কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ১১৪ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন শুরু ২৪ এপ্রিল, ২০২৪

কুষ্টিয়া জেলার স্বাস্থ্যসেবা খাতকে আরও গতিশীল করতে বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সিভিল সার্জন কার্যালয়। জেলার স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য ৭টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ১১৪ জন দক্ষ জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। বুধবার (১৭ এপ্রিল) কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. আকোরাম উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। পদ ও জনবলের বিবরণ প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি নিয়োগ দেওয়া হবে স্বাস্থ্য সহকারী পদে, যেখানে শূন্য পদের সংখ্যা ৯৭টি। এছাড়া পরিসংখ্যানবিদ পদে ৩ জন, স্টোর কিপার পদে ৪ জন, ড্রাইভার পদে ৪ জন এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ৫ জন নিয়োগ পাবেন। কোল্ড চেইন টেকনিশিয়ান ও সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে ১ জন করে জনবল নেওয়া হবে। আবেদনের যোগ্যতা ও বয়সসীমা এই নিয়োগে শুধুমাত্র কুষ্টিয়া জেলার স্থায়ী বাসিন্দারাই আবেদন করার সুযোগ পাবেন। ১৪ মে ২০২৪ তারিখে সাধারণ প্রার্থীদের বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। আবেদন প্রক্রিয়া ও সময়সীমা আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে টেলিটকের নির্ধারিত ওয়েবসাইট cskushtia.teletalk.com.bd এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন শুরু: ২৪ এপ্রিল ২০২৪, সকাল ১০:০০ টা। আবেদনের শেষ সময়: ১৪ মে ২০২৪, বিকাল ৫:০০ টা। আবেদন ফি আবেদন সফলভাবে সম্পন্ন করার পর টেলিটক প্রি-পেইড সিমের মাধ্যমে পরীক্ষার ফি বাবদ সার্ভিস চার্জসহ মোট ২২৩/- টাকা অনধিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জমা দিতে হবে। সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করা হবে। প্রার্থীদের যথাসময়ে প্রবেশপত্র ডাউনলোড এবং পরীক্ষার তারিখ এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। জেলার বেকার তরুণ-তরুণীদের জন্য এটি একটি বড় কর্মসংস্থানের সুযোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিজ্ঞপ্তির সফট কপি : বিজ্ঞপ্তি
গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসে বিভিন্ন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ২০২৪

কুষ্টিয়া জেলার শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস’ তাদের বিভিন্ন বিভাগে জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে একটি বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করতে একদল দক্ষ ও উদ্যমী কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। পদের বিবরণ ও ক্ষেত্রসমূহ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ক্যাম্পাসটি তাদের বিভিন্ন ট্রেড এবং সাধারণ বিষয়গুলোর জন্য অভিজ্ঞ ও যোগ্য প্রার্থীদের সন্ধান করছে। নিয়োগের প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলো: ইন্সট্রাক্টর ও জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর: সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যালসহ বিভিন্ন কারিগরি ট্রেডে পাঠদানের জন্য শিক্ষক। অফিস স্টাফ: প্রশাসনিক কাজ পরিচালনার জন্য অফিস সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটর। মার্কেটিং ও কাউন্সিলিং: শিক্ষা প্রচার ও শিক্ষার্থী সহায়তার জন্য দক্ষ মাঠকর্মী ও কাউন্সিলর। সহায়ক কর্মী: ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা পদভেদে শিক্ষাগত যোগ্যতায় ভিন্নতা রয়েছে। শিক্ষক পদের জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা বা স্নাতক ডিগ্রি এবং প্রশাসনিক পদের জন্য নূন্যতম স্নাতক বা এইচএসসি পাস হতে হবে। তবে অভিজ্ঞ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য এবং তাদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী প্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত (CV) ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে আবেদন করতে বলা হয়েছে। এছাড়া অনেকে ইমেইলের মাধ্যমেও প্রাথমিক আবেদন জমা দিতে পারবেন। আবেদনের ঠিকানা: গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস, কুষ্টিয়া। প্রয়োজনীয় নথি: পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি। সুযোগ-সুবিধা নির্বাচিত প্রার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন স্কেল, উৎসব ভাতা এবং কর্মকালীন উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। এছাড়াও দক্ষ কর্মীদের জন্য ক্যারিয়ারে দ্রুত পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে। কুষ্টিয়ার তরুণ সমাজ এবং অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের জন্য এই নিয়োগটি একটি চমৎকার ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ হতে পারে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।
