উইলিয়াম শেক্সপিয়র দিবস উদযাপন উপলক্ষে বক্তৃতা । ২৩ এপ্রিল

উইলিয়াম শেক্সপিয়র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সকল আয়োজনের মধ্যে শিক্ষার্থীরা বক্তৃতা করে। একজন শিক্ষার্থীর বক্তৃতা সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য আপলোড করে রাখা হলো। উইলিয়াম শেক্সপিয়র দিবস উপলক্ষে বক্তৃতা সম্মানিত ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, আপনাদের সবাইকে গুরুকুলের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা। আজ আমরা এমন এক ব্যক্তিত্বের জন্মজয়ন্তী উদযাপন করছি, যাঁকে বলা হয় বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠতম নাট্যকার এবং ইংরেজি ভাষার সর্বকালের সেরা কবি। তিনি মানব হৃদয়ের গভীরতম আবেগ, দ্বন্দ ও ভালোবাসাকে শব্দের তুলিতে জীবন্ত করেছেন। তিনি আমাদের চিরকালিন অনুপ্রেরণা—উইলিয়াম শেক্সপিয়র। উপস্থিত সুধী, উইলিয়াম শেক্সপিয়রের জীবন অত্যন্ত কৌতূহলোদ্দীপক। ধারণা করা হয়, ১৫৬৪ সালের ২৩ এপ্রিল ইংল্যান্ডের স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-অ্যাভন (Stratford-upon-Avon) শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। আশ্চর্যজনকভাবে ১৬১৬ সালের ঠিক একই তারিখে অর্থাৎ ২৩ এপ্রিলেই তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। এ কারণেই বিশ্বজুড়ে আজকের এই দিনটিকে ‘শেক্সপিয়র দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। কর্মজীবনে তিনি ছিলেন একাধারে অভিনেতা, নাট্যকার এবং নাট্যশালার অংশীদার। শেক্সপিয়রের সাহিত্যকর্ম বাংলা তথা বিশ্বসাহিত্যের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। তিনি ৩৭টি নাটক এবং ১৫৪টি সনেট রচনা করেছেন। তাঁর সৃষ্টিতে ফুটে উঠেছে মানুষের জীবনের জটিল দর্শন—কখনও তা বিষাদময় ট্র্যাজেডি, কখনও বা নির্মল কমেডি। আধুনিক নাট্যকলার এমন কোনো শাখা নেই যেখানে শেক্সপিয়রের ছোঁয়া লাগেনি। তাঁর সেই কালজয়ী সৃষ্টিসমূহ আজও মঞ্চে এবং মানুষের মুখে মুখে ফেরে: “হ্যামলেট” (Hamlet) – এর সেই বিখ্যাত উক্তি: “To be, or not to be, that is the question.” “রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট” (Romeo and Juliet) – চিরন্তন প্রেমের এক মহাকাব্য। “ম্যাকবেথ” (Macbeth) এবং “ওথেলো” (Othello) – যেখানে উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও ঈর্ষার চরম পরিণতি ফুটে উঠেছে। মজার ব্যাপার হলো, আমরা প্রতিদিন অজান্তেই ইংরেজি ভাষার অসংখ্য শব্দ ও বাগধারা ব্যবহার করি যা শেক্সপিয়রের সৃষ্টি। আধুনিক ইংরেজি ভাষার ভাণ্ডারকে তিনি যে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, তা অতুলনীয়। প্রিয় সুধী, উইলিয়াম শেক্সপিয়রের প্রভাব কেবল ইংল্যান্ডে সীমাবদ্ধ থাকেনি। আমাদের ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—সবাই তাঁর সৃষ্টির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছেন। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন যে ‘পুরো বিশ্বটাই একটা মঞ্চ’ (All the world’s a stage), যেখানে আমরা সবাই কেবল কুশীলব। তাঁর প্রতিটি নাটক যেন মানুষের চরিত্রের একেকটি দর্পণ। আমাদের গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর সব সময় বলেন— ‘বড় মানুষদের সম্পর্কে জানো, তাঁদের নিয়ে পড়ো, তাঁদের কথা ভাবো এবং তাঁদের জন্য দোয়া-দরুদ পড়ো, প্রার্থনা করো। এটা এজন্য নয় যে এতে তাঁদের উপকার হবে; বরং পড়ো তোমার নিজের জন্য, যেন ওইসব খুবসুরত আলোকিত নামের আলোকরশ্মি তোমার মনের ওপর পড়ে এবং তোমার জীবন আলোকিত হয়’। সেই রেওয়াজে আমরা আজ এই সুন্দর আয়োজনে বারবার এই মহামতি নাট্যকারের নাম নিই, তাঁকে স্মরণ করি, তাঁর সৃষ্টিগুলো সম্পর্কে জানি এবং তাঁর আত্মার শান্তি কামনায় সম্মিলিত প্রার্থনা করি। আর সেই সাথে অঙ্গীকার করি—আমরা যেন এই মহান শিল্পীর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে মানুষের জীবন ও মনস্তত্ত্বকে আরও গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করি। উইলিয়াম শেক্সপিয়র তাঁর অবিনশ্বর সৃষ্টি ও পঙক্তিগুলোর মধ্য দিয়ে আমাদের মাঝে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে। জয় বাংলা! জয় গুরুকুল! আরও দেখুন: গুরুকুলের গুরুত্বপূর্ণ দিবস ও গুণীজন স্মরণ পঞ্জিকা
মহাকবি কায়কোবাদ-এর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বক্তৃতা । ২৫ ফেব্রুয়ারি
মহাকবি কায়কোবাদ-এর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সকল আয়োজনের মধ্যে শিক্ষার্থীরা বক্তৃতা করে। একজন শিক্ষার্থীর বক্তৃতা সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য আপলোড করে রাখা হলো। মহাকবি কায়কোবাদ-এর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বক্তৃতা সম্মানিত ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, আপনাদের সবাইকে গুরুকুলের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা। আজ আমরা এমন এক মহীরুহের জন্মজয়ন্তী উদযাপন করছি, যিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মুসলিম কবিদের মধ্যে প্রথম মহাকাব্য রচনার গৌরব অর্জন করেছিলেন। তিনি আমাদের সাহিত্যের ‘মহাকবি’—কায়কোবাদ। উপস্থিত সুধী, মহাকবি কায়কোবাদ ১৮৫৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরেশী। মহাকবি কায়কোবাদ ছিলেন একাধারে কবি এবং একজন নিষ্ঠাবান ডাকঘর কর্মকর্তা। কর্মজীবনের ব্যস্ততার মাঝেও তিনি যেভাবে মহাকাব্য ও কাব্যগ্রন্থের বিশাল ভাণ্ডার রেখে গেছেন, তা তাঁর একাগ্রতা ও দেশপ্রেমেরই বহিঃপ্রকাশ। পারিবারিক আভিজাত্য বা সামাজিক প্রতিষ্ঠার চেয়েও বড় ছিল তাঁর সাহিত্যিক সাধনা। তিনি ছিলেন এমন একজন শিল্পী যিনি মধ্যযুগীয় কাব্যধারার সাথে আধুনিক কাব্যরীতির মেলবন্ধন ঘটিয়েছিলেন। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত তাঁর কালজয়ী মহাকাব্য ‘মহাশ্মশান’ বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সম্পদ। এছাড়াও ‘অশ্রুমালা’, ‘শিব-মন্দির’ এবং ‘অমিয় ধারা’র মতো কাব্যগ্রন্থগুলো তাঁর কবিত্ব শক্তির পরিচয় দেয়। কায়কোবাদের সাহিত্যকর্মের এক প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল হিন্দু-মুসলিম মিলনের সুর এবং গভীর দেশপ্রেম। তিনি বিশ্বাস করতেন, একটি জাতির উন্নতির জন্য ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ইতিহাস সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। তাঁর অমর পঙক্তি আজও আমাদের জাতীয় জীবনে প্রাসঙ্গিক: “পাখিরা সব কলরব করিছে আকাশে/ প্রকৃতি সাজিয়া