গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান ২০২৪

নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান ২০২৪

গর্ব, আনন্দ ও আবেগঘন পরিবেশে গত ২৭ জানুয়ারি ২০২৪, শনিবার গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো “নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান ২০২৪”। দিনব্যাপী এই আয়োজনে ছিল আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান ও মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান ২০২৪ অতিথিবৃন্দের উপস্থিতি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— গুরুকুল সিওও আজিজা আহমেদ গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল মো: মতিয়ার রহমান কুষ্টিয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ স্মৃতি কণা হালদার টি.এস.বি. ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ-এর পরিচালক মো: সাকবার আলী এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুলের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ারিং ১ম পর্বের শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করা হয়। অপরদিকে ৮ম পর্বের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত বেস্ট বয় ও বেস্ট গার্ল-কে ট্রফি প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে নার্সিং ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্যাপ পরিধান, ফুলেল শুভেচ্ছা এবং শপথ বাক্য পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করা হয়, যা অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে। বক্তব্য বক্তব্য রাখেন— টি.এস.বি. ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ-এর পরিচালক মো: সাকবার আলী কুষ্টিয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ স্মৃতি কণা হালদার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিশেষ প্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন— গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর গুরুকুল সিওও আজিজা আহমেদ সহকারী পরিচালক তানভির মেহেদী প্রিন্সিপাল মো: মতিয়ার রহমান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে গুরুকুল কালচারাল ক্লাব এবং ব্যান্ড “হিডেন” এর আয়োজনে পরিবেশিত হয় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করেন নৃত্য, সংগীত, নাটিকা ও কবিতা আবৃত্তি, যা উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে। গুরুকুলের এই আয়োজন শুধু নবীনদের প্রাণবন্ত সূচনা ও বিদায়ীদের আবেগঘন বিদায়ই নয়; বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে একতা, প্রেরণা ও সৃজনশীলতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। আরও দেখুন: গুরুকুলের নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানের বিদায়ী শিক্ষার্থীর বক্তব্য: স্মৃতি অম্লান, যাত্রা অনন্ত গুরুকুলের নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানের নবীন শিক্ষার্থীর বক্তব্য : স্বপ্নের পথে নতুন যাত্রা ফটো গ্যালারী:               ফটো গ্যালারী:  

কুষ্টিয়া গুরুকুলের মেডিকেল বিভাগসমূহে নবীন বরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

কুষ্টিয়া গুরুকুল এর মেডিকেল বিভাগের শিক্ষার্থীদের নবীন বরন | New students reception of medical section (Kushtia Gurukul)

গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের কুষ্টিয়াস্থ মেডিকেল বিভাগসমূহে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠান গতকাল বেলা ১১টায় শহরের হাসপাতাল মোড়স্থ সাসেগ কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-২ এ উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।     অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মেডিকেল সেকশনের একাডেমিক ইনচার্জ মন্টু বাইন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাসেগ-গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের পরিচালক (প্রশাসন) মনির হাসান। এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধান সমন্বয়কারী তানভীর মেহেদি, লিগ্যাল ও মিডিয়া সমন্বয়কারী শামীম রানা, কমার্শিয়াল বিভাগের প্রধান রফিকুল ইসলাম, সহকারী রেজিস্টার দীপক কুমার মন্ডল, এবং ফাইনান্স ইনচার্জ খন্দকার রুহুল আমিন। বক্তাদের বক্তব্য বক্তারা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুফি ফারুক ইবনে আবু বকর-এর হাতে গড়া সাসেগ-গুরুকুল শিক্ষা পরিবার ইতোমধ্যেই ঢাকা, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি এতদঞ্চলে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে বিশেষ অবদান রেখে চলেছে। তারা আরও জানান, ২০২০ সালের মধ্যে সাসেগ-গুরুকুল শিক্ষা পরিবার সারা বাংলাদেশে ৫০টিরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করছে, যাতে কারিগরি শিক্ষা আরও বিস্তৃত হয় এবং দেশের দক্ষ জনশক্তি বৃদ্ধি পায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠার নতুন উদ্যোগ ইতিমধ্যে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী, খোকসা, রংপুর ও মাগুরা জেলায় নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এসব উদ্যোগ ভবিষ্যতে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। নবীন বরণের আয়োজন অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল ও মিষ্টি দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। পরবর্তীতে সাসেগ-গুরুকুল কালচারাল ক্লাবের সদস্যদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়, যা উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথিদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনা অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করেন মেডিকেল সেকশনের শিক্ষক ও সাসেগ-গুরুকুল কালচারাল ক্লাবের সমন্বয়কারী জান্নাতুল ফেরদৌস। সহযোগিতায় ছিলেন শিক্ষক আলমগীর হোসেন, আব্দুল আলিম এবং ফজলে হাসান রাব্বি।