গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড ২০১৮ পেল গুরুকুল

জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড ২০১৮ পেল সুফি ফারুকের প্রতিষ্ঠান গুরুকুল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সজীব ওয়াজেদ জয় হাত থেকে পুরস্কার গ্রহন করছেন গুরুকুলের শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মাসুম।

তারুণ্যের আলোয় ঝলসে উঠল জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চ। সারাদেশের প্রায় আড়াই হাজার সংগঠনের মধ্য থেকে বাছাইকৃত ৩০টি শ্রেষ্ঠ সংগঠনকে সম্মান জানানো হয় এ আয়োজনে। সাভারের শেখ হাসিনা যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিজয়ী সংগঠনগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগঠনগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল প্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান গুরুকুল। দক্ষতা উন্নয়নে (স্কিল ডেভেলপমেন্ট) বিশেষ অবদানের জন্য গুরুকুলকে এ বছর নির্বাচিত করা হয়। গুরুকুলের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের উপাধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল মাসুম। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন গুরুকুলের শিক্ষক জান্নাত তাসনিম শোভা।     গুরুকুলের প্রতিষ্ঠাতা সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর দীর্ঘদিন ধরে তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিকাশে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা, প্রযুক্তি ও গবেষণাভিত্তিক নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।     ২০১৪ সালের নভেম্বরে ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন’ (সিআরআই)-এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ইয়াং বাংলা প্ল্যাটফর্ম থেকেই জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড প্রদান শুরু হয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তরুণদের অসাধারণ অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার ধারাবাহিকতায় এ পুরস্কার তৃতীয়বারের মতো দেওয়া হলো। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামসসহ বিশিষ্টজনেরা। দিনব্যাপী আয়োজনে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত তরুণ সংগঠনের প্রতিনিধিরা। এদিকে, গুরুকুল জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির আনন্দে তাদের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে বিজয় উদযাপন করে। এ অর্জনকে তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছে গুরুকুল পরিবার, যারা দক্ষ ও সচেতন নাগরিক গড়ে তুলে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণে অঙ্গীকারবদ্ধ।

স্বাধীনতা দিবসের মার্চ পাস্টে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে কুষ্টিয়া গুরুকুল

২৬ মার্চ, ২০১৯ – মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কুষ্টিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য মার্চ পাস্ট ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয় জেলা শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান।     গুরুকুলের অংশগ্রহণ এ আয়োজনে অংশ নেয় গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ এবং গুরুকুল গার্ল-ইন রোভার ইউনিট। সুসজ্জিত পোশাক, নিখুঁত শৃঙ্খলা এবং সুনিপুণ কায়দায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তারা দর্শক ও বিচারকদের মন জয় করে নেয়। ফলাফলে কলেজ গ্রুপে গুরুকুল রোভার স্কাউট মার্চ পাস্টে তৃতীয় স্থান অর্জন করে, যা প্রতিষ্ঠানটির জন্য গর্ব ও সম্মানের বিষয়। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন। তিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং গুরুকুল দলের প্রশংসা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন— গুরুকুলের সহকারী পরিচালক রাকিবুজ্জামান তানিম অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাসুম গুরুকুল রোভার সম্পাদক সোহাগ আহমেদ রোভার স্কাউটের সকল সদস্য   মার্চ পাস্টের তাৎপর্য ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য, শৃঙ্খলা ও দলগত সমন্বয় রক্ষায় মার্চ পাস্টের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা বাহিনীতে মার্চ পাস্টকে মৌলিক প্রশিক্ষণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একইভাবে স্কাউট কার্যক্রমেও অতিথিদের সম্মান প্রদর্শন ও দলগত শৃঙ্খলা প্রদর্শনের জন্য মার্চ পাস্টের প্রচলন রয়েছে। গুরুকুল সবসময় শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক জ্ঞানেই নয়, বরং শারীরিক সক্ষমতা, শৃঙ্খলা ও দলগত নেতৃত্বের গুণাবলিতেও গড়ে তুলতে কাজ করে আসছে। স্বাধীনতা দিবসের মার্চ পাস্টে তৃতীয় স্থান অর্জন প্রমাণ করে যে গুরুকুল শিক্ষার্থীরা শুধু শিক্ষায় নয়, বরং শৃঙ্খলা, দক্ষতা ও জাতীয় চেতনায় সমানভাবে সমৃদ্ধ।

