গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

কুষ্টিয়া গুরুকুলের লালন সাঁই ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

কুষ্টিয়া গুরুকুল এর কালিশংকরপুর ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা দিবসের কার্যক্রম।

কুষ্টিয়া, ১৪ মার্চ ২০১৬ – গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের উদ্যোগে শহরের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় কুষ্টিয়া শহরের কালিশংকরপুরস্থ ক্যাম্পাস-১ প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অভিযানের উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র মতিউর রহমান মজনু এবং স্থানীয় ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জোমারত আলী।   অনুষ্ঠানের পরিবেশ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে উদ্বোধনী পর্বটি এক প্রাণবন্ত ও অনুপ্রেরণামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করে। প্যানেল মেয়র উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন — “আবর্জনাকে সম্পদে রূপান্তরে পৌরসভাকে সহায়তা করুন। যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলবেন না, ড্রেনে আবর্জনা ফেলে পানি প্রবাহ বন্ধ করবেন না। নিজের আঙিনা নিজে পরিষ্কার রাখুন এবং অন্যদেরও পরিষ্কার রাখতে উদ্বুদ্ধ করুন।” তিনি গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের এই উদ্যোগকে কুষ্টিয়া পৌরসভার পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান এবং এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনার আহ্বান জানান। উপস্থিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন — মনির হাসান রিন্টু, পরিচালক (প্রশাসন) তানভীর মেহেদি, প্রধান সমন্বয়কারী শামীম রানা, লিগ্যাল ও মিডিয়া ইনচার্জ খোন্দকার রুহুল আমিন, ফাইনান্স ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম, এডমিন ইনচার্জ রিয়াজ উদ্দিন, এইচ আর ইনচার্জ দীপক কুমার মণ্ডল, রেজিস্ট্রার রফিকুল ইসলাম, কমার্শিয়াল ইনচার্জ মন্টু বাইন, একাডেমিক ইনচার্জ (মেডিকেল সেকশন) মাসরুর রহমান শুভ, আইটি ইনচার্জ তৌফিক এলাহি ওয়ারা, বিভাগীয় ইনচার্জ (সিভিল) জান্নাতুল নাঈম, বিভাগীয় ইনচার্জ (টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ডিজাইন) রাশনা শারমিন, বিভাগীয় ইনচার্জ (ইলেকট্রিক্যাল) চঞ্চল আলী, বিভাগীয় ইনচার্জ (কম্পিউটার) মামুন হক, বিভাগীয় ইনচার্জ (মেকানিক্যাল) ওয়াহেদ মতিন, বিভাগীয় ইনচার্জ (আর এস) এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের বিভিন্ন ক্যাম্পাসের শতাধিক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী।   অভিযানের কার্যক্রম একযোগে কুষ্টিয়াস্থ গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের সব ক্যাম্পাসে পরিচালিত এই অভিযানে অংশগ্রহণকারীরা নিজ হাতে ক্যাম্পাস চত্বর, সংলগ্ন সড়ক ও ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে শুধু শারীরিক পরিচ্ছন্নতাই নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও পরিবেশ সচেতনতার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।   ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গুরুকুল শিক্ষা পরিবার ঘোষণা করেছে যে, তারা এখন থেকে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করবে, যাতে ক্যাম্পাস ও আশেপাশের পরিবেশ সবসময় স্বাস্থ্যসম্মত ও দৃষ্টিনন্দন থাকে।

কুষ্টিয়া গুরুকুলের কাঙ্গাল হারিনাথ ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

কুষ্টিয়া গুরুকুল এর কাঙ্গাল হরিনাথ ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা দিবসের কার্যক্রম।

