মুজিব শতবর্ষ গুরুকুল আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০ অনুষ্ঠিত

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে গুরুকুল ট্রাস্ট আয়োজন করেছে নানা কর্মসূচি। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হলো মুজিব শতবর্ষ গুরুকুল আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০

 

ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-এর উদ্বোধন : মুজিব শতবর্ষ গুরুকুল আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০
মুজিব শতবর্ষ গুরুকুল আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০ এর উদ্বোধন

 

গুরুকুল ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর বর্ষব্যাপী কর্মসূচির ঘোষণা দেন। এর আওতায় গুরুকুল ট্রাস্টের সব প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন ক্যাম্পাস, অনলাইন লার্নিং নেটওয়ার্ক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক ও ক্রীড়া আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়।

 

মুজিব শতবর্ষ গুরুকুল আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০ - গুরুকুল ক্রীড়া দল
মুজিব শতবর্ষ গুরুকুল আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০

 

 

কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাসের সব বিভাগ থেকে গঠিত আটটি দল এই টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল ক্রীড়া কমিটির চেয়ারম্যান ও কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ইকবাল মাহমুদ। এ সময় গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শকে জানার জন্য কেবল সরকারি আয়োজন যথেষ্ট নয়। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উচিত তাঁর আদর্শকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া। যখন প্রতিটি ঘরে ঘরে বঙ্গবন্ধুর চিন্তা ও দর্শন ছড়িয়ে পড়বে, তখনই প্রকৃত অর্থে সোনার বাংলা গড়ে উঠবে।

টুর্নামেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন করার সার্বিক নির্দেশনা দেন কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য ও ক্রীড়া অনুরাগী মোহাম্মদ আলী নিশান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন গুরুকুলের সহকারী পরিচালক রাকিবুজ্জামান তানিম, উপাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাসুম এবং টুর্নামেন্ট আহ্বায়ক আশরাফুল আলম।

গুরুকুল আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা খেলাধুলার পাশাপাশি দলগত চেতনা, নেতৃত্ব এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মূল্যবোধের শিক্ষা লাভ করে। এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের বাইরে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি স্মরণে একটি তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে স্থান করে নেয়।