গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

কুষ্টিয়া গুরুকুলে ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ ২০১৬ অনুষ্ঠিত

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ

কারিগরি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতিতে অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ‘অভিভাবক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩১ আগস্ট (বুধবার) গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে আয়োজিত এই সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। দক্ষ জনশক্তি গড়ার অঙ্গীকার: কুষ্টিয়া গুরুকুলে ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত সভার নেতৃত্ব ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রাশনা শারমিন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দ। তাদের মধ্যে ছিলেন: শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড এডমিন) খোন্দকার রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) রফিকুল ইসলাম, ইনচার্জ (কমার্শিয়াল) ইমদাদুল হক, সাঈদ হোসেন ও আসানুর সুজন, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ। শিক্ষার মান ও সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা সমাবেশে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, একাডেমিক রেজাল্ট এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বক্তারা গুরুকুলের বৈচিত্র্যময় শিক্ষা পদ্ধতির কথা উল্লেখ করে বলেন: “শিক্ষার্থীদের কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞানে সীমাবদ্ধ না রেখে স্পোর্টস ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং রোভার স্কাউটিংয়ের মতো এক্সট্রা কারিকুলাম কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছি; যেন তারা কর্মজীবনে আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।” অভিভাবক-শিক্ষক সমন্বয়ে নতুন সিদ্ধান্তসমূহ শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সমাবেশে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়: সরাসরি যোগাযোগ: শিক্ষার্থীদের যেকোনো একাডেমিক বা ব্যক্তিগত বিষয়ে প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকের মধ্যে সরাসরি ও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা হবে। ফলাফল প্রেরণ: প্রতিটি পরীক্ষার ফলাফল সরাসরি অভিভাবকদের নিকট পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা হবে। সজাগ নজরদারি: শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক ও অভিভাবক উভয় পক্ষই শিক্ষার্থীদের কার্যক্রমের ওপর গভীর পর্যবেক্ষণ রাখার অঙ্গীকার করেন। সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর ভিশন ও দক্ষ জনশক্তি অনুষ্ঠানে বক্তারা তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর দর্শন তুলে ধরে বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠিত ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ সারাদেশের ১২টি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আধুনিক কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা হচ্ছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে ওঠার পাশাপাশি বিদেশের মাটিতেও দক্ষতার সাথে কাজ করার যোগ্যতা অর্জন করছে। বক্তারা আরও জানান, কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে শিক্ষার্থীরা যেন দেশ গড়ার কারিগর হতে পারে, সেই লক্ষ্যে গুরুকুল পরিবার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশ ও ফলপ্রসূ আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাবেশের সমাপ্তি ঘটে। আরও দেখুন: গুরুকুলে বিশেষ বৃত্তির কোটা

কুষ্টিয়া গুরুকুলে টেক্সটাইল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ ২০১৬

