গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সকল ৬ষ্ঠ পর্বের অভিভাবক সমাবেশ ২০১৮ অনুষ্ঠিত

কুষ্টিয়া গুরুকুলের লালন সাঁই ক্যাম্পাসের হল রুমে অনুষ্ঠিত হলো ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৬ষ্ঠ পর্বের শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সমাবেশ–২০১৮। ইলেকট্রিক্যাল, টেক্সটাইল, জিডিপিএম, সিভিল, কম্পিউটার ও মেক্যানিক্যাল টেকনোলজির মোট ১৮৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬২ জনের অভিভাবক সরাসরি উপস্থিত ছিলেন এ আয়োজনে। ফলাফল ও তথ্য প্রদান সমাবেশে প্রতিটি অভিভাবকের হাতে শিক্ষার্থীদের— ফলাফল শীট, ক্লাসে উপস্থিতির হার, এবং অন্যান্য একাডেমিক তথ্যসমূহ তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি ও পড়াশোনায় অভিভাবকদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করা হয়। গুরুকুলের ভিশন ও কার্যক্রম ট্রেড প্রধানরা তাদের বক্তব্যে তুলে ধরেন— গুরুকুল প্রমুখ তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর প্রতিষ্ঠিত গুরুকুল বর্তমানে দেশে ৭টি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৩টি মেডিকেল বিভাগ এবং সারাদেশে ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে। এখানে হাতে-কলমে শিক্ষা দিয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষ, কর্মঠ, রুচিশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর তরুণ প্রজন্মে রূপান্তরিত করা হচ্ছে। বিদেশেও বহু শিক্ষার্থী সফলভাবে কাজ করে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। প্রতিটি ২৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন গাইড শিক্ষক নিয়োজিত আছেন। কো-কারিকুলার কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে যোগ্য করে গড়ে তুলতে গুরুকুলে রয়েছে সমৃদ্ধ কো-কারিকুলার কাঠামো। নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থীরা যুক্ত থাকে— গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ গুরুকুল সঙ্গীত বিভাগ গুরুকুল নাট্য বিভাগ গুরুকুল নৃত্য বিভাগ গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব গুরুকুল স্পোর্টস ক্লাব গুরুকুল যুব রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট গুরুকুল ম্যাথ ক্লাব গুরুকুল কম্পিউটার ক্লাব গুরুকুল ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, দলগত দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে। অভিভাবকদের বক্তব্য অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, শৃঙ্খলা ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে তাদের মতামত ও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। উপস্থিত ছিলেন— টেক্সটাইল ট্রেডের অভিভাবকরা: মৃদুল শাহা, বিজয় প্রামানিক, নাজিম উদ্দিন, রেজাউল হক, মাসুদ হোসেন, শান্তা পারভিন প্রমুখ। ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের অভিভাবকরা: আনজিরা বেগম, রহিতুন খাতুন, সুজাউদ্দিন, আব্দুর রাজ্জাক, সজল আহমেদ, ফজলুর রহমান, রাশেদুল ইসলাম, নওয়াব আলী প্রমুখ। সিভিল ট্রেডের অভিভাবকরা: মানিক হোসেন, উৎপল বিশ্বাস, তাসলিমা খাতুন, সিরাজুল ইসলাম, আকাশ আহমেদ প্রমুখ। মেক্যানিক্যাল ট্রেডের অভিভাবকরা: ফয়সাল আহমেদ, শফী উদ্দিন, নূরজাহান খাতুন, সম্রাট আলী, শাহানাজ ফেরদৌসি প্রমুখ। কম্পিউটার ট্রেডের অভিভাবকরা: আনিসুর রহমান, নূরুন্নাহার, ইউসুফ আহমেদ, লিটন হোসেন প্রমুখ। প্রশ্নোত্তর পর্ব অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন— রাসনা শারমিন (ট্রেড প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল) হাবিবুর রহমান (ট্রেড প্রধান, টেক্সটাইল ও জিডিপিএম) সিরাজুম মনিরা (ট্রেড প্রধান, সিভিল) রাকিবুল ইসলাম (ট্রেড প্রধান, কম্পিউটার) তামান্না আফরোজ (ট্রেড প্রধান, মেক্যানিক্যাল) শামীম রানা (একাডেমিক ইনচার্জ, গুরুকুল) এই অভিভাবক সমাবেশ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে দায়িত্ব, অঙ্গীকার ও পারস্পরিক সহযোগিতার এক সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। গুরুকুলের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিকভাবে নয়, বরং সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলা।
রোভার স্কাউট এর প্রতিষ্ঠাতা বিপির জন্মদিন ও স্কাউটিং এর শতবার্ষিকী পালন