আন্তঃস্কুল রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ১ম স্থান অধিকারি মোঃ মাহিনুজ্জামান মাহিন -এর লেখা

“ক্যারিয়ারে সফল হতে সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব” নাম: মোঃ মাহিনুজ্জামান মাহিন স্কুলের নামঃ জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় গাংনী, মেহেরপুর। শ্রেণিঃ দশম রোলঃ ০১ “ক্যারিয়ারে সফল হতে সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব” ভূমিকাঃ “বাঁচতে হলে যেমন আছে মৌলিক চাহিদা” তেমনি ক্যারিয়ারে সফল হতে প্রয়োজন “সংস্কৃতির ব্যপকতা” সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমেই আলোকিত মানুষ গড়া সম্ভব। আমাদের শেকড় সংস্কৃতি ছাড়া দেশের ইতিহাস পরিপূর্ণতা দাবি করতে পারে না। তাই অকৃত্রিম ও সকল ইতিহাসের মাতা আবহমান গ্রাম- বাংলার সংস্কৃতিকে জানা প্রয়োজন। প্রত্যেক এর ক্যারিয়ারে জয় পেতে হলে অবশ্যই সংস্কৃতি চর্চাকে গুরুত্ব দিতে হবে। জীবনবোধ থেকে ক্যারিয়ার ও সংস্কৃতির সংজ্ঞাঃ শালম স্কযার্টজ বলেছেন ” সংস্কৃতি মাঝে একটি সমাজের মানুষের মধ্যে প্রচলিত অর্থ, বিশ্বাস, অনুশীলন, প্রতীক,মান এবং মূল্যবোধের একটি সমৃদ্ধ জটিল “। অন্যকথাই সংস্কৃতি হলো সেই জটিল সামগ্রিকতা যাতে অন্তর্গত আছে জ্ঞান, বিশ্বাস, নৈতিকতা, শিল্প, আইন, রাজনীতি এবং সমাজের একজন সদস্য হিসেবে মানুষের দ্বারা অর্জিত সামর্থ্য শব্দটি এসেছে ” মারাঠা ” থেকে। জীবনোপায় বা ক্যারিয়ার বাংলা শব্দটি ইংরেজি ” Career” নামেই অধিক পরিচিত। জীবিকা নির্বাহের উদ্দেশ্যে গৃহীত এই কোন না কোন পথটিই ঐ ব্যাক্তির জীবনোপায় বা Career (ক্যারিয়ার) বলে। সংস্কৃতির চর্চাঃ একটি দেশের ভবিষ্যৎ হলো সে দেশের তরুণ সমাজ একে নষ্ট করার অপকৌশল হলো উৎসাহিত করে বাস্তবে তা প্রয়োগ করা। সংস্কৃতির সংস্পর্শে এসে পারস্পরিক বিনিময় করার মাধ্যমে নতুন নতুন উপাদান সংগ্রহ করে নিজেকে সমৃদ্ধ করা যেতে পারে। তরুণরা চঞ্চল, তারা চায় সদা নতুনত্বের সাথেই চলতে। সংস্কৃতি মূলত একটি দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার। একটা জীবনবোধ বিনির্মানের কৌশল এ সংস্কৃতির দর্পণে তাকালে কোনো সমাজের মানুষের জীবনচরণ স্পষ্ট দেখা যায়। আধুনিক জীবন গঠনে সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্বঃ বর্তমান যুগ আধুনিক যুগ, এ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে সংস্কৃতি চর্চার কোনো বিকল্প নেই। মানুষের বেঁচে থাকা, তার সমাজচেতনা, বিশ্বাস, ভাবনা, মূল্যবোধ ইত্যাদিসহ তার সামগ্রিক জীবনচেতনা প্রতিফলিত হয় সংস্কৃতির মধ্য, এর মধ্য দিয়েই ব্যক্তি মানুষ অন্যদের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করে। একটি আধুনিক ক্যারিয়ার সম্পূর্ণ জাতি গঠনে যা নিয়ামক হিসেবে কাজ করে, সংস্কৃতি শুধু বেঁচে থাকা নয় বরং আধুনিক জীবন গঠনে সাহায্যে করে। মানুষের বাস্তবতা সবসময় সংস্কৃতিযুক্ত ক্যারিয়ার নির্ভরঃ বাংলার নর আর নারী মিলি তবে গড়িয়াছে ক্যারিয়ার সেই সবই হলো বাংলায় আজ সংস্কৃতিতে পরিণত শতবছর আগে রুশ দেশে যে বিপ্লব হয়েছিলো সেটি সাংস্কৃতিকভাবে তুলে ধরা খুবই প্রয়োজনীয়। আমাদের জীবন এখন সংস্কৃতিনির্ভর হয়ে উঠেছে। সংস্কৃতির মধ্যে আমাদের আত্মপরিচয় আছে, জীবনাচার আছে, আচার-ব্যবহার আছে, সংস্কৃতিতে রয়েছে সবকিছু, রয়েছে আমাদের ক্যারিয়ার ও বাস্তবতা। ইতিহাস ও আধুনিকতায় সংস্কৃতিঃ ইতিহাসে এমন অনেক ঘটনা আছে যে ঘটনায় শুধু সংস্কৃতি চর্চা করে মানুষ তার ক্যারিয়ারে সফল হয়েছে। এমনকি মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচেছে। ঝড়ে জাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে রবিনশন ক্রুশো সাঁতরে গিয়ে উঠেছিলেন এক নির্জন দ্বীপে। তার কাছে কিছুই ছিল না, কিন্তু ভেতরে ছিল পুঁজিবাদী সংস্কৃতি। নির্জন দ্বীপে ২৩ বছর টিকে থেকেছেন, ফসলের চাষ করেছেন, ছাগলের খামার তৈরি করেছেন, তোতা পাখির সাথে কথা বলেছেন, অপেক্ষা করেছেন। সংস্কৃতির চর্চা না থাকলে সে মারা যেত, আধুনিকতায় এজন্য সংস্কৃতি দরকার। ক্যারিয়ারের সাথে সংস্কৃতি চর্চার সম্পর্কঃ বর্তমান যুগে আমরা যদি ক্যারিয়ারেসফল হতে চাই সংস্কৃতি চর্চার তাহলে বিকল্প নাই। কারণ সংস্কৃতির মাধ্যমে সকল বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করে ধীরে ধীরে আমরা সাফল্য অর্জন করি। আমাদের ক্যারিয়ারের সাথে সংস্কৃতি চর্চা এজন্যই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল কৃষিপ্রধান দেশের শতকরা ৭০ জন লোকই ক্ষেতখামারে জীবিকা চালায়। তারা তাদের নিজ নিজ ক্যারিয়ার গঠনে সংস্কৃতি চর্চা করে এবং প্রয়োগ করে তারপর সাফল্য পায়, এদিক দিয়েই ক্যারিয়ারের সাথে সংস্কৃতি চর্চার সম্পর্ক। পারিবারিক জীবন থেকে ক্যারিয়ারে সফল