দেশের শীর্ষস্থানীয় কারিগরি শিক্ষা গ্রুপ গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়র্কের কুষ্টিয়া গুরুকুলের টেক্সটাইল টেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ‘অভিভাবক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৯ আগস্ট (সোমবার) কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে আয়োজিত এই সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।   সভার নেতৃত্ব ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ টেক্সটাইল টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জান্নাতুল নাঈম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) শামীম রানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) খোন্দকার রুহুল আমিন। এছাড়াও বিভাগীয় শিক্ষক রতন আলী ও রাজিবুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।         শিক্ষার মান ও নৈতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা সমাবেশে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়ন, ক্যাম্পাসের পরিবেশ, নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি এবং পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বক্তারা বলেন: “শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং স্পোর্টস ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং রোভার স্কাউটিংয়ের মতো সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছি। আমাদের লক্ষ্য হলো তাদের কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত করা।”   গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তসমূহ শিক্ষার মান আরও উন্নত করতে সমাবেশে বেশ কিছু যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়: সরাসরি যোগাযোগ: শিক্ষার্থীদের যেকোনো একাডেমিক বা ব্যক্তিগত সমস্যায় অভিভাবকদের সাথে প্রতিষ্ঠান সরাসরি যোগাযোগ করবে। ফলাফল প্রেরণ: শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল নিয়মিতভাবে সরাসরি অভিভাবকদের নিকট পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা হবে। সজাগ নজরদারি: ক্লাসে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় অভিভাবক ও শিক্ষক উভয় পক্ষই আরও বেশি সজাগ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।   দক্ষ জনশক্তি ও বৈশ্বিক ভিশন দেশবরেণ্য তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর দর্শন নিয়ে আলোচনায় বক্তারা জানান, বর্তমানে সারাদেশে গুরুকুলের ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ) আধুনিক কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশীয় শ্রমবাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে বিদেশেও দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে, সে লক্ষ্যে তাদের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।     মুক্ত আলোচনা ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে এই সমাবেশটি শেষ হয়। অভিভাবকরা গুরুকুলের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, নিয়মিত এ ধরণের আয়োজন সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে এবং বিপথগামিতা রোধে অত্যন্ত সহায়ক হবে। আরও দেখুন: গুরুকুলে বিশেষ বৃত্তির কোটা

কুষ্টিয়া গুরুকুলের কম্পিউটার টেকনোলজির বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ, ২০১৬

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার কুষ্টিয়ার কম্পিউটার টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ | Parents/Guardians Meeting of Computer Technology of Gurukul, Kushtia

কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতি নিশ্চিত করার লক্ষে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৮ আগস্ট (২০১৬) গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক অংশ নেন, যা প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের মধ্যে এক নিবিড় মেলবন্ধন তৈরি করে।     সভার সভাপতিত্ব ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান চঞ্চল আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাগণ। তাদের মধ্যে ছিলেন: খোন্দকার রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) রফিকুল ইসলাম, ইনচার্জ (কমার্শিয়াল) মাধবী আইরিন ও আরিফুল ইসলাম, কম্পিউটার ট্রেড শিক্ষকবৃন্দ।   শিক্ষার মান ও সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব সমাবেশে বক্তারা গুরুকুলের মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর আলোকপাত করেন। তারা জানান, কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বিকাশে গুরুকুল বদ্ধপরিকর। বক্তারা উল্লেখ করেন: “শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং রোভার স্কাউটিংয়ের মতো এক্সট্রা কারিকুলাম কার্যক্রমের মাধ্যমে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলা হয়। আমাদের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তোলা যাতে তারা কর্মক্ষেত্রে এবং সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।” দক্ষ জনশক্তি ও বৈশ্বিক সুযোগ দেশের প্রথিতযশা তথ্যপ্রযুক্তিবিদ এবং গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর দর্শন অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে। সভায় জানানো হয়, বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ সারাদেশে গুরুকুলের অধীনে ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আধুনিক কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে দেশের জন্য ‘দক্ষ জনশক্তি’ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। বক্তারা গর্বের সাথে জানান যে, গুরুকুলের অনেক শিক্ষার্থী বর্তমানে দেশের বাইরেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে দক্ষতার সাথে কাজ করছে। মতবিনিময় ও প্রশ্নোত্তর পর্ব সমাবেশের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ছিল উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের পড়াশোনার পরিবেশ, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার এবং টেকনিক্যাল ল্যাবের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। উপস্থিত কর্মকর্তাবৃন্দ প্রতিটি প্রশ্নের যৌক্তিক ও সন্তোষজনক জবাব দেন। অভিভাবকদের সুচিন্তিত মতামত ও পরামর্শ ডায়েরিবদ্ধ করা হয় যাতে ভবিষ্যতে শিক্ষার মান আরও উন্নত করা যায়। সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির অংশ উল্লেখ্য যে, এই সমাবেশটি ছিল গুরুকুলের সপ্তাহব্যাপী অভিভাবক সমাবেশ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন। এর আগে শনিবার প্রথম দিনে গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। অভিভাবক সমাবেশের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করেছে। দিনশেষে এক চমৎকার হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে সমাবেশের সমাপ্তি ঘটে।

গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের নির্বাচন ২০১৬ : সভাপতি তুষার, সাধারণ সম্পাদক আসিফ

গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের নির্বাচনের ফলাফল- সভাপতি তুষার, সাধারণ সম্পাদক আসিফ | Gurukul debating clubs elected preseident Tushar, Secretary Asif

কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ার অন্যতম প্রধান শিক্ষা গ্রুপ গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ‘গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব’-এর প্রথম নির্বাচন উৎসবমুখর ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। ১৩ আগস্ট ২০১৬, শনিবার কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনটি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হলো। প্রথমবারের মতো ব্যালটের মাধ্যমে ক্লাবের নেতৃত্ব নির্বাচন করায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। ভোটের পরিসংখ্যান ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ৫টি পদের বিপরীতে মোট ১২ জন প্রার্থী এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেন। ক্লাবের মোট ৭০ জন নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে ৭০ জনই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। অর্থাৎ, নির্বাচনে ১০০% ভোট সংগৃহীত হয়েছে, যা ডিবেটিং ক্লাবের সদস্যদের নেতৃত্বের প্রতি আগ্রহ ও সচেতনতার বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচিত নেতৃত্বের ফলাফল নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী বিজয়ী প্রার্থীদের তালিকা ও প্রাপ্ত ভোট নিচে দেওয়া হলো: সভাপতি: ইলেকট্রিক্যাল ৩য় পর্বের শিক্ষার্থী ইয়াছিন আরাফাত তুষার ৫০ ভোট পেয়ে বিপুল ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টেক্সটাইল ৩য় পর্বের ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ পেয়েছেন ১৮ ভোট। সাধারণ সম্পাদক: ম্যাটস ১ম পর্বের শিক্ষার্থী এজাজ মাহমুদ (আসিফ) ৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্পেশালাইজড মেডিকেল ইন্সটিটিউটের প্যাথলজি ৩য় পর্বের তারিকুল ইসলাম পেয়েছেন ১৪ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক: ম্যাটস ১ম পর্বের নাফসি বিশ্বাস বৃষ্টি ৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জিডিপিএম ৬ষ্ঠ পর্বের তাহিরা হুমায়ুন পেয়েছেন ২৬ ভোট। তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক: টেক্সটাইল ৩য় পর্বের সিদ্ধার্থ শোভন রায় সর্বোচ্চ ৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিভিল ২য় পর্বের ফিরোজ আহমেদ পেয়েছেন ১০ ভোট। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: টেক্সটাইল ১ম পর্বের বিপ্লব হোসেন ৩৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার সাথে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ইলেকট্রিক্যাল ১ম পর্বের শাওন হোসেন পেয়েছেন ৩০ ভোট। সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করেন নির্বাচন কমিশনার এবং ইলেকট্রিক্যাল ট্রেড প্রধান ও গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের মডারেটর রাশনা শারমিন। তিনি সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদান সম্পন্ন করার জন্য সকল ভোটার ও প্রার্থীদের ধন্যবাদ জানান। ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত সভাপতি তুষার ও সাধারণ সম্পাদক আসিফ উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, আগামী এক বছর গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবকে একটি শক্তিশালী ও যুক্তিনির্ভর প্লাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তারা কাজ করে যাবেন এবং নিয়মিত বিতর্ক কর্মশালা ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করবেন। গুরুকুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব বিকাশের এই প্রয়াসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষকবৃন্দ। এই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্লাবের সাংগঠনিক কাঠামো যেমন শক্তিশালী হলো, তেমনি শিক্ষার্থীরা গণতান্ত্রিক চর্চার এক বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করল। আরও দেখুন: কুষ্টিয়া গুরুকুলের টেক্সটাইল টেকনোলজি বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের প্রশিক্ষণ কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন

বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ পরিদর্শন করলেন গুরুকুলের ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের শিক্ষার্থীরা

