গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক, GCLN

শ্রী শ্রী লক্ষী পূজা’র ছুটির নোটিশ ২০১৬

লক্ষ্মী পূজা, ছুটির নোটিশ | Laxmi Puja Holiday Notice

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ‘শ্রী শ্রী লক্ষ্মী পূজা’ উপলক্ষে ‘গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক’-এর আওতাধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আগামী ১৫ অক্টোবর ২০১৬ (শনিবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে (স্মারক নং: গুরুকুল/প্রশা/২০১৬/০৯৬) এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বহুত্ববাদী চেতনা ও গুরুকুলের আদর্শ গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক একটি ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজ বিনির্মাণে গভীর বিশ্বাসী। গুরুকুল মনে করে, একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ হবে এমন, যেখানে সকল ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষ সমান মর্যাদায় তাদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারবে। লক্ষ্মী পূজার এই ছুটি কেবল একটি কর্মবিরতি নয়, বরং প্রতিটি সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি ও ঐতিহ্যকে পরম শ্রদ্ধার সাথে গ্রহণ করার একটি সনিষ্ঠ প্রয়াস। এই সম্প্রীতির শিক্ষাই গুরুকুলের শিক্ষার্থীদের মানবিক গুণাবলি বিকাশে সহায়তা করে।   ভর্তি প্রক্রিয়ায় বিশেষ ব্যবস্থা ছুটির কারণে নিয়মিত একাডেমিক ও প্রশাসনিক ক্লাস স্থগিত থাকলেও, আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ভর্তি সংক্রান্ত কার্যক্রমে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ছুটিকালীন সময়েও বিশেষ ব্যবস্থায় গুরুকুলের ভর্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ নির্ধারিত বুথে এসে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। দাপ্তরিক নির্দেশনা ও অনুলিপি বিতরণ নোটিশটি যথাযথ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরে ও ক্যাম্পাসে প্রেরণ করা হয়েছে। আদেশের অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে: ১. চেয়ারম্যান ও প্রমুখ-এর দপ্তর। ২. গুরুকুল ও এর আওতাধীন সকল ইনস্টিটিউটের পরিচালকবৃন্দ। ৩. সকল কলেজ ও স্কুলের অধ্যক্ষ (প্রিন্সিপ্যাল)। ৪. প্রশাসনিক ও একাডেমিক বিভাগের সকল ইনচার্জ ও বিভাগীয় প্রধান। ৫. সকল ক্যাম্পাসের নোটিশ বোর্ড, রেজিস্ট্রার দপ্তর এবং অফিস নথি। কর্তৃপক্ষের বার্তা গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেছেন: “আমরা বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্যে বিশ্বাসী। গুরুকুল পরিবারের প্রতিটি সদস্যের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। লক্ষ্মী পূজার এই দিনে আমরা সকলের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করি। একই সাথে, ভর্তি কার্যক্রম চালু রাখার মাধ্যমে আমরা শিক্ষার সুযোগ প্রসারে আমাদের নিরবচ্ছিন্ন অঙ্গীকার বজায় রাখছি।” আগামী ১৬ অক্টোবর ২০১৬ (রবিবার) থেকে সকল প্রতিষ্ঠানে যথারীতি সময়সূচী অনুযায়ী ক্লাস ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।