কুষ্টিয়া, ১৪ মার্চ ২০১৬ – পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের উদ্যোগে কাঙ্গাল হারিনাথ ক্যাম্পাসে এক পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় এ অভিযানের উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র মতিউর রহমান মজনু এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জোমারত আলী।     অনুষ্ঠানের পরিবেশ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে উদ্বোধনী মুহূর্তটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও অনুপ্রেরণাদায়ক। উদ্বোধন শেষে প্যানেল মেয়র বলেন— “শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রত্যেকেরই দায়িত্ব রয়েছে। আবর্জনা যেখানে-সেখানে না ফেলে সঠিকভাবে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। নিজের বাসা ও কর্মস্থল পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি প্রতিবেশীকেও সচেতন করতে হবে।” তিনি গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এমন অভিযান নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।     উপস্থিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন — মনির হাসান রিন্টু, পরিচালক (প্রশাসন) তানভীর মেহেদি, প্রধান সমন্বয়কারী শামীম রানা, লিগ্যাল ও মিডিয়া ইনচার্জ খোন্দকার রুহুল আমিন, ফাইনান্স ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম, এডমিন ইনচার্জ রিয়াজ উদ্দিন, এইচ আর ইনচার্জ দীপক কুমার মণ্ডল, রেজিস্ট্রার রফিকুল ইসলাম, কমার্শিয়াল ইনচার্জ মন্টু বাইন, একাডেমিক ইনচার্জ (মেডিকেল সেকশন) মাসরুর রহমান শুভ, আইটি ইনচার্জ তৌফিক এলাহি ওয়ারা, বিভাগীয় ইনচার্জ (সিভিল) জান্নাতুল নাঈম, বিভাগীয় ইনচার্জ (টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ডিজাইন) রাশনা শারমিন, বিভাগীয় ইনচার্জ (ইলেকট্রিক্যাল) চঞ্চল আলী, বিভাগীয় ইনচার্জ (কম্পিউটার) মামুন হক, বিভাগীয় ইনচার্জ (মেকানিক্যাল) ওয়াহেদ মতিন, বিভাগীয় ইনচার্জ (আর এস) এছাড়াও ক্যাম্পাসের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ বিপুল সংখ্যক অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন।     অভিযানের কার্যক্রম পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণকারীরা কাঙ্গাল হারিনাথ ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ, সংলগ্ন রাস্তা, ড্রেন এবং উন্মুক্ত স্থানের ময়লা-আবর্জনা নিজের হাতে পরিষ্কার করেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যক্তিগত ও সামাজিক স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করাই ছিল এ কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য।     ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গুরুকুল শিক্ষা পরিবার জানিয়েছে, তারা কাঙ্গাল হারিনাথ ক্যাম্পাসসহ কুষ্টিয়াস্থ সব ক্যাম্পাসে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়ে যাবে, যাতে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।            

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিন পালন

কুষ্টিয়া গুরুকুল এ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর এর ৯৭ তম জন্মদিন ও জাতিয় শিশু দিবস উদযাপন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিন পালন : দেশসেরা শিক্ষা গ্রুপ সাসেগ-গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের কুষ্টিয়াস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্পেশালাইজড ম্যাটস্, সাসেগ-গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউট, স্পেশালাইজড মেডিকেল ইন্সটিটিউট, কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট, স্পেশালাইজড আইএইচটি, কুমারখালী টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট এর আয়োজনে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ১৭ মার্চ, ২০১৬ তারিখে কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-২, শহরের হাসপাতাল মোড় থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী মজমপুর গেটে বঙ্গবন্ধুর মোর‌্যালে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ কালিশংকরপুরে ফিরে আলোচনা সভা কেক কেটে উদযাপন করা হয় বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাসেগ গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের পরিচালক,প্রশাসন মনির হাসান, প্রধান সমন্বয়কারী তানভির মেহেদি, সাসেগ-গুরুকুল রোভার স্কাউটের সভাপতি ও লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া সমন্বয়কারী শামীম রানা, ফাইনান্স ইনচার্জ খোন্দকার রুহুল আমিন। আরও উপস্থিত ছিলেন এডমিন ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম, ইনচার্জ এইচ আর রিয়াজ উদ্দিন, রেজিষ্টার দিপক কুমার মন্ডল, ইনচার্জ কমার্শিয়াল রফিকুল ইসলাম, মেডিকেল সেকশনের একাডেমিক ইনচার্জ মন্টু বাইন, আইটি ইনচার্জ মাসরুর রহমান শুভ, সিভিল বিভাগের প্রধান তৌফিক এলাহী ওয়ারা, টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ডিজাইন বিভাগের প্রধান জান্নাতুল নাঈম। আরও উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের প্রধান রাশনা শারমিন, কম্পিউটার বিভাগের প্রধান চঞ্চল আলী, মেকানিক্যাল বিভাগের প্রধান মামুন হক, আর এস বিভাগের প্রধান ওয়াহেদ মতিন, স্কাউট লিডার মিরাজ আলী সহ সকল শীক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারি ও সাসেগ-গুরুকুল রোভার স্কাউটের সদস্য বৃন্দ। [ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিন পালন ]

