মুজিব শতবর্ষ গুরুকুল আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০ অনুষ্ঠিত

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে গুরুকুল ট্রাস্ট আয়োজন করেছে নানা কর্মসূচি। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হলো মুজিব শতবর্ষ গুরুকুল আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০। গুরুকুল ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর বর্ষব্যাপী কর্মসূচির ঘোষণা দেন। এর আওতায় গুরুকুল ট্রাস্টের সব প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন ক্যাম্পাস, অনলাইন লার্নিং নেটওয়ার্ক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক ও ক্রীড়া আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়। কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাসের সব বিভাগ থেকে গঠিত আটটি দল এই টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল ক্রীড়া কমিটির চেয়ারম্যান ও কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ইকবাল মাহমুদ। এ সময় গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শকে জানার জন্য কেবল সরকারি আয়োজন যথেষ্ট নয়। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উচিত তাঁর আদর্শকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া। যখন প্রতিটি ঘরে ঘরে বঙ্গবন্ধুর চিন্তা ও দর্শন ছড়িয়ে পড়বে, তখনই প্রকৃত অর্থে সোনার বাংলা গড়ে উঠবে। টুর্নামেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন করার সার্বিক নির্দেশনা দেন কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য ও ক্রীড়া অনুরাগী মোহাম্মদ আলী নিশান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন গুরুকুলের সহকারী পরিচালক রাকিবুজ্জামান তানিম, উপাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাসুম এবং টুর্নামেন্ট আহ্বায়ক আশরাফুল আলম। গুরুকুল আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা খেলাধুলার পাশাপাশি দলগত চেতনা, নেতৃত্ব এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মূল্যবোধের শিক্ষা লাভ করে। এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের বাইরে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি স্মরণে একটি তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে স্থান করে নেয়।
কুষ্টিয়া গুরুকুলের বার্ষিক শিক্ষা সফর ২০১৯ সফলভাবে সম্পন্ন

গুরুকুলের প্রতিটি ক্যাম্পাসে প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত হয় বার্ষিক শিক্ষা সফর। ভ্রমণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কেবল বিনোদনই পায় না, বরং জ্ঞানচর্চার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়। শিক্ষা সফর শিক্ষার্থীদের মনকে উদার করে, জীবনে সঞ্চার করে নতুন গতিশীলতা। বিশেষত যখন ভ্রমণ আয়োজন করা হয় শিক্ষা অর্জনের উদ্দেশ্যে, তখন সেটি হয়ে ওঠে শিক্ষাজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সফরের মূল উদ্দেশ্য গুরুকুল বিশ্বাস করে, শিক্ষার্থীরা যেন আবদ্ধ জ্ঞানচর্চা থেকে বের হয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষাজীবনের চাপ থেকে কিছু সময় দূরে থেকে আনন্দঘন পরিবেশে সহপাঠীদের সঙ্গে সময় কাটানো শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে আসে জীবনের পূর্ণতার অনুভূতি। আয়োজন ও ভ্রমণ কুষ্টিয়া গুরুকুল কলেজের বার্ষিক শিক্ষা সফর ২০১৯ উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। সফরটি অনুষ্ঠিত হয় ০১ মার্চ ২০২০ থেকে ০৩ মার্চ ২০২০ পর্যন্ত। শিক্ষার্থীরা কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্ট, ইনানী বীচ, হিমছড়ি এবং আশেপাশের দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ করে। এ ভ্রমণ শিক্ষার্থীদের জন্য হয়ে ওঠে স্মরণীয় ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একটি অধ্যায়। নেতৃত্ব ও উপস্থিতি শিক্ষা সফর কমিটির আহ্বায়ক সোহাগ আহমেদ-এর নেতৃত্বে এবং কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীদের আন্তরিক সহযোগিতায় সফরটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। সফরে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুলের উপাধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল মাসুম, ইনচার্জ ফাইন্যান্স মতিয়ার রহমান, এবং আরও অনেক শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ। কুষ্টিয়া গুরুকুল কলেজের শিক্ষা সফর কেবল শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দময় অভিজ্ঞতাই নয়, বরং তাদের জ্ঞান, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২০, কুষ্টিয়া গুরুকুল [ International Mother Language Day 2020, Kushtia Gurukul ]
![আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২০, কুষ্টিয়া গুরুকুল [ International Mother Language Day 2020, Kushtia Gurukul ] 3 IMG 0478 আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২০, কুষ্টিয়া গুরুকুল [ International Mother Language Day 2020, Kushtia Gurukul ]](https://gurukul.edu.bd/wp-content/uploads/2020/02/IMG_0478-1024x683.jpg)