বিশ্ব স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল (বিপি)-এর জন্মদিন ও বিশ্ব স্কাউটিংয়ের গৌরবময় পথচলার শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে কুষ্টিয়ায় বর্ণাঢ্য কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা রোভার স্কাউট ও গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্কাউটিংয়ের আদর্শ ও সেবার মন্ত্র নতুনভাবে তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বিপির জন্মদিন ও স্কাউটিংয়ের তাৎপর্য স্কাউটিংয়ের জনক রবার্ট স্টিফেনসন স্মিথ ব্যাডেন পাওয়েল (বিপি) ১৮৫৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর হাত ধরেই ১৯০৭ সালে ব্রাউন সি দ্বীপে ২০ জন কিশোর নিয়ে শুরু হয়েছিল স্কাউটিং, যা আজ বিশ্বের বৃহত্তম স্বেচ্ছাসেবী যুব আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে রোভার স্কাউটিং হলো স্কাউট আন্দোলনের উচ্চতর শাখা, যেখানে ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা ‘সেবা’র (Service) মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হয়। বর্ণাঢ্য র্যালি ও সংহতি দিবসের কর্মসূচি শুরু হয় কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাস থেকে একটি সুবিশাল র্যালির মাধ্যমে। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ চত্বরে পৌঁছালে সেখানে জেলা রোভারের অন্যান্য ইউনিটের সঙ্গে এক মহামিলন মেলায় পরিণত হয়। শত শত রোভার সদস্যের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও স্কাউট স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে কুষ্টিয়ার রাজপথ। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে এসে শেষ হয়। আলোচনা সভা ও কেক কাটা র্যালি পরবর্তী আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তারা স্কাউটিংয়ের ইতিহাস ও বর্তমান বিশ্বে এর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। কুষ্টিয়া জেলা রোভার স্কাউটের সম্পাদক ও কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক একেএম সামসুল হক তাঁর বক্তব্যে বলেন: “বিপি আমাদের শিখিয়েছেন ‘সদাই প্রস্তুত’ থাকতে। রোভার স্কাউটিং কেবল একটি আন্দোলন নয়, এটি একটি জীবনদর্শন। একজন রোভার সবসময় নিজেকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে এবং নিঃস্বার্থভাবে আর্তমানবতার সেবায় কাজ করে।” গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি এস.এম. শামীম রানা বলেন, স্কাউটিংয়ের শতবর্ষের এই মাহেন্দ্রক্ষণ আমাদের তরুণদের মাদক, সন্ত্রাস ও নেতিবাচকতা থেকে দূরে রেখে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। সম্মানিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন: এম. এ. মাসুম, সম্পাদক, গুরুকুল রোভার স্কাউট। রাসনা শারমিন, ইউনিট লিডার, গুরুকুল গার্ল-ইন রোভার। মাসুদুর রহমান, ইউনিট লিডার, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ। ড. নূরুন্নাহার, ইউনিট লিডার, গার্ল-ইন রোভার। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ কুষ্টিয়ার শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর রোভার সদস্যরা এই উৎসবে সংহতি প্রকাশ করেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজ কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজ কুয়াতুল ইসলাম আলিয়া মাদ্রাসা কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রোভারিংয়ের শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী নবীন রোভাররা বিপির জন্মদিন ও স্কাউটিংয়ের শতবর্ষ পূর্তিতে নতুন করে ‘বিপি শপথ’ স্মরণ করেন। বক্তারা উল্লেখ করেন যে, বর্তমান ডিজিটাল যুগেও স্কাউটিংয়ের মাধ্যমে চারিত্রিক গঠন ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন অত্যন্ত জরুরি। এই কর্মসূচি কুষ্টিয়ার তরুণদের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধির এক অনন্য ক্ষেত্র হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে। আরও দেখুন: কুষ্টিয়ার নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে গুরুকুল রোভার স্কাউটের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ
গুরুকুলে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৮ পালন । গুরুকুল বাংলাদেশ

