গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

ভারতে নার্সিং পড়ার সুযোগ, আগামীকাল ০৫ জুন ২০২৩ আবেদনের শেষ সময়

সেন্ট স্টিফেনস কলেজ, দিল্লি

দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবেশী দেশ ভারতে বিশ্বমানের পরিবেশে নার্সিং পড়ার এক বিশেষ সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন স্বনামধন্য নার্সিং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে বিএসসি নার্সিং, জিএনএম এবং এমএসসি নার্সিং কোর্সে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। উন্নত মানের ল্যাব সুবিধা, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের ডিগ্রির কারণে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মাঝে এই সুযোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। কোর্সের বিবরণ ও সুযোগ-সুবিধা ভারতে নার্সিং পড়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা সাধারণত বিএসসি নার্সিং (৪ বছর) এবং জিএনএম (৩ বছর) কোর্সগুলো বেছে নিচ্ছেন। ভারতের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে রয়েছে: আধুনিক ল্যাব ও হাসপাতাল: শিক্ষার্থীদের সরাসরি হাসপাতালের ওযার্ডে প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হয়। স্কলারশিপের সুবিধা: মেধারী শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ স্কলারশিপ বা ফি মওকুফের ব্যবস্থা। সহজ ভর্তি প্রক্রিয়া: কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য সরাসরি ভর্তির বিশেষ কোটা ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। কেন ভারতে নার্সিং পড়বেন? শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ভারতের নার্সিং ডিগ্রি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং আমেরিকার শ্রমবাজারে ভারতের অভিজ্ঞ নার্সদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশের তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে পড়ার খরচ সাশ্রয়ী এবং ভাষা ও সংস্কৃতির মিল থাকায় শিক্ষার্থীরা সহজেই মানিয়ে নিতে পারেন। আবেদনের যোগ্যতা বিএসসি নার্সিং কোর্সের জন্য আবেদনকারীকে অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞানসহ (Biology) উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। তবে জিএনএম কোর্সের জন্য যেকোনো বিভাগের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। ভর্তি সহায়তায় গুরুকুল নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সঠিক গাইডলাইন দিতে এবং স্বচ্ছতার সাথে ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সহায়তা করছে গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক। লিঙ্কে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি ভারতের কলেজগুলোর তথ্য, খরচ এবং স্কলারশিপের ব্যাপারে বিস্তারিত পরামর্শ নিতে পারছেন। আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী শিক্ষার্থীদের পাসপোর্ট, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র এবং মার্কশিটসহ দ্রুত যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যেহেতু সিট সংখ্যা সীমিত এবং স্কলারশিপের সুবিধা আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে দেওয়া হয়, তাই বিলম্ব না করে আবেদনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভারত থেকে নার্সিং ডিগ্রি অর্জন করে দেশে বা বিদেশে উন্নত ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি সেরা সময় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  

গুরুকুলে নার্সিং ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০১৯

গুরুকুলে নার্সিং ভর্তি বিজ্ঞপ্তি [ Nursing Admission @ Gurukul ]

দেশের ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যখাতে দক্ষ ও মানবিক নার্সিং জনবল তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কুষ্টিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট’-এ ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই ইনস্টিটিউটটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত এবং বাংলাদেশ নার্সিং এন্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিল (BNMC) কর্তৃক নিবন্ধিত। কোর্সের বিবরণ বর্তমানে ইনস্টিটিউটটিতে নিচের কোর্সটিতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে: কোর্সের নাম: ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি। মেয়াদ: ৩ বছর (বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল নির্ধারিত)।   গুরুকুলে নার্সিং ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০১৯     হরিজন কোটায় বিশেষ বৃত্তি ও অন্তর্ভুক্তি একটি বহুত্ববাদী সমাজ (Pluralist Society) বিনির্মাণের অঙ্গীকার নিয়ে গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট এবারও ‘হরিজন কোটায়’ মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা রেখেছে। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মেধা বিকাশে এবং তাদের মূলধারার পেশায় সম্পৃক্ত করতে গুরুকুলের এই উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। কেন গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটকে বেছে নেবেন? প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের জন্য নিশ্চিত করে: অভিজ্ঞ শিক্ষক: নার্সিং খাতের বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ মন্ডলী দ্বারা পাঠদান। আধুনিক ল্যাব: হাতে-কলমে প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষার জন্য সমৃদ্ধ ল্যাবরেটরি। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস: সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ ও হাতে-কলমে কাজের সুযোগ। সুশৃঙ্খল পরিবেশ: রাজনীতিমুক্ত এবং নারীবান্ধব নিরাপদ ক্যাম্পাস।   ভর্তি ও যোগাযোগের বিস্তারিত ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য, ভর্তির যোগ্যতা এবং প্রক্রিয়া জানার জন্য আগ্রহী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সরাসরি কুষ্টিয়া ক্যাম্পেসে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। সরাসরি যোগাযোগের নম্বর:  01701229621,  01701229622, 01877731344, 01877731345 ঠিকানা: গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট, কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস।       পেশাদার নার্সিং শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও বিদেশের স্বাস্থ্যখাতে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে আগ্রহীদের দ্রুত আসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসন বিভাগ।