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিআরবি কেবল পরিদর্শন

তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক ও শিল্প-অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কেবল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড পরিদর্শন করেছেন কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের শিক্ষার্থীরা। আজ রবিবার কুষ্টিয়ার বিসিক শিল্প নগরীতে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির বিশাল উৎপাদন ইউনিট ঘুরে দেখেন তারা।   গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠান কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট (KISI)-এর ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রাশনা শারমিন-এর নেতৃত্বে এই শিল্প পরিদর্শনে অংশ নেন ৫ম ও ৭ম পর্বের মোট ৫০ জন শিক্ষার্থী। এছাড়াও সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল ট্রেড শিক্ষক ফজলে হাসান রাব্বি এবং ল্যাব সহকারী আসানুর ইসলাম সুজন। পরিদর্শনকালে বিআরবি কেবলস-এর উর্ধ্বতন প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাবৃন্দ শিক্ষার্থীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। শিক্ষার্থীরা কারখানার ভেতরে উন্নত প্রযুক্তির মেশিনারিজ, হাই-ভোল্টেজ কেবল উৎপাদন প্রক্রিয়া, মান নিয়ন্ত্রণ (QC) ল্যাবরেটরি এবং বিপণন ব্যবস্থার খুঁটিনাটি সরাসরি দেখার সুযোগ পান। হাতে-কলমে আধুনিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন ও কেবল ম্যানুফ্যাকচারিং প্রসেস দেখে শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত তাত্ত্বিক জ্ঞানের সাথে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের সমন্বয় ঘটান। বিআরবি কেবলস-এর কর্মকর্তাগণ শিক্ষার্থীদের মেধা ও শৃঙ্খলার ভূয়সী প্রশংসা করেন। আলোচনাসভায় তারা জানান, বর্তমান শিল্পায়নের যুগে দক্ষ ডিপ্লোমা-ইন-ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেষে বিআরবি গ্রুপে ক্যারিয়ার গড়ার আগাম আমন্ত্রণ জানানো হয়। পরিদর্শন শেষে বিআরবি গ্রুপের পক্ষ থেকে সকল শিক্ষার্থীর হাতে বিশেষ ‘শুভেচ্ছা স্মারক’ তুলে দেওয়া হয়। গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট তথ্য প্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এই সুযোগ প্রদানের জন্য বিআরবি গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মজিবর রহমান সহ সকল কর্মকর্তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন: “শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভিজিট অপরিহার্য। বিআরবি কেবলসের মতো বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে।”     শিল্প ও একাডেমিয়ার (Industry-Academia Collaboration) মধ্যবর্তী দূরত্ব কমিয়ে আনতে গুরুকুলের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবিদগণ। আনন্দঘন পরিবেশ ও নতুন কিছু শেখার উদ্দীপনা নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিকেলে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে ফিরে আসেন।

কুষ্টিয়া গুরুকুলের লালন সাঁই ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

কুষ্টিয়া গুরুকুল এর কালিশংকরপুর ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা দিবসের কার্যক্রম।