কুষ্টিয়া গুরুকুলে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রখ্যাত লেখক, বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল-এর উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় কুষ্টিয়া গুরুকুলের ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল বিভাগের শিক্ষার্থী-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন। এসময় তাঁরা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।   কর্মসূচির স্থান ও সময় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাসের সামনে। সময়: বিকেল ৩টা। এতে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।       বক্তাদের বক্তব্য সমাবেশে বক্তব্য রাখেন— মুহাইমিনুর রহমান জিম (শিক্ষার্থী, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ) অর্নব মাহমুদ (শিক্ষার্থী, কম্পিউটার বিভাগ) ইয়াসিন আরাফাত তুষার (শিক্ষার্থী, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগ) এম. এ. মাসুম (বিভাগীয় প্রধান, আরএস বিভাগ) রাসনা শারমিন (ইন্সট্রাক্টর ও বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগ) রুহুল আমিন (ইনচার্জ, ফাইন্যান্স) তানভির মেহেদী (সহকারী পরিচালক) শামীম রানা (ইনচার্জ, লিগ্যাল ও অ্যাডমিন)   বক্তব্যের মূল প্রতিপাদ্য বক্তারা তাদের বক্তব্যে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান জানান এবং বলেন: “ইসলামের নামে ড. জাফর ইকবালের উপর হামলা আসলে আমাদের ধর্মের উপরই আক্রমণ। এ ধরনের নৃশংস ঘটনা ইসলামকে শান্তির ধর্ম হিসেবে বিশ্বাস করা লক্ষ কোটি মুসলিমকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কলঙ্কিত করছে। কিছু অমানুষের কারণে সমগ্র মুসলিম সমাজকে জঙ্গিবাদের তকমা বহন করতে হচ্ছে, যা অগ্রহণযোগ্য।” তাঁরা আরও বলেন— জঙ্গিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদদাতাদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। ইসলামকে ঢাল বানিয়ে যারা সন্ত্রাস ছড়ায়, তারা আসলে ধর্মের শত্রু। শান্তিপ্রিয় মুসলিম সমাজের দায়িত্ব হলো এই উগ্রবাদীদের প্রতিহত করা। ধর্ম ও মানবতার মর্যাদা রক্ষাই আজকের যুগের প্রকৃত জিহাদ।   কুষ্টিয়া গুরুকুলের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে এককথায় স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে— বাংলাদেশের শিক্ষার্থী সমাজ ও সাধারণ মানুষ জঙ্গিবাদকে কখনোই প্রশ্রয় দেবে না। ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয় সমাবেশ থেকে।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুষ্টিয়া গুরুকুলের নবীণ বরন ও বিদায় ২০১৭ অনুষ্ঠান

Gurukul students reception farewell 2017 Banner বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুষ্টিয়া গুরুকুলের নবীণ বরন ও বিদায় ২০১৭ অনুষ্ঠান

শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় কুষ্টিয়া শহরের এনএস রোড,আলো ভবনের সামনে থেকে, গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহনে, গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক এর নেতৃত্বে নবীণ বরন ও বিদায় অনুষ্ঠানের বর্নিল শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি কুষ্টিয়া শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে, জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে পৌছে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।     দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও গুরুকুল সঙ্গীত বিভাগ,নাট্য বিভাগ, নৃত্য বিভাগ ও গুরুকুল রোভার স্কাউট সদস্যদের পরিবেশনায় মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। গুরুকুল নবীন বরন ও বিদায় অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক, ইলেকট্রিক্যাল ট্রেড প্রধান ইন্সট্রাকটর রাশনা শারমিন এর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হুয়াউয়ে কনজুমার বিজনেস গ্রুপ ইউএই এর হেড অব সার্ভিস পাভেল শাহরিয়ার,বিভাগীয় প্রধান সংস্কৃতিক ও প্রকাশনা বিভাগ ইন্টার ন্যাশনাল টার্কিশ হোপ স্কুল ও সভাপতি বাংলা অলিম্পিয়াড এবং পরামর্শক রেডিও ঢোল ৯৪.০ এফএম এর শাহরিয়ার বিন মখলেস লিন, উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারি পরিচালক, এনডিএফবিডির উপদেষ্টা চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা ও কুষ্টিয়া বটতৈল বৈদ্যতিক গ্রীড এর চিফ ইঞ্জিনিয়ার আবু তালেব। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক রিজভী মাহামুদ হিরন, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত তুষার।     অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গুরুকুল ইনচার্জ লিগ্যাল এন্ড হেড অব এডমিন শামীম রানা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, গুরুকুল নবীন বরন ও বিদায় অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক,আরএস ট্রেড প্রধান এমএ মাসুম, অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গুরুকুল টেক্সটাইল ট্রেড প্রধান সালাউদ্দিন আহমেদ,সিভিল ট্রেড প্রধান উমাইয়া মল্লিক,কম্পিউটার ট্রেড প্রধান বিথী খাতুন,মেকানিক্যাল ট্রেড প্রধান তামান্না আফরোজ, জিডিপিএম ট্রেড প্রধান হাসিবুল ইসলাম।গুরুকুল নার্সিং ও প্যাথলজি বিভাগের প্রধান মিশকাতুর রহমান, ফার্মেসী ট্রেড প্রধান আব্দুল আলীম। কমার্শিয়াল বিভাগের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, পাবলিসিটি এন্ড চ্যালেন ডিপার্টমেন্ট প্রধান তানভির মেহেদী, ইনচার্জ কমার্শিয়াল রফিকুল ইসলাম, ইনচার্জ ফাইনান্স খোন্দকার রুহুল আমীন, সহকারি রেজিষ্ট্রার দিপক কুমার মন্ডল, আইসিটি অফিসার রেজাউল ইসলাম। আলোচনা সভা শেষে গুরুকুল প্রমুখ তথ্য প্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর উপস্থাপনায় জনপ্রিয় তারকা দম্পতি নওশিন-হিল্লেল এর সাথে আড্ডায় মেতে উঠে গুরুকুল শিক্ষার্থী ও উপস্থিত অতিথি বৃন্দ। নওশিন-হিল্লোল তাদের জীবনের তারকা হওয়ার কথা সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা শেয়ার করেন শিক্ষার্থীদের সাথে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি, সময় উপযোগী করে নিজেকে গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।     দিনব্যাপী সঙ্গীত, নৃত্য,নাটক,রম্য বিতর্ক সহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গুরুকুল সঙ্গীত বিভাগ,নাট্য বিভাগ, নৃত্য বিভাগ ও গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ এর যে সকল সদস্য অংশগ্রহন করে তারা হচ্ছেন,”লাল সবুজের বিজয় নিশান” গানের সাথে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে,মৌতুসী, পূর্নিমা,জীম,আসিফ,মিনহাজ,মেহেদী,তাজমুল ও স্মৃতি।   নাট্যকার খায়রুল বাশার স্ক্রিপ্ট সংযোজনে,সায়েদ সরোয়ার এর নির্দেশনায় জৈনক ইমান আলী নটকে অভিনয় করেন, বিপ্লব, আজীম, মেহেদী, বৃষ্টি,পূর্নীমা, সুমি,মীম, সালঅউদ্দিন কাদের, স্মৃতি,আসিফ,আব্দুস সামাদ, মিনহাজ,মৌতুসী,অর্নব, জুয়েল, আসিফ ও তাজমুল।     “বিবাহ পরবর্তী প্রেম বেশি মধুর” শীর্ষক রম্য বিতর্কে, পক্ষ দলে অংশগ্রহন করে মৌতুসী, অর্পন, ও বিপ্লব, বিপক্ষ দলে অংশগ্রহন করে পূর্নিমা,মুক্তা ও তুষার। বিতর্কে মডারেটর এর দায়িত্ব পালন করেন,গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব এর মডারেটর রাশনা শারমিন। একক নৃত্য পরিবেশন করে কম্পিউটার ক্লাব এর শিক্ষার্থী সোনিয়া মাহমুদ, গুরুকুল ম্যাটস এর শিক্ষার্থী মৌতুসী, সিভিল ট্রেড এর শিক্ষার্থী জীবন নাহার ও উপমা। যৌথ নৃত্য পরিবেশন করেন শিক্ষক সাদিয়া সন্ধি ও কায়েস উদ্দিন, সোনিয়া ও মেহেদী, মৌতুসী ও পূর্ণিমা। দর্শক পর্ব পরিচালনা করেন মিনহাজুর রহমান। নবীণ বরন ও বিদায় অনুষ্ঠানে  একক গান পরিবেশন করেন,মুনতাসিরা প্রীতি, বৃষ্টি, তাজমুল, প্রাপ্তি, মৌসুমী, অনিক। সালাউদ্দিন আহমেদ, হাবিব হোসেন,জাহিদ হাসান ও সালাউদ্দিন কাদের।     গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ এর পরিবেশনায়” জঙ্গিবাদের ঠাঁই নাই” শির্ষক নাটিকায় অভিনয় করে, রোভার লিডার আশরাফুল সাজিদ,অর্নব,জীম,ফারহানা,সুমাইয়া,সাঈদ,কিরন,তুষার,অর্নব,সিদ্ধার্থ,রিতু। অনুষ্ঠানটি শৈল্পিক উপস্থাপনা করেন গুরুকুল শিক্ষার্থী সোনিয়া মাহমুদ, আব্দুস সামাদ, মুক্তা বৃষ্টি, সিদ্ধার্থ ও ইয়াসির আরাফাত তুষার।