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২০ পালিত হয়েছে কুষ্টিয়া গুরুকুল ক্যাম্পাসে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২০ উপলক্ষে, গুরুকুল ট্রাস্ট এর কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস এ [কুষ্টিয়া গুরুকুল] , পালিত হল দিব্যাপি কর্মসূচি। ”দাপ্তরিক সব কাজ আমরা বাংলায় করি, আপনি?” এই স্লোগানকে সামনে রেখে, গুরুকুল উদযাপন করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২০। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক, জনাব ইমতিয়াজ খান এর নেতৃত্বে কর্মসূচি পরিচালিত হয়। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল থেকে আয়োজিত হয় দীর্ঘ র্যালী। কুষ্টিয়া গুরুকুল এর ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন ও মেডিকেল সেকশনের প্রায় ৬ শতাধিক শিক্ষার্থী-শিক্ষক- কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ নিয়ে র্যালি শুরু হয়। প্রতি বছর কুষ্টিয়ার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে সর্ব বৃহৎ র্যালি নিয়ে অংশগ্রহণ করে গুরুকুল। গুরুকুলের বৃহৎ র্যালি কুষ্টিয়া গুরুকুল লালন সাঁই ক্যাম্পাস (কালিশংকরপুর) থেকে শুরু হয়ে, কুষ্টিয়া শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে, কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। র্যালি শেষে, প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের একাংশ, শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তাবৃন্দ প্রতিষ্ঠানে প্রত্যাবর্তন করেন। উক্ত র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুলের সহকারী পরিচালক জনাব রাকিবুজ্জামান তানিম, গুরুকুল উপাধ্যক্ষ জনাব এম এ মাসুম, এছাড়াও সকল ট্রেড প্রধানসহ গুরুকুলের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। আমরা একমাত্র জাতী যারা মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষায় জীবন দিয়েছি। ১৯৫২ সালে মাতৃভাষার আন্দোলনে শহীদ হয়েছিলেন, আমাদের অগ্রজ – সালাম, বরকত, জব্বার, রফিক, শফিউল্লাহ সহ নাম না জানা অনেকে বাঙ্গালী বীর। অসংখ্য ছাত্র, রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ জনগন, জেল হাজত ভোগ করেন, নির্যাতিত হন। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই আন্দোলনের সমর্থনে জেলে অনশন করেন। তাদের সকলের মহান ত্যাগের বিনিময়েই আমাদের বাংলা ভাষার উপরে আমাদের অধিকার অর্জিত হয়েছে। র্যালি ও শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে, দিবসটির ইতিহাস ও তাৎপর্য সম্পর্কে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মাতৃভাষা দিবস নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতে, গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর ভিডিও মাধ্যমে বক্তৃতা করেন। সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর বলেন “আমরা একমাত্র জাতী যারা মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষায় জীবন দিয়েছি। ১৯৫২ সালে মাতৃভাষার আন্দোলনে শহীদ হয়েছিলেন, আমাদের অগ্রজ – সালাম, বরকত, জব্বার, রফিক, শফিউল্লাহ সহ নাম না জানা অনেকে বাঙ্গালী বীর। অসংখ্য ছাত্র, রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ জনগন, জেল হাজত ভোগ করেন, নির্যাতিত হন। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই আন্দোলনের সমর্থনে জেলে অনশন করেন। তাদের সকলের মহান ত্যাগের বিনিময়েই আমাদের বাংলা ভাষার উপরে আমাদের অধিকার অর্জিত হয়েছে। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে, আমরা দীর্ঘদিন এই দিনটিকে “শহীদ দিবস” ও “ভাষা দিবস” হিসেবে পালন করে এসেছি। তবে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর, জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা ইউনেস্কো, ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। এর পর থেকে এই দিনটি বিশ্বব্যাপী সার্বজনীন হয়েছে। তখন থেকে আমরা এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করি। তাই এই দিনটি এখন শোকের নয়, বরং উদযাপনের। সারা পৃথিবীর সকল মাতৃভাষার জয়গান গাইবার। আজ সারা বিশ্ব একযোগে সেভাবেই পালন করছে এই দিনটিকে। আজকের দিনটিতে আমরা আমাদের সেই বীর পূর্ব পুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই, তাদের ত্যাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি। পাশাপাশি আমরা উদযাপন করি বাংলা ভাষা সহ পৃথিবীর সকল মাতৃভাষা ও সেই ভাষা থেকে উৎসারিত সব ধরনের শিল্প। জয় বাংলা”। সহকারী পরিচালক রাকিবুজ্জামান তানিম দিবসটির তাৎপর্য ও ইতিহাস তুলে ধরে আলোচনা করেন। আলোচনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের কর্মসূচি। উল্লেখ্য যে, কুষ্টিয়া ছাড়াও কুমারখালী গুরুকুল, খোকসা গুরুকুল, রাজবাড়ি গুরুকুল সহ ঢাকা গুরুকুল দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। গুরুকুল অনলাইন লার্নিং নেটওয়ার্ক হতে শিক্ষার্থীদের জন্য বক্তৃতা শেখবার জন্য কিছু ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। নিচে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের বক্তৃতার লিংক দেয়া হল : আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের বক্তৃতা:
জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (এনটিভিকিউএফ) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা
জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ১.০ আবেদন পত্র গ্রহণ ও বাছাই প্রক্রিয়া: কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত আবেদন পত্র ফরমে উলিখিত বিষয়াদি ও সংযুক্তিসহ পুর্ণাঙ্গ তথ্যাবলী সম্বলিত আবেদনপত্রসমূহ বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের মধ্যে বিতরণ ও বাছাই প্রক্রিয়া সম্পনড়ব করতে হবে। বাছাই কালে প্রকৃত সনদপত্র, বয়স, নির্ভূল তথ্য ইত্যাদি যথাযথ ভাবে নিরীক্ষণ করা অত্যাবশক। ১.১ বিতরণকৃত আবেদন পত্র ফরমের বিক্রয়ের হিসাব ও রশিদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। ১.২ বাছাইকালে বাতিল ও গ্রহণযোগ্য আবেদনপত্রসমূহ পৃথকীকরণসহ একটি তালিকা প্রণয়ন করতে হবে। ১.৩ ভর্তি পরীক্ষার জন্য যোগ্য প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশনাসহ নির্ধারিত সূচি মোতাবেক ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের পূর্বেই তালিকা প্রকাশ করতে হবে। ১.৪ বাছাইকৃত বাতিল ফরমসমূহে ত্রুটিসমূহ সনাক্ত পূর্বক কমিটির মন্তব্য আবেদনপত্রের উল্টা পৃষ্ঠায় লিপিবদ্ধসহ স্বাক্ষরিত হতে হবে। ১.৫ প্রার্থীকে প্রতিষ্ঠানের বিভিনড়ব ট্রেড ও একাডেমিক নীতিমালা সস্পর্কে অবহিতকরণপূর্বক অনুপ্রাণিত করা আবশ্যক (প্রস্পেকটাস, লিফলেট, সরজমিনে ট্রেড পরিদর্শন ইত্যাদি)। ১.৬ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীনে যে কোন কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী কোর্স সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত এই কোর্সে ভর্তি হতে পারবে না। ভূল তথ্য দিয়ে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি হলে তার ভর্তি বাতিল হবে। [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ] ২.০ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সংশিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বোর্ড অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থী বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ঠুভাবে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আহবায়ক করে ৩ হতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে ভর্তি সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে। প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য কমিটি সততা, সচ্ছতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবে। কমিটির কাঠামো : ১. প্রতিষ্ঠান প্রধান আহবায়ক ২. সংশিষ্ট শিল্প কারখানার প্রতিনিধি ১ জন সদস্য ৩. সিবিটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক (১/২) সদস্য ৪. বোর্ড মনোনীত প্রতিনিধি ১ জন সদস্য ২.১ প্রতিষ্ঠান প্রধান গোপনীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষার প্রশড়বপত্র ক্সতরি, মডারেশন ও মূদ্রণের ব্যবস্থা করবে। ২.২ বিজ্ঞপ্তিতে উলিখিত যোগ্যতা সম্পনড়ব প্রার্থীদের বাছাইয়ের জন্য লিখিত পরীক্ষার প্রশড়বপত্র ভাষাজ্ঞান ও গণিতে সক্ষমতা যাচাইয়ের উপযোগী করে প্রণয়ন করতে হবে। ২.৩ ভর্তি পরীক্ষার প্রশড়বপত্রের নম্বর বণ্টনঃ লিখিত-৪০(বাংলা-১০, ইংরেজি-১০, গণিত-১০, সাধারণ জ্ঞান-১০), কায়িক প্রবণতা টেস্ট-৪০, মৌখিক পরীক্ষা-২০। ২.৪ বোর্ড কর্তৃক পরীক্ষা অনুষ্ঠানের নির্ধারিত তারিখে লিখিত, মৌখিক পরীক্ষা ও কায়িক প্রবনতা টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে। [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ] ৩.০ লিখিত ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত : কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক নির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে লিখিত পরীক্ষার নিয়মানুসারে স্ব-স্ব কেন্দ্রের নিজস্ব আসন ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের জন্য স্ব-স্ব কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশানুসারে পরিদর্শক নিয়োগ, নিরাপত্তা বিধান, প্রয়োজনে বহিরাগত পরিদর্শক নিয়োগ ইত্যাদির ব্যবস্থাপনা করতে হবে। এ প্রেক্ষিতে যে সকল বিষয়াদি অত্যন্ত গুরুত্বসহ বিবেচনা করতে হবে ঃ ৩.১ আসন সংখ্যা অনুসারে পরিদর্শী, প্রধান পরিদর্শী, হল তত্ত¡াবধায়ক, সাহায্যকারী নিয়োগের ব্যবস্থা করা। ৩.২ সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণের জন্য নিরাপত্তা বিধান। ৩.৩ পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত সময় সীমার প্রতি লক্ষ্য রাখা। ৩.৪ পরীক্ষা শেষে সকল উত্তরপত্রসমূহের ক্রমানুসারে সাজিয়ে কোড নং প্রদান। ৩.৫ পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট কোড নং এর কাটিং সংরক্ষণসহ গোপনীয়তা রক্ষা করা। ৩.