কুষ্টিয়া, ১৪ মার্চ ২০১৬ – গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের উদ্যোগে শহরের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় কুষ্টিয়া শহরের কালিশংকরপুরস্থ ক্যাম্পাস-১ প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অভিযানের উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র মতিউর রহমান মজনু এবং স্থানীয় ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জোমারত আলী।   অনুষ্ঠানের পরিবেশ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে উদ্বোধনী পর্বটি এক প্রাণবন্ত ও অনুপ্রেরণামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করে। প্যানেল মেয়র উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন — “আবর্জনাকে সম্পদে রূপান্তরে পৌরসভাকে সহায়তা করুন। যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলবেন না, ড্রেনে আবর্জনা ফেলে পানি প্রবাহ বন্ধ করবেন না। নিজের আঙিনা নিজে পরিষ্কার রাখুন এবং অন্যদেরও পরিষ্কার রাখতে উদ্বুদ্ধ করুন।” তিনি গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের এই উদ্যোগকে কুষ্টিয়া পৌরসভার পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান এবং এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনার আহ্বান জানান। উপস্থিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন — মনির হাসান রিন্টু, পরিচালক (প্রশাসন) তানভীর মেহেদি, প্রধান সমন্বয়কারী শামীম রানা, লিগ্যাল ও মিডিয়া ইনচার্জ খোন্দকার রুহুল আমিন, ফাইনান্স ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম, এডমিন ইনচার্জ রিয়াজ উদ্দিন, এইচ আর ইনচার্জ দীপক কুমার মণ্ডল, রেজিস্ট্রার রফিকুল ইসলাম, কমার্শিয়াল ইনচার্জ মন্টু বাইন, একাডেমিক ইনচার্জ (মেডিকেল সেকশন) মাসরুর রহমান শুভ, আইটি ইনচার্জ তৌফিক এলাহি ওয়ারা, বিভাগীয় ইনচার্জ (সিভিল) জান্নাতুল নাঈম, বিভাগীয় ইনচার্জ (টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ডিজাইন) রাশনা শারমিন, বিভাগীয় ইনচার্জ (ইলেকট্রিক্যাল) চঞ্চল আলী, বিভাগীয় ইনচার্জ (কম্পিউটার) মামুন হক, বিভাগীয় ইনচার্জ (মেকানিক্যাল) ওয়াহেদ মতিন, বিভাগীয় ইনচার্জ (আর এস) এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের বিভিন্ন ক্যাম্পাসের শতাধিক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী।   অভিযানের কার্যক্রম একযোগে কুষ্টিয়াস্থ গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের সব ক্যাম্পাসে পরিচালিত এই অভিযানে অংশগ্রহণকারীরা নিজ হাতে ক্যাম্পাস চত্বর, সংলগ্ন সড়ক ও ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে শুধু শারীরিক পরিচ্ছন্নতাই নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও পরিবেশ সচেতনতার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।   ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গুরুকুল শিক্ষা পরিবার ঘোষণা করেছে যে, তারা এখন থেকে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করবে, যাতে ক্যাম্পাস ও আশেপাশের পরিবেশ সবসময় স্বাস্থ্যসম্মত ও দৃষ্টিনন্দন থাকে।

কুষ্টিয়া গুরুকুলের কাঙ্গাল হারিনাথ ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

কুষ্টিয়া গুরুকুল এর কাঙ্গাল হরিনাথ ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা দিবসের কার্যক্রম।

কুষ্টিয়া, ১৪ মার্চ ২০১৬ – পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের উদ্যোগে কাঙ্গাল হারিনাথ ক্যাম্পাসে এক পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় এ অভিযানের উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র মতিউর রহমান মজনু এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জোমারত আলী।     অনুষ্ঠানের পরিবেশ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে উদ্বোধনী মুহূর্তটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও অনুপ্রেরণাদায়ক। উদ্বোধন শেষে প্যানেল মেয়র বলেন— “শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রত্যেকেরই দায়িত্ব রয়েছে। আবর্জনা যেখানে-সেখানে না ফেলে সঠিকভাবে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। নিজের বাসা ও কর্মস্থল পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি প্রতিবেশীকেও সচেতন করতে হবে।” তিনি গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এমন অভিযান নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।     উপস্থিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন — মনির হাসান রিন্টু, পরিচালক (প্রশাসন) তানভীর মেহেদি, প্রধান সমন্বয়কারী শামীম রানা, লিগ্যাল ও মিডিয়া ইনচার্জ খোন্দকার রুহুল আমিন, ফাইনান্স ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম, এডমিন ইনচার্জ রিয়াজ উদ্দিন, এইচ আর ইনচার্জ দীপক কুমার মণ্ডল, রেজিস্ট্রার রফিকুল ইসলাম, কমার্শিয়াল ইনচার্জ মন্টু বাইন, একাডেমিক ইনচার্জ (মেডিকেল সেকশন) মাসরুর রহমান শুভ, আইটি ইনচার্জ তৌফিক এলাহি ওয়ারা, বিভাগীয় ইনচার্জ (সিভিল) জান্নাতুল নাঈম, বিভাগীয় ইনচার্জ (টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ডিজাইন) রাশনা শারমিন, বিভাগীয় ইনচার্জ (ইলেকট্রিক্যাল) চঞ্চল আলী, বিভাগীয় ইনচার্জ (কম্পিউটার) মামুন হক, বিভাগীয় ইনচার্জ (মেকানিক্যাল) ওয়াহেদ মতিন, বিভাগীয় ইনচার্জ (আর এস) এছাড়াও ক্যাম্পাসের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ বিপুল সংখ্যক অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন।     অভিযানের কার্যক্রম পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণকারীরা কাঙ্গাল হারিনাথ ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ, সংলগ্ন রাস্তা, ড্রেন এবং উন্মুক্ত স্থানের ময়লা-আবর্জনা নিজের হাতে পরিষ্কার করেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যক্তিগত ও সামাজিক স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করাই ছিল এ কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য।     ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গুরুকুল শিক্ষা পরিবার জানিয়েছে, তারা কাঙ্গাল হারিনাথ ক্যাম্পাসসহ কুষ্টিয়াস্থ সব ক্যাম্পাসে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়ে যাবে, যাতে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।            

