গুরুকুল ব্যবস্থাপনা পরিষদ সদস্য আনিসুর রহমান মাহমুদের মৃত্যুতে গভীর শোক

গুরুকুল ব্যবস্থাপনা পরিষদের অন্যতম সম্মানিত সদস্য আনিসুর রহমান মাহমুদ (আনিস মাহমুদ)-এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে গুরুকুল শিক্ষা পরিবার। তাঁর প্রয়াণে দেশের উন্নয়ন ও নীতিনির্ধারণী মহলে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। গুরুকুল প্রমুখের শোকবার্তা আনিস মাহমুদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন গুরুকুল প্রমুখ এবং প্রখ্যাত তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন: “আনিস মাহমুদ কেবল আমাদের ব্যবস্থাপনা পরিষদের সদস্য ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন অকৃত্রিম পথপ্রদর্শক। তাঁর প্রয়াণে গুরুকুল একটি নির্ভরতার মজবুত স্তম্ভ হারালো। আমরা মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।” কর্মময় জীবন ও বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার আনিসুর রহমান মাহমুদ ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন পেশাদার ব্যক্তিত্ব। তাঁর কর্মজীবনের পরিধি ছিল অত্যন্ত বিস্তৃত। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে উৎপাদন, বিপণন এবং বিজ্ঞাপন খাতে দেশি ও বিদেশি বহু স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে নীতিনির্ধারক পর্যায়ে কাজ করেছেন। সামাজিক উন্নয়ন ও নীতি প্রণয়ন খাতে তাঁর অভিজ্ঞতা ছিল ঈর্ষণীয়। তিনি জাতীয় পর্যায়ের বেশ কিছু বাণিজ্য ও উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানের পরামর্শক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দেশের সামাজিক যোগাযোগ খাতের আধুনিকায়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। গুরুকুলে অবদান ও উত্তরাধিকার গুরুকুলের আজকের অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে আনিস মাহমুদের দূরদর্শী চিন্তা ও দিকনির্দেশনা বিশেষভাবে কাজ করেছে। তাঁর কর্মদক্ষতা ও নেতৃত্ব গুরুকুলের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করেছে। গুরুকুল পরিবারের সদস্যরা মনে করেন, তাঁর দেখানো পথ ও আদর্শ প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় চিরকাল প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। শেষ বিদায় ও প্রার্থনা গুরুকুল পরিবারের সকল সদস্য, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করছে। শোকবার্তায় জানানো হয়, তাঁর মতো একজন নিষ্ঠাবান ও মেধাবী ব্যক্তিত্বের অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। প্রশাসন ও জনসংযোগ বিভাগ, গুরুকুল শিক্ষা পরিবার।
মশিউল ইসলাম
মশিউল ইসলাম বিভাগীয় প্রধান (কম্পিউটার) ইমেইল: mosheul.islam@gurukul.edu.bd মোবাইল: +880 1877731303
তানভির মেহেদী
তানভির মেহেদী Tanvir Mehedi, Assistant Director, Gurukul তানভির মেহেদী, সহকারি পরিচালক, গুরুকুল ইমেইলঃtanvir.mehedi@gurukul.edu.bd মোবাইলঃ০১৭৯৯- ০৩৪১৯১ জনাব তানভির মেহেদী বর্তমানে তিনি গুরুকুল এ সহকারি পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন।
গুরুকুলে বিনামূল্যে বেসিক ফটোগ্রাফি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত
কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাসে গুরুকুল ভিডিও অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো “ফ্রি বেসিক ফটোগ্রাফি ওয়ার্কশপ”। এই আয়োজন ছিল নতুন প্রজন্মকে আলোকচিত্র শিল্পে উদ্বুদ্ধ করা এবং মৌলিক দক্ষতা অর্জনের এক অনন্য সুযোগ। কর্মশালার উদ্দেশ্য ফটোগ্রাফি আজ কেবল একটি শখ নয়, বরং পেশাদার ক্যারিয়ার গঠনের এক শক্তিশালী মাধ্যম। তরুণদের এই শিল্পে আগ্রহী করে তোলা এবং বেসিক ধারণা দেওয়ার জন্য গুরুকুল এ কর্মশালার আয়োজন করে। সময় ও পরিচালনা কর্মশালাটি শুরু হয় দুপুর ২:৩০ মিনিটে এবং চলে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা। মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গুরুকুল ভিডিও অ্যান্ড ফটোগ্রাফি ট্রেড প্রধান ও দেশের খ্যাতিমান ফটোগ্রাফার আবু সুফিয়ান নিলাভ। তিনি অংশগ্রহণকারীদের— ফটোগ্রাফির মৌলিক কৌশল, আলো ও কম্পোজিশনের ব্যবহার, ক্যামেরা সেটিংসের গুরুত্ব, এবং সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। একই সঙ্গে তিনি অংশগ্রহণকারীদের ফটোগ্রাফিতে উৎসাহিত করেন এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে পরামর্শ দেন। অংশগ্রহণ ও শুভেচ্ছা ওয়ার্কশপের শুরুতে গুরুকুল পরিবারের পক্ষ থেকে সকল অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন সহকারী পরিচালক তানভীর মেহেদী।