বাংলা ভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করতে কুষ্টিয়া, ঢাকা, রাজবাড়ি ও কুমারখালীসহ দেশের সকল গুরুকুল ক্যাম্পাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৮। প্রভাতফেরি ও শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি কুষ্টিয়া গুরুকুল আয়োজিত কর্মসূচিতে ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল বিভাগের প্রায় সাত শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। ভোরবেলা সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রভাতফেরি বের হয়। শোভাযাত্রাটি কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক অতিক্রম করে কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। একুশের মূল প্রতিপাদ্য গুরুকুল প্রমুখ, তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর প্রতিষ্ঠিত গুরুকুল সবসময় বাংলা ভাষার ব্যবহারকে গুরুত্ব দেয়।এইবার দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়:“আমরা দাপ্তরিক সব কাজ বাংলায় করি – আপনি?” এই স্লোগানকে সামনে রেখে গুরুকুল নার্সিং ও প্যাথলজি ট্রেড প্রধান মিশাকাতুর রহমান এবং একাডেমিক ইনচার্জ শামীম রানার নেতৃত্বে উদযাপন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন— ইনচার্জ ফাইন্যান্স রুহুল আমিন ইনচার্জ কমার্শিয়াল রফিকুল ইসলাম সিনিয়র ট্রেড প্রধান রাসনা শারমিন এম. এ. মাসুম, হাবিবুর রহমান, তামান্না আফরোজ উদযাপন কমিটির সদস্য ও কম্পিউটার ট্রেড প্রধান রাকিবুল ইসলাম টেক্সটাইল জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর হোসাইন বিন হাফিজ ইলেকট্রনিক্স জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর সোহাগ আহমেদ সিভিল জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর জান্নাতুল তাসনিম শোভা এছাড়া গুরুকুলের ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল বিভাগের শিক্ষার্থী-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ সকলে মিলিত হয়ে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। গুরুকুলের এই আয়োজন প্রমাণ করে যে, একুশ শুধু স্মরণ নয় বরং এটি ভাষা, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের প্রতি দায়বদ্ধতার অঙ্গীকার। শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে শিক্ষক—সবার অংশগ্রহণে দিনটি পরিণত হয় শ্রদ্ধা, ঐক্য ও দেশপ্রেমের এক অনন্য উদযাপনে।
গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল বিভাগ সমূহের বিদায় অনুষ্ঠান ২০১৮

গৌরবময় আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল বিভাগ সমূহের বিদায় অনুষ্ঠান-২০১৮। এদিন ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে ৮৯২ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা এবং দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসবে। দিনের সূচনা: সকালে কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আনন্দ শোভাযাত্রা। শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শোভাযাত্রাটি পৌঁছে কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে। সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় আলোচনা সভা ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অতিথি ও বক্তৃতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল প্রমুখ তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক এবং চেয়ারম্যান আজিজা আহমেদ।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দেশের সুপরিচিত অভিনেত্রী তানভীন সুইটি, তারিন জাহান, নওশীন নাহারীন মৌ, আদনান ফারুক হিল্লোল, মাজনুন মিজান, আমান রেজা, প্রণীল জাহিদ, সুমা, প্রমা, নমিরা, প্রত্যয় খান, কমল চৌধুরী, আরহাম চৌধুরী ও মুনা চৌধুরী। বিশেষ বক্তা ছিলেন কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রধান ও বাংলাদেশ টেরিটোরিয়াল ফোর্সেস অফিসার লেফটেন্যান্ট আহসান কবির রানা।সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন— কুষ্টিয়া পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম নূরুল ইসলাম জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া এস.