কুষ্টিয়া গুরুকুল এর আয়োজনে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী সভা

Meeting on unity against militancy and terrorism organized by Gurukul, Kushtia ৰ গুরুকুল শিক্ষা পরিবার কুষ্টিয়ার আয়োজনে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী সভা

নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে টানা ৪৫ দিন ধরে চলমান ‘জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও নাশকতা বিরোধী’ বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ এক বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের চলমান প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং উগ্রবাদের করাল গ্রাস থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতেই এই দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।     সারা দেশজুড়ে বহুমুখী কর্মসূচি উল্লেখ্য যে, গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে একযোগে এই সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— বর্ণাঢ্য র‍্যালি, অভিভাবক সমাবেশ, শ্রেণীকক্ষে সরাসরি প্রচার এবং সেমিনার। গত ৪৫ দিন ধরে চলা এই নিরবচ্ছিন্ন প্রচারণার মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে উগ্রবাদ বিরোধী এক শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছে। কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের বিশেষ সভা আজ শনিবার গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভার আয়োজন ও অংশগ্রহণে ছিল গুরুকুলের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানসমূহ: কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট স্পেশালাইজড ম্যাটস (MATS) গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউট স্পেশালাইজড মেডিকেল ইন্সটিটিউট স্পেশালাইজড আইএইচটি (IHT)   উপস্থিত দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দ সমাবেশে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। তাদের মধ্যে ছিলেন: শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) জান্নাতুল নাঈম, বিভাগীয় প্রধান (টেক্সটাইল) রাশনা শারমিন, বিভাগীয় প্রধান (ইলেকট্রিক্যাল) চঞ্চল আলী, বিভাগীয় প্রধান (কম্পিউটার)   বক্তাদের আহ্বান ও শপথ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী এই সমাবেশে বক্তারা একটি শান্তিকামী ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন: “গুরুকুলের প্রতিটি শিক্ষার্থী আজ এই মর্মে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে, তারা সকল প্রকার সন্ত্রাস, নাশকতা ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে। নিজেদের কেবল একজন সফল পেশাজীবী হিসেবেই নয়, বরং একজন আইনমান্যকারী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। আমাদের লক্ষ্য হলো একটি সুখী, সমৃদ্ধিশালী এবং গণতান্ত্রিক ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সক্রিয় অংশীদার হওয়া।” ব্যাপক অংশগ্রহণ ও সংহতি উক্ত সমাবেশে গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অভিভাবকরা গুরুকুলের এই দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরণের কর্মসূচি সন্তানদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে এবং তাদের নৈতিক চরিত্র গঠনে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।     অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীরা সমস্বরে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শপথ বাক্য পাঠ করে। গুরুকুলের এই সময়োপযোগী প্রচারণার মাধ্যমে কুষ্টিয়ার শিক্ষাঙ্গনে এক ইতিবাচক ও নিরাপদ পরিবেশের বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে।   আরও দেখুন: গুরুকুল ক্যাম্পাসে দ্বীন ও ধর্ম বিষয়ক নীতিমালা