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিন পালন

কুষ্টিয়া গুরুকুল এ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর এর ৯৭ তম জন্মদিন ও জাতিয় শিশু দিবস উদযাপন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিন পালন : দেশসেরা শিক্ষা গ্রুপ সাসেগ-গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের কুষ্টিয়াস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্পেশালাইজড ম্যাটস্, সাসেগ-গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউট, স্পেশালাইজড মেডিকেল ইন্সটিটিউট, কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট, স্পেশালাইজড আইএইচটি, কুমারখালী টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট এর আয়োজনে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ১৭ মার্চ, ২০১৬ তারিখে কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-২, শহরের হাসপাতাল মোড় থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী মজমপুর গেটে বঙ্গবন্ধুর মোর‌্যালে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ কালিশংকরপুরে ফিরে আলোচনা সভা কেক কেটে উদযাপন করা হয় বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাসেগ গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের পরিচালক,প্রশাসন মনির হাসান, প্রধান সমন্বয়কারী তানভির মেহেদি, সাসেগ-গুরুকুল রোভার স্কাউটের সভাপতি ও লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া সমন্বয়কারী শামীম রানা, ফাইনান্স ইনচার্জ খোন্দকার রুহুল আমিন। আরও উপস্থিত ছিলেন এডমিন ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম, ইনচার্জ এইচ আর রিয়াজ উদ্দিন, রেজিষ্টার দিপক কুমার মন্ডল, ইনচার্জ কমার্শিয়াল রফিকুল ইসলাম, মেডিকেল সেকশনের একাডেমিক ইনচার্জ মন্টু বাইন, আইটি ইনচার্জ মাসরুর রহমান শুভ, সিভিল বিভাগের প্রধান তৌফিক এলাহী ওয়ারা, টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ডিজাইন বিভাগের প্রধান জান্নাতুল নাঈম। আরও উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের প্রধান রাশনা শারমিন, কম্পিউটার বিভাগের প্রধান চঞ্চল আলী, মেকানিক্যাল বিভাগের প্রধান মামুন হক, আর এস বিভাগের প্রধান ওয়াহেদ মতিন, স্কাউট লিডার মিরাজ আলী সহ সকল শীক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারি ও সাসেগ-গুরুকুল রোভার স্কাউটের সদস্য বৃন্দ। [ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিন পালন ]

কুষ্টিয়া গুরুকুলের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহের বিদায় অনুষ্ঠান

কুষ্টিয়া গুরুকুল এর ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ সমূহের বিদায় অনুষ্ঠান ২০১৬।