এ ইউ ফ্যাশন লিমিটেডের ফেব্রিক মার্চেন্ডাইজার তৌহিদুজ্জামান আরআর ফাউন্ডেশনের সিইও রাসেল আহমেদ সংবর্ধনা ও সম্মাননা গুরুকুলের টেক্সটাইল, ইলেকট্রিক্যাল, সিভিল, কম্পিউটার, জিডিপিএম ও মেকানিক্যাল বিভাগ থেকে মোট ১০৭ জন শিক্ষার্থীকে মেধা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। গুরুকুল কর্মী কল্যাণ তহবিলের নবনির্বাচিত সভাপতি রাসনা শারমিন ও সাধারণ সম্পাদক এম. এ. মাসুমকে শপথ বাক্য পাঠ করান গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক। “গুরুকুল স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার” নির্বাচিত হন গুরুকুল টেক্সটাইল ট্রেডের ৬ষ্ঠ পর্বের শিক্ষার্থী ও গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপের সিনিয়র রোভারমেট আশরাফুল ইসলাম। দেশসেরা রেজাল্টের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার ও ক্রেস্ট গ্রহণ করেন টেক্সটাইল ট্রেডের শেষ পর্বের শিক্ষার্থী নাঈমুর রহমান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিনব্যাপী বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক আয়োজন দর্শকদের বিমোহিত করে তোলে। মঞ্চ নাটক, নৃত্য, সংগীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করে গুরুকুল সংগীত বিভাগ, নৃত্য বিভাগ, নাট্য বিভাগ, রোভার স্কাউট গ্রুপ, গার্ল-ইন রোভার, ডিবেটিং ক্লাব, যুব রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, ম্যাথ ক্লাব ও আবৃতি পরিষদ। শিক্ষার্থীদের প্রতিভা, সৃজনশীলতা ও প্রাণবন্ত উপস্থাপনা অতিথি ও উপস্থিত সবার প্রশংসা কুড়ায়। বিদায় অনুষ্ঠান-২০১৮ ছিল গুরুকুলের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়। শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা যেমন ছিল আবেগঘন, তেমনি সাংস্কৃতিক আয়োজন দিনটিকে পরিণত করেছে আনন্দ, কৃতজ্ঞতা ও প্রেরণার এক উৎসবে।
গুরুকুল পরিবারের রঙিন আয়োজন – গুরুকুল পিঠা উৎসব ২০১৮

ক্যাম্পাস প্রেস রিলিজ: গুরুকুল পরিবারের উদ্যোগে এবং গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল একাডেমিক বিভাগের আয়োজনে বর্ণিল গুরুকুল পিঠা উৎসব ২০১৮ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কুষ্টিয়ার গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাসের হল রুমে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। উৎসবের উদ্বোধন ও অতিথি উপস্থিতি পিঠা উৎসবে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও রেজিস্ট্রার ড. ইসমত আরা। তিনি উৎসবের বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং গুরুকুল কালচারাল ক্লাবের পরিবেশিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পিঠা উৎসবের প্রাণবন্ত পরিবেশ সকাল থেকে পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে বিভিন্ন স্বাদের ঐতিহ্যবাহী পিঠার ঘ্রাণে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। রকমারি পিঠার স্বাদ ও সৌন্দর্যে সবার মন জয় করে নেয় এ আয়োজন। পিঠা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার পিঠা উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ ছিল পিঠা তৈরির প্রতিযোগিতা। ভিন্ন স্বাদের ও সৃজনশীল উপস্থাপনার জন্য পুরস্কার পেয়েছেন— কম্পিউটার ট্রেডের জুনিয়র ইন্সট্রাকটর সোনিয়া মাহমুদ আরএস বিভাগের শিক্ষক সাদিয়া ইসলাম ইলেকট্রিক্যাল ট্রেড প্রধান রাসনা শারমিন উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীরা উৎসবে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা করেন— গুরুকুল কর্মী কল্যাণ তহবিলের নবনির্বাচিত সভাপতি, ইলেকট্রিক্যাল ট্রেড প্রধান ইন্সট্রাকটর রাসনা শারমিন সাধারণ সম্পাদক ও আরএস ট্রেড প্রধান এম.এ. মাসুম গুরুকুল সহকারী পরিচালক তানভির মেহেদি ইনচার্জ ফাইনান্স খোন্দকার রুহুল আমিন ইনচার্জ লিগ্যাল এন্ড এডমিন এস.এম. শামীম রানা মেকানিক্যাল ট্রেড প্রধান তামান্না আফরোজ সিভিল ট্রেড প্রধান সিরাজুম মনিরা কম্পিউটার ট্রেড প্রধান শামীম রেজা টেক্সটাইল ট্রেড প্রধান হাবিবুর রহমান প্যাথলজি বিভাগের জুনিয়র ইন্সট্রাকটর সুমনা আক্তার ও শারমিন সুলতানা গুরুকুল নৃত্য বিভাগের শিক্ষক উপমা সঙ্গীত শিক্ষক জহিরুল ইসলাম এডমিশন কাউন্সিলর নাজনিন সুলতানা ও সুমাইয়া তাবাসুম গুরুকুল অফিসিয়াল ফটোগ্রাফার সুমন আহমেদ এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উৎসবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন। সাংস্কৃতিক আমেজে পিঠা উৎসব উৎসবের পাশাপাশি গুরুকুল কালচারাল ক্লাবের আয়োজনে পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অংশগ্রহণকারীদের মুগ্ধ করে। গান, নৃত্য ও কবিতা পরিবেশনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিভার পরিচয় দেন, যা পিঠা উৎসবের আমেজকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।
