাড়া কুষ্টিয়া গুরুকুলের কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউটের সহযোগী পরিচালক জনাব মো. ইয়াসিন আলী বলেন “আমাদের শিক্ষার্থীরা তত্ত্ব ও practically সমৃদ্ধ হয়ে বেরোচ্ছে। এটি জাতীয় উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।”। কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের পাওয়ার টেকনোলজির চিফ ইন্সট্রাক্টর জনাব মো. লিয়াকত আলী বলেন “কুষ্টিয়া পলিটেকনিকের অভিজ্ঞতায় বলছি—কারিগরি শিক্ষার প্রসারই শিল্পায়নের প্রধান চাবিকাঠি।” কুষ্টিয়া গুরুকুলের কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউটের পরিচালনা পর্ষদ সদস্য জনাব মনির হাসান বলেন “গুরুকুলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তরুণদের জীবনে গুণগত পরিবর্তন আনছে। এই ধারা অব্যাহত থাকুক।” সভাপতির বক্তব্যে সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর বলেন, “বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করতে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারে গুরুকুল ইতিমধ্যেই কয়েকটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছে এবং আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কাজ চলমান। এখান থেকে স্বল্প খরচে শিক্ষার্থীরা দ্রুত সময়ে কর্মমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ গঠনে অবদান রাখতে সক্ষম হবে।” অনুষ্ঠানে গুরুকুলের কৃতি ছাত্র–ছাত্রী, অভিভাবক এবং স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও কুষ্টিয়ার জনপ্রিয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ ব্যান্ড শো অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাসেগ-এর সমন্বয়কারী তানভীর মেহেদী এবং অ্যাডমিন অফিসার আনোয়ার কবির বকুল। আরও দেখুন: বিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রীর হাতে গুরুকুল ক্যাম্পাসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
বিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রীর হাতে গুরুকুল ক্যাম্পাসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং কারিগরি শিক্ষার প্রসারে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল কুষ্টিয়ার গুরুকুল শিক্ষা পরিবার। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান কুষ্টিয়া শহরের কালিশংকরপুর এলাকায় অবস্থিত গুরুকুলের নবনির্মিত আধুনিক ক্যাম্পাসের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান গুরুকুলের শিক্ষা কার্যক্রম এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসারে প্রতিষ্ঠানটির অগ্রণী ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন: “প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কেবল দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে না, বরং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথকে ত্বরান্বিত করে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের তরুণ প্রজন্মকে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা সময়ের দাবি। গুরুকুল এ ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।” উদ্বোধনকৃত এই বিশাল ক্যাম্পাসটি মূলত গুরুকুলের বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ‘কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট’-এর শিক্ষার্থীদের জন্য উৎসর্গ করা হয়েছে। এখানে আধুনিক অবকাঠামো এবং বিশ্বমানের ল্যাবরেটরি সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ক্যাম্পাসে নিয়মিতভাবে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডিসিপ্লিনে পাঠদান করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে – ডিপ্লোমা ইন সিভিল, মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল, পাওয়ার, কম্পিউটার ও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং। ফিতা কেটে উদ্বোধন শেষে মাননীয় মন্ত্রী প্রতিষ্ঠানের অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, সিভিল ল্যাব এবং ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কশপসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখেন। এসময় গুরুকুল প্রমুখ এবং প্রখ্যাত তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর মাননীয় মন্ত্রীকে ল্যাবরেটরিগুলোর সক্ষমতা এবং গবেষণার সুযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফিং প্রদান করেন। মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুলের চেয়ারম্যান আজিজা আহমেদ, প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ এবং কুষ্টিয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। গুরুকুল কর্তৃপক্ষ জানায়, এই নতুন ক্যাম্পাসটি শিক্ষার্থীদের জন্য কেবল একটি ভবন নয়, বরং এটি একটি গবেষণাকেন্দ্র এবং দক্ষতা উন্নয়নের ‘হাব’ হিসেবে কাজ করবে। শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তিসম্পন্ন ও অনুকূল শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পড়াশোনা শেষে তাদের কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলাই এই ক্যাম্পাসের মূল লক্ষ্য। মাননীয় মন্ত্রীর এই সফর এবং নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধন কুষ্টিয়ার কারিগরি শিক্ষার ইতিহাসে একটি বিশেষ দিকচিহ্ন হয়ে থাকবে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে গুরুকুল শিক্ষা পরিবার দেশের দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার অঙ্গীকারকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল। আরও দেখুন: গুরুকুল ট্রাস্ট ফান্ডের উপবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান ২০১১
ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমার ২য় ও ৪থ সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষার নোটিশ
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা কোর্সের ২০১১-২০১২ সেশনের ২য় সেমিস্টার এবং ২০১০-২০১১ সেশনের ৪র্থ সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষার সময়সূচী ও কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১২ তারিখ থেকে এই পরীক্ষা একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে। পরীক্ষা ও সেশনের বিবরণ প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরীক্ষার জন্য দুটি পৃথক সেশনের শিক্ষার্থীদের জন্য কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে: ৪র্থ সেমিস্টার (সেশন ২০১০-২০১১): এই সেশনের পরীক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। ২য় সেমিস্টার (সেশন ২০১১-২০১২): এই সেশনের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে। পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা পরীক্ষা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ নিম্নোক্ত নির্দেশনা প্রদান করেছেন: সকল পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত তারিখ ও নির্ধারিত কেন্দ্রে সঠিক সময়ে উপস্থিত থাকতে হবে। পরীক্ষা শুরুর নূন্যতম ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করে নিজ নিজ আসন গ্রহণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র (Admit Card) এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য পর্যাপ্ত সময় ও সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে কেন্দ্র সচিব ও কক্ষ পরিদর্শকদের বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। পরীক্ষার রুটিন ও কেন্দ্র সংক্রান্ত কোনো জটিলতা থাকলে শিক্ষার্থীদের দ্রুত নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক শাখার সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। দেশের কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে এবং দক্ষ প্রকৌশলী গড়ার এই প্রক্রিয়ায় পরীক্ষার্থীদের সাফল্য কামনা করেছে কর্তৃপক্ষ।