৬ সকল প্রশিক্ষককে একত্রিত করে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের দিবসেই উত্তরপত্র পরীক্ষণ, নিরীক্ষার কাজ সমাপ্ত করা। [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ] ৪. ফলাফল প্রকাশ : ৪.১ লিখিত, মৌখিক পরীক্ষা ও কায়িক প্রবনতা টেস্টে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে টেবুলেশন ক্সতরি করতে হবে। ৪.২ সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে প্রশিক্ষণার্থী মনোনয়ন করতে হবে এবং আসন সংখ্যার অর্ধেক অপেক্ষমান তালিকাসহ মেধাক্রম অনুসারে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। ৫.০ কায়িক প্রবণতা টেস্ট : ৫.১ প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রতিষ্ঠানের প্রচলিত ট্রেডের সংখ্যানুসারে একটি উপ-কমিটি গঠন করবেন। ৫.২ বাছাইকৃত যোগ্য প্রার্থীদেরকেই লিখিত ও কায়িক প্রবনতা টেষ্টে অংশগ্রহণ করতে হবে। ৫.৩ সর্বমোট প্রার্থীর সংখ্যা অনুসারে সংশিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ওয়ার্কশপের সুবিধা অনুযায়ী প্রার্থীদেরকে সমভাবে ট্রেড ভিত্তিক উপ-কমিটির নিকট প্রেরণ করতে হবে। ৫.৪ প্রতিষ্ঠানের বাস্তব সুবিধাদির উপর ভিত্তি করে প্রস্তাবিত কায়িক প্রবণতা টেষ্ট যথা সম্ভব সীমিত ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পনড়ব করার জন্য পর্যবেক্ষণ ভিত্তিক নম্বরবণ্টন করতে হবে। ৫.৫ অত্যন্ত ক্সধর্য্য ও কৌশলগত সাবধানতার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করে বণ্টনকৃত নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে। ৫.৬ সাধারণভাবে ০৫:১ হইতে ১০:১ অনুপাতে প্রার্থী পর্যবেক্ষক নিয়োগ করতে হবে। প্রশিক্ষক স্বল্পতার কারণে প্রয়োজনে এই সংখ্যা পরিবর্তন করা যেতে পারে। ৫.৭ প্রস্তাবিত বিষয়াদির টেষ্ট গ্রহণের সময় স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের বাস্তব সুবিধাদির বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামো ]। ৫.৮ কায়িক প্রবণতা টেষ্টের পর্যবেক্ষণ ও নম্বর বণ্টন সংক্রান্ত পদ্ধতিগত নমুনা রূপরেখা ঃ [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ] ৬.০ প্রার্থীদের ভর্তির আবেদন ফি আবেদন ফি বাবদ ১০০/- (একশত) টাকা জমা দিতে হবে। উক্ত অর্থের মধ্যে ৮০/- (আশি) টাকা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি সংক্রান্ত কার্যক্রমের ব্যয় হিসেবে রেখে দিবে এবং ২০/- (বিশ) টাকা ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশসহ বিবিধ খরচ মিটানোর জন্য বোর্ডে প্রেরণ করতে হবে। ৭.০ প্রশিক্ষণার্থী ভর্তির জন্য প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির অন্যান্য শর্তাবলি : প্রশিক্ষণার্থী ভর্তির জন্য প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির অন্যান্য শর্তাবলি প্রযোজ্য হবে। ৮.০ এই নীতিমালার কোন ধারা/ধাবাসমূহের ব্যাখ্যা প্রদান : এই নীতিমালার কোন ধারা/ধাবাসমূহের ব্যাখ্যা প্রদানের অধিকার বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সংরক্ষিত থাকবে এবং বোর্ডের ব্যাখ্যাই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামো ]। ৯.০ এ নীতিমিালায় অনুলিখিত কোন বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের ক্ষমতা বোর্ডের নিকট সংরক্ষিত থাকবে। [ জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামোর (NTVQF) আওতায় প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত ও কায়িক প্রবণতা পরীক্ষা [ Written and physical aptitude test for selection of trainees under national technical and vocational qualification framework, NTVQF ] বিষয়ক ] জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামো বিষয়ে গুরুকুলে : যোগাযোগ
গুরুকুল হেলথ ক্লাব -এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন
“সুস্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল”—এই মূলমন্ত্রকে হৃদয়ে ধারণ করে এবং আর্তমানবতার সেবায় শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও সংবেদনশীল করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করল গুরুকুল হেলথ ক্লাব [Gurukul Health Club]। গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের মেডিকেল সেকশনের শিক্ষার্থীদের পেশাগত উৎকর্ষের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করাই এই ক্লাবের প্রধান উদ্দেশ্য। প্রধান অতিথির বক্তব্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্লাবের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ মাহাবুবুল ইসলাম। তিনি বলেন, “একজন চিকিৎসাকর্মীর সবচেয়ে বড় সম্পদ তার মানবিকতা। গুরুকুল হেলথ ক্লাব শিক্ষার্থীদের সেই সুযোগ করে দেবে যেখানে তারা ছাত্রজীবন থেকেই মানুষের সেবা করার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে।” সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর বিশেষ বাণী ও ক্লাবের ‘মিশন’ গুরুকুল প্রমুখ, তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এই ক্লাবের জন্য তার দিকনির্দেশনামূলক বার্তা দিয়েছেন। তাঁর পক্ষে এই বিশেষ বার্তা ও ক্লাবের ভিশন পাঠ করে শোনান গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের সহকারী পরিচালক জনাব রাকিবুজ্জামান তানিম। বার্তায় গুরুকুল হেলথ ক্লাবের মূল মিশন হিসেবে ঘোষণা করা হয়: “এই ক্লাবটি শিক্ষার্থীদের ছাত্রাবস্থা থেকেই অভিজ্ঞ স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করবে। ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্পেইন, জনস্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রম এবং জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়তাসহ নানাবিধ সেবামূলক কাজে শিক্ষার্থীদের যুক্ত রাখাই হবে এই ক্লাবের প্রধান ব্রত; যেন তারা কেবল দক্ষ টেকনিশিয়ান নয়, বরং প্রকৃত মানবসেবক হিসেবে গড়ে ওঠে।” সম্মানিত অতিথিবৃন্দ ও আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ জনাব আবদুল্লাহ আল মাসুম। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন: জনাব দ্বিপশিখা মল্লিক, বিভাগীয় প্রধান (নার্সিং) ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষক। জনাব আমিনুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (মাইক্রোল্যাব) ও অতিথি শিক্ষক। জনাব সুস্মিতা সেন, বিভাগীয় প্রধান (ম্যাটস) ও মডারেটর, গুরুকুল হেলথ ক্লাব। বক্তারা বলেন, গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্কের এই উদ্যোগটি শিক্ষার্থীদের পেশাগত জীবনে প্রবেশের আগেই একজন ‘এম্প্যাথিক’ বা সহমর্মী স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে তৈরি করবে। সাংস্কৃতিক আয়োজন ও উদযাপন ম্যাটস বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তৌফিক আহমেদ ও আমেনা খাতুন-এর প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি এক আনন্দঘন উৎসবে পরিণত হয়। প্রধান অতিথি ডাঃ মাহাবুবুল ইসলাম অতিথিদের নিয়ে শুভ উদ্বোধনের কেক কাটেন। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়, যেখানে গান ও কবিতার মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও মানবতার জয়গান গাওয়া হয়। গুরুকুল হেলথ ক্লাবের এই যাত্রার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেবার যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে, তা ভবিষ্যতে একটি সুস্থ, সবল ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে এক অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।
গুরুকুলে নার্সিং ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০১৯
![গুরুকুলে নার্সিং ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০১৯ 8 গুরুকুলে নার্সিং ভর্তি বিজ্ঞপ্তি [ Nursing Admission @ Gurukul ]](https://gurukul.edu.bd/wp-content/uploads/2019/12/Sticker-2019-12-24-2-1024x478.jpg)
দেশের ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যখাতে দক্ষ ও মানবিক নার্সিং জনবল তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কুষ্টিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট’-এ ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই ইনস্টিটিউটটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত এবং বাংলাদেশ নার্সিং এন্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিল (BNMC) কর্তৃক নিবন্ধিত। কোর্সের বিবরণ বর্তমানে ইনস্টিটিউটটিতে নিচের কোর্সটিতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে: কোর্সের নাম: ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি। মেয়াদ: ৩ বছর (বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল নির্ধারিত)। গুরুকুলে নার্সিং ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০১৯ হরিজন কোটায় বিশেষ বৃত্তি ও অন্তর্ভুক্তি একটি বহুত্ববাদী সমাজ (Pluralist Society) বিনির্মাণের অঙ্গীকার নিয়ে গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট এবারও ‘হরিজন কোটায়’ মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা রেখেছে। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মেধা বিকাশে এবং তাদের মূলধারার পেশায় সম্পৃক্ত করতে গুরুকুলের এই উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। কেন গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটকে বেছে নেবেন? প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের জন্য নিশ্চিত করে: অভিজ্ঞ শিক্ষক: নার্সিং খাতের বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ মন্ডলী দ্বারা পাঠদান। আধুনিক ল্যাব: হাতে-কলমে প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষার জন্য সমৃদ্ধ ল্যাবরেটরি। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস: সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ ও হাতে-কলমে কাজের সুযোগ। সুশৃঙ্খল পরিবেশ: রাজনীতিমুক্ত এবং নারীবান্ধব নিরাপদ ক্যাম্পাস। ভর্তি ও যোগাযোগের বিস্তারিত ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য, ভর্তির যোগ্যতা এবং প্রক্রিয়া জানার জন্য আগ্রহী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সরাসরি কুষ্টিয়া ক্যাম্পেসে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। সরাসরি যোগাযোগের নম্বর: 01701229621, 01701229622, 01877731344, 01877731345 ঠিকানা: গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউট, কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস। পেশাদার নার্সিং শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও বিদেশের স্বাস্থ্যখাতে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে আগ্রহীদের দ্রুত আসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসন বিভাগ।