কুষ্টিয়া গুরুকুলের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহের বিদায় অনুষ্ঠান

কুষ্টিয়া গুরুকুল এর ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ সমূহের বিদায় অনুষ্ঠান ২০১৬।

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার কুষ্টিয়াস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে আয়োজন করেছিল এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মান জানাতে এবং তাদের নতুন জীবনের পথে উৎসাহ যোগাতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি ছিল স্মরণীয় ও আবেগঘন।   অনুষ্ঠানের সময় ও স্থান গত ৪ এপ্রিল ২০১৬, সকাল ৯টা থেকে দিনব্যাপী কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এ বিদায় অনুষ্ঠান। বিদায় অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক ও কম্পিউটার বিভাগের বিভাগীয় ইনচার্জ চঞ্চল আলী সভাপতিত্ব করেন।     প্রধান অতিথি ও সম্মানিত উপস্থিতি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আনিসুর রহমান মাহমুদ।অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— ইঞ্জিনিয়ার মতিয়ার রহমান, সিনিয়র ম্যানেজার, কোয়ালিটি কন্ট্রোল বিভাগ, বিআরবি ক্যাবলস ইন্ডাষ্ট্রিজ লি., কুষ্টিয়া আফজাল হোসেন, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (টেকনিক্যাল), বিআরবি ক্যাবলস ইন্ডাষ্ট্রিজ লি., কুষ্টিয়া ইঞ্জিনিয়ার একেএম শরীফ উদ্দীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (তড়িৎ), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া সানোয়ার হোসেন সৌরভ, সভাপতি, কুষ্টিয়া ফ্রিল্যান্সার এসোসিয়েশন হাজী আরিফ, সহ-সভাপতি, কুষ্টিয়া ফ্রিল্যান্সার এসোসিয়েশন সাজাহান আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও পাকিজা টেক্সটাইল কুষ্টিয়ার ডিস্ট্রিবিউটর এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন— সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর, প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ও তথ্য প্রযুক্তিবিদ মনির হাসান, পরিচালক (প্রশাসন) তানভীর মেহেদি, প্রধান সমন্বয়কারী শামীম রানা, সমন্বয়কারী, লিগ্যাল ও মিডিয়া বিভাগ   অতিথিদের বক্তব্য অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন— গুরুকুল শিক্ষা পরিবার ইতোমধ্যেই ১৫টি কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে কুষ্টিয়া সহ সারাদেশের কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তারা আরও বলেন, কারিগরি শিক্ষা একজন শিক্ষার্থীকে শুধু আত্মনির্ভরশীল করে তোলে না, বরং তাকে দেশের এক মূল্যবান মানবসম্পদে পরিণত করে। সাধারণ শিক্ষার সাথে কারিগরি শিক্ষার পার্থক্য তুলে ধরে অতিথিরা অভিভাবকদের সন্তানদের কারিগরি শিক্ষায় উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।   বিদায়ী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ৬ শতাধিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন— জান্নাতুল নাঈম, বিভাগীয় ইনচার্জ, টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ডিজাইন এন্ড প্যাটার্ন মেকিং রাশনা শারমিন, বিভাগীয় ইনচার্জ, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগ তৌফিক এলাহি ওয়ারা, বিভাগীয় ইনচার্জ, সিভিল বিভাগ মামুন হক, বিভাগীয় ইনচার্জ, মেকানিক্যাল বিভাগ ওয়াহেদ মতিন, বিভাগীয় ইনচার্জ, আরএস বিভাগ   সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আলোচনা সভা শেষে গুরুকুল কালচারাল ক্লাব মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আবহ আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। গান, নৃত্য, আবৃত্তি এবং নাটিকা পরিবেশনার মাধ্যমে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের প্রতি ভালোবাসা ও শুভকামনা জানানো হয়।   অনুষ্ঠান পরিচালনা দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের সার্বিক উপস্থাপনা করেন—সোনিয়া মাহমুদ, ইয়াছিন আরাফাত, সাবরিনা মমতাজ চয়ন, রাশনা শারমিন, জোনাকী খাতুন, নাহিদ ফারজানা ও সিদ্ধার্থ সৌভন রায়। ???? ফটো অ্যালবাম: https://www.flickr.com/photos/142554226@N06/sets/72157670552367430