শোকাবহ আশুরার ছুটির নোটিশ ২০১৬ : ত্যাগ ও ন্যায়ের আদর্শ স্মরণের আহ্বান

শোকাবহ আশুরা, ছুটির নোটিশ : Ashura Holiday Notice

ইসলামী ইতিহাসের এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ দিন ‘পবিত্র আশুরা’ উপলক্ষে ‘গুরুকুল শিক্ষা পরিবার’-এর সকল প্রতিষ্ঠানে আগামী ১২ অক্টোবর ২০১৬ (বুধবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে (স্মারক নং: গুরুকুল/প্রশা/২০১৬/০৯৬) এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। ত্যাগের মহিমায় বহুত্ববাদী চেতনা গুরুকুল শিক্ষা পরিবার বিশ্বাস করে, পবিত্র আশুরা কেবল একটি ধর্মীয় দিন নয়, বরং এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রাম এবং ত্যাগের এক চিরন্তন প্রতীক। গুরুকুলের বহুত্ববাদী (Pluralist) সমাজ দর্শনে প্রতিটি ধর্মের ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বকে পরম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়। আশুরার এই শোক ও ত্যাগের শিক্ষা শিক্ষার্থীদের মাঝে ধৈর্য, সহনশীলতা এবং ন্যায়ের পথে চলার প্রেরণা যোগাবে বলে কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে। ভর্তি প্রক্রিয়ায় বিশেষ ব্যবস্থা ছুটির কারণে নিয়মিত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও, আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ভর্তি প্রক্রিয়ায় বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ছুটিকালীন সময়েও বিশেষ ব্যবস্থায় গুরুকুলের ভর্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ নির্ধারিত বুথে এসে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ভর্তি সংক্রান্ত সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। দাপ্তরিক নির্দেশনা ও বিতরণ নোটিশটি যথাযথ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরে প্রেরণ করা হয়েছে। আদেশের অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে: ১. চেয়ারম্যান ও প্রমুখ-এর দপ্তর। ২. গুরুকুল ও এর আওতাধীন সকল ইনস্টিটিউটের পরিচালকবৃন্দ। ৩. সকল কলেজ ও স্কুলের অধ্যক্ষ (প্রিন্সিপ্যাল)। ৪. প্রশাসনিক ও একাডেমিক বিভাগের সকল ইনচার্জ ও বিভাগীয় প্রধান। ৫. সকল ক্যাম্পাসের নোটিশ বোর্ড এবং রেজিস্ট্রার দপ্তর। কর্তৃপক্ষের বার্তা প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেছেন, “আশুরার এই দিনটি আমাদের অন্যায়ের প্রতিবাদ ও ত্যাগের শিক্ষা দেয়। আমরা আশা করি, গুরুকুল পরিবারের সকল সদস্য এই দিনের পবিত্রতা ও গুরুত্ব অনুধাবন করবেন। একই সাথে, ভর্তি কার্যক্রম চালু রাখার মাধ্যমে আমরা শিক্ষার সুযোগ প্রসারে আমাদের নিরবচ্ছিন্ন অঙ্গীকার বজায় রাখছি।” আগামী ১৩ অক্টোবর ২০১৬ (বৃহস্পতিবার) থেকে সকল প্রতিষ্ঠানে যথারীতি সময়সূচী অনুযায়ী ক্লাস ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের প্রয়াণে দেশব্যাপী গুরুকুল ক্যাম্পাসে শোক ও শ্রদ্ধা নিবেদন

respect-to-syed-shamsul-haque-| respect-to-syed-shamsul-haque | আজ ২৮-০৯-২০১৬ ইং তারিখ সকাল ১০.০৫ মিনিটে কুষ্টিয়া গুরুকুলের লালন সাঁই ক্যাম্পাসে ইলেকট্রিক্যাল ১ম ও ৫ম পর্বের শিক্ষার্থীরা নিজ ক্লাসে সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের মৃত্যুতে এক মিনিট করে নীরবতা পালন করেন।

বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী নক্ষত্র, সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের প্রয়াণে গভীর শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে দেশের অন্যতম শিক্ষা নেটওয়ার্ক গুরুকুল। আজ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে গুরুকুলের দেশব্যাপী সকল ক্যাম্পাসে একযোগে এই শোক কর্মসূচি পালন করা হয়। সাহিত্যের এই মহান কারিগরের চলে যাওয়াকে দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।   এক মিনিটের নীরবতা ও শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধা সৈয়দ শামসুল হকের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে গুরুকুলের সকল ট্রেড ও সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শ্রেণিকক্ষে এক মিনিটের নীরবতা পালন করেন। দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা গুরুকুলের প্রতিটি ক্যাম্পাসে এক ভাবগম্ভীর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা তাঁদের প্রিয় লেখকের সাহিত্যকর্ম ও জীবনদর্শনকে স্মরণের মাধ্যমে তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। পরিচালনা পরিষদের শোক প্রস্তাব ও প্রমুখের বার্তা লেখকের প্রয়াণে গুরুকুলের পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এক শোক বার্তায় বলেন: “সৈয়দ শামসুল হক ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক অতন্দ্র প্রহরী। কবিতা, নাটক, গল্প, উপন্যাস কিংবা অনুবাদ—সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় তাঁর বিচরণ ছিল বিস্ময়কর। তাঁর ‘নুরলদীনের সারাজীবন’ কিংবা ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ আমাদের জাতীয় চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি কেবল একজন লেখক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের সাংস্কৃতিক বাতিঘর। গুরুকুল পরিবার তাঁর এই প্রস্থানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছে।” বহুত্ববাদী ও সাংস্কৃতিক চেতনা গুরুকুল শিক্ষা পরিবার সবসময়ই একটি প্লুরালিস্ট সোসাইটি বা বহুত্ববাদী সমাজ গঠনে বিশ্বাসী, যেখানে কৃষ্টি, কালচার ও সাহিত্যের ধারক-বাহকদের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করা হয়। সৈয়দ শামসুল হকের মতো একজন অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল লেখকের জীবন ও কর্ম শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে গুরুকুল বদ্ধপরিকর। ক্যাম্পাসের শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে লেখকের বর্ণাঢ্য সাহিত্যজীবন নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন, যাতে নতুন প্রজন্ম এই মহান লেখকের আদর্শে অনুপ্রাণিত হতে পারে। জাতীয় সম্পদের প্রতি শ্রদ্ধা সৈয়দ শামসুল হক ছিলেন বাংলাদেশের এক অমূল্য জাতীয় সম্পদ। তাঁর প্রয়াণে দেশব্যাপী শোকের যে ছায়া নেমে এসেছে, তাতে গুরুকুলের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, প্রতিষ্ঠানটি কেবল পাঠ্যপুস্তক নয়, বরং জাতীয় মেধা ও মননের প্রতি দায়বদ্ধ। আজকের এই শোক প্রস্তাব ও নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে গুরুকুল পরিবার এই প্রতিজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, সৈয়দ শামসুল হকের সাহিত্য ও চেতনা বাঙালির হৃদয়ে চিরকাল অম্লান থাকবে।

পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটির নোটিশ ২০১৬

ঈদ-উল-আযহা ছুটি, গুরুকুল বাংলাদেশ | Eid-Ul-Azha Mubarak! Gurukul Bangladesh

বাঙালি মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ‘গুরুকুল শিক্ষা পরিবার’-এ দীর্ঘকালীন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১১/০৯/২০১৬ (রবিবার) থেকে ১৭/০৯/২০১৬ (শনিবার) পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। পবিত্র ঈদুল আযহা’র ছুটির নোটিশ, ২০১৬ স্মারক নং: গুরুকুল/প্রশা/২০১৬/০৯৫ তারিখ: ০৮/০৯/২০১৬ প্লুরালিস্ট সোসাইটি ও গুরুকুলের দর্শন গুরুকুল কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি সকল ধর্ম, বর্ণ ও মতের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের একটি অনন্য ‘প্লুরালিস্ট সোসাইটি’ বা বহুত্ববাদী সমাজ গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ। গুরুকুল বিশ্বাস করে, ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর ঈদুল আযহা আমাদের পারস্পরিক মৈত্রী, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। এই ছুটি আমাদের শিক্ষার্থীদের মাঝে ত্যাগের আদর্শ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক চর্চাকে উৎসাহিত করার একটি প্রয়াস। ছুটির সময়সূচী ও কার্যক্রম প্রশাসন বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী: ছুটির মেয়াদ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম: উল্লেখ্য যে, ছুটির কালিন সময়ে বিশেষ ব্যবস্থায় ভর্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। কার্যক্রম পুনরায় শুরু: ১৮/০৯/২০১৬ (রবিবার) থেকে ক্যাম্পাসের সকল ক্লাস, পরীক্ষা এবং দাপ্তরিক কাজ পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী যথারীতি পরিচালিত হবে। নিরাপত্তা ও শুভেচ্ছা বার্তা উৎসবের এই বিশেষ সময়ে গুরুকুল কর্তৃপক্ষ সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে ঈদ উদযাপনের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। ত্যাগ ও সম্প্রীতির মাধ্যমে একটি মানবিক সমাজ গঠনই আমাদের লক্ষ্য। গুরুকুল কর্তৃপক্ষ আপনার ও আপনার পরিবারের আনন্দময় ছুটি উদযাপন কামনা করে। কর্তৃপক্ষের বার্তা গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রশাসন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, “আমরা এমন একটি পরিবেশ লালন করি যেখানে প্রতিটি মানুষ তাদের স্ব-স্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে গর্বের সাথে উৎসব পালন করতে পারে। ঈদুল আযহার এই ত্যাগের শিক্ষা আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।” (স্বাক্ষরিত) সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর প্রমুখ, গুরুকুল অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি প্রেরণ করা হলো: ১. চেয়ারম্যান এর দপ্তর, গুরুকুল। ২. প্রমুখ এর দপ্তর, গুরুকুল। ৩. সকল পরিচালক, গুরুকুল ও গুরুকুলের ইন্সটিটিউট সমূহের। ৪. সকল প্রিন্সিপ্যাল, গুরুকুল এর সকল কলেজ ও স্কুল। ৫. সকল ইনচার্জ, গুরুকুল এর প্রশাসনিক বিভাগ সমূহ। ৬. সকল বিভাগীয় প্রধান, গুরুকুল এর একাডেমিক বিভাগ সমূহ। ৭. সব নোটিশ বোর্ড, সব ক্যাম্পাস। ৮. রেজিস্ট্রার, গুরুকুল। ৯. অফিস নথি, গুরুকুল।

কুষ্টিয়া গুরুকুলে বাংলা নববর্ষ ১৪২৩ উদযাপন

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার কুষ্টিয়ার বাংলা নববর্ষ ১৪২৩ উদযাপন | Bangla New Year 1423 Celebration, Gurukul Kushtia

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলা নববর্ষ ১৪২৩ উপলক্ষে দেশসেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুরুকুল শিক্ষা পরিবার আয়োজিত দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কুষ্টিয়ায় উদযাপিত হলো বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। মঙ্গল শোভাযাত্রা ২০১৬ সালের ১৪ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সকালে গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ (কালিশংকরপুর) প্রাঙ্গণ থেকে বের হয় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী পোশাকে অংশ নেন। শোভাযাত্রা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে হাসপাতাল মোড়স্থ কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-২-এ গিয়ে শেষ হয়। বৈশাখের রঙে রঙিন এই শোভাযাত্রা শহরে এনে দেয় উৎসবের আবহ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতা শোভাযাত্রা শেষে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা, ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা। সাসেগ-গুরুকুল কালচারাল ক্লাব পরিবেশন করে গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি এবং নাটিকা। দিনব্যাপী চলা খেলাধুলার মধ্যে ছিল লাঠিখেলা, দড়ি টানা, কাবাডি, ঘুড়ি ওড়ানো ইত্যাদি। বৈশাখী রম্য বিতর্কের বিষয় ছিল “বৈশাখী প্রেমে ক্ষয়, বন্ধুত্বের হোক জয়”।সাসেগ-গুরুকুল ডিবেটিং ক্লাবের সদস্যদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এ বিতর্কে পক্ষ দল জয়ী হয়।   অতিথি ও অংশগ্রহণকারীরা আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ও কর্মকর্তারা— লিগ্যাল ও মিডিয়া সমন্বয়কারী শামীম রানা মেডিকেল সেকশনের একাডেমিক ইনচার্জ মন্টু বাইন টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ডিজাইন বিভাগের প্রধান জান্নাতুল নাঈম কম্পিউটার বিভাগের প্রধান চঞ্চল আলী ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের প্রধান রাশনা শারমীন সিভিল বিভাগের প্রধান তৌফিক এলাহি ওয়ারা মেকানিক্যাল বিভাগের প্রধান মামুন হক আরএস বিভাগের প্রধান ওয়াহেদ মতিন রেজিস্ট্রার দীপক কুমার মণ্ডল এইচআর প্রধান রিয়াজ উদ্দিনএছাড়া বৈশাখ উদযাপন কমিটির আহবায়ক মিরাজ আলী-র সার্বিক তত্ত্বাবধানে দিনব্যাপী কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।   দিনব্যাপী আয়োজনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসকে পরিণত করে বৈশাখী মেলায়। গুরুকুল শিক্ষা পরিবার বিশ্বাস করে—বাংলা নববর্ষ কেবল উৎসব নয়, বরং এটি আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক।