গুরুকুল নার্সিং বার্ষিক প্রীতিভোজ ২০১৯ সম্পন্ন

গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউট এর বার্ষিক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠান-২০১৯ । গুরুকুল বাংলাদেশ

উৎসব, উদ্দীপনা আর সাংস্কৃতিক আবহের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো কুষ্টিয়া গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউট-এর বার্ষিক প্রীতিভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০১৯। গতানুগতিক শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে শিক্ষার্থীদের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৃজনশীলতা ছড়িয়ে দিতে গুরুকুল বাংলাদেশ-এর এই বর্ণিল আয়োজন ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণকে এক মিলনমেলায় পরিণত করে। উদ্বোধনী মুহূর্ত: দেশপ্রেমের সুরে সূচনা অনুষ্ঠানের শুরুতেই দেশাত্মবোধক গান গেয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন দেশবরেণ্য তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। দেশপ্রেমের এই সুর শিক্ষার্থীদের মাঝে এক নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সাবলীলভাবে সঞ্চালনা করেন শিক্ষার্থী ঐশী রহমান। আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের গৌরব বৃদ্ধি করেন: মোঃ জিয়াউল ইসলাম স্বপন, সাধারণ সম্পাদক, কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগ এবং চেয়ারম্যান, কয়া ইউনিয়ন পরিষদ। ড. আমানুর আমান, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক। খন্দকার ইকবাল মাহামুদ, চেয়ারম্যান, ক্রীড়া বিভাগ, গুরুকুল। মোঃ শাহিন সরকার, চেয়ারম্যান, সাংস্কৃতিক বিভাগ, গুরুকুল। রাকিবুজ্জামান তানিম, সহকারী পরিচালক, গুরুকুল। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এই উৎসবে যোগ দেন। সাংস্কৃতিক ও আনন্দ আয়োজন বার্ষিক এই প্রীতিভোজকে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বৈচিত্র্যময় সব ইভেন্ট। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণগুলো ছিল: ফ্যাশন শো ও র‍্যাম্প শো: শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় মুগ্ধ হন অতিথিরা। ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা: আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় জনপ্রিয় ‘বালিশ খেলা’। লটারি ড্র: কুপন ড্র এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটিতে বাড়তি উত্তেজনা যোগ করে। অভিনয় ও সঙ্গীত: অনুষ্ঠানের শেষাংশে শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত অসাধারণ অভিনয় প্রদর্শনী এবং দেশাত্মবোধক গান পুরো আয়োজনকে এক জাঁকজমকপূর্ণ রূপ দান করে।   গুরুকুল দর্শন ও শিক্ষার পরিবেশ বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউট কেবল দক্ষ নার্স তৈরি করে না, বরং শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক ও মানবিক গুণাবলি বিকাশেও সমান গুরুত্ব দেয়। এ ধরণের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মানসিক ক্লান্তি দূর করে তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে সাহায্য করে। আলোকচিত্রে উৎসবের মুহূর্তসমূহ: দেশাত্মবোধক গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী মুহূর্ত। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আকর্ষণীয় ফ্যাশন শো। সঙ্গীতানুষ্ঠানে শিল্পীদের সুরের মূর্ছনা।     মনোজ্ঞ এই আয়োজনটি প্রীতিভোজের মাধ্যমে শেষ হলেও শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে এক স্মরণীয় স্মৃতি হয়ে থাকবে। কারিগরি ও নার্সিং শিক্ষার পাশাপাশি সুস্থ ধারার সংস্কৃতি চর্চায় গুরুকুল বাংলাদেশ যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এই অনুষ্ঠানটি তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। জনসংযোগ ও মিডিয়া বিভাগ, গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউট (গুরুকুল বাংলাদেশ)।