কুষ্টিয়া গুরুকুলের আয়োজনে বর্ণাঢ্য ১৪২২ নববর্ষ উদযাপন

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার কুষ্টিয়ার বাংলা নববর্ষ ১৪২৩ উদযাপন | Bangla New Year 1423 Celebration, Gurukul Kushtia

দেশসেরা শিক্ষা গ্রুপ গুরুকুল শিক্ষা পরিবার এর আয়োজনে বৈশাখের প্রথম দিনটি পরিণত হয়েছিল এক প্রাণবন্ত, আনন্দঘন ও বর্ণাঢ্য উৎসবে। দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা এবং প্রাণখোলা মিলনমেলায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা একসাথে উদযাপন করেছেন বাংলা নববর্ষ।     মঙ্গল শোভাযাত্রায় রঙের উৎসব বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় কালিশংকরপুরস্থ কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা। ঢাক-ঢোল, কুলা, আলপনার নকশা, মুখোশ ও পান্তা-ইলিশের প্রতীকী সাজে সজ্জিত শিক্ষার্থীরা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী প্রতীক যেমন বাঘের মুখোশ, পালকি, গ্রামীণ কৃষিজ সামগ্রী ও বৈশাখী পতাকা বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। শোভাযাত্রা শেষ হয় হাসপাতাল মোড়স্থ কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-২ এ।   ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শোভাযাত্রা শেষে অনুষ্ঠিত হয় গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা খেলা যেমন— দড়ি টানাটানি, বালিশ খেলা, কানামাছি, গোল্লাছুট ইত্যাদি। পরে গুরুকুল কালচারাল ক্লাব এর আয়োজনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান, নৃত্য, আবৃত্তি এবং নাটিকা পরিবেশিত হয়, যা বৈশাখী আনন্দকে আরও রঙিন করে তোলে।   আলোচনা সভা ও রম্য বিতর্ক অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বৈশাখ উপলক্ষে আয়োজিত রম্য বিতর্ক প্রতিযোগিতা।বিষয় ছিল: “বৈশাখী প্রেমে ক্ষয়, বন্ধুত্বের হোক জয়”।গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের পক্ষ ও বিপক্ষ দলের প্রাণবন্ত যুক্তিতর্কে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা উপভোগ করেন হাস্যরস ও তাৎপর্যমণ্ডিত বিতর্ক। প্রতিযোগিতায় পক্ষ দল বিজয়ী হয়।   অতিথি ও আয়োজকবৃন্দের উপস্থিতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— শামীম রানা, লিগ্যাল ও মিডিয়া সমন্বয়কারী, গুরুকুল শিক্ষা পরিবার মন্টু বাইন, একাডেমিক ইনচার্জ, মেডিকেল সেকশন জান্নাতুল নাঈম, বিভাগীয় প্রধান, টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ডিজাইন বিভাগ চঞ্চল আলী, বিভাগীয় প্রধান, কম্পিউটার বিভাগ রাশনা শারমীন, বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগ তৌফিক এলাহি ওয়ারা, বিভাগীয় প্রধান, সিভিল বিভাগ মামুন হক, বিভাগীয় প্রধান, মেকানিক্যাল বিভাগ ওয়াহেদ মতিন, বিভাগীয় প্রধান, আরএস বিভাগ দীপক কুমার মণ্ডল, রেজিস্ট্রার রিয়াজ উদ্দিন, এইচআর মিরাজ আলী, আহবায়ক, পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটি এছাড়াও গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।   বাংলা নববর্ষের বার্তা বক্তারা বলেন, পহেলা বৈশাখ শুধুমাত্র উৎসবের দিন নয়, এটি বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের বহিঃপ্রকাশ। গুরুকুল শিক্ষা পরিবার প্রতি বছর এই দিনটি উৎসাহ ও আবেগের সাথে উদযাপন করে, যাতে শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশপ্রেম ও সাংস্কৃতিক চেতনা আরও দৃঢ় হয়।