কুষ্টিয়া গুরুকুল এর আয়োজনে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী সভা

Meeting on unity against militancy and terrorism organized by Gurukul, Kushtia ৰ গুরুকুল শিক্ষা পরিবার কুষ্টিয়ার আয়োজনে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী সভা

নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে টানা ৪৫ দিন ধরে চলমান ‘জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও নাশকতা বিরোধী’ বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ এক বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের চলমান প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং উগ্রবাদের করাল গ্রাস থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতেই এই দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।     সারা দেশজুড়ে বহুমুখী কর্মসূচি উল্লেখ্য যে, গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে একযোগে এই সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— বর্ণাঢ্য র‍্যালি, অভিভাবক সমাবেশ, শ্রেণীকক্ষে সরাসরি প্রচার এবং সেমিনার। গত ৪৫ দিন ধরে চলা এই নিরবচ্ছিন্ন প্রচারণার মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে উগ্রবাদ বিরোধী এক শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছে। কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের বিশেষ সভা আজ শনিবার গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভার আয়োজন ও অংশগ্রহণে ছিল গুরুকুলের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানসমূহ: কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ইন্সটিটিউট স্পেশালাইজড ম্যাটস (MATS) গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউট স্পেশালাইজড মেডিকেল ইন্সটিটিউট স্পেশালাইজড আইএইচটি (IHT)   উপস্থিত দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দ সমাবেশে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। তাদের মধ্যে ছিলেন: শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) জান্নাতুল নাঈম, বিভাগীয় প্রধান (টেক্সটাইল) রাশনা শারমিন, বিভাগীয় প্রধান (ইলেকট্রিক্যাল) চঞ্চল আলী, বিভাগীয় প্রধান (কম্পিউটার)   বক্তাদের আহ্বান ও শপথ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী এই সমাবেশে বক্তারা একটি শান্তিকামী ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন: “গুরুকুলের প্রতিটি শিক্ষার্থী আজ এই মর্মে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে, তারা সকল প্রকার সন্ত্রাস, নাশকতা ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে। নিজেদের কেবল একজন সফল পেশাজীবী হিসেবেই নয়, বরং একজন আইনমান্যকারী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। আমাদের লক্ষ্য হলো একটি সুখী, সমৃদ্ধিশালী এবং গণতান্ত্রিক ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সক্রিয় অংশীদার হওয়া।” ব্যাপক অংশগ্রহণ ও সংহতি উক্ত সমাবেশে গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অভিভাবকরা গুরুকুলের এই দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরণের কর্মসূচি সন্তানদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে এবং তাদের নৈতিক চরিত্র গঠনে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।     অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীরা সমস্বরে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শপথ বাক্য পাঠ করে। গুরুকুলের এই সময়োপযোগী প্রচারণার মাধ্যমে কুষ্টিয়ার শিক্ষাঙ্গনে এক ইতিবাচক ও নিরাপদ পরিবেশের বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে।   আরও দেখুন: গুরুকুল ক্যাম্পাসে দ্বীন ও ধর্ম বিষয়ক নীতিমালা