আজ নবীন বেশে” (গাওরে গাওরে আজি এ আনন্দ গান) মজার ব্যাপার হলো, যে সময় মহাকাব্য রচনার ধারাটি প্রায় স্তিমিত হয়ে আসছিল, সেই সময়ে তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে ‘মহাশ্মশান’ রচনা করে বাংলা সাহিত্যে নিজের স্থান স্থায়ী করে নেন। ১৯৩২ সালে বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সম্মেলনের মূল অধিবেশনে তাঁকে ‘মহাকবি’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। প্রিয় সুধী, কায়কোবাদ কেবল একজন কবি ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন নিভৃতচারী সাধক। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে নিজের সংস্কৃতির শিকড়কে আঁকড়ে ধরে বিশ্বসাহিত্যের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয়। আমাদের গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর সব সময় বলেন— ‘বড় মানুষদের সম্পর্কে জানো, তাঁদের নিয়ে পড়ো, তাঁদের কথা ভাবো এবং তাঁদের জন্য দোয়া-দরুদ পড়ো, প্রার্থনা করো। এটা এজন্য নয় যে এতে তাঁদের উপকার হবে; বরং পড়ো তোমার নিজের জন্য, যেন ওইসব খুবসুরত আলোকিত নামের আলোকরশ্মি তোমার মনের ওপর পড়ে এবং তোমার জীবন আলোকিত হয়’। সেই রেওয়াজে আমরা আজ এই সুন্দর আয়োজনে বারবার কবির নাম নিই, তাঁকে স্মরণ করি, তাঁর সৃষ্টিগুলো সম্পর্কে জানি এবং তাঁর জন্য সম্মিলিত প্রার্থনা করি। আর সেই সাথে অঙ্গীকার করি—আমরা যেন এই মহাকবির জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের শেকড়কে ভুলে না যাই এবং স্বদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকি। মহাকবি কায়কোবাদ তাঁর অবিনশ্বর কর্মের মধ্য দিয়ে আমাদের মাঝে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে। জয় বাংলা! জয় গুরুকুল! আরও দেখুন: গুরুকুলের গুরুত্বপূর্ণ দিবস ও গুণীজন স্মরণ পঞ্জিকা
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বক্তৃতা

সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সকল আয়োজনের মধ্যে শিক্ষার্থীরা বক্তৃতা করে। একজন শিক্ষার্থীর বক্তৃতা সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য আপলোড করে রাখা হলো। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বক্তৃতা সম্মানিত ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, আপনাদের সবাইকে গুরুকুলের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা। আজ আমরা এমন এক মহান ব্যক্তিত্বের জন্মজয়ন্তী উদযাপন করছি, যাঁর নাম উচ্চারণ করলে আজও পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার প্রেরণা জাগে। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের কিংবদন্তি নায়ক, আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় ‘নেতাজি’ সুভাষচন্দ্র বসু। কর্মবৈচিত্র্য, অদম্য সাহস আর ত্যাগের মহিমায় তিনি ছিলেন তাঁর সময়ের এক অতলস্পর্শী সব্যসাচী দেশপ্রেমিক। উপস্থিত সুধী, আজ একটি বিশেষ বিষয়ে আলোকপাত করা প্রয়োজন। সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম ১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারি উড়িষ্যার কটক শহরে। তাঁর পিতা জানকীনাথ বসু ছিলেন একজন খ্যাতিমান আইনজীবী এবং মাতা প্রভাবতী দেবী। তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন এবং ১৯২০ সালে ইংল্যান্ডে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস (ICS) পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান অধিকার করেছিলেন। কিন্তু ব্রিটিশ সরকারের অধীনে চাকরি করার বিলাসিতা তাঁকে মোহাবিষ্ট করতে পারেনি। দেশমাতার মুক্তির নেশায় তিনি আইসিএস থেকে পদত্যাগ করে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। সুভাষচন্দ্র বসু ছিলেন বীরত্বের প্রতীক। ১৯৩৮ ও ১৯৩৯ সালে তিনি দুবার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরবর্তীকালে মতাদর্শগত পার্থক্যের কারণে তিনি কংগ্রেস ত্যাগ করে ‘ফরওয়ার্ড ব্লক’ গঠন করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন তিনি বিশ্বাস করতেন, সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া ভারতের মুক্তি সম্ভব নয়। সেই সুদূর বার্লিন থেকে টোকিও পর্যন্ত তাঁর রোমাঞ্চকর যাত্রা আজও আমাদের শিহরিত করে। ১৯৪৩ সালে তিনি ‘আজাদ হিন্দ ফৌজ’-এর নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এবং তাঁর অমর স্লোগান— “তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব”—কোটি কোটি মানুষের মনে স্বাধীনতার সূর্যোদয় ঘটিয়েছিল। অনেকে মনে করেন তাঁর জীবন কেবল যুদ্ধের কথা বলে, কিন্তু তাঁর চিন্তা ছিল অনেক গভীর। তিনি একটি এমন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখতেন যেখানে কোনো জাত-পাত বা ধর্মের বৈষম্য থাকবে না। আজাদ হিন্দ ফৌজে তিনি সকল ধর্মের মানুষকে এক পতাকাতলে এনেছিলেন, যা মূলত আমাদের গুরুকুলের ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজেরই মূল ভিত্তি। মজার ব্যাপার হলো, আজও নেতাজির মহাপ্রয়াণ নিয়ে নানা বিতর্ক ও রহস্য বিদ্যমান। ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যুর খবর প্রচার করা হলেও, অনেক ইতিহাসবিদ ও তাঁর অনুসারীরা তা মেনে নিতে পারেননি। তবে বিতর্ক যাই হোক, তাঁর আদর্শ ও সাহসের কাছে কোনো বিতর্কই বড় নয়। প্রিয় সুধী, আমাদের গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর সব সময় বলেন— ‘বড় মানুষদের সম্পর্কে জানো, তাঁদের নিয়ে পড়ো, তাঁদের কথা ভাবো এবং তাঁদের জন্য দোয়া-দরুদ পড়ো, প্রার্থনা করো। এটা এজন্য নয় যে এতে তাঁদের উপকার হবে; বরং পড়ো তোমার নিজের জন্য, যেন ওইসব খুবসুরত আলোকিত নামের আলোকরশ্মি তোমার মনের ওপর পড়ে এবং তোমার জীবন আলোকিত হয়’। সেই রেওয়াজে আমরা আজ এই সুন্দর আয়োজনে বারবার নেতাজির নাম নিই, তাঁকে স্মরণ করি, তাঁর ত্যাগ ও আদর্শ সম্পর্কে জানি এবং তাঁর জন্য সম্মিলিত প্রার্থনা করি। আর সেই সাথে অঙ্গীকার করি—আমরা যেন এই বীর সেনানীর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের শেকড়কে ভুলে না যাই। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এবং দেশকে ভালোবাসার যে শিক্ষা তিনি দিয়ে গেছেন, তা যেন আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের পাথেয় হয়। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু তাঁর দেশপ্রেম ও অজেয় ইচ্ছাশক্তির মধ্য দিয়ে আমাদের মাঝে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে। জয় বাংলা! জয় গুরুকুল! আরও দেখুন: গুরুকুলের গুরুত্বপূর্ণ দিবস ও গুণীজন স্মরণ পঞ্জিকা