হওয়া পযর্ন্ত সংস্কৃতিচর্চার প্রভাবঃ সংস্কৃতি চর্চার প্রথম ধাপই হলো পরিবার। পরিবারের কাছ থেকেই মানুষ আনুষ্টানিকভাবে তার মাতৃভাষা ও নিজের সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কৃতি চর্চা করলেই কেবল ক্যারিয়ারে সফল হওয়া যাবে। যার প্রভাব পরিবার থেকে ক্যারিয়ারে সফল হওয়া পযর্ন্ত রয়েছে। স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে স্মার্ট ক্যারিয়ারে সংস্কৃতি চর্চার প্রয়োজনীয়তাঃ “স্মার্ট দেশের স্মার্ট নাগরিক চাই ক্যারিয়ারে সফলতা বাড়ছে গুরুত্ব বাড়ছে চাহিদা তাই প্রয়োজন সংস্কৃতির চর্চা” আমাদের দেশ উন্নয়নশীল দেশ। স্মার্ট দেশ হয়ে গড়ে উঠতে আমাদের প্রয়োজন মানবসম্পদ। মানবসম্পদ সম্পূর্ণ করতে আবার প্রয়োজন প্রত্যেকের ক্যারিয়ারে সাফল্য। ক্যরিয়ারে সফল হতে হলে সংস্কৃতি চর্চার কোনো বিকল্প নেই। আমাদের অবশ্যই শিক্ষাপ্রতিষ্টানে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার মতো সহশিক্ষা কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। তবেই স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে ক্যারিয়ারে সফল হতে পারব। ক্যরিয়ারে সফল হতে সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্বঃ একটি দেশের অন্যতম চালিকাশক্তি হলো সে দেশের আগামী প্রজন্ম। এই প্রক্ষাপটে আমাদের দেশের আগামী প্রজন্মকে সুস্থ সাংস্কৃতিক মূলধারায় আনা প্রয়োজন। মানবজীবনের প্রত্যেকটি ধাপে সংস্কৃত চর্চা করলেই কেবলমাত্র ক্যারিয়ারে সফল হতে পারব। এজন্য ক্যারিয়ারে সফল হতে সংস্কৃত চর্চার গুরুত্বের প্রতি প্রাধান্য দেওয়া আবশ্যক। প্রত্যেক মানবজীবনের ধাপে ক্যারিয়ারে সংস্কৃতির প্রভাবঃ আমাদের মানবজীবনের প্রত্যেক ধাপে ধাপে সংস্কৃতির চর্চা রাখতে হবে। শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন কারিকুলামে এই চর্চার অনেক গুরুত্ব রয়েছে । প্রত্যেকটি বিষয়ে এখন সংস্কৃতি চলে এসেছে। যার ফলে আমরা যদি এর চর্চা করতে পারি তাহলেই কিন্তু ক্যারিয়ারে সফল হতে পারব। বিভিন্ন দেশের মানুষের ক্যারিয়ারকে সফল করতে সংস্কৃতির অবদানঃ উন্নত দেশ জাপান, সিঙ্গাপুর, সুইডেন প্রভৃতি দেশের মানুষদের মতে তারা সংস্কৃতি চর্চা করেছে বলেই আজ তারা সফল। আর যারা এর চর্চা করেনি তারা সাফল্য পাননি। প্রত্যেক উন্নত দেশের মানুষের ক্যারিয়ারে সফল হওয়ার পেছনে রয়েছে সংস্কৃতি চর্চা তেমনি আমাদের দেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত বিশ্বের কাতারে মাথা উচু করে দাঁড় করাতে সংস্কৃতি চর্চা জরুরি।তাই বলা যায় যে, ক্যারিয়ারে সফল হতে সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব অনেক। উপসংহারঃ প্রবাদে আছে, “Time and Tide wait for none”অথাৎ “সময় ও স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না”। আমাদের দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে সময় যেমন যাচ্ছে, তেমনি ক্যারিয়ারে সফল হতে সংস্কৃতি চর্চাও সময় ও স্রোতের মতোই চলে যাচ্ছে। সংস্কৃতিবিহীন ক্যারিয়ার এখন মাঝিবিহীন নৌকার মতো। তাই প্রদত্ত আলোচনা থেকে আমরা বুঝতে পারি ক্যারিয়ারে সফল হতে সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব অপরিসীম। “ক্যারিয়ারে সফল হলে যেখানেই যাবেন সংস্কৃতি চর্চার জন্য স্বীকৃতি পাবেন”।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৪ উপলক্ষে গুরুকুলের আয়োজনে আন্তঃস্কুল রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ফলাফল

গত ১৭ মার্চ ২০২৪, মহান স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ‘গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক’-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ আন্তঃস্কুল রচনা প্রতিযোগিতা। এবারের বিষয় ছিল: “ক্যারিয়ারে সফল হতে সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব”। প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মননশীলতা ও সাংস্কৃতিক বোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন স্বনামধন্য মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। পুরস্কার ও মূল্যায়ন অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, তথ্যনিষ্ঠতা এবং লিখন শৈলী বিচার করে সেরা তিনজনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। বিজয়ীদের মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ ক্রেস্ট ও আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের তালিকা যাদের মেধা ও শ্রম এই প্রতিযোগিতাকে সফল করেছে, সেই সকল কৃতি শিক্ষার্থীদের তালিকা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নাম নিচে প্রকাশ করা হলো: মিম খাতুন (কুষ্টিয়া হাই স্কুল) বিথী মুন্নি (মিরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়) ইশরাত জাহান মাহি (কুষ্টিয়া হাই স্কুল) জান্নাত আরা তন্নি (কুষ্টিয়া হাই স্কুল) কামরুন নাহার বুশরা (জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়) তাসিন আহাম্মেদ (জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়) কনক জাহান (জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়) মাইশা খাতুন (মিরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়) সুমাইয়া আক্তার (মিরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়) আমেনা শোভা (মিরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়) ইলমা খাতুন (আমলাবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়) কবিতা খাতুন (জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়) মাহিনুজ্জামান মাহিন (জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়) প্রতিযোগিতা শেষে গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্কের প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন: “বঙ্গবন্ধু শিশুদের ভালোবাসতেন এবং তিনি বিশ্বাস করতেন সাংস্কৃতিক মুক্তি ছাড়া রাজনৈতিক মুক্তি অপূর্ণ। আমরা গুরুকুলের পক্ষ থেকে সেই আদর্শকেই ধারণ করি। আজ যারা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে, তারাই আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। শুধু পাঠ্যবই নয়, জীবন ও ক্যারিয়ারে সফল হতে হলে সংস্কৃতি চর্চার কোনো বিকল্প নেই।” আয়োজনে: গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক গুরুকুল প্রতি বছরই জাতীয় দিবসসমূহকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এ ধরনের সৃজনশীল প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। এবারের আয়োজনে স্থানীয় সহযোগিতা প্রদান করেছে #TeamSufiFaruq এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল গুরুকুল সাংস্কৃতিক কমিটি। সকল অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীকে গুরুকুল পরিবারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানানো হচ্ছে।
গুরুকুল আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪-এ কম্পিউটারের দাপুটে জয়

উৎসবমুখর পরিবেশ আর টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো গুরুকুল স্পোর্টস ক্লাব আয়োজিত ‘আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪’। টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনালে সিভিল বিভাগকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে কম্পিউটার বিভাগ। মাঠজুড়ে ব্যাটে-বলের লড়াই আর গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের গগনবিদারী উল্লাসে মুখরিত ছিল পুরো টুর্নামেন্ট। আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪ টুর্নামেন্টের চালচিত্র এবারের আসরে গুরুকুলের মোট ৬টি শক্তিশালী টেকনোলজি অংশগ্রহণ করে: ইলেকট্রিক্যাল সিভিল কম্পিউটার টেক্সটাইল মেকানিক্যাল নার্সিং প্রতিযোগিতামূলক গ্রুপ পর্ব ও সেমিফাইনাল শেষে যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে ফাইনালে মুখোমুখি হয় কম্পিউটার ও সিভিল বিভাগ। চূড়ান্ত লড়াইয়ে সিভিল বিভাগকে টেক্কা দিয়ে শিরোপা জয় করে নেয় কম্পিউটার বিভাগের অদম্য তরুণরা। ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ও পুরস্কারের তালিকা টুর্নামেন্ট জুড়ে অনন্য পারফরম্যান্স দেখিয়ে ব্যক্তিগত পুরস্কার জিতে নিয়েছেন যারা: ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট: সাদাত রহমান (কম্পিউটার ৮ম পর্ব)। তাঁর ধারাবাহিক অলরাউন্ড নৈপুণ্য কম্পিউটার বিভাগকে শিরোপার পথে এগিয়ে নেয়। ম্যান অব দ্য ফাইনাল: আল-আমিন হিমেল (কম্পিউটার ৮ম পর্ব)। ফাইনাল ম্যাচে তাঁর বিধ্বংসী ব্যাটিং দলের জয় নিশ্চিত করে। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক: আল-আমিন হিমেল (কম্পিউটার ৮ম পর্ব)। সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক (যৌথভাবে): মোঃ সোহান হোসেন (সিভিল ৩য় পর্ব) ও মোঃ জয় আহমেদ (কম্পিউটার ৩য় পর্ব)। অতিথি ও আয়োজকবৃন্দ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ জনাব মোহাঃ রুহুল আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুলের সহকারী পরিচালক তানভির মেহেদী। এছাড়াও গুরুকুল শিক্ষা পরিবারের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেন। স্পোর্টস ক্লাবের লক্ষ্য গুরুকুল স্পোর্টস ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের কেবল পড়াশোনায় নয়, বরং শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত এ ধরণের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে নেতৃত্ব ও দলগত কাজ করার মানসিকতা (Teamwork) গড়ে তোলে।
জার্মানিতে নার্স হিসেবে চাকরির জন্য ভাষা শেখার প্রয়োজনীয়তা