কুষ্টিয়া গুরুকুলে ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ ২০১৬ অনুষ্ঠিত

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ

কারিগরি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতিতে অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ‘অভিভাবক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩১ আগস্ট (বুধবার) গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে আয়োজিত এই সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। দক্ষ জনশক্তি গড়ার অঙ্গীকার: কুষ্টিয়া গুরুকুলে ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত সভার নেতৃত্ব ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রাশনা শারমিন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দ। তাদের মধ্যে ছিলেন: শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড এডমিন) খোন্দকার রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) রফিকুল ইসলাম, ইনচার্জ (কমার্শিয়াল) ইমদাদুল হক, সাঈদ হোসেন ও আসানুর সুজন, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ। শিক্ষার মান ও সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা সমাবেশে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, একাডেমিক রেজাল্ট এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বক্তারা গুরুকুলের বৈচিত্র্যময় শিক্ষা পদ্ধতির কথা উল্লেখ করে বলেন: “শিক্ষার্থীদের কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞানে সীমাবদ্ধ না রেখে স্পোর্টস ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং রোভার স্কাউটিংয়ের মতো এক্সট্রা কারিকুলাম কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছি; যেন তারা কর্মজীবনে আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।” অভিভাবক-শিক্ষক সমন্বয়ে নতুন সিদ্ধান্তসমূহ শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সমাবেশে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়: সরাসরি যোগাযোগ: শিক্ষার্থীদের যেকোনো একাডেমিক বা ব্যক্তিগত বিষয়ে প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকের মধ্যে সরাসরি ও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা হবে। ফলাফল প্রেরণ: প্রতিটি পরীক্ষার ফলাফল সরাসরি অভিভাবকদের নিকট পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা হবে। সজাগ নজরদারি: শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক ও অভিভাবক উভয় পক্ষই শিক্ষার্থীদের কার্যক্রমের ওপর গভীর পর্যবেক্ষণ রাখার অঙ্গীকার করেন। সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর ভিশন ও দক্ষ জনশক্তি অনুষ্ঠানে বক্তারা তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর দর্শন তুলে ধরে বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠিত ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ সারাদেশের ১২টি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আধুনিক কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা হচ্ছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে ওঠার পাশাপাশি বিদেশের মাটিতেও দক্ষতার সাথে কাজ করার যোগ্যতা অর্জন করছে। বক্তারা আরও জানান, কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে শিক্ষার্থীরা যেন দেশ গড়ার কারিগর হতে পারে, সেই লক্ষ্যে গুরুকুল পরিবার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশ ও ফলপ্রসূ আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাবেশের সমাপ্তি ঘটে। আরও দেখুন: গুরুকুলে বিশেষ বৃত্তির কোটা

কুষ্টিয়া গুরুকুলে টেক্সটাইল বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ ২০১৬