কুষ্টিয়া গুরুকুলের সিভিল টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ

সিভিল টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার বেলা ১১ টায় কুষ্টিয়া গুরুকুল, লালন সাঁই ক্যাম্পাসের হল রুমে সিভিল টেকনোলজির বিভাগীয় প্রধান, সিরাজুম মনিরার সভাপতিত্বে অভিভাবক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল একাডেমিক ইনচার্জ শামীম রানা, কম্পিউটার টেকনোলজি গাইড শিক্ষক জনি ইসলাম। সিভিল টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ সিভিল টেকনোলজির ৩য় ও ৫ম পর্বের ৫৪ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মধ্যে ৪৯ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। অভিভাবকদের মধ্যে ৬ জন অভিভাবক বক্তব্য রাখেন, তারা হচ্ছেন মোস্তফা কামাল, হাসিবুল, আব্দুল হামিদ, মমিনুর রহমান, মোস্তফা কামাল, রহিমা খাতুন। সমাবেশে শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের পরীক্ষার রেজাল্ট ও খাতা দেখান হয়। গুরুকুল সিভিল টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ অভিভাবকগক শিক্ষার্থীদের রেজাল্ট, নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, শিক্ষার মান,প্রতিষ্ঠানিক পরিবেশ, নিয়ম শৃঙ্খলা সার্বিক বিষয়ে নিয়ে প্রশ্ন করেন। অভিভাবকদের প্রশ্নের জবাব দেন উপস্থিত ট্রেড প্রধান,গাইড শিক্ষক ও গুরুকুল একাডেমিক ইনচার্জ।সমাবেশে গুরুকুল এর পক্ষে বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন আপনারা প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন কলেজে এসে, আপনার সন্তানের সংশ্লিষ্ট গাইড শিক্ষকের সাথে কথা বলবেন খোজ নিবেন, আমাদের পরামর্শদিবেন। কি করে আমরা আরো ভাল করতে পারি। বক্তারা আরো বলেন, গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে শিক্ষার্থীদের সুন্দর পরিবেশে লেখাপড়ার পাশাপাশি, স্পোর্টস ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব,ডিবেটিং ক্লাব, রোভার স্কাউট এর মাধ্যমে এক্সট্রা কারিকুলাম শিক্ষা দেওয়া হয় যেন তারা নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। শিক্ষার্থীদের যে কোন সমস্যার অভিভাবকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ সর্বপ্রকার রেজাল্ট বাসায় পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। অনুষ্ঠানের বক্তারা জানান দেশ বরেণ্য তথ্য প্রযুক্তিবিদ গুরুকুল পরিবারের প্রমুখ, সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর প্রতিষ্ঠিত পরিবারে ৭ টি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৩ টি মেডিকেল বিভাগ , সহ সারাদেশে ১৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে দেশের জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হয় ।এখানকার অনেক শিক্ষার্থী বিদেশেও দক্ষতার সাথে কাজ করার উপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে । কারিগরি শিক্ষায় হাতে কলমে শিক্ষা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা যেন নিজেরা দক্ষ হতে পারে,দেশের উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারে, সে জন্য গুরুকুল পরিবার শিক্ষক , কর্মকর্তাসহ প্রত্যেকজন কর্মী সে লক্ষেই কাজ করছে। আগামী ৭ দিন গুরুকুল পরিবারের বিভিন্ন বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ চলবে বলে, গুরুকুল কতৃপক্ষ জানিয়েছে। আগামীকাল গুরুকুল সিভিল টেকনোলজির ১ম ও ৭ম পর্বের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
গুরুকুলে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৩ দিনব্যাপী জাতীয় শোক দিবস পালন

কুষ্টিয়া গুরুকুলে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কর্মসূচির সূচি জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ১২ আগস্ট হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা, ১৩ আগস্ট উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা এবং ১৫ আগস্ট কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাসের হল রুমে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহিদ সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। আলোচনা সভা আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের প্রধান ও ইন্সট্রাকটর রাশনা শারমিন। এসময় বক্তব্য রাখেন ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) খোন্দকার রুহুল আমীন, ইনচার্জ (লিগ্যাল এন্ড এডমিন) শামীম রানা, জাতীয় শোক দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান, ইনচার্জ (কমার্শিয়াল) রফিকুল ইসলাম, সিভিল ট্রেড প্রধান উমাইয়া মল্লিক, কম্পিউটার ট্রেড প্রধান বিথী খাতুন, মেকানিক্যাল ট্রেড প্রধান তামান্না আফরোজ, আরএস ট্রেড প্রধান এম এ মাসুম, টেক্সটাইল ট্রেড প্রধান সালাউদ্দিন আহমেদ এবং গুরুকুল ম্যাটস প্রধান শিউলি খাতুন। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন টেক্সটাইল তৃতীয় পর্বের বিপ্লব হোসেন ও ইলেকট্রিক্যাল ৫ম পর্বের ইয়াসিন আরাফাত তুষার। পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন শিক্ষার্থী নাজমুল এবং পবিত্র গীতা পাঠ করেন শিক্ষার্থী সিদ্ধার্থ শোভন রায়। অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গণিত শিক্ষক সাদিয়া ইসলাম ও ইংরেজি শিক্ষক শর্মিলা আক্তার। সঙ্গীত পরিবেশন করেন অ্যাকাউন্টিং শিক্ষক সালাউদ্দিন কাদের। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন লিগ্যাল এন্ড এডমিন বিভাগের সহকারী হাফেজ কুদরত উল্লাহ। পুরস্কার বিতরণী আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। হামদ প্রতিযোগিতা: ১ম স্থান: আল হোসাইন (টেক্সটাইল ৫ম পর্ব) ২য় স্থান: মৌসুমী খাতুন (IHT ১ম বর্ষ) নাত প্রতিযোগিতা: ১ম স্থান: বিপ্লব হোসেন (টেক্সটাইল ৩য় পর্ব) ২য় স্থান: সিদ্ধার্থ শোভন রায় (টেক্সটাইল ৫ম পর্ব) ৩য় স্থান: আব্দুস সামাদ ৪র্থ স্থান: ইয়াসিন আরাফাত তুষার (ইলেকট্রিক্যাল ট্রেড) উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা: ১ম স্থান: নেছার আহমেদ (ইলেকট্রিক্যাল ৩য় পর্ব) ২য় স্থান: সোহাগ হোসেন (সিভিল ১ম পর্ব) ৩য় স্থান: ময়না আক্তার (কম্পিউটার ৩য় পর্ব) রচনা প্রতিযোগিতা (বিষয়: বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আজকের বাংলাদেশ): ১ম স্থান: নেছার আহমেদ (ইলেকট্রিক্যাল ৩য় পর্ব) ২য় স্থান: সোহাগ হোসেন (সিভিল ১ম পর্ব) ৩য় স্থান: ময়না আক্তার (কম্পিউটার ৩য় পর্ব)
বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুষ্টিয়া গুরুকুলের নবীণ বরন ও বিদায় ২০১৭ অনুষ্ঠান

শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় কুষ্টিয়া শহরের এনএস রোড,আলো ভবনের সামনে থেকে, গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহনে, গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক এর নেতৃত্বে নবীণ বরন ও বিদায় অনুষ্ঠানের বর্নিল শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি কুষ্টিয়া শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে, জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে পৌছে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও গুরুকুল সঙ্গীত বিভাগ,নাট্য বিভাগ, নৃত্য বিভাগ ও গুরুকুল রোভার স্কাউট সদস্যদের পরিবেশনায় মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। গুরুকুল নবীন বরন ও বিদায় অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক, ইলেকট্রিক্যাল ট্রেড প্রধান ইন্সট্রাকটর রাশনা শারমিন এর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হুয়াউয়ে কনজুমার বিজনেস গ্রুপ ইউএই এর হেড অব সার্ভিস পাভেল শাহরিয়ার,বিভাগীয় প্রধান সংস্কৃতিক ও প্রকাশনা বিভাগ ইন্টার ন্যাশনাল টার্কিশ হোপ স্কুল ও সভাপতি বাংলা অলিম্পিয়াড এবং পরামর্শক রেডিও ঢোল ৯৪.০ এফএম এর শাহরিয়ার বিন মখলেস লিন, উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারি পরিচালক, এনডিএফবিডির উপদেষ্টা চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা ও কুষ্টিয়া বটতৈল বৈদ্যতিক গ্রীড এর চিফ ইঞ্জিনিয়ার আবু তালেব। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক রিজভী মাহামুদ হিরন, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত তুষার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গুরুকুল ইনচার্জ লিগ্যাল এন্ড হেড অব এডমিন শামীম রানা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, গুরুকুল নবীন বরন ও বিদায় অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক,আরএস ট্রেড প্রধান এমএ মাসুম, অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গুরুকুল টেক্সটাইল ট্রেড প্রধান সালাউদ্দিন আহমেদ,সিভিল ট্রেড প্রধান উমাইয়া মল্লিক,কম্পিউটার ট্রেড প্রধান বিথী খাতুন,মেকানিক্যাল ট্রেড প্রধান তামান্না আফরোজ, জিডিপিএম ট্রেড প্রধান হাসিবুল ইসলাম।