কুষ্টিয়া গুরুকুলে ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ ২০১৬ অনুষ্ঠিত

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ

কারিগরি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতিতে অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ‘অভিভাবক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩১ আগস্ট (বুধবার) গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে আয়োজিত এই সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। দক্ষ জনশক্তি গড়ার অঙ্গীকার: কুষ্টিয়া গুরুকুলে ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত সভার নেতৃত্ব ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রাশনা শারমিন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দ। তাদের মধ্যে ছিলেন: শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড এডমিন) খোন্দকার রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) রফিকুল ইসলাম, ইনচার্জ (কমার্শিয়াল) ইমদাদুল হক, সাঈদ হোসেন ও আসানুর সুজন, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ। শিক্ষার মান ও সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা সমাবেশে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, একাডেমিক রেজাল্ট এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বক্তারা গুরুকুলের বৈচিত্র্যময় শিক্ষা পদ্ধতির কথা উল্লেখ করে বলেন: “শিক্ষার্থীদের কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞানে সীমাবদ্ধ না রেখে স্পোর্টস ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং রোভার স্কাউটিংয়ের মতো এক্সট্রা কারিকুলাম কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছি; যেন তারা কর্মজীবনে আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।” অভিভাবক-শিক্ষক সমন্বয়ে নতুন সিদ্ধান্তসমূহ শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সমাবেশে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়: সরাসরি যোগাযোগ: শিক্ষার্থীদের যেকোনো একাডেমিক বা ব্যক্তিগত বিষয়ে প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকের মধ্যে সরাসরি ও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা হবে। ফলাফল প্রেরণ: প্রতিটি পরীক্ষার ফলাফল সরাসরি অভিভাবকদের নিকট পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা হবে। সজাগ নজরদারি: শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক ও অভিভাবক উভয় পক্ষই শিক্ষার্থীদের কার্যক্রমের ওপর গভীর পর্যবেক্ষণ রাখার অঙ্গীকার করেন। সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর ভিশন ও দক্ষ জনশক্তি অনুষ্ঠানে বক্তারা তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর দর্শন তুলে ধরে বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠিত ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ সারাদেশের ১২টি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আধুনিক কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা হচ্ছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে ওঠার পাশাপাশি বিদেশের মাটিতেও দক্ষতার সাথে কাজ করার যোগ্যতা অর্জন করছে। বক্তারা আরও জানান, কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে শিক্ষার্থীরা যেন দেশ গড়ার কারিগর হতে পারে, সেই লক্ষ্যে গুরুকুল পরিবার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশ ও ফলপ্রসূ আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাবেশের সমাপ্তি ঘটে। আরও দেখুন: গুরুকুলে বিশেষ বৃত্তির কোটা

কুষ্টিয়া গুরুকুলে টেক্সটাইল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ ২০১৬