দেশের শীর্ষস্থানীয় কারিগরি শিক্ষা গ্রুপ গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়র্কের কুষ্টিয়া গুরুকুলের টেক্সটাইল টেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ‘অভিভাবক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৯ আগস্ট (সোমবার) কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে আয়োজিত এই সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।   সভার নেতৃত্ব ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ টেক্সটাইল টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জান্নাতুল নাঈম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) শামীম রানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) খোন্দকার রুহুল আমিন। এছাড়াও বিভাগীয় শিক্ষক রতন আলী ও রাজিবুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।         শিক্ষার মান ও নৈতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা সমাবেশে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়ন, ক্যাম্পাসের পরিবেশ, নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি এবং পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বক্তারা বলেন: “শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং স্পোর্টস ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং রোভার স্কাউটিংয়ের মতো সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছি। আমাদের লক্ষ্য হলো তাদের কর্মক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত করা।”   গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তসমূহ শিক্ষার মান আরও উন্নত করতে সমাবেশে বেশ কিছু যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়: সরাসরি যোগাযোগ: শিক্ষার্থীদের যেকোনো একাডেমিক বা ব্যক্তিগত সমস্যায় অভিভাবকদের সাথে প্রতিষ্ঠান সরাসরি যোগাযোগ করবে। ফলাফল প্রেরণ: শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল নিয়মিতভাবে সরাসরি অভিভাবকদের নিকট পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা হবে। সজাগ নজরদারি: ক্লাসে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় অভিভাবক ও শিক্ষক উভয় পক্ষই আরও বেশি সজাগ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।   দক্ষ জনশক্তি ও বৈশ্বিক ভিশন দেশবরেণ্য তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর দর্শন নিয়ে আলোচনায় বক্তারা জানান, বর্তমানে সারাদেশে গুরুকুলের ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ) আধুনিক কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশীয় শ্রমবাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে বিদেশেও দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে, সে লক্ষ্যে তাদের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।     মুক্ত আলোচনা ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে এই সমাবেশটি শেষ হয়। অভিভাবকরা গুরুকুলের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, নিয়মিত এ ধরণের আয়োজন সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে এবং বিপথগামিতা রোধে অত্যন্ত সহায়ক হবে। আরও দেখুন: গুরুকুলে বিশেষ বৃত্তির কোটা

কুষ্টিয়া গুরুকুলের কম্পিউটার টেকনোলজির বিভাগের অভিভাবক সমাবেশ, ২০১৬

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার কুষ্টিয়ার কম্পিউটার টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ | Parents/Guardians Meeting of Computer Technology of Gurukul, Kushtia

কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতি নিশ্চিত করার লক্ষে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৮ আগস্ট (২০১৬) গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস-১ এর হল রুমে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে শতাধিক অভিভাবক অংশ নেন, যা প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের মধ্যে এক নিবিড় মেলবন্ধন তৈরি করে।     সভার সভাপতিত্ব ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান চঞ্চল আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাগণ। তাদের মধ্যে ছিলেন: খোন্দকার রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) শামীম রানা, ইনচার্জ (লিগ্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিন) রফিকুল ইসলাম, ইনচার্জ (কমার্শিয়াল) মাধবী আইরিন ও আরিফুল ইসলাম, কম্পিউটার ট্রেড শিক্ষকবৃন্দ।   শিক্ষার মান ও সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব সমাবেশে বক্তারা গুরুকুলের মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর আলোকপাত করেন। তারা জানান, কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বিকাশে গুরুকুল বদ্ধপরিকর। বক্তারা উল্লেখ করেন: “শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব এবং রোভার স্কাউটিংয়ের মতো এক্সট্রা কারিকুলাম কার্যক্রমের মাধ্যমে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলা হয়। আমাদের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তোলা যাতে তারা কর্মক্ষেত্রে এবং সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।” দক্ষ জনশক্তি ও বৈশ্বিক সুযোগ দেশের প্রথিতযশা তথ্যপ্রযুক্তিবিদ এবং গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর দর্শন অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে। সভায় জানানো হয়, বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল সেকশনসহ সারাদেশে গুরুকুলের অধীনে ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আধুনিক কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে দেশের জন্য ‘দক্ষ জনশক্তি’ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। বক্তারা গর্বের সাথে জানান যে, গুরুকুলের অনেক শিক্ষার্থী বর্তমানে দেশের বাইরেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে দক্ষতার সাথে কাজ করছে। মতবিনিময় ও প্রশ্নোত্তর পর্ব সমাবেশের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ছিল উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের পড়াশোনার পরিবেশ, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার এবং টেকনিক্যাল ল্যাবের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। উপস্থিত কর্মকর্তাবৃন্দ প্রতিটি প্রশ্নের যৌক্তিক ও সন্তোষজনক জবাব দেন। অভিভাবকদের সুচিন্তিত মতামত ও পরামর্শ ডায়েরিবদ্ধ করা হয় যাতে ভবিষ্যতে শিক্ষার মান আরও উন্নত করা যায়। সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির অংশ উল্লেখ্য যে, এই সমাবেশটি ছিল গুরুকুলের সপ্তাহব্যাপী অভিভাবক সমাবেশ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন। এর আগে শনিবার প্রথম দিনে গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং টেকনোলজির অভিভাবক সমাবেশ অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। অভিভাবক সমাবেশের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করেছে। দিনশেষে এক চমৎকার হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে সমাবেশের সমাপ্তি ঘটে।