গুরুকুল নার্সিং ও প্যাথলজি বিভাগের প্রধান মিশকাতুর রহমান, ফার্মেসী ট্রেড প্রধান আব্দুল আলীম। কমার্শিয়াল বিভাগের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, পাবলিসিটি এন্ড চ্যালেন ডিপার্টমেন্ট প্রধান তানভির মেহেদী, ইনচার্জ কমার্শিয়াল রফিকুল ইসলাম, ইনচার্জ ফাইনান্স খোন্দকার রুহুল আমীন, সহকারি রেজিষ্ট্রার দিপক কুমার মন্ডল, আইসিটি অফিসার রেজাউল ইসলাম। আলোচনা সভা শেষে গুরুকুল প্রমুখ তথ্য প্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর উপস্থাপনায় জনপ্রিয় তারকা দম্পতি নওশিন-হিল্লেল এর সাথে আড্ডায় মেতে উঠে গুরুকুল শিক্ষার্থী ও উপস্থিত অতিথি বৃন্দ। নওশিন-হিল্লোল তাদের জীবনের তারকা হওয়ার কথা সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা শেয়ার করেন শিক্ষার্থীদের সাথে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি, সময় উপযোগী করে নিজেকে গড়ে তোলার পরামর্শ দেন। দিনব্যাপী সঙ্গীত, নৃত্য,নাটক,রম্য বিতর্ক সহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গুরুকুল সঙ্গীত বিভাগ,নাট্য বিভাগ, নৃত্য বিভাগ ও গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ এর যে সকল সদস্য অংশগ্রহন করে তারা হচ্ছেন,”লাল সবুজের বিজয় নিশান” গানের সাথে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে,মৌতুসী, পূর্নিমা,জীম,আসিফ,মিনহাজ,মেহেদী,তাজমুল ও স্মৃতি। নাট্যকার খায়রুল বাশার স্ক্রিপ্ট সংযোজনে,সায়েদ সরোয়ার এর নির্দেশনায় জৈনক ইমান আলী নটকে অভিনয় করেন, বিপ্লব, আজীম, মেহেদী, বৃষ্টি,পূর্নীমা, সুমি,মীম, সালঅউদ্দিন কাদের, স্মৃতি,আসিফ,আব্দুস সামাদ, মিনহাজ,মৌতুসী,অর্নব, জুয়েল, আসিফ ও তাজমুল। “বিবাহ পরবর্তী প্রেম বেশি মধুর” শীর্ষক রম্য বিতর্কে, পক্ষ দলে অংশগ্রহন করে মৌতুসী, অর্পন, ও বিপ্লব, বিপক্ষ দলে অংশগ্রহন করে পূর্নিমা,মুক্তা ও তুষার। বিতর্কে মডারেটর এর দায়িত্ব পালন করেন,গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব এর মডারেটর রাশনা শারমিন। একক নৃত্য পরিবেশন করে কম্পিউটার ক্লাব এর শিক্ষার্থী সোনিয়া মাহমুদ, গুরুকুল ম্যাটস এর শিক্ষার্থী মৌতুসী, সিভিল ট্রেড এর শিক্ষার্থী জীবন নাহার ও উপমা। যৌথ নৃত্য পরিবেশন করেন শিক্ষক সাদিয়া সন্ধি ও কায়েস উদ্দিন, সোনিয়া ও মেহেদী, মৌতুসী ও পূর্ণিমা। দর্শক পর্ব পরিচালনা করেন মিনহাজুর রহমান। নবীণ বরন ও বিদায় অনুষ্ঠানে একক গান পরিবেশন করেন,মুনতাসিরা প্রীতি, বৃষ্টি, তাজমুল, প্রাপ্তি, মৌসুমী, অনিক। সালাউদ্দিন আহমেদ, হাবিব হোসেন,জাহিদ হাসান ও সালাউদ্দিন কাদের। গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ এর পরিবেশনায়” জঙ্গিবাদের ঠাঁই নাই” শির্ষক নাটিকায় অভিনয় করে, রোভার লিডার আশরাফুল সাজিদ,অর্নব,জীম,ফারহানা,সুমাইয়া,সাঈদ,কিরন,তুষার,অর্নব,সিদ্ধার্থ,রিতু। অনুষ্ঠানটি শৈল্পিক উপস্থাপনা করেন গুরুকুল শিক্ষার্থী সোনিয়া মাহমুদ, আব্দুস সামাদ, মুক্তা বৃষ্টি, সিদ্ধার্থ ও ইয়াসির আরাফাত তুষার।
গুরুকুলে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ২০১৭

পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষা ও ত্যাগের মহিমাকে ধারণ করে গুরুকুল শিক্ষা পরিবার-এর উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ২৫ রমজান কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাস মিলনায়তনে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়। সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ইফতারের পূর্বে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইফতার মাহফিল আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক কায়েস উদ্দিন। সভায় রমজানের গুরুত্ব এবং গুরুকুলের ভ্রাতৃত্ববোধ নিয়ে বক্তব্য রাখেন: তানভির মেহেদী, প্রধান সমন্বয়কারী, গুরুকুল। শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন), গুরুকুল। আব্দুস সালাম, সমন্বয়কারী, কুমারখালী গুরুকুল। সালাউদ্দিন আহমেদ, বিভাগীয় প্রধান (টেক্সটাইল)। রাশনা শারমিন, বিভাগীয় প্রধান (ইলেকট্রিক্যাল)। এম. এ. মাসুম, ট্রেড প্রধান (নন-টেক)। উপস্থিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে গুরুকুল কুষ্টিয়া ও কুমারখালী ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অনুষদের প্রধানগণ ও শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: কম্পিউটার বিভাগীয় প্রধান বিথী খাতুন, মেকানিক্যাল বিভাগীয় প্রধান তামান্না আফরোজ, সিভিল বিভাগীয় প্রধান উমাইয়া মল্লিক, ম্যাটস বিভাগীয় প্রধান শিউলি বেগম। এছাড়াও ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক শর্মিলা আক্তার, গণিত বিভাগের শিক্ষক সাদিয়া ইসলাম, প্যাথলজি বিভাগের শিক্ষক শারমিন সুলতানা, সিভিল বিভাগের শিক্ষক সিরাজুম মনিরা সহ উভয় ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন। গুরুকুলের দর্শন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি গুরুকুল বিশ্বাস করে যে, ইফতার মাহফিল কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, বরং এটি আমাদের ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজের সকল সদস্যের মধ্যে পারস্পরিক মৈত্রী, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির একটি অনন্য মাধ্যম। এই আয়োজন সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে, যা গুরুকুলের মূল চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। দোয়া ও মোনাজাত ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে দেশ, জাতি এবং গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন গুরুকুল স্টাফ হাফেজ কুদরত উল্লাহ। মোনাজাত শেষে উপস্থিত সকলে মিলে একত্রে ইফতারে অংশগ্রহণ করেন।
কুষ্টিয়া গুরুকুলে টেক্সটাইল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ ২০১৭ অনুষ্ঠিত

তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কারিগরি দক্ষতা ও নৈতিক চরিত্র গঠনে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে টেক্সটাইল বিভাগের ‘অভিভাবক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাস হল রুমে আয়োজিত এই সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। টেক্সটাইল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সালাউদ্দিন আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) শামীম রানা। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও ভবিষ্যৎ গাইডলাইন নিয়ে আলোচনা করতে উপস্থিত ছিলেন টেক্সটাইল বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ: হাবিবুর রহমান হাসিবুল ইসলাম খাইরুল ইসলাম মিজানুর রহমান শর্মীলা আক্তার সমাবেশে বক্তারা গুরুকুলের মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভা বিকাশের সুযোগগুলো তুলে ধরেন। অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বক্তারা বলেন: “শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং কালচারাল ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব, রোভার স্কাউট এবং ক্রীড়া ক্লাবের মতো এক্সট্রা কারিকুলাম কার্যক্রমের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলা হয়। আমাদের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের এমনভাবে তৈরি করা যাতে তারা কেবল চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেকে সমাজে একজন সুপ্রতিষ্ঠিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।” দেশের প্রথিতযশা তথ্য প্রযুক্তিবিদ এবং গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর ভিশন নিয়ে আলোচনায় বক্তারা জানান, বর্তমানে সারাদেশে গুরুকুলের ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ) আধুনিক কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশীয় শ্রমবাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে বিদেশেও দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে, সে লক্ষ্যে তাদের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে সপ্তাহব্যাপী অভিভাবক সমাবেশ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির প্রথম দিন হিসেবে বৃহস্পতিবার অত্যন্ত সফলভাবে টেক্সটাইল বিভাগ এবং গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ সম্পন্ন হলো। মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে এই সমাবেশটি শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে এক চমৎকার সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। অভিভাবকরা গুরুকুলের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, নিয়মিত এ ধরণের আয়োজন সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে অত্যন্ত সহায়ক হবে। আরও দেখুন: গুরুকুলে বৃত্তির কোটা ব্যবস্থা