কুষ্টিয়া ছাড়াও বিভিন্ন জেলা থেকে মোট ৪৬ জন ফটোগ্রাফার এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। এই ফ্রি বেসিক ফটোগ্রাফি ওয়ার্কশপ অংশগ্রহণকারীদের জন্য শুধু আলোকচিত্রের বুনিয়াদি শিক্ষা নয়, বরং একটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল। গুরুকুলের এই উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে ফটোগ্রাফিকে কেবল একটি শিল্প নয়, বরং পেশাদার দক্ষতায় রূপান্তরিত করার সুযোগ করে দিচ্ছে।
মোঃ মোর্শেদ আলম

Md. Morshed Alam, Accounts Officer,Gurukul মো: মোর্শেদ আলম, একাউন্টস অফিসার, গুরুকুল ঢাকা ইমেইলঃmd.morshed.alam@gurukul.edu.bd মোবাইলঃ০১৮৭৭৭৩১৩২৯ জনাব মো: মোর্শেদ আলম বর্তমান গুরুকুল ঢাকা অফিসে একাউন্টস অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।
মতিয়ার রহমান
Motiar Rahman, Incharge Finance, Gurukul মোঃ মতিয়ার রহমান, ইনচার্জ ফাইনান্স, গুরুকুল ইমেইলঃinchage.finance@gurukul.edu.bd মোবাইলঃ ০১৭০১২২৯৬৫৫ জনাব মো: মতিয়ার রহমান বর্তমান গুরুকুল এ ইনচার্জ ফাইনান্স হিসেবে কর্মরত আছেন।
ঐতিহ্যের জয়গান ও শেকড়ের টানে: কুষ্টিয়া গুরুকুলে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ ১৪২৫
জীর্ণ পুরাতনকে পেছনে ফেলে নতুনের আবাহনে কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক-এ উদযাপিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪২৫। আনন্দ, উল্লাস আর বাঙালিয়ানা ঐতিহ্যের সংমিশ্রণে দিনব্যাপী নানা আয়োজনে গুরুকুল ক্যাম্পাস পরিণত হয়েছিল এক টুকরো লাল-সবুজের বাংলাদেশে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে নববর্ষের এই উৎসব এক অনন্য সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় রূপ নেয়। প্রভাতী সুর ও শুভ সূচনা ভোরের নতুন সূর্য উঁকি দিতেই গুরুকুল প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে জাতীয় সঙ্গীত ও এসো হে বৈশাখ গানের সুরে। নতুন বছরের শান্তিময় আহ্বান জানিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈশাখী আয়োজনের সূচনা করা হয়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা রঙিন পাঞ্জাবি ও শাড়িতে সজ্জিত হয়ে ক্যাম্পাসে সমবেত হন। রাজপথে মঙ্গল শোভাযাত্রা সকাল ৮টায় কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা। ঐতিহ্যবাহী অনুষঙ্গ: হাতে আঁকা রঙিন আলপনা, বিশাল আকৃতির মুখোশ, এবং লোকজ প্রতীক নিয়ে সজ্জিত শোভাযাত্রাটি কুষ্টিয়া শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। যাত্রাপথ: দেশীয় বাদ্যের তালে তালে শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে গুরুকুল মীর মশাররফ হোসেন ক্যাম্পাসে এসে সমাপ্ত হয়, যা ছিল উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসব ও সাংস্কৃতিক আসর শোভাযাত্রা পরবর্তী অংশে মীর মশাররফ হোসেন ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয় গ্রাম-বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী সব আয়োজন: গ্রামীণ খেলাধুলা: হাড়িভাঙা, মোরগ লড়াইসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খেলায় মেতে ওঠে শিক্ষার্থীরা। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা: শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় ছিল বৈচিত্র্যময় বৈশাখী সঙ্গীত আসর, কবিতা আবৃত্তি এবং দলীয় নৃত্য। সবার অংশগ্রহণ: গুরুকুলের মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০০-রও বেশি শিক্ষার্থী এবং সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে আয়োজনটি অত্যন্ত প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। শুভেচ্ছা বিনিময় ও প্রেরণা অনুষ্ঠানে গুরুকুল প্রমুখ, দেশবরেণ্য প্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এবং চেয়ারম্যান আজিজা আহমেদ-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত সবার মাঝে নববর্ষের শুভেচ্ছা ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন যে, কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করাই গুরুকুলের শিক্ষার মূল ভিত্তি।