কুষ্টিয়া গুরুকুলের ভিন্নধর্মী একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন

গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের অন্য রকম একুশ উদযাপন।

কুষ্টিয়া, ২১ ফেব্রুয়ারি – “আমরা দাপ্তরিক সকল কাজ, এমনকি ইন্টারনেট ইমেইলেও বাংলা ভাষা ব্যবহার করি—আপনি?”এই অনন্য স্লোগানকে সামনে রেখে, দেশসেরা শিক্ষা-গ্রুপ গুরুকুল শিক্ষা পরিবার এবার কুষ্টিয়ায় আয়োজন করেছে এক ভিন্নধর্মী একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন কর্মসূচি।       শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সকালে, সাসেগ-গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের বিভিন্ন ক্যাম্পাসের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মাধ্যমে দিনটির সূচনা করে। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর, শিক্ষার্থীরা নানা রঙের ব্যানার, ফেস্টুন, ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে শোভাযাত্রার মাধ্যমে কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি ও আলোচনা সভা পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে, সকল অংশগ্রহণকারী হাসপাতাল মোড়স্থ কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-২ এ ফিরে এসে শুরু হয় দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা।আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— আলম আরা জুইঁ, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সভাপতি, কুষ্টিয়া আবৃত্তি পরিষদ ড. বাকীবিল্লাহ বিকুল, সহযোগী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মোঃ নজরুল ইসলাম, কাউন্সিলর, ৬ নং ওয়ার্ড, কুষ্টিয়া পৌরসভা মনির হাসান, পরিচালক (প্রশাসন), গুরুকুল শিক্ষা পরিবার বক্তারা গুরুকুলের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক সুফি ফারুক ইবনে আবু বকর-এর সুস্বাস্থ্য কামনা করেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে গুরুকুল শিক্ষা পরিবার দেশের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ইয়াসিন আরাফাত তুষার (ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ) এবং রত্না আক্তার (মেডিকেল বিভাগ) শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন। গুরুকুল কম্পিউটার ক্লাব আয়োজিত “কম্পিউটার ও মাতৃভাষা” বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা ও মূল স্লোগানকে কেন্দ্র করে উপস্থিত বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়। গুরুকুল কালচারাল ক্লাব পরিবেশন করে দেশাত্মবোধক গান, নৃত্য ও আবৃত্তি। মাতৃভাষার সর্বস্তরের ব্যবহারের গুরুত্ব নিয়ে রচনা প্রতিযোগিতা হয়। গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব আয়োজন করে “সর্বক্ষেত্রে মাতৃভাষার ব্যবহার” শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা। গুরুকুল রোভার স্কাউট পরিবেশন করে মাতৃভাষার সঠিক ব্যবহারের উপর নাটিকা। পুরস্কার বিতরণ ও সমন্বয়কারীরা আলোচনা সভা শেষে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন— শামীম রানা, সভাপতি, গুরুকুল রোভার স্কাউট মিরাজ আলী, গ্রুপ লিডার জান্নাতুল ফেরদৌস ও ফজলে হাসান রাব্বী, সমন্বয়কারী, কালচারাল ক্লাব চঞ্চল আলী, সমন্বয়কারী, কম্পিউটার ক্লাব আলমগীর হোসেন, সমন্বয়কারী, হেলথ ক্লাব   অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রাশনা শারমিন, মডারেটর, গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব ও আহবায়ক, একুশ উদযাপন কমিটি।

কুষ্টিয়া গুরুকুলে সরস্বতী পূজা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত

গুরুকুল এর শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীদের উদ্যোগে সরস্বতী পূজা।