জার্মানি এখন বিশ্বের অনেক দেশের নার্সিং পেশাজীবীদের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় গন্তব্যগুলোর একটি। এখানে রয়েছে ভালো বেতন, আধুনিক হাসপাতাল, আর দীর্ঘমেয়াদী চাকরির নিরাপত্তা। তবে, জার্মানিতে নার্স হিসেবে কাজ করতে চাইলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলোর একটি হলো জার্মান ভাষায় দক্ষতা। যদি আপনি জার্মান ভাষায় ভালোভাবে কথা বলতে ও বুঝতে না পারেন, তাহলে পেশাদারভাবে নার্সের কাজ করা সম্ভব হবে না। কারণ রোগীর যত্ন, টিমওয়ার্ক, এবং হাসপাতালের নিয়ম মেনে কাজ করতে ভাষার উপর নির্ভর করতে হয়। জার্মানিতে নার্সিংয়ে ভাষা দক্ষতার গুরুত্ব নার্সিং পেশা পুরোপুরি যোগাযোগ-নির্ভর। জার্মান স্বাস্থ্যব্যবস্থায় নার্সদেরকে অবশ্যই— রোগী, তাদের পরিবারের সদস্য এবং হাসপাতালের টিমের সঙ্গে জার্মান ভাষায় কথা বলতে হয়। ডাক্তারদের নির্দেশ সঠিকভাবে বুঝে তা মেনে চলতে হয়। রোগীর তথ্য, রিপোর্ট এবং কাগজপত্র জার্মান ভাষায় লিখতে হয়। রোগীদের চিকিৎসা পরিকল্পনা, ওষুধ এবং সুস্থ হওয়ার নিয়ম বোঝাতে হয়। যদি ভাষা দক্ষতা কম থাকে, তাহলে ভুল বোঝাবুঝি, রোগীর নিরাপত্তা ঝুঁকি, এমনকি আইনি সমস্যাও হতে পারে। তাই জার্মান সরকার এবং হাসপাতালগুলো বিদেশি নার্সদের জন্য ভাষা যোগ্যতাকে খুব গুরুত্ব দেয়। সরকারি ভাষা শর্ত: CEFR লেভেল B2 জার্মানিতে নার্স হিসেবে কাজ করতে হলে আপনাকে CEFR অনুযায়ী জার্মান ভাষায় অন্তত B2 লেভেল দক্ষতা অর্জন করতে হবে। B2 লেভেলের মূল বিষয়গুলো: শোনা: জটিল কথোপকথন, এমনকি চিকিৎসা বিষয়ক আলোচনা বুঝতে পারা। পড়া: জার্মান ভাষায় লেখা নিবন্ধ, রিপোর্ট এবং হাসপাতালের নিয়মকানুন বোঝা। কথা বলা: সাবলীলভাবে এবং স্বাভাবিক ভঙ্গিতে নেটিভ জার্মানদের সঙ্গে কথা বলা। লেখা: রোগীর যত্ন এবং চিকিৎসা সম্পর্কিত বিস্তারিত ও সঠিক নথি তৈরি করা। স্বীকৃত ভাষা সার্টিফিকেট নার্স হিসেবে জার্মানিতে কাজ করতে হলে আপনাকে একটি স্বীকৃত ভাষা সার্টিফিকেট দেখাতে হবে। সাধারণত গ্রহণযোগ্য পরীক্ষা হলো— Goethe‑Institut Zertifikat Deutsch B2 telc Deutsch B2 (বিশেষ করে telc Deutsch B2 Pflege, যা নার্সিংয়ের জন্য তৈরি) TestDaF ÖSD Zertifikat B2 অনেক হাসপাতাল ও অনুমোদন কর্তৃপক্ষ telc Deutsch B2 Pflege পছন্দ করে, কারণ এটি স্বাস্থ্যখাতের ভাষা দক্ষতা যাচাই করে। বিশেষায়িত মেডিকেল জার্মান প্রশিক্ষণ শুধু সাধারণ জার্মান ভাষা জানলেই নার্সিংয়ের জন্য যথেষ্ট নয়। মেডিকেল জার্মান প্রশিক্ষণে শেখানো হয়— ডাক্তার ও নার্সদের ব্যবহৃত চিকিৎসা বিষয়ক শব্দ। রোগীদের রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও ওষুধ ব্যবহারের নিয়ম বোঝানো। রোগীর সাক্ষাৎকার নেওয়া ও অবস্থা যাচাই করা। রোগীর নথি ও শিফট রিপোর্ট লেখা। জরুরি পরিস্থিতিতে যোগাযোগ করা। এই কোর্সগুলো নার্সিং স্কুল, ভাষা ইনস্টিটিউট এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যায়। ভাষা প্রশিক্ষণের সময়কাল ও কাঠামো যদি কারও জার্মান ভাষার কোনো জ্ঞান না থাকে, তবে সাধারণত B2 লেভেল পেতে ৯–১৮ মাস সময় লাগে। সময়কাল নির্ভর করে— শুরুর ভাষা দক্ষতার উপর। কোর্সের ধরন (ফুল-টাইম নাকি পার্ট-টাইম)। ভাষা চর্চার সুযোগের উপর (যেমন: ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব, স্পিকিং ক্লাব, ইন্টার্নশিপ)। প্রস্তাবিত ধাপগুলো: A1–A2: সাধারণ কথা বলা, দৈনন্দিন শব্দভাণ্ডার, ব্যাকরণ। B1: মাঝারি স্তরের যোগাযোগ, কর্মক্ষেত্রের সংলাপ, সহজ মেডিকেল আলাপ। B2: উন্নত স্তরের কর্মক্ষেত্রের যোগাযোগ, চিকিৎসা নথি লেখা, মেডিকেল শব্দভাণ্ডার। সংস্কৃতি ও কর্মস্থল প্রশিক্ষণ জার্মান হাসপাতাল আশা করে বিদেশি নার্সরা শুধু ভাষাই জানবে না, বরং কর্মস্থলের সংস্কৃতি, নৈতিকতা ও আচরণবিধিও বুঝবে। এজন্য অনেক ভাষা কোর্সে শেখানো হয়— টিমওয়ার্কে আন্তঃসাংস্কৃতিক যোগাযোগ। রোগীর অধিকার, গোপনীয়তা এবং আইন। নার্স–রোগী ও নার্স–ডাক্তার কথোপকথনের বাস্তব অনুশীলন। শর্ত পূরণ না করলে ফলাফল যদি আপনার কাছে B2 লেভেলের ভাষা সার্টিফিকেট না থাকে, তাহলে আপনি Berufsanerkennung (পেশাগত স্বীকৃতি) পাবেন না, যা জার্মানিতে নিবন্ধিত নার্স হিসেবে কাজ করার জন্য বাধ্যতামূলক। সার্টিফিকেট ছাড়া আপনি কেবল সহকারী পদে কাজ করতে পারবেন, যেখানে বেতন ও দায়িত্ব কম হবে। জার্মান ভাষা শেখার ধাপ ও প্রস্তাবিত সময়কাল ধাপ লেভেল সময়কাল যা শিখবেন ফলাফল ধাপ ১ A1 ২–৩ মাস বেসিক জার্মান শব্দভাণ্ডার, অভিবাদন, নিজেকে পরিচয় দেওয়া, সংখ্যা, দৈনন্দিন বাক্য গঠন দৈনন্দিন সহজ কথোপকথনে অংশ নিতে পারবেন ধাপ ২ A2 ২–৩ মাস সাধারণ বাক্য গঠন, দৈনন্দিন জীবন ও কাজ সম্পর্কিত শব্দ, ব্যাকরণ উন্নতি সাধারণ পরিস্থিতি সামলাতে পারবেন এবং সহজ মেডিকেল কথোপকথন শুরু করতে পারবেন ধাপ ৩ B1 ৩–৪ মাস মাঝারি স্তরের যোগাযোগ, কর্মক্ষেত্রের সংলাপ, সহজ রোগী–নার্স আলাপ, রিপোর্ট লেখা পরিচিত বিষয় নিয়ে সাবলীলভাবে কথা বলা ও লেখা ধাপ ৪ B2 ৪–৬ মাস উন্নত জার্মান ব্যাকরণ, মেডিকেল জার্মান শব্দভাণ্ডার, রোগীর নথি ও রিপোর্ট লেখা, চিকিৎসা সংক্রান্ত আলোচনা আত্মবিশ্বাসের সাথে রোগী, ডাক্তার ও সহকর্মীর সাথে কথা বলা, অফিসিয়াল নথি লেখা মোট