দেশের শীর্ষস্থানীয় কারিগরি শিক্ষা গ্রুপ গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়র্কের কুষ্টিয়া গুরুকুলের টেক্সটাইল টেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ‘অভিভাবক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৯ আগস্ট (সোমবার) কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে আয়োজিত এই সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।   সভার নেতৃত্ব ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ টেক্সটাইল টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জান্নাতুল নাঈম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) শামীম রানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) খোন্দকার রুহুল আমিন। এছাড়াও বিভাগীয় শিক্ষক রতন আলী ও রাজিবুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।         শিক্ষার মান ও নৈতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা সমাবেশে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়ন, ক্যাম্পাসের পরিবেশ, নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি এবং পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বক্তারা বলেন: “শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং স্পোর্টস ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং রোভার স্কাউটিংয়ের মতো সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছি। আমাদের লক্ষ্য হলো তাদের কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত করা।”   গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তসমূহ শিক্ষার মান আরও উন্নত করতে সমাবেশে বেশ কিছু যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়: সরাসরি যোগাযোগ: শিক্ষার্থীদের যেকোনো একাডেমিক বা ব্যক্তিগত সমস্যায় অভিভাবকদের সাথে প্রতিষ্ঠান সরাসরি যোগাযোগ করবে। ফলাফল প্রেরণ: শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল নিয়মিতভাবে সরাসরি অভিভাবকদের নিকট পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা হবে। সজাগ নজরদারি: ক্লাসে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় অভিভাবক ও শিক্ষক উভয় পক্ষই আরও বেশি সজাগ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।   দক্ষ জনশক্তি ও বৈশ্বিক ভিশন দেশবরেণ্য তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর দর্শন নিয়ে আলোচনায় বক্তারা জানান, বর্তমানে সারাদেশে গুরুকুলের ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ) আধুনিক কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশীয় শ্রমবাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে বিদেশেও দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে, সে লক্ষ্যে তাদের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।     মুক্ত আলোচনা ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে এই সমাবেশটি শেষ হয়। অভিভাবকরা গুরুকুলের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, নিয়মিত এ ধরণের আয়োজন সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে এবং বিপথগামিতা রোধে অত্যন্ত সহায়ক হবে। আরও দেখুন: গুরুকুলে বিশেষ বৃত্তির কোটা

কুষ্টিয়া গুরুকুলের কম্পিউটার টেকনোলজির বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ, ২০১৬

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার কুষ্টিয়ার কম্পিউটার টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ | Parents/Guardians Meeting of Computer Technology of Gurukul, Kushtia

কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতি নিশ্চিত করার লক্ষে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৮ আগস্ট (২০১৬) গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক অংশ নেন, যা প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের মধ্যে এক নিবিড় মেলবন্ধন তৈরি করে।     সভার সভাপতিত্ব ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান চঞ্চল আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাগণ। তাদের মধ্যে ছিলেন: খোন্দকার রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) রফিকুল ইসলাম, ইনচার্জ (কমার্শিয়াল) মাধবী আইরিন ও আরিফুল ইসলাম, কম্পিউটার ট্রেড শিক্ষকবৃন্দ।   শিক্ষার মান ও সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব সমাবেশে বক্তারা গুরুকুলের মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর আলোকপাত করেন। তারা জানান, কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বিকাশে গুরুকুল বদ্ধপরিকর। বক্তারা উল্লেখ করেন: “শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং রোভার স্কাউটিংয়ের মতো এক্সট্রা কারিকুলাম কার্যক্রমের মাধ্যমে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলা হয়। আমাদের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তোলা যাতে তারা কর্মক্ষেত্রে এবং সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।” দক্ষ জনশক্তি ও বৈশ্বিক সুযোগ দেশের প্রথিতযশা তথ্যপ্রযুক্তিবিদ এবং গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর দর্শন অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে। সভায় জানানো হয়, বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ সারাদেশে গুরুকুলের অধীনে ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আধুনিক কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে দেশের জন্য ‘দক্ষ জনশক্তি’ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। বক্তারা গর্বের সাথে জানান যে, গুরুকুলের অনেক শিক্ষার্থী বর্তমানে দেশের বাইরেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে দক্ষতার সাথে কাজ করছে। মতবিনিময় ও প্রশ্নোত্তর পর্ব সমাবেশের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ছিল উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের পড়াশোনার পরিবেশ, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার এবং টেকনিক্যাল ল্যাবের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। উপস্থিত কর্মকর্তাবৃন্দ প্রতিটি প্রশ্নের যৌক্তিক ও সন্তোষজনক জবাব দেন। অভিভাবকদের সুচিন্তিত মতামত ও পরামর্শ ডায়েরিবদ্ধ করা হয় যাতে ভবিষ্যতে শিক্ষার মান আরও উন্নত করা যায়। সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির অংশ উল্লেখ্য যে, এই সমাবেশটি ছিল গুরুকুলের সপ্তাহব্যাপী অভিভাবক সমাবেশ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন। এর আগে শনিবার প্রথম দিনে গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। অভিভাবক সমাবেশের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করেছে। দিনশেষে এক চমৎকার হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে সমাবেশের সমাপ্তি ঘটে।

গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের নির্বাচন ২০১৬ : সভাপতি তুষার, সাধারণ সম্পাদক আসিফ

গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের নির্বাচনের ফলাফল- সভাপতি তুষার, সাধারণ সম্পাদক আসিফ | Gurukul debating clubs elected preseident Tushar, Secretary Asif

কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ার অন্যতম প্রধান শিক্ষা গ্রুপ গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ‘গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাব’-এর প্রথম নির্বাচন উৎসবমুখর ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। ১৩ আগস্ট ২০১৬, শনিবার কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনটি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হলো। প্রথমবারের মতো ব্যালটের মাধ্যমে ক্লাবের নেতৃত্ব নির্বাচন করায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। ভোটের পরিসংখ্যান ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ৫টি পদের বিপরীতে মোট ১২ জন প্রার্থী এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেন। ক্লাবের মোট ৭০ জন নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে ৭০ জনই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। অর্থাৎ, নির্বাচনে ১০০% ভোট সংগৃহীত হয়েছে, যা ডিবেটিং ক্লাবের সদস্যদের নেতৃত্বের প্রতি আগ্রহ ও সচেতনতার বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচিত নেতৃত্বের ফলাফল নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী বিজয়ী প্রার্থীদের তালিকা ও প্রাপ্ত ভোট নিচে দেওয়া হলো: সভাপতি: ইলেকট্রিক্যাল ৩য় পর্বের শিক্ষার্থী ইয়াছিন আরাফাত তুষার ৫০ ভোট পেয়ে বিপুল ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টেক্সটাইল ৩য় পর্বের ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ পেয়েছেন ১৮ ভোট। সাধারণ সম্পাদক: ম্যাটস ১ম পর্বের শিক্ষার্থী এজাজ মাহমুদ (আসিফ) ৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্পেশালাইজড মেডিকেল ইন্সটিটিউটের প্যাথলজি ৩য় পর্বের তারিকুল ইসলাম পেয়েছেন ১৪ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক: ম্যাটস ১ম পর্বের নাফসি বিশ্বাস বৃষ্টি ৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জিডিপিএম ৬ষ্ঠ পর্বের তাহিরা হুমায়ুন পেয়েছেন ২৬ ভোট। তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক: টেক্সটাইল ৩য় পর্বের সিদ্ধার্থ শোভন রায় সর্বোচ্চ ৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিভিল ২য় পর্বের ফিরোজ আহমেদ পেয়েছেন ১০ ভোট। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: টেক্সটাইল ১ম পর্বের বিপ্লব হোসেন ৩৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার সাথে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ইলেকট্রিক্যাল ১ম পর্বের শাওন হোসেন পেয়েছেন ৩০ ভোট। সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করেন নির্বাচন কমিশনার এবং ইলেকট্রিক্যাল ট্রেড প্রধান ও গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের মডারেটর রাশনা শারমিন। তিনি সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদান সম্পন্ন করার জন্য সকল ভোটার ও প্রার্থীদের ধন্যবাদ জানান। ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত সভাপতি তুষার ও সাধারণ সম্পাদক আসিফ উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, আগামী এক বছর গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবকে একটি শক্তিশালী ও যুক্তিনির্ভর প্লাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তারা কাজ করে যাবেন এবং নিয়মিত বিতর্ক কর্মশালা ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করবেন। গুরুকুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব বিকাশের এই প্রয়াসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষকবৃন্দ। এই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্লাবের সাংগঠনিক কাঠামো যেমন শক্তিশালী হলো, তেমনি শিক্ষার্থীরা গণতান্ত্রিক চর্চার এক বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করল। আরও দেখুন: কুষ্টিয়া গুরুকুলের টেক্সটাইল টেকনোলজি বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের প্রশিক্ষণ কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন

বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ পরিদর্শন করলেন গুরুকুলের ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের শিক্ষার্থীরা

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিআরবি কেবল পরিদর্শন

তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক ও শিল্প-অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কেবল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড পরিদর্শন করেছেন কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের শিক্ষার্থীরা। আজ রবিবার কুষ্টিয়ার বিসিক শিল্প নগরীতে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির বিশাল উৎপাদন ইউনিট ঘুরে দেখেন তারা।   গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠান কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট (KISI)-এর ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রাশনা শারমিন-এর নেতৃত্বে এই শিল্প পরিদর্শনে অংশ নেন ৫ম ও ৭ম পর্বের মোট ৫০ জন শিক্ষার্থী। এছাড়াও সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল ট্রেড শিক্ষক ফজলে হাসান রাব্বি এবং ল্যাব সহকারী আসানুর ইসলাম সুজন। পরিদর্শনকালে বিআরবি কেবলস-এর উর্ধ্বতন প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাবৃন্দ শিক্ষার্থীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। শিক্ষার্থীরা কারখানার ভেতরে উন্নত প্রযুক্তির মেশিনারিজ, হাই-ভোল্টেজ কেবল উৎপাদন প্রক্রিয়া, মান নিয়ন্ত্রণ (QC) ল্যাবরেটরি এবং বিপণন ব্যবস্থার খুঁটিনাটি সরাসরি দেখার সুযোগ পান। হাতে-কলমে আধুনিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন ও কেবল ম্যানুফ্যাকচারিং প্রসেস দেখে শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত তাত্ত্বিক জ্ঞানের সাথে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের সমন্বয় ঘটান। বিআরবি কেবলস-এর কর্মকর্তাগণ শিক্ষার্থীদের মেধা ও শৃঙ্খলার ভূয়সী প্রশংসা করেন। আলোচনাসভায় তারা জানান, বর্তমান শিল্পায়নের যুগে দক্ষ ডিপ্লোমা-ইন-ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেষে বিআরবি গ্রুপে ক্যারিয়ার গড়ার আগাম আমন্ত্রণ জানানো হয়। পরিদর্শন শেষে বিআরবি গ্রুপের পক্ষ থেকে সকল শিক্ষার্থীর হাতে বিশেষ ‘শুভেচ্ছা স্মারক’ তুলে দেওয়া হয়। গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট তথ্য প্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এই সুযোগ প্রদানের জন্য বিআরবি গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মজিবর রহমান সহ সকল কর্মকর্তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন: “শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভিজিট অপরিহার্য। বিআরবি কেবলসের মতো বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে।”     শিল্প ও একাডেমিয়ার (Industry-Academia Collaboration) মধ্যবর্তী দূরত্ব কমিয়ে আনতে গুরুকুলের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবিদগণ। আনন্দঘন পরিবেশ ও নতুন কিছু শেখার উদ্দীপনা নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিকেলে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে ফিরে আসেন।