দেশের অন্যতম শীর্ষ কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুরুকুল শিক্ষা পরিবার তাদের কুষ্টিয়া হাসপাতাল মোড়ে অবস্থিত ক্যাম্পাস-২-এ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সৌহার্দ্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আয়োজিত করল সরস্বতী পূজা ২০২৫। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্যোগে আয়োজিত এই পূজা সকাল ১০টায় পূজার্চনা ও আরাধনার মাধ্যমে শুরু হয়।   উপস্থিতি ও নেতৃত্ব উৎসবে উপস্থিত ছিলেন— মনির হাসান, পরিচালক (প্রশাসন), গুরুকুল শিক্ষা পরিবার তানভির মেহেদী, প্রধান সমন্বয়কারী এস. এম. শামীম রানা, লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর মন্টু বাইন, একাডেমিক ইনচার্জ, মেডিকেল বিভাগ হেলাল উদ্দিন, একাডেমিক ইনচার্জ, ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ খন্দকার রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইনান্স) দীপক কুমার মন্ডল, সহকারী রেজিস্ট্রার নৃপেন কুমার সাহা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা   বক্তব্য ও অনুভূতি শিক্ষক ও কর্মকর্তারা তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন— “গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে সকলের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা নিশ্চিত করা হয়। প্রতিটি ধর্মের মানুষ যেন তাদের নিজস্ব বিশ্বাস ও প্রথা পালনে সমান সুযোগ পায়—এটাই আমাদের লক্ষ্য।” তাঁরা আরও বলেন, সরস্বতী দেবী জ্ঞানের প্রতীক। তাঁর আশীর্বাদে মানব সমাজে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়ে। এদিন ভক্তরা দেবীর কাছে নিজেদের ব্যক্তিগত শিক্ষাজীবনের সাফল্যের পাশাপাশি গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির জন্যও প্রার্থনা করেন। পূজার আচার ও সাংস্কৃতিক আবহ পূজা মণ্ডপে সকাল থেকে ফুল, ধূপ ও প্রসাদের সুবাস ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা একত্রে পূজার্চনা করেন এবং পরবর্তীতে প্রসাদ বিতরণ ও আড্ডায় মিলিত হন। পুরো ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর এক মিলনমেলার আবহ সৃষ্টি হয়।

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার ও রবি আজিয়াটা’র মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার এর সাথে মোবাইল অপারেটর রবির কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর। Gurukul Robi Contract Signing

বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুরুকুল শিক্ষা পরিবার এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল অপারেটর কোম্পানি রবি আজিয়াটা লিমিটেড এর মধ্যে একটি কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, রবি গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বিশেষ কর্পোরেট মোবাইল সেবা প্রদান করবে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান গতকাল কুষ্টিয়া শহরের কালিশংকরপুর ক্যাম্পাস-১ এর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়। রবি আজিয়াটা-এর পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করেন হাসিবুল হক, এন্টারপ্রাইজ বিজনেস ম্যানেজার। গুরুকুল শিক্ষা পরিবার-এর পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করেন মনির হাসান, পরিচালক (প্রশাসন), এবং শামীম রানা, লিগ্যাল ও মিডিয়া সমন্বয়কারী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রধান সমন্বয়কারী তানভীর মেহেদি, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী। চুক্তির মূল দিকসমূহ এই চুক্তির আওতায়: গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ৫০০টি রবি কর্পোরেট সিম প্রদান করা হবে। বিশেষ কর্পোরেট ট্যারিফ প্ল্যান ও ভ্যালু-অ্যাডেড সার্ভিসের মাধ্যমে দ্রুত যোগাযোগ ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে। রবি আজিয়াটা গুরুকুল শিক্ষা পরিবারকে কল, এসএমএস, ডাটা প্যাকেজ এবং অন্যান্য কর্পোরেট সল্যুশনসহ পূর্ণাঙ্গ সেবা দেবে। দুই প্রতিষ্ঠানের অভিমত গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের পরিচালক প্রশাসন মনির হাসান বলেন: “এই চুক্তি আমাদের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও দ্রুত ও কার্যকর করবে, যা শিক্ষাদান ও প্রশাসনিক কাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।” রবি আজিয়াটা’র এন্টারপ্রাইজ বিজনেস ম্যানেজার হাসিবুল হক বলেন: “গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের মতো একটি শীর্ষ কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমরা গর্বিত। আমাদের উন্নত নেটওয়ার্ক ও কর্পোরেট সল্যুশন তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।”