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার কুষ্টিয়াস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে আয়োজন করেছিল এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মান জানাতে এবং তাদের নতুন জীবনের পথে উৎসাহ যোগাতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি ছিল স্মরণীয় ও আবেগঘন।   অনুষ্ঠানের সময় ও স্থান গত ৪ এপ্রিল ২০১৬, সকাল ৯টা থেকে দিনব্যাপী কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এ বিদায় অনুষ্ঠান। বিদায় অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক ও কম্পিউটার বিভাগের বিভাগীয় ইনচার্জ চঞ্চল আলী সভাপতিত্ব করেন।     প্রধান অতিথি ও সম্মানিত উপস্থিতি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আনিসুর রহমান মাহমুদ।অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— ইঞ্জিনিয়ার মতিয়ার রহমান, সিনিয়র ম্যানেজার, কোয়ালিটি কন্ট্রোল বিভাগ, বিআরবি ক্যাবলস ইন্ডাষ্ট্রিজ লি., কুষ্টিয়া আফজাল হোসেন, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (টেকনিক্যাল), বিআরবি ক্যাবলস ইন্ডাষ্ট্রিজ লি., কুষ্টিয়া ইঞ্জিনিয়ার একেএম শরীফ উদ্দীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (তড়িৎ), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া সানোয়ার হোসেন সৌরভ, সভাপতি, কুষ্টিয়া ফ্রিল্যান্সার এসোসিয়েশন হাজী আরিফ, সহ-সভাপতি, কুষ্টিয়া ফ্রিল্যান্সার এসোসিয়েশন সাজাহান আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও পাকিজা টেক্সটাইল কুষ্টিয়ার ডিস্ট্রিবিউটর এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন— সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর, প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ও তথ্য প্রযুক্তিবিদ মনির হাসান, পরিচালক (প্রশাসন) তানভীর মেহেদি, প্রধান সমন্বয়কারী শামীম রানা, সমন্বয়কারী, লিগ্যাল ও মিডিয়া বিভাগ   অতিথিদের বক্তব্য অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন— গুরুকুল শিক্ষা পরিবার ইতোমধ্যেই ১৫টি কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে কুষ্টিয়া সহ সারাদেশের কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তারা আরও বলেন, কারিগরি শিক্ষা একজন শিক্ষার্থীকে শুধু আত্মনির্ভরশীল করে তোলে না, বরং তাকে দেশের এক মূল্যবান মানবসম্পদে পরিণত করে। সাধারণ শিক্ষার সাথে কারিগরি শিক্ষার পার্থক্য তুলে ধরে অতিথিরা অভিভাবকদের সন্তানদের কারিগরি শিক্ষায় উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।   বিদায়ী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ৬ শতাধিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন— জান্নাতুল নাঈম, বিভাগীয় ইনচার্জ, টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ডিজাইন এন্ড প্যাটার্ন মেকিং রাশনা শারমিন, বিভাগীয় ইনচার্জ, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগ তৌফিক এলাহি ওয়ারা, বিভাগীয় ইনচার্জ, সিভিল বিভাগ মামুন হক, বিভাগীয় ইনচার্জ, মেকানিক্যাল বিভাগ ওয়াহেদ মতিন, বিভাগীয় ইনচার্জ, আরএস বিভাগ   সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আলোচনা সভা শেষে গুরুকুল কালচারাল ক্লাব মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আবহ আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। গান, নৃত্য, আবৃত্তি এবং নাটিকা পরিবেশনার মাধ্যমে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের প্রতি ভালোবাসা ও শুভকামনা জানানো হয়।   অনুষ্ঠান পরিচালনা দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের সার্বিক উপস্থাপনা করেন—সোনিয়া মাহমুদ, ইয়াছিন আরাফাত, সাবরিনা মমতাজ চয়ন, রাশনা শারমিন, জোনাকী খাতুন, নাহিদ ফারজানা ও সিদ্ধার্থ সৌভন রায়। ???? ফটো অ্যালবাম: https://www.flickr.com/photos/142554226@N06/sets/72157670552367430