গুরুকুল নার্সিং শিক্ষার্থীদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান – মানব সেবায় অঙ্গীকার | নার্সিং শপথ [ Nightingale Pledge ]

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার শিপ্রা রানী-Shipra Rani, Nursing Supervisor of Kushtia Sadar Hospital

ক্যাম্পাস প্রেস রিলিজ : কুষ্টিয়ার গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউটে অনুষ্ঠিত হলো নার্সিং শিক্ষার্থীদের মর্যাদাপূর্ণ ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের সকল শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করেন। নার্সিং পেশায় প্রবেশের আগে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য এই শপথ গ্রহণ একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া, যা তাদের পেশাগত দায়িত্ববোধ, মানবিকতা ও সততার প্রতিশ্রুতিকে দৃঢ় করে। একজন নার্স হবার জন্য আপনাকে অবশ্যই আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল এর নামে “ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল অঙ্গীকার” আনুষ্ঠানিক ভাবে পাঠ করার মাধ্যমে শপথ গ্রহণ করতে হয়।     ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল – আধুনিক নার্সিংয়ের অগ্রদূত শপথটি নেওয়া হয় আধুনিক নার্সিং সেবার পথিকৃৎ ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল-এর নামে। তিনি শুধু একজন দক্ষ নার্সই ছিলেন না, বরং একজন লেখক ও পরিসংখ্যানবিদ হিসেবেও বিশ্বখ্যাত। “দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প” নামে পরিচিত নাইটিঙ্গেল ১৮৫৩-৫৪ সালে লন্ডনের Care of Sick Gentlewomen Institute-এর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৮৫৫ সালে তিনি নার্স প্রশিক্ষণের জন্য তহবিল সংগ্রহ শুরু করেন এবং ১৮৫৯ সালে ‘নাইটিঙ্গেল ফান্ড’-এর জন্য প্রায় ৪৫ হাজার পাউন্ড সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে তিনি ভারতবর্ষের গ্রামীণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা চালান, যা উন্নত স্বাস্থ্যসেবা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নার্সিং শপথের মূল প্রতিশ্রুতি ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল অঙ্গীকার শিক্ষার্থীদের মানব সেবা ও দায়িত্বশীলতার মানসিকতায় উদ্বুদ্ধ করে। শপথের মূল বিষয়গুলো হলো— জীবন পবিত্র ও কর্তব্যনিষ্ঠ রাখার অঙ্গীকার। অন্যায় ও ক্ষতিকর কাজ থেকে বিরত থাকা এবং কোনো ক্ষতিকর ওষুধ নিজে গ্রহণ বা অন্যকে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। রোগীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা। চিকিৎসকদের কাজে সততার সঙ্গে সহযোগিতা করা এবং রোগীর কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করা।   অনুষ্ঠানের বিশেষ মুহূর্ত শিক্ষার্থীরা প্রদীপ হাতে নিয়ে শপথ পাঠ করেন, যা নার্সিং পেশায় দায়িত্বশীলতা ও মানব সেবায় আজীবন নিয়োজিত থাকার প্রতীক। শপথ পাঠ করান কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার শিপ্রা রানী।এ সময় শিক্ষার্থীদের মাথায় নার্স ক্যাপ পরিয়ে দেন সেবা তত্ত্বাবধায়ক বিভু রানী রয়। নার্সিং শপথ বাক্যগুলো হল : [ ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল অঙ্গীকার। The Pledge of Florence Nightingale.] আমি নিষ্ঠার সহিত সৃষ্টিকর্তার নিকট এবং সমবেত মন্ডলী সমক্ষে শপথ করিতেছি যে, আমি পবিত্রতার সহিত জীবন যাপন করিবো এবং বিশ্বস্ততার সহিত আমার কর্তব্য সম্পাদন করিবো। I solemnly pledge myself before Allah(God) and in the presence of this assembly, to pass my life in purity and to practice my profession faithfully. আমি যাহা কিছু অন্যায় ও অশুভ তাহা হইতে বিরত থাকিবো এবং জ্ঞাতসারে ক্ষতিকর কোনো ঔষুধ নিজে গ্রহন করিবো না এবং অন্যকে ও দিবো না। I will abstain from whatever is deleterious and mischievous, and will not take or knowingly administer any harmful drug and do not give it to others. আমি আমার সর্বশক্তি দ্বারা আমার পেশাগত মান উন্নত রাখিবো এবং আমার কার্য্য উপলক্ষে যে সমস্ত ব্যক্তিগত বিষয় আমার জ্ঞাত হইবে তাহার গোপনীয়তা রক্ষা করিবো। I’ll do all in my power to maintain and elevate the standard of my profession, and will hold confidence all personal matters committed to my keeping. আমি সততার সহিত চিকিৎসক কে তাহার কার্য্যে সহযোগিতা করিবো এবং আমার সেবাধীন রোগীদের কল্যানে নিজেকে সম্পূর্ণরুপে নিয়োজিত করিবো। With loyalty I will endeavour to aid the physician in his work, and devote myself to the welfare of those committed to my care.   দিকনির্দেশনা ও শুভেচ্ছা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া সরকারি নার্সিং ইন্সটিটিউটের ইন্সট্রাক্টর ললিতা মণ্ডল। তিনি নার্সিং পেশার মানবিক দিক, দায়িত্ব ও পেশাগত মান বজায় রাখার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন। তিনি বলেন “আমি বিশ্বাস করি যে আগুন হাতে নিয়ে উক্ত শপথ করার পরেও তা কোন নার্স ভূলবে / শপথ অমান্য করবে। তাই সকল নার্সের উচিত সঠিকভাবে শপথ পালন করা।” শপথ থেকে ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে যাত্রা শপথ গ্রহণের মাধ্যমে গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস ও সেবা প্রদানের যাত্রা শুরু করেন। এটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং একজন নার্সের সারাজীবনের পেশাগত নৈতিকতার ভিত্তি। আরও দেখুন: ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি, বিএনএমসি