গুরুকুলে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০১৯ উদযাপন
যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য এবং গভীর শ্রদ্ধার সাথে কুষ্টিয়া গুরুকুল শিক্ষা পরিবারে পালিত হয়েছে মহান শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০১৯। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে কুষ্টিয়া গুরুকুল হল রুমে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই একাত্তরের সেই সকল সূর্যসন্তানদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। গুরুকুলে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০১৯ উদযাপন উপস্থিত অতিথি ও সভাপতিত্ব গুরুকুল কালচারাল কমিটির চেয়ারম্যান জনাব শাহীন সরকার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি ও মূল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কুষ্টিয়া জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ মিন্টু। অনুষ্ঠানে গুরুকুলের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য: ইতিহাসের প্রেক্ষাপট ও আত্মত্যাগ প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ মিন্টু মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা ও বুদ্ধিজীবী হত্যার ট্র্যাজেডি তুলে ধরেন। তিনি বলেন: “স্বাধীনতা যেকোনো জাতির জন্য শ্রেষ্ঠ সম্পদ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে নিরস্ত্র বাঙালি একটি সশস্ত্র ও আধুনিক প্রশিক্ষিত বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল, যা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানি হানাদাররা পরিকল্পিতভাবে বাংলার শ্রেষ্ঠ মেধা ও সন্তানদের হত্যা করে আমাদের দেশকে পঙ্গু করে দিতে চেয়েছিল। ১৪ ডিসেম্বর সেই কলঙ্কিত ও শোকের দিন।” বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আজকের বাংলাদেশ বক্তৃতায় তিনি বর্তমান বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা নিয়ে আলোকপাত করেন। তিনি আরও বলেন: “বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও রক্তধারা ধারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ অর্জনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই তরুণ প্রজন্মকে, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের, নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই উন্নয়ন মিশনে সক্রিয় অবদান রাখতে হবে।” মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দায়িত্ব সভায় বক্তারা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগের মহিমা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনায় উঠে আসে যে, স্বাধীন বাংলাদেশে মেধা ও শ্রম দিয়ে দেশ গড়া এবং অসাম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠাই হবে শহীদদের প্রতি শ্রেষ্ঠ সম্মান। অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি শাহীন সরকার শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। আলোচনা সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করা হয়। গুরুকুল পরিবারের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা জাতির ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পর্কে বিশদ ধারণা লাভ করে এবং দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়। আয়োজনে, কালচারাল কমিটি ও প্রশাসন, গুরুকুল কুষ্টিয়া। আারও দেখুন: গুরুকুলের গুরুত্বপূর্ণ দিবস ও গুণীজন স্মরণ পঞ্জিকা
গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ এর বার্ষিক তাঁবুবাস দীক্ষা ও মহাতাঁবু জলসা, ২০১৯

‘সেবা’ ও ‘শৃঙ্খলার’ মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে দক্ষ ও আদর্শ নাগরিক গড়ার প্রত্যয়ে কুষ্টিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপ-এর দুই দিনব্যাপী বার্ষিক প্রশিক্ষণ, তাঁবুবাস, দীক্ষা ও মহাতাঁবু জলসা। নবীন সহচরদের রোভার স্কাউটিংয়ের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ক্যাম্প ফায়ার ও মহাতাঁবু জলসার আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে গুরুকুল প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে প্রথাগত ঐতিহ্য মেনে বর্ণিল ‘ক্যাম্প ফায়ার’ বা অগ্নি-প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হয়। অন্ধকারের বিনাশ ও আলোর আগমনের প্রতীক হিসেবে এই আগুন জ্বালিয়ে রোভাররা তাদের প্রশিক্ষণের হাতেখড়ি নেন। সমাপনী দিনে গুরুকুল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন গুরুকুলের উপাধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল মাসুম। অতিথিদের বক্তব্য: সমাজ গঠনে স্কাউটিংয়ের গুরুত্ব অনুষ্ঠানে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা রোভার স্কাউটিংয়ের একঝাঁক অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। কুষ্টিয়া মহিলা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও জেলা রোভার কমিশনার মীর মোশাররফ হোসেন, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও জেলা রোভার সম্পাদক এ.