গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের আয়োজনে কুষ্টিয়াতে পালিত হয়েছে শেখ রাসেল দিবস ২০২৩

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের আয়োজনে কুষ্টিয়াতে পালিত হয়েছে শেখ রাসেল দিবস

“শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন এবং ‘শেখ রাসেল দিবস-২০২৩’ পালিত হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি স্মরণ করা হয়।     শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি দিবসটির কর্মসূচির শুরুতে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন কার্যালয় চত্বরে স্থাপিত শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে (বেদীতে) পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবারের আয়োজনে অন্যতম আকর্ষণ ছিল গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের একঝাঁক সুশৃঙ্খল রোভার স্কাউট সদস্য র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করে অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। র‍্যালির শৃঙ্খলা রক্ষা এবং দিবসটির গুরুত্ব সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে রোভার সদস্যদের ভূমিকা জেলা প্রশাসনের প্রশংসা কুড়িয়েছে। আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান র‍্যালি পরবর্তী সময়ে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তারা শেখ রাসেলের সংক্ষিপ্ত জীবন ও তাঁর আদর্শের ওপর আলোকপাত করেন। তাঁরা বলেন, শেখ রাসেল ছিলেন এক নিষ্পাপ ও সম্ভাবনাময় নাম। আজকের শিশুদের মাঝে সেই মেধা ও মানবিকতার বিকাশ ঘটাতে শেখ রাসেলের জীবন থেকে শিক্ষা নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ততা অনুষ্ঠানে গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে। দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিল চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। শেখ রাসেলের স্মৃতিকে অম্লান রাখতে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের এই আয়োজন সফল করতে রোভার স্কাউটসহ সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণ দিবসটিকে সার্থকতা দান করেছে। আরও দেখুন: আমাদের শেখ রাসেল: বাঙালির হৃদয়ে এক অমর নক্ষত্র

গুরুকুলে শেখ রাসেল দিবস ২০২৩ পালিত

গুরুকুলে শেখ রাসেল দিবস ২০২৩ পালিত

“শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে গুরুকুল কুষ্টিয়া (লালন সাঁই ক্যাম্পাস)-এ পালিত হয়েছে ‘শেখ রাসেল দিবস ২০২৩’। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে গুরুকুল পরিবারের সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।   গুরুকুলে শেখ রাসেল দিবস ২০২৩ পালিত   দিবসের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর বাড়িতে শেখ রাসেল জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মাত্র ১০ বছর বয়সে ঘাতকদের বুলেটে নির্মমভাবে শহীদ হন এই নিষ্পাপ শিশু। ২০২১ সাল থেকে সরকার ১৮ অক্টোবরকে ‘কপ’ (Category-A) ভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। শেখ রাসেল আজ বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুর কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম—যিনি আমাদের শিখিয়ে যান নির্ভীকতা এবং সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখা।   ১ম স্থান অধিকারী ২য় স্থান অধিকারী   চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সৃজনশীলতা দিবসটি উপলক্ষে গুরুকুল শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে এক বিশেষ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা ক্যানভাসে ফুটিয়ে তোলে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতি ও তাঁর শৈশবের নানা মুহূর্ত। প্রতিযোগিতার ফলাফল: প্রথম স্থান: স্বর্ণালী খাতুন (নার্সিং ইনস্টিটিউট, ১ম বর্ষ)। দ্বিতীয় স্থান: মেঘনা খাতুন (কম্পিউটার বিভাগ, ২য় পর্ব)। তৃতীয় স্থান: রায়হান উদ্দিন (নার্সিং বিভাগ, ১ম বর্ষ)। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে তাঁদের প্রতিভার প্রশংসা করেন প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ শিক্ষকবৃন্দ।   ৩য় স্থান অধিকারী   আলোচনা সভা: জীবন থেকে শিক্ষা অনুষ্ঠানে শেখ রাসেলের সংক্ষিপ্ত জীবনী এবং তাঁর মানবিক গুণাবলী নিয়ে এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, শেখ রাসেল ছিলেন অত্যন্ত প্রাণবন্ত এবং পশুপাখি ও মানুষের প্রতি অসম্ভব মমত্ববোধ সম্পন্ন একজন শিশু। তাঁর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে আজকের শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানানো হয়।     প্লুরালিস্ট সোসাইটি ও গুরুকুলের দর্শন গুরুকুল বিশ্বাস করে যে, একটি ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজ গঠনের মূলে রয়েছে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ। শেখ রাসেল দিবস পালনের মাধ্যমে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কাছে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের বার্তা পৌঁছে দিতে চাই। রাসেলের সেই নির্মল হাসি যেন প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাঝে ফুটে ওঠে, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। অনুষ্ঠানের অন্যান্য কিছু মুহূর্ত     আরও দেখুন: আমাদের শেখ রাসেল: বাঙালির হৃদয়ে এক অমর নক্ষত্র