কুষ্টিয়া গুরুকুল এর আয়োজনে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী সভা

Meeting on unity against militancy and terrorism organized by Gurukul, Kushtia ৰ গুরুকুল শিক্ষা পরিবার কুষ্টিয়ার আয়োজনে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী সভা

নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে টানা ৪৫ দিন ধরে চলমান ‘জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও নাশকতা বিরোধী’ বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ এক বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের চলমান প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং উগ্রবাদের করাল গ্রাস থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতেই এই দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।     সারা দেশজুড়ে বহুমুখী কর্মসূচি উল্লেখ্য যে, গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে একযোগে এই সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— বর্ণাঢ্য র‍্যালি, অভিভাবক সমাবেশ, শ্রেণীকক্ষে সরাসরি প্রচার এবং সেমিনার। গত ৪৫ দিন ধরে চলা এই নিরবচ্ছিন্ন প্রচারণার মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে উগ্রবাদ বিরোধী এক শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছে। কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের বিশেষ সভা আজ শনিবার গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভার আয়োজন ও অংশগ্রহণে ছিল গুরুকুলের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানসমূহ: কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট স্পেশালাইজড ম্যাটস (MATS) গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউট স্পেশালাইজড মেডিকেল ইন্সটিটিউট স্পেশালাইজড আইএইচটি (IHT)   উপস্থিত দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দ সমাবেশে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। তাদের মধ্যে ছিলেন: শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) জান্নাতুল নাঈম, বিভাগীয় প্রধান (টেক্সটাইল) রাশনা শারমিন, বিভাগীয় প্রধান (ইলেকট্রিক্যাল) চঞ্চল আলী, বিভাগীয় প্রধান (কম্পিউটার)   বক্তাদের আহ্বান ও শপথ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী এই সমাবেশে বক্তারা একটি শান্তিকামী ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন: “গুরুকুলের প্রতিটি শিক্ষার্থী আজ এই মর্মে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে, তারা সকল প্রকার সন্ত্রাস, নাশকতা ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে। নিজেদের কেবল একজন সফল পেশাজীবী হিসেবেই নয়, বরং একজন আইনমান্যকারী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। আমাদের লক্ষ্য হলো একটি সুখী, সমৃদ্ধিশালী এবং গণতান্ত্রিক ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সক্রিয় অংশীদার হওয়া।” ব্যাপক অংশগ্রহণ ও সংহতি উক্ত সমাবেশে গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অভিভাবকরা গুরুকুলের এই দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরণের কর্মসূচি সন্তানদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে এবং তাদের নৈতিক চরিত্র গঠনে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।     অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীরা সমস্বরে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শপথ বাক্য পাঠ করে। গুরুকুলের এই সময়োপযোগী প্রচারণার মাধ্যমে কুষ্টিয়ার শিক্ষাঙ্গনে এক ইতিবাচক ও নিরাপদ পরিবেশের বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে।   আরও দেখুন: গুরুকুল ক্যাম্পাসে দ্বীন ও ধর্ম বিষয়ক নীতিমালা