কুষ্টিয়া গুরুকুলের আয়োজনে বর্ণাঢ্য ১৪২২ নববর্ষ উদযাপন

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার কুষ্টিয়ার বাংলা নববর্ষ ১৪২৩ উদযাপন | Bangla New Year 1423 Celebration, Gurukul Kushtia

দেশসেরা শিক্ষা গ্রুপ গুরুকুল শিক্ষা পরিবার এর আয়োজনে বৈশাখের প্রথম দিনটি পরিণত হয়েছিল এক প্রাণবন্ত, আনন্দঘন ও বর্ণাঢ্য উৎসবে। দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা এবং প্রাণখোলা মিলনমেলায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা একসাথে উদযাপন করেছেন বাংলা নববর্ষ।     মঙ্গল শোভাযাত্রায় রঙের উৎসব বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় কালিশংকরপুরস্থ কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা। ঢাক-ঢোল, কুলা, আলপনার নকশা, মুখোশ ও পান্তা-ইলিশের প্রতীকী সাজে সজ্জিত শিক্ষার্থীরা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী প্রতীক যেমন বাঘের মুখোশ, পালকি, গ্রামীণ কৃষিজ সামগ্রী ও বৈশাখী পতাকা বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। শোভাযাত্রা শেষ হয় হাসপাতাল মোড়স্থ কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-২ এ।   ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শোভাযাত্রা শেষে অনুষ্ঠিত হয় গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা খেলা যেমন— দড়ি টানাটানি, বালিশ খেলা, কানামাছি, গোল্লাছুট ইত্যাদি। পরে গুরুকুল কালচারাল ক্লাব এর আয়োজনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান, নৃত্য, আবৃত্তি এবং নাটিকা পরিবেশিত হয়, যা বৈশাখী আনন্দকে আরও রঙিন করে তোলে।   আলোচনা সভা ও রম্য বিতর্ক অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বৈশাখ উপলক্ষে আয়োজিত রম্য বিতর্ক প্রতিযোগিতা।বিষয় ছিল: “বৈশাখী প্রেমে ক্ষয়, বন্ধুত্বের হোক জয়”।গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের পক্ষ ও বিপক্ষ দলের প্রাণবন্ত যুক্তিতর্কে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা উপভোগ করেন হাস্যরস ও তাৎপর্যমণ্ডিত বিতর্ক। প্রতিযোগিতায় পক্ষ দল বিজয়ী হয়।   অতিথি ও আয়োজকবৃন্দের উপস্থিতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— শামীম রানা, লিগ্যাল ও মিডিয়া সমন্বয়কারী, গুরুকুল শিক্ষা পরিবার মন্টু বাইন, একাডেমিক ইনচার্জ, মেডিকেল সেকশন জান্নাতুল নাঈম, বিভাগীয় প্রধান, টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ডিজাইন বিভাগ চঞ্চল আলী, বিভাগীয় প্রধান, কম্পিউটার বিভাগ রাশনা শারমীন, বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগ তৌফিক এলাহি ওয়ারা, বিভাগীয় প্রধান, সিভিল বিভাগ মামুন হক, বিভাগীয় প্রধান, মেকানিক্যাল বিভাগ ওয়াহেদ মতিন, বিভাগীয় প্রধান, আরএস বিভাগ দীপক কুমার মণ্ডল, রেজিস্ট্রার রিয়াজ উদ্দিন, এইচআর মিরাজ আলী, আহবায়ক, পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটি এছাড়াও গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।   বাংলা নববর্ষের বার্তা বক্তারা বলেন, পহেলা বৈশাখ শুধুমাত্র উৎসবের দিন নয়, এটি বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের বহিঃপ্রকাশ। গুরুকুল শিক্ষা পরিবার প্রতি বছর এই দিনটি উৎসাহ ও আবেগের সাথে উদযাপন করে, যাতে শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশপ্রেম ও সাংস্কৃতিক চেতনা আরও দৃঢ় হয়।