কুষ্টিয়া গুরুকুলের আন্তঃটেকনোলজি বিজয় দিবস ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০১৫ এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

SASEG Cricket Tournament কুষ্টিয়া গুরুকুলের আন্তঃটেকনোলজি বিজয় দিবস ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০১৫ এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে ক্রীড়া ও ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধনে কুষ্টিয়ায় শুরু হয়েছে ‘আন্তঃটেকনোলজি বিজয় দিবস ক্রিকেট টুর্নামেন্ট–২০১৫’। কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের নিয়মিত আয়োজনের অংশ হিসেবে এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই টুর্নামেন্টের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলাধুলার প্রসার এবং বিজয়ের চেতনাকে ছড়িয়ে দেওয়াই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।     উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও বিজয়ের উল্লাস গতকাল সকাল ৯টায় কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং নিশান মোড় সংলগ্ন একতা মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে এই টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়া গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকৌশলী শহিদ মো. কবির এবং বাসার ক্রিকেট একাডেমির পরিচালক আপন বাশার। উদ্বোধনী বক্তব্যে অতিথিরা বলেন, পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি শরীর চর্চা ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। পূর্ববর্তী আসরের পুরস্কার বিতরণী টুর্নামেন্ট শুরুর প্রাক্কালে একটি বিশেষ পর্বে ‘আন্তঃটেকনোলজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট–২০১৪’-এর সফল সমাপনী শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক নৃপেন কুমার সাহা-এর সভাপতিত্বে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাসেগ–গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রশাসনিক পরিচালক মনির হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে মঞ্চ অলংকৃত করেন কুষ্টিয়া গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জামাত আলী। উপস্থিত সম্মানিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের বিভিন্ন বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: তানভীর মেহেদী, প্রধান সমন্বয়কারী। ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন, একাডেমিক ইনচার্জ (ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ)। মন্টু বাইন, একাডেমিক ইনচার্জ (মেডিকেল বিভাগ)। শামীম রানা, লিগ্যাল ও মিডিয়া সমন্বয়কারী। রফিকুল ইসলাম, প্রমোশন বিভাগ প্রধান। প্রথম দিনের খেলার ফলাফল: মাঠের লড়াই উদ্বোধনী দিনে মোট তিনটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে টেকনোলজিগুলোর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই লক্ষ্য করা গেছে: ১. প্রথম ম্যাচ: সিভিল টেকনোলজি বনাম মেডিকেল ইনস্টিটিউট। এই ম্যাচে সিভিল টেকনোলজি দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে ২৪ রানে জয়লাভ করে। ২. দ্বিতীয় ম্যাচ: গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং টেকনোলজি বনাম মেকানিক্যাল টেকনোলজি। এই ম্যাচে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে মেকানিক্যালকে পরাজিত করে জয় ছিনিয়ে নেয় গার্মেন্টস টেকনোলজি। ৩. তৃতীয় ম্যাচ: টেক্সটাইল টেকনোলজি বনাম কম্পিউটার টেকনোলজি। দিনের শেষ ম্যাচে টেক্সটাইল টেকনোলজি ৮ উইকেটে কম্পিউটার টেকনোলজিকে হারিয়ে দাপুটে জয় তুলে নেয়। খেলা পরিচালনা ও কারিগরি সহযোগিতা মাঠে দক্ষ আম্পায়ারিং ও খেলা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আরএস বিভাগের শিক্ষক আব্দুল মতিন ও আতিকুল ইসলাম, টেক্সটাইল টেকনোলজির শিক্ষক মিরাজ আলী এবং মেডিকেল টেকনোলজির শিক্ষক আলমগীর হোসেন। টুর্নামেন্টের সার্বিক সফলতায় নিরলস কাজ করছেন বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ। তাদের মধ্যে ছিলেন জান্নাতুল নাঈম (টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস), সেজাউর রহমান (ইলেকট্রিক্যাল), চঞ্চল আলী (কম্পিউটার), আব্দুল খালেক (মেকানিক্যাল) এবং পূর্ণিমা রানী (সিভিল)। বিজয় দিবসেই ফাইনাল মহারণ প্রথম দিনের খেলা শেষে আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক নৃপেন কুমার সাহা অত্যন্ত আনন্দের সাথে ঘোষণা করেন যে, টুর্নামেন্টের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত ইভেন্ট অর্থাৎ ফাইনাল ম্যাচটি আগামী ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবসে অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তির আমেজে টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হবে। আরও দেখুন: ৬ এপ্রিল আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস: শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে খেলার শক্তি

গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের প্রশিক্ষণ কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন

Gurukul Debating Club- Workshop-07-12-15-3Gurukul Debating Club- Workshop-07-12-15-4, Gurukul, Kushtia Gurukul, Gurukul Bangladesh

আজ ০৭ ডিসেম্বর ২০১৫, সাসেগ-গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব আয়োজিত একদিনব্যাপী বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতা, উপস্থাপনা, শৃঙ্খলা ও ভাইভা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় মোট ৪১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে বিভিন্ন বিভাগ ও বর্ষের ছাত্রছাত্রী ছিলেন।   প্রশিক্ষণ সেশন কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের বিতর্কের কৌশল, সঠিকভাবে বক্তব্য উপস্থাপনের দক্ষতা, আনুষ্ঠানিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ভাইভা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা। সেশনগুলোতে বিতর্কের কাঠামো, তথ্য-উপাত্তের যথাযথ ব্যবহার, বক্তৃতায় প্রভাবশালী ভঙ্গি, সময় ব্যবস্থাপনা এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: জনাব আহসান কবীর রানা – সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ এবং বিএনসিসি বিটিএফও ক্যাপ্টেন ড. আমানুর আমান – সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক কুষ্টিয়া ও কুষ্টিয়া টাইমস; স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, দ্য ডেইলি স্টার আনোয়ার কবীর বকুল – সভাপতি, প্রযুক্তিতে কুষ্টিয়া ইমাম মেহেদী – সভাপতি, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ ডিবেটিং ক্লাব প্রশিক্ষকরা অংশগ্রহণকারীদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেন এবং বাস্তব উদাহরণ ও অনুশীলনের মাধ্যমে বিষয়গুলো সহজভাবে উপস্থাপন করেন।     সমাপনী অনুষ্ঠান কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: মীর মোশাররফ হোসেন – সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজ; সম্পাদক, জেলা রোভার স্কাউট মনির হাসান – প্রশাসনিক পরিচালক, সাসেগ তানভীর মেহেদী – প্রধান সমন্বয়কারী, সাসেগ শামীম রানা – লিগ্যাল ও মিডিয়া সমন্বয়কারী এবং উপদেষ্টা, সাসেগ-গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব জনাব হেলাল উদ্দিন – একাডেমিক ইনচার্জ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন রাশনা শারমিন, জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রিক্যাল) ও মোডারেটর, সাসেগ-গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব। উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য বক্তারা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বিতর্ক ও বক্তৃতা শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক চিন্তাশক্তি, তথ্য বিশ্লেষণ দক্ষতা এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে। এই ধরনের কর্মশালা শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক ক্ষেত্রেই নয়, বরং পেশাগত ও সামাজিক জীবনে নেতৃত্বদানের ক্ষমতা গড়ে তুলতে সহায়তা করে। শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, কর্মশালাটি তাদের শেখার অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করেছে। বিতর্ক ও বক্তৃতার কৌশল, শ্রোতাদের মনোযোগ ধরে রাখার উপায়, এবং সঠিক উপস্থাপনা কৌশল সম্পর্কে তারা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। আরও দেখুন: গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের নির্বাচন ২০১৬ : সভাপতি তুষার, সাধারণ সম্পাদক আসিফ