সময় A1–B2 ৯–১৮ মাস সাধারণ ও মেডিকেল জার্মান দক্ষতা B2 সার্টিফিকেট অর্জন করে জার্মানিতে নার্স হিসেবে কাজের যোগ্যতা অর্জন অতিরিক্ত টিপস প্রতিদিন অন্তত ২ ঘণ্টা ভাষা চর্চা করুন। জার্মান খবর, গান, ও ড্রামা দেখে শোনার অভ্যাস করুন। মেডিকেল জার্মান শেখার জন্য telc Deutsch B2 Pflege প্রস্তুতি নিন। অনুশীলনের জন্য স্পিকিং ক্লাব বা অনলাইন গ্রুপে যোগ দিন। কোর্সের পাশাপাশি জার্মান সংস্কৃতি ও কর্মক্ষেত্রের নিয়ম শিখুন। জার্মানিতে চাকরি করতে চাইলে নার্সিং শিক্ষার্থীদের জন্য B2 লেভেল জার্মান ভাষা শেখা কেবল একটি অভিবাসন শর্ত নয়—এটি পেশাগত জীবনের জন্য অপরিহার্য। সাধারণ জার্মান, মেডিকেল জার্মান ও সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ মিলিয়ে একটি পরিকল্পিত ভাষা শেখার প্রক্রিয়া চাকরির সুযোগ ও ক্যারিয়ার সফলতা অনেক বাড়িয়ে দেয়। তাই নার্সিং শিক্ষার শুরু থেকেই ভালো মানের ভাষা প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ করা উচিত, যাতে জার্মান কর্মক্ষেত্রে সহজে মানিয়ে নেওয়া যায়।
বাংলাদেশি নার্সিং শিক্ষার্থীদের জন্য জার্মানিতে চাকরির লক্ষ্যে B2 লেভেল জার্মান শেখার রোডম্যাপ

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জার্মানি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের নার্সিং পেশাজীবীদের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় গন্তব্যগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। এখানে যোগ্য স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, সঙ্গে রয়েছে ভালো বেতন, আধুনিক কর্মপরিবেশ এবং চমৎকার ক্যারিয়ারের সুযোগ। তবে, জার্মান স্বাস্থ্যসেবায় কাজ শুরু করার আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করতে হয়—জার্মান ভাষায় দক্ষতা। জার্মানিতে কাজ করতে ইচ্ছুক নার্সিং শিক্ষার্থীদের জন্য ভাষা শেখা শুধু কাগজপত্রের শর্ত নয়, বরং এটি পেশাগতভাবে অপরিহার্য। রোগীর সঙ্গে কথা বলা, সঠিকভাবে নথি তৈরি করা এবং সহকর্মীদের সঙ্গে দলগতভাবে কাজ করা—সবকিছুতেই ভাষা দক্ষতা জরুরি। জার্মান সরকার বিদেশি প্রশিক্ষিত নার্সদের জন্য CEFR মান অনুযায়ী অন্তত B2 লেভেল ভাষা দক্ষতা বাধ্যতামূলক করেছে, বিশেষ করে চিকিৎসা-সংক্রান্ত জার্মান দক্ষতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই লেখায় জার্মানিতে চাকরি করতে ইচ্ছুক নার্সিং শিক্ষার্থীদের জন্য ভাষা শেখার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে এবং এরপর ধাপে ধাপে একটি রোডম্যাপ দেওয়া হয়েছে যা বিশেষভাবে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি। এখানে শুরু থেকে (A1 লেভেল) উন্নত স্তর (B2 লেভেল) পর্যন্ত শেখার ধাপ, প্রস্তাবিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, আনুমানিক খরচ এবং সহজে জার্মান স্বাস্থ্যখাতে মানিয়ে নেওয়ার জন্য কিছু বাস্তব টিপস দেওয়া হয়েছে। ধাপ ১: শর্ত বুঝে নেওয়া ভাষা প্রশিক্ষণ শুরু করার আগে নার্সিং শিক্ষার্থীদের স্পষ্টভাবে জানতে হবে— লক্ষ্য লেভেল: B2 CEFR (Common European Framework of Reference for Languages)। সার্টিফিকেট স্বীকৃতি: অবশ্যই অনুমোদিত পরীক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সার্টিফিকেট নিতে হবে (Goethe‑Institut, telc, TestDaF, ÖSD)। বিশেষায়ন: স্বাস্থ্যসেবামূলক ভাষা দক্ষতার জন্য telc Deutsch B2 Pflege সবচেয়ে ভালো। কর্তৃপক্ষের শর্ত: জার্মানিতে নিবন্ধিত নার্স হিসেবে কাজ করতে Berufsanerkennung (পেশাগত স্বীকৃতি) পেতে প্রয়োজন। ধাপ ২: সময়সূচি সংক্ষেপে যাদের জার্মান ভাষার কোনো পূর্ব জ্ঞান নেই, তাদের জন্য সাধারণ প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা— পর্যায় লেভেল সময়কাল মূল বিষয় ফলাফল পর্যায় ১ A1 ২–৩ মাস বেসিক ব্যাকরণ, দৈনন্দিন শব্দভাণ্ডার, অভিবাদন, সংখ্যা, ছোট বাক্য নিজেকে পরিচয় দিতে, সাধারণ প্রশ্ন করতে ও সহজ উত্তর বুঝতে পারবেন পর্যায় ২ A2 ২–৩ মাস শব্দভাণ্ডার বাড়ানো, বেসিক কর্মক্ষেত্রের সংলাপ, ব্যাকরণ উন্নতি সাধারণ কাজ সামলাতে ও দৈনন্দিন পরিস্থিতিতে কথা বলতে পারবেন পর্যায় ৩ B1 ৩–৪ মাস মাঝারি স্তরের যোগাযোগ, স্বাস্থ্যসেবার সাথে সম্পর্কিত বাক্য, লিখিত কাজ ঘটনা বর্ণনা, পরিচিত বিষয় আলোচনা, সহজ রিপোর্ট লেখা পর্যায় ৪ B2 ৪–৬ মাস উন্নত কর্মক্ষেত্রের যোগাযোগ, মেডিকেল জার্মান, নথি লেখা, রোলপ্লে জটিল মেডিকেল আলোচনা বুঝতে, বিস্তারিত রিপোর্ট লিখতে, আত্মবিশ্বাসের সাথে রোগী ও সহকর্মীদের সাথে কথা বলতে পারবেন মোট A1–B2 ১২–১৬ মাস সাধারণ + মেডিকেল জার্মান B2 সার্টিফিকেট পরীক্ষায় বসার যোগ্যতা অর্জন করবেন ধাপ ৩: প্রস্তাবিত প্রশিক্ষণ পথ অপশন ১: বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ (শুরুর ধাপ) Goethe‑Institut Bangladesh (ঢাকা): A1 থেকে B2 পর্যন্ত অফিসিয়াল জার্মান কোর্স। ওয়েবসাইট: https://www.goethe.de/ins/bd জার্মান ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার (ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট): অনেক প্রাইভেট ইনস্টিটিউটে A1–B1 পর্যন্ত কোর্স হয়, যেমন Mentors’, Berlitz, Language Pro। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম: Deutsche Welle (অডিও/ভিডিও সহ ফ্রি জার্মান কোর্স) Lingoda (পেইড অনলাইন ইন্টারঅ্যাক্টিভ ক্লাস) italki (নেটিভ টিউটরের সাথে এক-এক সেশন) টিপস: জার্মানিতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশেই A1–B1 শেষ করলে খরচ অনেক কম হবে। অপশন ২: জার্মানিতে প্রশিক্ষণ (শেষ ধাপ) যদি বাজেট থাকে, তবে বাংলাদেশে A1–B1 শেষ করে জার্মানিতে গিয়ে B2 এবং মেডিকেল জার্মান শেখা যেতে পারে। প্রতিষ্ঠান: telc অনুমোদিত ভাষা স্কুল Volkshochschule (VHS) কমিউনিটি কলেজ প্রাইভেট নার্সিং ল্যাঙ্গুয়েজ একাডেমি যেখানে Pflege‑সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ হয় ধাপ ৪: বিশেষায়িত মেডিকেল জার্মান প্রশিক্ষণ B1 লেভেল শেষ হলে নার্সিং‑সংক্রান্ত বিশেষ ভাষা শেখা শুরু করুন— অ্যানাটমি ও ফিজিওলজি শব্দভাণ্ডার রোগী ভর্তি ও ছাড়পত্র সম্পর্কিত আলাপ রোগীর নথি ও শিফট রিপোর্ট লেখা জরুরি অবস্থায় যোগাযোগ প্রেসক্রিপশন ও ডাক্তারদের নোট বোঝা পছন্দের পরীক্ষা: telc Deutsch B2 Pflege ধাপ ৫: আনুমানিক খরচ (বাংলাদেশ রুট) আইটেম আনুমানিক খরচ (BDT) A1–A2 কোর্স (Goethe/Private) ৩৫,০০০–৫০,০০০ প্রতি লেভেল B1 কোর্স ৪০,০০০–৬০,০০০ B2 কোর্স ৪৫,০০০–৬৫,০০০ পরীক্ষা ফি (telc/Goethe B2) ১৫,০০০–২০,০০০ মেডিকেল জার্মান বিশেষায়ন ২০,০০০–৪০,০০০ মোট ১,৫৫,০০০–২,৩৫,০০০ (প্রতিষ্ঠান ও অনলাইন/অফলাইন অনুযায়ী খরচ পরিবর্তিত হতে পারে) ধাপ ৬: চূড়ান্ত সার্টিফিকেট ও আবেদন স্বীকৃত B2 পরীক্ষা দিন (বিশেষ করে telc Deutsch B2 Pflege)। সার্টিফিকেট ও নার্সিং যোগ্যতার কাগজপত্র German Landesprüfungsamt-এ জমা দিয়ে Berufsanerkennung (পেশাগত স্বীকৃতি) নিন। হাসপাতাল রিক্রুটমেন্ট প্রোগ্রাম, জার্মান নার্সিং এজেন্সি বা সরাসরি আবেদন করে চাকরি নিশ্চিত করুন। ধাপ ৭: সফলতার জন্য অতিরিক্ত টিপস দৈনিক অনুশীলন: অন্তত ২ ঘণ্টা পড়াশোনা ও বন্ধুদের সাথে জার্মান ভাষায় কথা বলুন। ভাষার মধ্যে ডুবে থাকা: জার্মান টিভি শো (Tagesschau, Deutsch lernen mit Nachrichten) দেখুন, জার্মান পডকাস্ট শুনুন, ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপ জার্মান গ্রুপে যোগ দিন। মক টেস্ট: নিয়মিত telc বা Goethe পরীক্ষার নমুনা প্রশ্ন সমাধান করুন। সংস্কৃতি শেখা: জার্মান স্বাস্থ্যসেবার সংস্কৃতি, সময়নিষ্ঠা ও কর্মক্ষেত্রের আচরণবিধি শিখুন। বাংলাদেশি নার্সিং শিক্ষার্থীদের জন্য B2 লেভেলের জার্মান শেখা শুধু নিয়ম মেনে চাকরির যোগ্যতা অর্জনের জন্য নয়—এটি একটি স্থায়ী, ভালো বেতনের ক্যারিয়ারের দরজা খোলে। বাংলাদেশে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ শেষ করে ধীরে ধীরে উন্নত ও মেডিকেল জার্মান শেখা এবং শেষ পর্যন্ত B2 সার্টিফিকেট অর্জন করলে পেশাগত স্বীকৃতি ও জার্মান স্বাস্থ্যখাতে চাকরি পাওয়া অনেক সহজ হয়।
নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান ২০২৪

গর্ব, আনন্দ ও আবেগঘন পরিবেশে গত ২৭ জানুয়ারি ২০২৪, শনিবার গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো “নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান ২০২৪”। দিনব্যাপী এই আয়োজনে ছিল আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান ও মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান ২০২৪ অতিথিবৃন্দের উপস্থিতি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— গুরুকুল সিওও আজিজা আহমেদ গুরুকুল নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল মো: মতিয়ার রহমান কুষ্টিয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ স্মৃতি কণা হালদার টি.এস.বি. ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ-এর পরিচালক মো: সাকবার আলী এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুরুকুলের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ারিং ১ম পর্বের শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করা হয়। অপরদিকে ৮ম পর্বের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত বেস্ট বয় ও বেস্ট গার্ল-কে ট্রফি প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে নার্সিং ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্যাপ পরিধান, ফুলেল শুভেচ্ছা এবং শপথ বাক্য পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করা হয়, যা অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে। বক্তব্য বক্তব্য রাখেন— টি.এস.বি. ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ-এর পরিচালক মো: সাকবার আলী কুষ্টিয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ স্মৃতি কণা হালদার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিশেষ প্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন— গুরুকুল প্রমুখ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর গুরুকুল সিওও আজিজা আহমেদ সহকারী পরিচালক তানভির মেহেদী প্রিন্সিপাল মো: মতিয়ার রহমান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে গুরুকুল কালচারাল ক্লাব এবং ব্যান্ড “হিডেন” এর আয়োজনে পরিবেশিত হয় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করেন নৃত্য, সংগীত, নাটিকা ও কবিতা আবৃত্তি, যা উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে। গুরুকুলের এই আয়োজন শুধু নবীনদের প্রাণবন্ত সূচনা ও বিদায়ীদের আবেগঘন বিদায়ই নয়; বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে একতা, প্রেরণা ও সৃজনশীলতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। আরও দেখুন: গুরুকুলের নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানের বিদায়ী শিক্ষার্থীর বক্তব্য: স্মৃতি অম্লান, যাত্রা অনন্ত গুরুকুলের নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানের নবীন শিক্ষার্থীর বক্তব্য : স্বপ্নের পথে নতুন যাত্রা ফটো গ্যালারী: ফটো গ্যালারী:
শাহীন ক্যাডেট স্কুল, কুষ্টিয়া শাখায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
কুষ্টিয়ার অন্যতম স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শাহীন ক্যাডেট স্কুল (কুষ্টিয়া শাখা) তাদের শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নতুন জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক প্যানেলে দক্ষ ও যোগ্য প্রার্থী নিয়োগের লক্ষ্যে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। পদের বিবরণ ও যোগ্যতা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন বিষয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদনের জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নূন্যতম স্নাতক (সম্মান) বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে। শিক্ষা জীবনে কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানানো হয়েছে। অভিজ্ঞ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত (CV), সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের কপিসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে আবেদন করতে বলা হয়েছে। আবেদনের খামের ওপর পদের নাম স্পষ্ট করে লিখতে হবে। আবেদনের স্থান: শাহীন ক্যাডেট স্কুল, কুষ্টিয়া শাখা। বিভাগসমূহ: বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং বিজ্ঞানসহ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন বিষয়। বেতন ও সুবিধাদি নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রতিষ্ঠানের বেতন কাঠামো অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন প্রদান করা হবে। এছাড়াও বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ক্যাডেট স্কুলের বিধি অনুযায়ী কার্যকর হবে। বিশেষ নির্দেশনা শাহীন ক্যাডেট স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের ক্যাডেট কোচিং ও সৃজনশীল পদ্ধতিতে পাঠদানে পারদর্শী প্রার্থীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সময় প্রাথমিক বাছাই শেষে প্রার্থীদের মুঠোফোনের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪ উপলক্ষে গুরুকুল ক্যাম্পাসের ছুটির নোটিশ

এতদ্বারা গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের সকল পর্ব ও বর্ষের শিক্ষার্থীবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৪ উপলক্ষে ক্যাম্পাসে নির্ধারিত ছুটি ঘোষণা করা হলো। ছুটির সময়সূচি ১. একাডেমিক বিভাগের কার্যক্রম:০৬ জানুয়ারি ২০২৪ (শনিবার) থেকে ০৮ জানুয়ারি ২০২৪ (সোমবার) পর্যন্ত একাডেমিক বিভাগের সকল ক্লাস ও কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ২. সকল বিভাগের কার্যক্রম (একাডেমিকসহ):০৬ জানুয়ারি ২০২৪ (শনিবার) থেকে ০৭ জানুয়ারি ২০২৪ (রবিবার) পর্যন্ত গুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাসের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ছুটির পর ০৯ জানুয়ারি ২০২৪ (মঙ্গলবার) হতে একাডেমিক এবং অন্যান্য সকল কার্যক্রম যথারীতি শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করা হচ্ছে, ছুটিকালীন সময়ে নিজেদের নিরাপত্তার প্রতি সতর্ক থাকতে এবং নির্বাচনকালীন সরকারি আইন-শৃঙ্খলা বিধি যথাযথভাবে মেনে চলতে। ক্যাম্পাস প্রশাসন নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। আদেশক্রমেগুরুকুল কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস প্রশাসন শুধুমাত্র একাডেমিক বিভাগের ক্লাসের জন্য সকল বিভাগের জন্য আরও দেখুন: শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৩ উপলক্ষে ছুটির নোটিশ