কুষ্টিয়া গুরুকুলে জাতীয় শোক দিবস ২০১৬ পালন

গুরুকুল শিক্ষা পরিবার কুষ্টিয়ায় জাতিয় শোক দিবস ২০১৬ পালন | Observing national mourning day, 2016, Kushtia Gurukul

যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য এবং হৃদয়ের গভীরতম শ্রদ্ধায় কুষ্টিয়ার শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০১৬ পালিত হয়েছে। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার মহান স্থপতি ও তাঁর শহীদ পরিবারের সদস্যদের স্মরণ করে গুরুকুল পরিবার। কুষ্টিয়া গুরুকুলে জাতীয় শোক দিবস ২০১৬ পালন   শোক র‍্যালি ও পুষ্পস্তবক অর্পণ সোমবার সকাল ৯টায় কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাস-২ (হাসপাতাল মোড়) থেকে এক বিশাল শোক র‍্যালি বের করা হয়। কালো ব্যাজ ধারণ করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে র‍্যালিটি কুষ্টিয়া শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে মজমপুরস্থ বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে জাতির জনকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা: শিল্পীর তুলিতে ও কণ্ঠে বঙ্গবন্ধু শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শিক্ষার্থীরা কালিশংকরপুরস্থ ক্যাম্পাস-১ এ সমবেত হয়। সেখানে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শের ওপর ভিত্তি করে আয়োজন করা হয় দেশাত্মবোধক গান, রচনা প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা। তরুণ প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী প্রতিযোগিতা শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও আন্তর্জাতিক শিশু সংগঠক আশরাফ উদ্দিন নজু (সাবেক সভাপতি, কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স এবং বর্তমান সভাপতি, কুষ্টিয়া ডায়াবেটিক হাসপাতাল)। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন: “বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। তাঁর আদর্শ ধারণ করেই আজকের তরুণ প্রজন্মকে দেশ গড়ার শপথ নিতে হবে। শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে একটি আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই।” উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ও বিচারক মণ্ডলী অনুষ্ঠানে গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন: মনির হাসান, পরিচালক (প্রশাসন) তানভির মেহেদি, প্রধান সমন্বয়কারী শামীম রানা, সমন্বয়কারী (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া) রুহুল আমিন, ইনচার্জ (ফাইন্যান্স) প্রতিযোগিতার বিচারকের গুরুদায়িত্ব পালন করেন চঞ্চল আলী, রাশনা শারমিন, জান্নাতুল নাঈম, আব্দুল আলীম ও আরিফুল ইসলাম। সমগ্র অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত নিপুণভাবে উপস্থাপনা করেন কম্পিউটার ট্রেড শিক্ষক মাধবী আইরিন। দিনব্যাপী এই শোকাতুর আয়োজনে গুরুকুল ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন, মেডিকেল সেকশন এবং গুরুকুল রোভার স্কাউট দলের সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। শোক দিবসের এই কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধের এক নতুন প্রেরণা সৃষ্টি করে।   আরও দেখুন: গুরুকুলের গুরুত্বপূর্ণ দিবস ও গুণীজন স্মরণ পঞ্জিকা