বীরত্বের ৪৭ বছর: কুষ্টিয়া গুরুকুলে বিনম্র শ্রদ্ধায় মহান স্বাধীনতা দিবস ২০১৮ উদ্যাপন
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং আত্মত্যাগের মহিমায় কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক-এর উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে ৪৭তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও রোভার স্কাউটসহ সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ ও জেলা স্টেডিয়াম হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। বীরত্বের ৪৭ বছর: কুষ্টিয়া গুরুকুলে বিনম্র শ্রদ্ধায় মহান স্বাধীনতা দিবস ২০১৮ উদ্যাপন জেলা প্রশাসনের বর্ণাঢ্য আয়োজনে গুরুকুল স্বাধীনতা দিবসের মূল আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শনীর (ডিসপ্লে) আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক জনাব জহির রায়হান এবং পুলিশ সুপার এস. এম. মেহেদী হাসান। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর সুশৃঙ্খল কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে বীর শহীদদের সালাম জানানো হয়। মাঠে দুই শতাধিক সদস্যের কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে জেলা স্টেডিয়ামের এই কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠানে গুরুকুলের বিভিন্ন ইউনিট থেকে প্রায় দুই শতাধিক সদস্য অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে অংশগ্রহণ করেন। গুরুকুলের অংশগ্রহনকারী ইউনিটগুলো হলো: গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ গুরুকুল গার্ল-ইন রোভার গুরুকুল যুব রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট তরুণ এই সদস্যরা সমবেতভাবে স্বাধীনতার ইতিহাস, মুক্তি সংগ্রাম ও বিজয়ের বিভিন্ন চিত্র ডিসপ্লের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন, যা উপস্থিত দর্শকদের ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করে। শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সরব উপস্থিতি দিনব্যাপী আয়োজিত এই কর্মসূচিতে গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে চলাকালীন গ্যালারিতে তাঁদের সরব উপস্থিতি ও উৎসাহ প্রদান অনুষ্ঠানটিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। গুরুকুল প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দেওয়াই তাঁদের অন্যতম লক্ষ্য। চেতনার জয়গান ও অঙ্গীকার ৪৭তম মহান স্বাধীনতা দিবসের এই আয়োজন কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা ছিল না; এটি ছিল নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার এক অনন্য প্রচেষ্টা। গুরুকুল পরিবারের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে শপথ গ্রহণ করেন যে, তাঁরা কেবল কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হবেন না, বরং দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন। কুষ্টিয়া গুরুকুলের এই বর্ণিল আয়োজন ছিল মূলত গর্ব, কৃতজ্ঞতা ও প্রেরণার এক মিলনমেলা।
গুরুকুলে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন
ঐতিহ্যবাহী কুষ্টিয়া গুরুকুলের লালন সাঁই ক্যাম্পাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হলো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস। কেক কেটে সূচনা অনুষ্ঠানের শুরুতে গুরুকুলের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে কেক কেটে অনুষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। আলোচনা সভা এরপর অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা, যেখানে বক্তারা বঙ্গবন্ধুর জীবন, কর্ম ও আদর্শ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন— বঙ্গবন্ধু শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি ছিলেন জাতির মুক্তির প্রতীক। তাঁর নেতৃত্বেই বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বঙ্গবন্ধুর শিশুপ্রেম ও শিশুদের প্রতি দায়বদ্ধতার কথাও তুলে ধরা হয়, যা আজকের জাতীয় শিশু দিবসকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আলোচনা শেষে গুরুকুল কালচারাল ক্লাবের সদস্যরা বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পরিবেশন করেন— ২টি দেশাত্মবোধক গান ১টি নৃত্য এসব পরিবেশনায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, সংগ্রাম ও দেশপ্রেমকে তুলে ধরা হয়। উপস্থিতি অনুষ্ঠানে গুরুকুলের ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।এছাড়াও অংশগ্রহণ করে গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ এবং গুরুকুল কালচারাল ক্লাবের সদস্যরা। ফটো ক্যাপশন গুরুকুলে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে শিক্ষকদের একাংশ গুরুকুলে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে রোভার স্কাউট সদস্যদের একাংশ গুরুকুলে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে কালচারাল ক্লাবের সদস্যদের একাংশ কুষ্টিয়া গুরুকুলে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন হয়ে উঠেছিল এক অনন্য স্মরণীয় আয়োজন। আলোচনা, কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম থেকে প্রেরণা নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
কুষ্টিয়া গুরুকুলে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
প্রখ্যাত লেখক, বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল-এর উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় কুষ্টিয়া গুরুকুলের ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল বিভাগের শিক্ষার্থী-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন। এসময় তাঁরা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। কর্মসূচির স্থান ও সময় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাসের সামনে। সময়: বিকেল ৩টা। এতে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। বক্তাদের বক্তব্য সমাবেশে বক্তব্য রাখেন— মুহাইমিনুর রহমান জিম (শিক্ষার্থী, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ) অর্নব মাহমুদ (শিক্ষার্থী, কম্পিউটার বিভাগ) ইয়াসিন আরাফাত তুষার (শিক্ষার্থী, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগ) এম. এ. মাসুম (বিভাগীয় প্রধান, আরএস বিভাগ) রাসনা শারমিন (ইন্সট্রাক্টর ও বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগ) রুহুল আমিন (ইনচার্জ, ফাইন্যান্স) তানভির মেহেদী (সহকারী পরিচালক) শামীম রানা (ইনচার্জ, লিগ্যাল ও অ্যাডমিন) বক্তব্যের মূল প্রতিপাদ্য বক্তারা তাদের বক্তব্যে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান জানান এবং বলেন: “ইসলামের নামে ড. জাফর ইকবালের উপর হামলা আসলে আমাদের ধর্মের উপরই আক্রমণ। এ ধরনের নৃশংস ঘটনা ইসলামকে শান্তির ধর্ম হিসেবে বিশ্বাস করা লক্ষ কোটি মুসলিমকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কলঙ্কিত করছে। কিছু অমানুষের কারণে সমগ্র মুসলিম সমাজকে জঙ্গিবাদের তকমা বহন করতে হচ্ছে, যা অগ্রহণযোগ্য।” তাঁরা আরও বলেন— জঙ্গিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদদাতাদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। ইসলামকে ঢাল বানিয়ে যারা সন্ত্রাস ছড়ায়, তারা আসলে ধর্মের শত্রু। শান্তিপ্রিয় মুসলিম সমাজের দায়িত্ব হলো এই উগ্রবাদীদের প্রতিহত করা। ধর্ম ও মানবতার মর্যাদা রক্ষাই আজকের যুগের প্রকৃত জিহাদ। কুষ্টিয়া গুরুকুলের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে এককথায় স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে— বাংলাদেশের শিক্ষার্থী সমাজ ও সাধারণ মানুষ জঙ্গিবাদকে কখনোই প্রশ্রয় দেবে না। ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয় সমাবেশ থেকে।