কে.এম সামসুল হক এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জুবায়ের হাসান চৌধুরী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন: “একজন শিক্ষার্থীকে কেবল পুথিগত বিদ্যায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। একজন প্রকৃত রোভার স্কাউট মাদক, জঙ্গিবাদ ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে নিজেকে দূরে রেখে সমাজ সংস্কারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। গুরুকুল ৩টি ইউনিটের মাধ্যমে এই সেবা কার্যক্রম যেভাবে এগিয়ে নিচ্ছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে।” অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক সোহাগ আহমেদ। পুরো আয়োজনটি সঞ্চালনা করেন রোভার সদস্য কৌশিক আহমেদ। সাংস্কৃতিক প্রতিভা ও কলাকৌশল প্রদর্শন দীক্ষা ও প্রশিক্ষণের কঠোর নিয়মাবলির মাঝেও রোভারদের সৃজনশীলতা ফুটে ওঠে ‘মহাতাঁবু জলসা’র মঞ্চে। দুই দিনের কঠোর পরিশ্রমের ক্লান্তি ভুলে রোভার সদস্যরা নাটক, দেশাত্মবোধক নৃত্য, সংগীত এবং স্কাউটিংয়ের বিভিন্ন কলাকৌশল প্রদর্শনের মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করেন। এটি কেবল আনন্দ অনুষ্ঠান ছিল না, বরং রোভারদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের একটি অনন্য মাধ্যম ছিল। প্রশিক্ষণ ও দীক্ষা প্রদান বার্ষিক এই প্রশিক্ষণে রোভারিংয়ের বিভিন্ন নিয়ম-কানুন ও কারিগরি দিক পরিচালনা করেন জেলা রোভার সম্পাদক এ.কে.এম সামসুল হক। তাকে সহায়তা করেন সিনিয়র রোভারমেট তন্ময় বিশ্বাস শুভ, রুবেল, অর্ণব, মেহেদী, সেতু, ইমরান, রানা সরকার, সাগর ও ফাহিম। অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে (শুক্রবার সকালে) এক ভাবগম্ভীর পরিবেশে গুরুকুলের ৩টি ইউনিটের মোট ৫০ জন নবীন রোভার সহচরকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্কাউট ব্যাজ ও স্কার্ফ পরিয়ে দীক্ষা প্রদান করা হয়। দীক্ষা প্রদান করেন উপাধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল মাসুম। এর মাধ্যমেই নবীন এই সদস্যরা রোভার আন্দোলনের পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে দেশ সেবার শপথ গ্রহণ করেন। দীক্ষা গ্রহণ শেষে নবীন রোভারদের চোখে-মুখে ছিল দেশ গড়ার প্রত্যয়। গুরুকুল রোভার স্কাউট গ্রুপের এই বার্ষিক আয়োজন কুষ্টিয়া অঞ্চলের স্কাউটিং আন্দোলনে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
গুরুকুল নার্সিং বার্ষিক প্রীতিভোজ ২০১৯ সম্পন্ন

উৎসব, উদ্দীপনা আর সাংস্কৃতিক আবহের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো কুষ্টিয়া গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউট-এর বার্ষিক প্রীতিভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০১৯। গতানুগতিক শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে শিক্ষার্থীদের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৃজনশীলতা ছড়িয়ে দিতে গুরুকুল বাংলাদেশ-এর এই বর্ণিল আয়োজন ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণকে এক মিলনমেলায় পরিণত করে। উদ্বোধনী মুহূর্ত: দেশপ্রেমের সুরে সূচনা অনুষ্ঠানের শুরুতেই দেশাত্মবোধক গান গেয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন দেশবরেণ্য তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। দেশপ্রেমের এই সুর শিক্ষার্থীদের মাঝে এক নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সাবলীলভাবে সঞ্চালনা করেন শিক্ষার্থী ঐশী রহমান। আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের গৌরব বৃদ্ধি করেন: মোঃ জিয়াউল ইসলাম স্বপন, সাধারণ সম্পাদক, কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগ এবং চেয়ারম্যান, কয়া ইউনিয়ন পরিষদ। ড. আমানুর আমান, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক। খন্দকার ইকবাল মাহামুদ, চেয়ারম্যান, ক্রীড়া বিভাগ, গুরুকুল। মোঃ শাহিন সরকার, চেয়ারম্যান, সাংস্কৃতিক বিভাগ, গুরুকুল। রাকিবুজ্জামান তানিম, সহকারী পরিচালক, গুরুকুল। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এই উৎসবে যোগ দেন। সাংস্কৃতিক ও আনন্দ আয়োজন বার্ষিক এই প্রীতিভোজকে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বৈচিত্র্যময় সব ইভেন্ট। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণগুলো ছিল: ফ্যাশন শো ও র্যাম্প শো: শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় মুগ্ধ হন অতিথিরা। ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা: আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় জনপ্রিয় ‘বালিশ খেলা’। লটারি ড্র: কুপন ড্র এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটিতে বাড়তি উত্তেজনা যোগ করে। অভিনয় ও সঙ্গীত: অনুষ্ঠানের শেষাংশে শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত অসাধারণ অভিনয় প্রদর্শনী এবং দেশাত্মবোধক গান পুরো আয়োজনকে এক জাঁকজমকপূর্ণ রূপ দান করে। গুরুকুল দর্শন ও শিক্ষার পরিবেশ বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউট কেবল দক্ষ নার্স তৈরি করে না, বরং শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক ও মানবিক গুণাবলি বিকাশেও সমান গুরুত্ব দেয়। এ ধরণের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মানসিক ক্লান্তি দূর করে তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে সাহায্য করে। আলোকচিত্রে উৎসবের মুহূর্তসমূহ: দেশাত্মবোধক গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী মুহূর্ত। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আকর্ষণীয় ফ্যাশন শো। সঙ্গীতানুষ্ঠানে শিল্পীদের সুরের মূর্ছনা। মনোজ্ঞ এই আয়োজনটি প্রীতিভোজের মাধ্যমে শেষ হলেও শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে এক স্মরণীয় স্মৃতি হয়ে থাকবে। কারিগরি ও নার্সিং শিক্ষার পাশাপাশি সুস্থ ধারার সংস্কৃতি চর্চায় গুরুকুল বাংলাদেশ যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এই অনুষ্ঠানটি তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। জনসংযোগ ও মিডিয়া বিভাগ, গুরুকুল নার্সিং ইন্সটিটিউট (গুরুকুল বাংলাদেশ)।
গুরুকুলে ২ দিনব্যাপী ‘নেতৃত্ব ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা ২০১৯’ সম্পন্ন

শিক্ষার্থীদের কেবল পুঁথিগত বিদ্যায় নয়, বরং একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে তুলতে কুষ্টিয়া গুরুকুল অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো ২ দিনব্যাপী ‘নেতৃত্ব ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা-২০১৯’। অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এই কর্মশালায় গুরুকুলের বিভিন্ন ট্রেডের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ অতিথি ও আলোচকবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেন গুরুকুলের সহকারী পরিচালক রাকিবুজ্জামান তানিম, উপাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাসুম এবং গুরুকুল সাংস্কৃতিক কমিটির চেয়ারম্যান শাহীন সরকার। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষক মন্ডলী উপস্থিত ছিলেন। এই বিশেষ কর্মশালাটি পরিচালনা করেন দেশের বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক ড. আমানুর আমান। তিনি তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও গবেষণালব্ধ জ্ঞানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের নানা দিক বুঝিয়ে বলেন। কর্মশালার মূল আলোচ্য বিষয়সমূহ ড. আমানুর আমান তাঁর সেশনে নেতৃত্বের গুরুত্ব ও দক্ষতার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। আলোচনার মূল বিষয়গুলো ছিল: নেতৃত্বের সংজ্ঞা: নেতৃত্ব আসলে কী এবং কেন এটি ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে প্রয়োজন। গুণাবলী অর্জন: কীভাবে একজন শিক্ষার্থী নিজের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলী গড়ে তুলতে পারে। প্রভাব ও কার্যকারিতা: সমাজের ও কর্মক্ষেত্রের ইতিবাচক পরিবর্তনে নেতৃত্বের প্রভাব। দক্ষতা বৃদ্ধির কৌশল: আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নিজের দক্ষতা বাড়ানোর কার্যকর পদ্ধতি। সহ-শিক্ষা কার্যক্রম (Co-curricular): শিক্ষা জীবনে পাঠ্যবইয়ের বাইরের কার্যক্রম কীভাবে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব গঠনে প্রভাব বিস্তার করে। ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রাপ্তি গুরুকুল কর্তৃপক্ষ জানায়, এই প্রশিক্ষণটি কেবল দুই দিনের জন্য সীমাবদ্ধ নয়। নেতৃত্ব ও দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে বছরে মোট ১২টি বিশেষ ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। ১২টি ক্লাস সফলভাবে সম্পন্ন করার পর অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ (Certificate) প্রদান করা হবে। কর্তৃপক্ষের বার্তা সহকারী পরিচালক রাকিবুজ্জামান তানিম বলেন, “গুরুকুল সবসময়ই শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি জীবনমুখী দক্ষতায় দক্ষ করতে চায়। এই কর্মশালাটি আমাদের শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে অন্যদের থেকে এগিয়ে রাখবে।” উপাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাসুম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “নেতৃত্ব মানে কেবল আদেশ দেওয়া নয়, নেতৃত্ব মানে সবাইকে সাথে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া। আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশ ও দশের কল্যাণে দক্ষ নেতৃত্ব দিক।”